Logo
শিরোনাম

লালমনিরহাটে সুইডেন দূতাবাসের প্রতিনিধি দল স্বপ্ন প্রকল্প পরির্দশন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সুইডেন দূতাবাসের প্রতিনিধি দল স্বপ্ন প্রকল্পের ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিদর্শনে এসেছেন ডেপুটি হেড অফ মিশন মিস মারিয়া স্ট্রিডসম্যান। এসময় তিনি বলেন ,এই প্রকল্প দীর্ঘনি চলবে। 

লালমনিরহাটে উৎপাদনশীল ও সম্ভাবনাময় কর্মের সুযোগ গ্রহণে নারীর সামর্থ্য উন্নয়ন (স্বপ্ন) প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপকারভোগী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলাসাড়ে ১১ টায় লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের বাস্তবায়নে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইউএনডিপির আয়োজনে এ ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপকারভোগী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিদর্শন করেন বাংলাদেশের ঢাকা সুইডেন দূতাবাস দলের হেড অফ ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশনের কাউন্সিলর/ ডেপুটি হেড অফ মিশন মিস মারিয়া স্ট্রিডসম্যান, বাংলাদেশের ঢাকা দূতাবাসের কূটনীতিক মিস ফ্রেডরিকা নরেন, বাংলাদেশ ঢাকা’র সুইডেন দূতাবাস ন্যাশনাল প্রোগ্রামার অফিসার  ইকরামুল এইচ সোহেল। এ সময় ইউএনডিপির বাংলাদেশের আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ চাকমা, স্বপ্ন ও উইং এর জাতীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক  কাজল চ্যাটার্জি, সিনিয়র সহকারী কমিশনার (আরডিসি, ভূমি অধিগ্রহণ, আরএম শাখা) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট  রুবেল রানা, ইউএনডিপির আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মোহাম্মুদুল হক মুকুল, রাজপুত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন মোফা, প্রমুখ।


জানা যায়, রাজপুর ইউনিয়নের ৪, ৫ এবং ৬নং ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম শুরু হয়। উক্ত ওয়ার্ড হতে এই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১২জন দুঃস্থ মহিলা উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীতে বাকি ওয়ার্ড হতে একই পদ্ধতিতে আরও ২৪জন উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত উপকারভোগীগণ ১২ মাসের জন্য SWAPNO (স্বপ্ন) প্রকল্পের আওতায় ঐ এলাকার রাস্তা ঘাট ও অন্যান্য সরকারি সম্পদ উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করবেন। নির্বাচনের ১ সপ্তাহ পূর্বে সংশ্লিষ্ট এলাকায় মাইক/ ঢোল সহরতের মাধ্যমে প্রচার করা হবে। নির্ধারিত তারিখে লটারির মাধ্যমে মহিলা উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সম্পন্ন হবে। তন্মধ্যে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৩৭জন ডাটা ইন্টি করে।

পরে লালমনিরহাট সদরের স্বপ্ন প্রকল্প ও রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতায় “তিস্তা নিরাপদ পানি” শোধনাগার স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

প্রসঙ্গত, তিনি ২০ মে হতে ২২ মে পর্যন্ত সুইডিশ দূতাবাসের প্রতিনিধি দলটি নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট এবং কুড়িগ্রামের স্বপ্ন প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী মহিলাদের মাঠ পরিদর্শন করেন।


আরও খবর



তারল্য সংকট ব্যাংক ঋণে

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে  রিপোর্ট:


সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, উচ্চ সুদহার এবং তারল্যসংকটের প্রভাব পড়েছে ব্যাংকের ঋণ বিতরণে। পর্যাপ্ত নগদ টাকা না থাকায় চলতি বছরের এপ্রিলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় কমেছে। 


এপ্রিলে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৯.৯০ শতাংশ, যা বিগত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তার আগে মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ঋণের প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যের নিচে নেমে এসেছে। 


আর ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২.৬২ শতাংশ। এরপর টানা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে।



একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ঋণ বিতরণ বেড়েছিল। কিন্তু ঈদের পরেই এপ্রিলে এসে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আর অর্থনীতির গতি কমে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা সম্প্রসারণে খুব একটা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। 


আবার গত বছরের জুলাইয়ের পরই ঋণের সুদহার বেড়েছে অনেক বেশি। জুনের পর সর্বোচ্চ সুদহারের সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেওয়ার পরই তা ক্রমান্বয়ে বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। সে জন্য ব্যবসায়ীরা ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদহারকেও বিবেচনায় নিয়ে কম ঋণ নিচ্ছেন। আবার অনেক ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে ঋণ বন্ধ রেখেছে। 


এজন্য ঋণের প্রবৃদ্ধি ক্রমান্বয়ে কমছে। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে ডলারের রেট বাড়ছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানি করার ক্ষেত্রে নানা হিসাব করছেন; যার কারণে ঋণের প্রবৃদ্ধি হ্রাসে একটা প্রভাব দৃশ্যমান হয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১.২৮ শতাংশ। এই ঋণ বিতরণের হার কমে মে মাসে দাঁড়ায় ১১.১১ শতাংশ। জুন মাসে প্রবৃদ্ধির হার কমে হয় ১০.৪০ শতাংশ এবং জুলাই মাসে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯.২৮ শতাংশ। 


