Logo
শিরোনাম
জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে

কুমিল্লায় জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক ,কু‌মিল্লা।। 

ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুমিল্লা দক্ষিন জেলা, মহানগর জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

১০ আগষ্ট বুধবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা কান্দিরপাড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

বিক্ষোভ মিছিল শেষে ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এয়ার আহমেদ সেলিম, আরো বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কবির মোহন, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির মুন্সী, মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম সেলিম, সদস্য সচিব কাজী মো: নজমুল, জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী জোৎস্না আক্তার, সাধারণ সম্পাদক জোনাকী মুন্সী, মহানগর মহিলা পার্টির সভাপতি রোকসানা আক্তার, শ্রমিক পার্টির সভাপতি হোসেন গাজী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ওলামা পার্টির সভাপতি আলহাজ¦ মাও. ইয়াছিন নুরী, মহানগর জাতীয় যুব সমিতির সভাপতি রাশেদুল হাসেম ভুইয়া শামিম, সাধারণ সম্পাদক শাহিন খন্দকার, জাতীয় যুব সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রশিদ মাহবুব, ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক ময়নাল খান, বুড়িচং উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম মাস্টার, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি বাদল বড়ূয়া, সেক্রেটারী ফয়েজ আহমেদ, ১২নং ওয়ার্ড  সভাপতি নাজির হোসেন ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক নাছির খন্দকার, ১৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল হালিম, ১৪ নং ওয়ার্ড সভাপতি এম এ সবুর, মহানগর জাপার নেতা মুশফিকুর রহমান মুকুলসহ আ‌রো অ‌নে‌কে।


আরও খবর



১০ কোটি টাকা চেয়ে আদালতে সেই জজ মিয়া

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা মামলায় ফাঁসানো আসামি জজ মিয়া ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে এবার হাইকোর্টে রিট করেছেন। গত (১২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে তার আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব এ বিষয়ে রিট করার অনুমতি নেন।

এর আগে ১১ আগস্ট জজ মিয়ার পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও আইনজীবী মোহাম্মদ কাউছার স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১১ জন বরাবরে এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেন। আরো যাদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তারা হলেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ওসি, পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), তৎকালীন আইজিপি খোদা বক্স চৌধুরী, তৎকালীন এএসপি আব্দুর রশিদ, তৎকালীন এএসপি মুনশি আতিকুর রহমান এবং তৎকালীন বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন।

নোটিশে ওই ঘটনার জন্য জড়িত ব্যক্তিদের দায় নির্ধারণের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। যাদের দায় পাওয়া যাবে তাদের কাছ থেকে ওই ক্ষতিপূরণ আদায় করে জজ মিয়াকে দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ জড়িত ব্যক্তিদের স্থাবর সম্পত্তি জব্দের আইনগত পদক্ষেপের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। নোটিশে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় হাইকোর্টের রিট করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী। তবে নোটিশে কোনো সাড়া না পেয়ে এবার হাইকোর্টে রিট করছেন জজ মিয়া।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে দলের নেতাকর্মীসহ ২২ জন নিহত হন।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




তীব্র যানজটে নাকাল ঢাকাবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল : রাজধানীর সড়কে যানজটে নাকাল নগরবাসী। কোনোভাবেই এ ভোগান্তি থেকে মিলছে না মুক্তি। অতিষ্ঠ নগরবাসী বলছেন, যানজটে কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ায় চাকরি হারানোর ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময় গন্তব্যে যেতে পারছেন না তারা। রবিবার সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সকাল থেকেই তীব্র যানজটে নাকাল হতে হয় রাজধানীবাসীকে।

নগরীতে গণপরিবহন, ব্যক্তিগত যানবাহনের পাশাপাশি অটোরিকশা, মোটরসাইকেলের চলাচলও বেড়েছে। এদিকে সড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রী তোলার জন্য গণপরিবহনগুলো সড়কের অনেকটা জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। যাত্রী-পথচারীদের তাড়া বেড়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানীর সড়কগুলোতে ছিল তীব্র যানজট।

