Logo
শিরোনাম

কুমিল্লায় ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দুজনকে ফাঁসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাতিমারা গ্রামে দশবছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ২আসামীকে ফাসিঁ দিয়েছে  আদালত। সেই সঙ্গে প্রত্যককে একলক্ষটাকা অর্থদন্ড দেয় আদালত। 

মঙ্গলবার (৮নভেম্বর ) কুমিল্লার নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল-১ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- বাচ্চু মিয়া, আমীর হামজা। দন্ডপ্রপ্তরা শিশুশিশু আক্তারকে ধর্ষণ করে কুপিয়ে হত্যা করেছিলেন। 

নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল-১এর স্পেশাল পিপি এড. প্রদীপ কুমার দত্ত জানান- ২০১৮ সালের ৫মার্চ দুপুরে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাতিমারা গ্রামের শিমু আক্তার(১০০কে নিজবসত ঘরে ধর্ষণের পর কুপিয়ে হত্যা করে।তারঁ বাবা ছায়েদুল হক এর দায়ের করা মামলায় ১৬জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় আসামী বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজাসহ দুইজনকে মৃত্যু না হওয়া পযর্ন্ত ফাসিঁর রুজ্জুতে ঝুলিয়ে তাদের মৃত্যুদন্ডাদেশসহ একলক্ষ টাকা অর্থ দন্ড প্রদান করেছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত। 

 আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহতের পরিবার দাবী করেন যেকোন ধর্ষণ মামলায় যেন ফাসিঁ দেয়া আসামীদের পক্ষে যেন কোন আইনজীবি সহায়তা না করে। আর সেটা যেন সরকার একটি আইন প্রণয়নের দাবী নিহতের পরিবারের।

নারী ও শিশু দমন ট্রাইবুনাল-১এর স্পেশাল পিপি এড প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, ২০১৮ সালের ৫ মার্চ বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজা হাতিমারা গ্রামের শিমু আক্তারকে (১০) ধর্ষণ করে। পরে শিমু তার বাবাকে এঘটনার বিস্তারিত বলে দিবে বলে। তখন আসামী বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজা ঘরে থাকা বটি দা ও দা দিয়ে শিমু আক্তারকে কুপিয়ে ভিকটিমের নাকে, মুখে, তলপেটে, মাথার পিছনের দিকে, কপালে নীচে ডান চোখের কোনায় ঠোটে মুখে, গলার বাম পার্শ্বে এবং যৌনাঙ্গে মোট ১৩টি আঘাত করে তাকে খুন করে। এঘটনার পর শিমুর বাবা মো. ছায়েদুল হক মনোহরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্তকালে আসামী বাচ্চু মিয়া ও আমীর হামজাকে গ্রেপ্তার করার পর তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শিমুকে ধর্ষণ করে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে। 

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনে রায় ঘোষণা হয়েছে। আদালতের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।


আরও খবর



৪ মাসের সন্তান হত্যাকারী মা গ্রেফতার !

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

হাজীগঞ্জ(চাঁদপুর)প্রতিনিধি :

ময়নাতদন্তে হত্যার আলামত পাওয়ার পরেই ৪ মাস বয়সী শিশু শাহরিনের মা মানসুরা (৩০) গত সোমবার (২১ নভেম্বর) গ্রেফতার করেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে গত ৬ আগষ্ট। এই ঘটনায় নিহত শিশুর ফুফু হালিমা বেগম বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মানসুরা হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের মিজি বাড়ির প্রবাসী ফারুক হোসেন মিয়াজীর স্ত্রী ও হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৫নং ওয়ার্ড মকিমাবাদ গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন জানান, চলিত বছরের গত ৬ আগস্ট শিশু শাহরিনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুরের সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। দীর্ঘ কয়েকমাস পর পুলিশ ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. নাজিম উদ্দিন। 

 হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জোবাইর সৈয়দ জানান, শাহরিনের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হত্যার আলামত পাওয়ায় শিশুটির মা মানসুরাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তিনি আরো বলেন, তাঁর (মানসুরা) বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, চারমাস বয়সি শিশু শাহরিনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার খবর পেয়ে চলিত বছরের ৬ আগস্ট (রোববার) শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। শিশু মৃত্যুর বিষয়টি সেই সময় পুলিশের সন্দেহ হলে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার আগের দিন ৫ আগষ্ট শনিবার রাতের কোন এক সময় বাবার বাড়িতে মায়ের কাছে ঘুমিয়ে থাকাবস্থায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর শিশু শাহরিনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রবাসী বাবা ও পরিবারের সদস্যরা রহস্যজনক বলে মনে করেছিলেন। সেই সময় শিশুটির বাবার পরিবার মেডিকেল রিপোর্ট (ময়নাতদন্ত) পুলিশের তদন্তের উপর বিষয়টি ছেড়ে দেন।  

 শিশু শাহরিনের মা মানসুরার দ্বিতীয় স্বামীর ঘরের প্রথম সন্তান। মানসুরার প্রথম স্বামীর ঘরেও একটি সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকে তিনি প্রবাসী স্বামী ফারুক হোসেনের বসবাস করতেন।

এ বিষয়ে মানসুরা সংবাদকর্মীদের কাছে দাবী করে বলেন, আমি আমার সন্তানকে কেনো হত্যা করবো?। ওই দিন রাতে আমি প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে গেলে বাথরুমে বসেই শাহরিনের কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই। পরে দ্রুত ঘরে এসে তাকে কোলে তুলে দুধ দেই। কিন্তু সে দুধ মুখে নেয়না এবং নড়াছড়াও করেনা। আমার ননদরাই কেউ তাকে মেরে আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। আমার বিয়ের পর থেকেই তারা আমাকে মেনে নিতে পারেনি। 


আরও খবর



প্রমাণ মিলেছে রেলের টিকিট কালোবাজারির

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রেলের টিকিট কালোবাজারির ঘটনায় চক্রের ‘হোতা’ সহজ ডটকমের সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম রেজা ও তার সহযোগী মো. এমরানুল হক সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢাকা রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক ফ ম শাহ জাহান আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

চার্জশিটে আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫(১) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া পূর্ণাঙ্গ নাম ঠিকানা না পাওয়ায় আসামি সোহানসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সহজ ডটকমের সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম গত ৬ বছর ধরে কমলাপুর টিকিট সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ায় হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকের সঙ্গে ট্রেনের টিকিট বিক্রয় সংক্রান্ত কথোপকথনের মাধ্যমে টিকিট বিক্রয় করেছিলেন। তাছাড়া তিনি অবৈধ উপায়ে টিকিট ব্লক করে পরবর্তীতে যাত্রীদের কাছে কালোবাজারির মাধ্যমে অধিক দামে বিক্রয় করতেন। আসামি রেজাউল করিম তার সহযোগী সম্রাটের কাছে টিকিট সরবরাহ করতেন। সম্রাট এসব টিকিট তিনি নিজে ও তার অজ্ঞাত সহযোগীদের দিয়ে অধিকমূল্যে কালোবাজারির মাধ্যমে বিক্রয় করে আসছিলেন।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




নওগাঁয় ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষক আটক

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁয় ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে হাফিজুর রহমান নামের এক শিক্ষককে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক কর্তৃক অবরুদ্ধ অবস্থায় আটক করেছে থানা পুলিশ। সংবাদ সংগ্রহকালে এঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়নি। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। আটককৃত শিক্ষক হলেন, নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ঐ গ্রামের আশেক উদ্দিন দেওয়ান এর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের মেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাফিজুর এর বিরুদ্ধে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। তার বিচারের দাবিতে রবিবার ২৭ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকাল পৌনে ৩টা পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও গ্রামবাসিরা এক যোগে স্কুল ঘেরাও করে ঐ শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে রানীনগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হাফিজুর রহমান ও রানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম রেজা প্রয়োজনীয় পুলিশ  ফোর্সসহ বেলা ১১টায় ঘটনাস্থল ঐ স্কুলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজুরকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ। 

এঘটনায় ঐ স্কুলে পড়ুয়া ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী খুশি বানু (১২), ফাতেমা বানু (১৩), সুখী (১২), হালিমা (১৩) ও রিয়ামুনি (১০) জানায়, হাফিজুর মাষ্টার আমাদেরকে গায়ে হাত দিয়ে জামাকাপড় ধরে টানা হিঁচড়াসহ বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতো। এ কথা গুলো আমরা বাবা-মাকে বলেছি এবং তার বিচারের দাবিতে স্কুল ঘেরাও করেছি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী খুশির চাচা আজিজুল ইসলাম বলেন, গত বৃহস্পতিবার আমার ভাতিজিকে হাফিজুর মাষ্টার শ্লীলতাহানি করেছে। এর বিচারের দাবিতে আমরা গ্রামবাসী স্কুল ঘেরাও করেছি।

