Logo
শিরোনাম

লাগাদার কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন দেশের সব চা বাগানের শ্রমিকরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

আহমেদ ফারুক মিল্লাত মৌলভীবাজার ঃ

চা শ্রমিকদের ৩’শ টাকা মজুরি বৃদ্ধির দাবীতে ডাকা দুই ঘন্টা কর্মবিরতির আজ শুক্রবার ছিলো শেষ দিন। এদিকে টানা ৪র্থ দিনেও শ্রমিকদের দাবী দাওয়ার বিষয়ে মালিক পক্ষের আশ্বাস না পাওয়ায় আগামীকাল শনিবার থেকে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি, ফ্যাক্টরির সামনে অবস্থান ধর্মঘটসহ বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছেন সাধারন চা শ্রমিকরা। 

এদিকে টানা দুই ঘন্টা কর্মবিরতির শেষ দিনে মৌলভীবাজার জেলার ছোট বড় মিলিয়ে ৯৭টি চা বাগানসহ দেশের ১৬৭টি চা বাগানে এক যোগে বাগান পঞ্চায়েত সভাপতির নেতৃত্বে শ্রমিকরা মিছিল মিটিং করেছেন। এসময় সাধারন শ্রমিকরা বলেন, মাত্র ১২০ টাকা মজুরিতে কি ভাবে সংসার চলবে। এক লিটার তেলের দাম কত, চাল, ডাল, ছেলেমেয়েদের স্কুল খরচ, সংসাদের চিকিতসা খরচ। তাই তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। 

এদিকে চা শ্রমিকদের আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়েনের নেতৃবৃন্দরা জানিয়েছেন, আজ বিকেলের মধ্যে মজুরি বৃদ্ধির দাবী মানা না হলে আগামীকাল সকাল থেকে মৌলভীবাজার জেলার সবগুলো চা বাগানসহ দেশের সবকটি চা বাগানে পূর্ণ দিবস কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচী পালন করা হবে। 

উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে চা শ্রমিকদের সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ এবং চা জনগোষ্টি রয়েছে প্রায় ৬ লাখ। এদিকে নূন্যতম মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চা শ্রমিকদের মজুরী ১২০টা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অপরদিকে বাগান মালিক ও শ্রমিকদের দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে তাদের মজুরী ১২০ টাকার সাথে ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩৪ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অথচ দেশের বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির মাঝে এই টাকা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। তাই তারা দৈনিক মজুরি নুন্যতম ৩’শ টাকার দাবীতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছেন চা শ্রমিকরা।


আরও খবর

ফকিরহাটের জন্য সম্মান বয়ে আনলেন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




অস্তিত্ব সংকটে শীতলক্ষ্যা

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রবিবার বিশ্ব নদী দিবস। প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। বাংলাদেশেও নানা আয়োজন থাকে। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সব নদ-নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। তুরাগ নদ রক্ষায় মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ওই রায় দেয় হাইকোর্ট।

এর আগে ২০১৭ সালে কলম্বিয়ার সাংবিধানিক আদালত ‘রিয়ো এট্রাটো’ নামক একটি নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করে। নদীটি সোনা আর কয়লার খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াতে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায় ও অন্যদের জন্য ব্যাপক সমস্যা হচ্ছিল।

নিউজিল্যান্ডের একটি নদীকেও জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করা হয়, ওই নদীকে সেখানকার মানুষ খুবই পবিত্র মনে করে একে ঘিরে নানা উপাসনাও করত। ভারতের মধ্য প্রদেশের রাজ্য আদালত থেকে নর্মদা নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা দেওয়া হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০২১ সালের এক জরিপে জানা গেছে, সারা দেশে ৬৫ হাজার ১২৭ জন নদী দখলদার রয়েছে। তবে এরমধ্যে ১৯ হাজার ৮৭৪ জন অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসক জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি একই সঙ্গে তিনি জেলা পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক। জেলা প্রশাসক পরিবেশ অধিদপ্তর, মৎস্য অফিস, কৃষি অফিস, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিআরডিবি, পরিবেশবাদী, জনপ্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি, মিডিয়ার প্রতিনিধির সমন্বয়ে নদী রক্ষার কাজকে এগিয়ে নিতে হবে। তাছাড়া জলাধার সংরক্ষণ আইন ২০০০, পানি আইন ২০১৩, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন ২০১৭, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ কঠোর প্রয়োগে সুফল আসতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।

 শীতলক্ষ্যার পানি হাতে বা শরীরে লাগলে চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নদী ভরাট, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও স্থাপনা নির্মাণ করছেন।

তারা আরো জানান, উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতলক্ষ্যা নদী পাড়ের কৃষিজমিগুলো ছিল ফসলে ভরা। নদীতে ছিল নানা প্রজাতির মাছ। এখন শীতলক্ষ্যায় বিপন্ন জীববৈচিত্র্য, আর বেকার জেলে পরিবার।