যানজটের কারণে রাজধানীতে গাড়ির গতি কমে যায়। এ কারণে নির্দিষ্ট সময়ে গাড়ি না আসায় দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডে অপেক্ষায় থাকেন যাত্রীরা। এতে নষ্ট হয় কর্মঘণ্টা। বিলম্ব হয় অফিস যেতে। নগরবাসীর ভোগান্তির পাশাপাশি যানজটে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন শ্রমিকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রবিবার রাজধানীর প্রবেশদ্বার যাত্রাবাড়িতে দেখা যায় গণপরিবহনের তীব্র চাপ। এই মোড়ে সারি সারি বাস সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সেই সঙ্গে মোড়ের শেষপ্রান্তে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে দূরপাল্লার গণপরিবহনগুলোকে।

অপরদিকে, রাজধানীর হাউস বিল্ডিং, আজমপুর, জসীম উদ্দীন মোড় হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কে রয়েছে যানজট। খিলক্ষেত থেকে কুড়িল, নতুনবাজার, বাড্ডা হয়ে রামপুরা-মালিবাগ, খিলক্ষেত থেকে র‌্যাডিসনের সামনে দিয়ে বনানী-কাকলী, মহাখালী হয়ে সাতরাস্তা, মগবাজার হয়ে রমনা, গুলশান-১ ও ২ নম্বর সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনেও যানবাহন ও পথচারীর চাপ রয়েছে।

আরমান আরিফ নামে এক পথচারী বলেন, যানজট বড় সমস্যা। রাজধানীতে থাকতে হলে যানজটকে সঙ্গে নিয়েই থাকতে হবে। কারণ যে পরিমাণে গাড়ি সড়কে বেড়েছে তা যাত্রীদের তুলনায় অনেক বেশি এবং এসব গাড়ি একসঙ্গে চলাচলে পর্যাপ্ত সড়ক নেই। যেটুকু আছে সেখানেও সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলছে বছরের পর বছর। এখনো বিভিন্ন সড়কের পাশে ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিং করে রাখা হচ্ছে। অথচ অধিকাংশ ভবনের ভেতরে সঠিক পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। এতেও যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

পুলিশের ট্রাফিক সদস্যরা বলছেন, যানবাহন চালকরা সঠিক নিয়ম মেনে চলাচল করেন না। এতে সড়কে নানা ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়। তাছাড়া সড়কে চলাচলে যাত্রী-পথচারী ও যানবাহনের চালক কেউই আইন মেনে চলেন না।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




বাগেরহাটের শরণখোলায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান পুড়ে ছাই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা বাজারে ভয়াভহ এক অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান পুড়ে সমপূর্ণ ভস্মিভুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে উপজেলার হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে দোকান গুলির প্রায় কোটি টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানাগেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফজরের নামাজ শেষে রাস্তায় বের হয়ে ওই দোকানগুলিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন। সাথে সাথে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। ততক্ষনে দোকানগুলি পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভ‚ত হয়ে যায়। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক মোঃ ওহিদুজ্জামান লিটনের ফার্নিসারের দোকানের প্রায় ১০ লাখ ও মোঃ মোস্তফা হাওলাদারের ১২ লাখ, মোঃ জাহাঙ্গীর শাহ’র হাসান গার্মেন্টস এর ৫০ লাখ, মোঃ ওলিউল্লাহ হাওলাদারের পাখি হাউসের প্রায় ৮ লাখ এবং আঃ সালাম হাওলাদারের তিনটি গোডাউনের ১৮ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে তারা জানান।

শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, শরনখোলায় প্রায়ই বিভিন্ন বাজারে আগুন লাগে যা এই ২য় গ্রেডের ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন থেকে নিয়ন্ত্রন করতে বেগ পেতে হয়। তাই এই ষ্টেশনকে ৩য় গ্রেডে উন্নিত করার দাবী জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নুর ই আলম সিদ্দিকী বলেন, ক্ষদিগ্রস্তদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিধি অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা করা হবে।