অপরদিকে শিক্ষক হাফিজুর রহমান সংবাদকর্মীদের বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ার ব্যাপারে আমি মেরেছি কিন্তু শ্লীলতাহানির মতো কোনো ঘঠনা আমি ঘটায় নি। এসব অভিযোগ মিথ্যা এবং বানোয়াট।

রানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম রেজা বলেন, মেড়িয়া স্কুলের শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে স্কুলে ঘেরাও করে রেখেছে এমন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে ঐ শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। 

রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক সহ স্থানীয়রা অবরুদ্ধ শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত "সংবাদ সংগ্রহকালে" এঘটনায় কেউ মামলা করেননি। 


আরও খবর



নওগাঁয় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ 

নওগাঁয় সততা সংঘের সদস‍্য ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। নওগাঁ শহরের বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ‍্যালয় মিলনায়তনে দূর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মঙ্গলবার ১ নভেম্বর দুপুর ১ টায় "দেশ গড়ার শপথ নিন, দূর্নীতিকে বিদায় দিন" শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দূর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ- পরিচালক মাহাম্মদ মাহমুদুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান পিএএ। অনুষ্ঠানে বক্তব‍্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জা ইমাম উদ্দিন, সাবেক এমপি ও স্কুল ম‍্যানেজিং কমিটির সভাপতি বেগম শাহিন মনোয়ারা হক, জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান, জেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শক্তিপদ চৌধুরী এবং স্কুলের দাতা সদস‍্য শহিদুল আলম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিত মজুমদার ও শিক্ষার্থী ফাইজা ফারুকী রিফতী। অনুষ্ঠানে বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ‍্যালয়ের সততা সংঘের ১১ জন সদস‍্য এবং ৭০ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরন ও স্কুল ব্যাগ, ছাতা, জামিতি বক্স, খাতাসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরন বিতরণ করা হয়। এ সময় দূর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ‍্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্ট ব‍্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন


আরও খবর



জামাত আন্তর্জাতিক ভাবেও স্বীকৃত সন্ত্রাসী দল....কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন  বিএনপি -জামাত শুধু বাংলাদেশের নয়,আন্তর্জাতিক ভাবেও স্বীকৃত সন্ত্রাসী রাজনৈতিক শক্তি। 

তিনি আজ এক বিবৃতিতে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে একথা বলেন। 

দেশের মানুষ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি নির্দেশে পরিচালিত বিভীষিকাময় অগ্নিসন্ত্রাসের কথা ভুলে যায়নি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের তাঁর বিবৃতিতে বলেন ২০১৩ সালে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য চলমান থাকা অবস্থায় ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন প্রতিরোধ করতে এবং ২০১৫ সালে বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক ঘোষিত তথাকথিত অবরোধ কর্মসূচির নামে জামাত-বিএনপির সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সারা বাংলাদেশে পেট্রোল বোমা ও অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।

তিনি আরও বলেন সে সময় সারাদেশে বিএনপি জামাত পরিচালিত এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে দেড় শতাধিক মানুষ নিহত হয়, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিএনপি জামাতের নজিরবিহীন এই সন্ত্রাসের সংবাদ প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ শীর্ষ নেতারা টেলিফোন যোগে তাদের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে মানুষ হত্যার নির্দেশনা দিচ্ছে,এমন টেলিফোন আলাপও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছিলো বলে দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। 

তিনি বিবৃতিতে বলেন সারাদেশের বিবেকবান মানুষ যখন জামাত-বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের নারকীয় ঘটনার বিচার দাবি করছে তখন বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্লজ্জভাবে অতীত অপকর্মের দায়ভার অস্বীকার করার হাস্যকর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন নির্বাচন ব্যতিরেকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কোন সুযোগ আর বাংলাদেশে নাই।

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই ক্ষমতায় আসতে হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিবৃতিতে আরও বলেন ক্ষমতায় আসতে এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিকল্প কোন পন্থা নেই, থাকবেও না।


আরও খবর