তারা আরো জানান, কারখানা গড়ার আগে স্থানীয় কিছু মানুষকে সেখানে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। আর চাকরির কারণে স্থানীয়রাও তেমন কিছু বলেন না। মাঝে মাঝে সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো নদী রক্ষায় আন্দোলন করে। আর নীতিনির্ধারকরা বরাবরই উদাসীন থাকেন।

ঘোড়াশাল পৌর এলাবার জামালপুর গুদারাঘাটের নৌকার মাঝি হাসমত আলী বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত এই ঘাটে নৌকা চলাই। নদীর পানি আগে এতটাই দূষিত যে নৌকা চালাতে ভয় হয়। ‘বাঁচাও শীতলক্ষ্যা’ আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহবুব সৈয়দ বলেন, একটা সময় আসবে যখন দেশজুড়ে নগর-জনপদের বিপুল পানির চাহিদা পূরণ করতে হবে নদী থেকে। কারণ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনক মাত্রায় নিচে নেমে গেছে।


আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




সব রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ দামে সোনা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফ‌লে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভ‌রি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকায়, যা ছিল ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। রবিবার থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাজুস। এর আগে কখনো দেশের বাজারে সোনার এতো দাম হয়নি।

নতুন দাম অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, দেশের বাজারে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার সর্বোচ্চ দাম ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা হয়েছিল। সে হিসাবে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে রোববার থেকে সর্বোচ্চ দামে সোনা বেচাকেনা হবে।

এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৭১৫ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম বেড়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা, এখন বিক্রি হবে ৬৯ হাজার ১৬৮ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ হাজার ৩৮৭ টাকা।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।


আরও খবর

স্বর্ণের দাম কমেছে

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




আসামে গ্রেফতার ১৭ বাংলাদেশি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

পর্যটন ভিসায় ভারতে গিয়ে আসামে ধর্মপ্রচাররের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ১৭ বাংলাদেশি নাগরিক। ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে।

রোববার আসাম পুলিশের ডিজি ভাস্করজ্যোতি মহন্ত বলেন, অনেক সময় বাংলাদেশ থেকে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতে এসে ধর্মের প্রচার করেন প্রচারকরা। অনেকে আবার মৌলবাদেরও প্রচার করেন। এ ধরনের অনেক প্রচারকের আসামে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার আসামের বিশ্বনাথ জেলার বাঘমারি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে আটজন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। বাকিরা বিচার বিভাগীয় হেফাজতে আছেন। গ্রেফতাকৃত ব্যক্তিরা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে থেকে বিশ্বনাথ একটি ধর্মীয় সভার আয়োজন করেছিলেন।


আরও খবর



ঢাকায় থাকলো না প্লট ভিত্তিক আবাসন পদ্ধতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :   নগর এলাকায় জায়গার স্বল্পতা থাকায় অপেক্ষাকৃত কম জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ব্লকভিত্তিক উন্নয়ন জরুরি। 

নতুন পরিকল্পনার উদ্দেশ্য পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান রেখে অপেক্ষাকৃত ছোট ছোট প্লট একত্রীকরণ। এর ফলে বেশি উচ্চতাবিশিষ্ট ইমারত নির্মাণ করা যাবে। জমি অধিগ্রহণ বাবদ খরচও কমে যাবে। 

তাছাড়া যত্রতত্র নগরাঞ্চল সম্প্রসারণ কমিয়ে আনা এবং শহরের নিচু জমি ও কৃষিজমির সুরক্ষা করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

ড্যাপের লক্ষ্য হচ্ছে বিভিন্ন এলাকার জনসংখ্যার ঘনত্বের অনুপাতে সেখানকার নাগরিক সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ঢাকাকে একটি উন্নত বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলা। 

২০৩৫ সালের মধ্যে একটি বিস্তৃত এলাকাজুড়ে পরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে তুলে আরও ২.৬ কোটি লোকের বাসস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যও রয়েছে ড্যাপের।

ঢাকার সবচেয়ে জনবহুল এলাকা যেমন লালবাগ, বংশাল, সবুজবাগ এবং গেন্ডারিয়ায় বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করেছে ড্যাপ। এই এলাকাগুলোতে প্রতি একরে ৭০০ থেকে ৮০০ জন বাস করে, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ।

কেন্দ্রীয় ঢাকায় প্রতি একরে ২০০ জন এবং পুরান ঢাকার এলাকায় প্রতি একরে ২৫০ জনের ঘনত্ব বজায় রাখতে চায় ড্যাপ।