আরও খবর



পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ভারতে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় চাহিদা বাড়ছে ভারতে। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভারতের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। তাছাড়া দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অর্থাৎ, ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। ফলে এখন ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

 চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ভারতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১০ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার ডলারের। গত বছরের একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৫ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৮ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরে একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৪ কোটি ১৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৯৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে ভারতে ৭ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। পরের মাস আগস্টে বাংলাদেশ থেকে ১১ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের পোশাক কিনেছেন ভারত। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি বেড়েছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

ভারতের বাজারে অন্য পণ্যের রপ্তানিও বেড়েছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে (২০২১-২২) ভারতে বাংলাদেশের রফতানি ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের ঘরে পৌঁছে, যা ছিল আগের অর্থবছরের (২০২০-২১) চেয়ে ৫৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, এখন ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অর্থাৎ, ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে।

গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তারা জানান, ভারতের অনেক ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশের কারখানায় পোশাক তৈরি করে নিজেদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন। এতে তাদের একদিকে যেমন লিড টাইম কম লাগছে, অপরদিকে খরচও কম হচ্ছে। এছাড়া ভারতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশটিতে বাড়ছে ব্র্যান্ড-সচেতনতা। এ কারণে সেখানে স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোও যখন দেশটিতে নতুন নতুন বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে শুরু করেছে- ঠিক এমন সময় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট বাড়ছে। অর্থাৎ এই সংকট থেকে উত্তরণে প্রায় দেড়শ’ কোটি লোকের চাহিদা মেটাতে হলে ভারতকে বাংলাদেশ থেকেই পোশাক কিনতে হবে। কারণ,ভারতে পোশাক তৈরিতে যে খরচ হয়, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করলে তার থেকে অনেক কম পড়ে। সে কারণে সব হিসাব-নিকাশ করেই তারা এখন বাংলাদেশ থেকে বেশি বেশি পোশাক কিনছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি কারখানার কাছ থেকে পোশাক নিয়ে টাকা দেয়নি ভারতীয় কোম্পানি লিলিপুট। সে জন্য ওই সময় থেকে বেশ কয়েক বছর ভারতে পোশাক রফতানিতে ভাটা পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন শহরে পোশাকের নামিদামি বিদেশি অনেক ব্র্যান্ড বিক্রয়কেন্দ্র খোলায় পোশাক রফতানি বৃদ্ধি পায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ভারতের কাপড়ের বাজার হবে ৫ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতে ১২৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি হয় ১০৯ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারতে ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে ছাড় দেয়া হবেনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো ঃ

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম হানিফ বিএনপির মহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কথা বলে যে আপনার ভাংচুর করলেন এর দায়ভার কে নিবে। আপনার আন্দোলনেরে কথা বলে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নষ্ট করবেন- আর সরকার কি বসে বসে দেখবে। সরকার ব্যবস্থা নিলে মামলা দিলে আপনাদের শুরু হয়ে যায় কান্নাকাটি।  বলেন, আপনাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আপনাদের বিচারহীন রাজনীতি মিথ্যাচারের রাজনীতি পরিহিার করতে হবে।

শুক্রবার বিকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন। 

দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আউয়াল সরকারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুস সবুর, ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য সাবেক এমপি এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সি, সাবেক এমপি গোলাম মোস্তফা, স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দেবিদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

সম্মেলনে সফিউল হক কে সভাপতি, কামাল চৌধুরীকে সাধারণ সাধারণ সম্পাদক করে দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, আন্দোলনের নামে যদি কোন সহিংসতা করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আছে তারা ব্যবস্থা নিবে। আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। বাংলাদেশের যে কোন অপশক্তিকে প্রতিহত করতে আমাদের নেতাকর্মীরা সহযোগিতা করবে।


আরও খবর