আবাসন খাতের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা বলছেন, প্লট হাউজিং স্কিমের পরিবর্তে ব্লক-ভিত্তিক ব্যবস্থা করা আবাসন খাতকে হুমকির মুখে ফেলবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে ড্যাপের ঢাকায় ভবন নির্মাণ বিধিমালা বাস্তবায়ন না করার জন্য অনুরোধ করেছিল রিহ্যাব। তারা আশঙ্কায় করেছিল, এ পরিকল্পনা আবাসন খাতের ২৬৯টি সহযোগী শিল্পকেও প্রভাবিত করবে।

এ সময় ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলাম রিয়েলটরদের দাবিকে 'সম্পূর্ণ অযৌক্তিক' বলে অভিহিত করেন।

তিনি সেসময় বলেন, "আমরা ২০৩৫ সালের ঢাকার ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে পরিকল্পনাটি তৈরি করেছি যাতে কোনো এলাকা অতিরিক্ত জনবহুল না হয়। পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা মিশ্র ভূমি ব্যবহারের জন্য কিছু নিয়ম-কানুন প্রস্তাব করেছি।"

ড্যাপ ২০১৬-২০৩৫ এ যা আছে

প্রকল্প এলাকাকে ছয়টি স্বতন্ত্র প্রধান অঞ্চলে এবং ৭৫টি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।

ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকাসহ কৃষি, প্রাতিষ্ঠানিক, জলাশয়, বনাঞ্চল, উন্মুক্ত স্থান, যোগাযোগ, বন্যা প্রবাহ ইত্যাদি এলাকাসমূহ পরিকল্পনায় চিহ্নিত করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজউকের ১৫২৮ বর্গকিলোমিটার এলাকার ৬০ শতাংশ শহরাঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

ড্যাপের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ঢাকায় ২২৮ কিলোমিটার আন্তঃআঞ্চলিক সংযোগ সড়ক রয়েছে, যা বাড়িয়ে ২৯১ কিলোমিটার করা হবে। এছাড়া সংগ্রাহক সড়কটিকে ১২০০ কিলোমিটার প্রসারিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

পাশাপাশি, শহরে ২০২ কিলোমিটার সাইকেল লেন এবং ৫৭৪ কিলোমিটার জলপথ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন ড্যাপে বুড়িগঙ্গা নদীকে ঘিরে একটি সাংস্কৃতিক অঞ্চল তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে। ঐতিহাসিক স্থানগুলোকে সংরক্ষণ করে পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করার পরামর্শও রয়েছে পরিকল্পনায়।

ঢাকার চারদিকে মোট ১৩টি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এবং ২টি ট্রাক টার্মিনালের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

জনমানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী বিদ্যমান রাসায়নিক গুদামসমূহ পর্যায়ক্রমে স্থানন্তরের সুপারিশ করা হয়েছে পরিকল্পনায়।

 


আরও খবর

ঢাকায় বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বাজেট ঘোষণা

মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22




করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের বয়সে ছাড় ৩৯ মাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে থাকায় সরকারি চাকরিতে বয়সে ৩৯ মাস ছাড় পেলেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনার চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে বিসিএস পরীক্ষা এর আওতায় আসবে না।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং সংস্থাগুলোকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২০২০ সালের ২৫ মার্চ নির্ধারণ করার জন্য বলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৫ মার্চের পর থেকে যাদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর পার হয়েছে বা হচ্ছে, তারা ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জারি করা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্য হবেন। এক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীরা করোনার কারণে বয়সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৯ মাসের ছাড় পেলেন।

নির্দেশনার চিঠিতে বলা হয়, যেসব মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও এর অধীন অধিদপ্তর/পরিদপ্তর/দপ্তর এবং সংবিধিবদ্ধ/স্বায়ত্তশাসিত/জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন ক্যাটাগরির সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ছাড়া) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সেসব দপ্তর/প্রতিষ্ঠানের আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিতব্য বিজ্ঞপ্তিতে ওই সব পদে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চে সর্বোচ্চ বয়সসীমার মধ্যে থাকলে তারা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদগুলোতে নিয়োগের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের।

করোনা মহামারির প্রথম দফায় সাধারণ ছুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাকরিপ্রার্থীদের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দেয় সরকার। তখন গত বছরের ২৫ মার্চের পর যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছিল তাদের পরবর্তী ৫ মাস, অর্থাৎ আগস্ট পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর করোনার নতুন ঢেউ এলে ফের লকডাউন দেয় সরকার। এরপর গত বছরের (২০২১) ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্থাৎ ২১ মাস বয়সের ছাড় পান সরকারি চাকরিপ্রার্থীরা। এরপরও বাগে আসেনি করোনা সংক্রমণ। বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে গেছে অনেকটা সময়। 

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। ওই বছরের ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল।


আরও খবর

এক এনআইডিতে ১৫টির বেশি সিম নয়

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২