আগস্টে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৭৫ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৯.৬৯ শতাংশ। তবে অক্টোবরে বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ১০.০৯ শতাংশ হয়। পরে নভেম্বরে কমে তা হয় ৯.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বরে সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০.১৩ শতাংশে। 


এরপর আবার কমতে শুরু করে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়ায় যথাক্রমে ৯.৯৫ শতাংশ এবং ৯.৯৬ শতাংশে। কিন্তু মার্চে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি। 


মার্চে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৪৯ শতাংশ। তার পরের মাস এপ্রিলে আবার কমে তা এক ডিজিটের ঘরে নেমে আসে। এ মাসে ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯.৯০ শতাংশ।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




নতুন সূচিতে চলবে মেট্রোরেল

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

সরকার নির্ধারিত নতুন অফিসের সময়সূচির কারণে পরিবর্তন হয়েছে মেট্রোরেলের পিক ও অফ পিক আওয়ারের সময়। আর তাই আজ বুধবার থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে মেট্রোরেল। শুরু ও শেষের সময় একই রকম থাকলেও মাঝে পিক ও অফ পিক সময় পরিবর্তন হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে মেট্রোরেলের কার্যালয় ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গত ৬ জুন সরকার থেকে অফিসের সময়সূচি ৯ থেকে ৫টা পর্যন্ত করেছে। এই সময়সূচি ১৯ জুন থেকে কার্যকর হবে। এজন্য মেট্রোরেলের পিক ও অফ পিক আওয়ারের সময়তেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী উত্তর থেকে থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আগের মতোই স্পেশাল অফ পিক থাকবে। এই সময় হেডওয়ে হবে ১০ মিনিট। আর সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ৩৬ মিনিট পর্যন্ত পিক আওয়ার। এই সময় হেডওয়ে হবে ৮ মিনিট। আবার সকাল ১১টা ৩৭ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ২৪ মিনিট থেকে অফ পিক আওয়ার। এ সময় ১২ মিনিট হেডওয়ে। আবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৩২ মিনিট পিক আওয়ার। এ সময় হেডওয়ে ৮ মিনিট। আবার রাত ৮টা ৩৩ মিনিট থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত স্পেশাল অফ পিক। এ সময় হেডওয়ে হবে ১০ মিনিট।

আবার অন্যদিকে মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর পর্যন্ত সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত স্পেশাল অফ পিক। এই সময় হেডওয়ে ১০ মিনিট। সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৮ মিনিট পিক আওয়ার। এ সময় হেডওয়ে ৮ মিনিট। দুপুর ১২টা ৯ মিনিট থেকে দুপুর ৩টা ৪ মিনিট স্পেশাল অফ পিক। এ সময় হেডওয়ে ১২ মিনিট। আবার দুপুর ৩টা ৫ মিনিট থেকে রাত ৯টা ১২ মিনিট পর্যন্ত পিক আওয়ার। এ সময় হেডওয়ে ৮ মিনিট। রাত ৯টা ১৩ মিনিট থেকে রাত ৯টা ৪০ স্পেশাল অফ পিক। এ সময় হেডওয়ে ১০ মিনিট।

আগের মতোই সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার ৷ এছাড়া শনিবার ছাড়া সব সরকারি ছুটির দিনে মেট্রো ট্রেন ১২ মিনিটের পরিবর্তে ১৫ মিনিট করা হয়েছে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




বাস মালিকদের ‘প্রেসক্রিপশনে’ কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেন বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল রিপোর্ট:



চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকরা কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেন চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত অনতিবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।


 সংগঠনটি বলছে, বাস মালিকদের প্রেসক্রিপশনে কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেন বন্ধ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে)  বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।


বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার রেলসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ তৈরি করেছে। ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রেলপথ নির্মাণের পরে শুধু রাজধানীবাসীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ঢাকা থেকে কক্সবাজার দুটি ট্রেন সার্ভিস চালু করা হয়েছে। 


ফলে চট্টগ্রাম, দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জনগণ জমিজমা, ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নদী-নালা, খাল-বিল বিলীন করে রেলপথের জায়গা জন্য ছেড়ে দিলেও এই ট্রেন সার্ভিস চালুর পর থেকে তারা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে যাতায়াতের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এতে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।


এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবির মুখে গত ঈদুল ফিতরের সময়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রেলপথে কক্সবাজার স্পেশাল নামে একটি ট্রেন সার্ভিস চালু করা হয়।


 সড়ক পথে নৈরাজ্য, সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের হাত থেকে মুক্তি পেতে যাত্রী সাধারণ যখন সীমিত সুবিধা এই ট্রেনটির প্রতি ঝুঁকছিলেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রেনটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে যাত্রী বান্ধাব বাহনে পরিণত হয়।



ট্রেন সার্ভিসটি ঈদের পর নির্ধারিত সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয় রেল প্রশাসনের মাঠ জরিপ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রেনটি চলাচলের সময়সীমা দুই দফা বাড়ানো হয়েছে। 


এহেন পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রীরা যখন এই ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াত করছিলেন, তখন বাস মালিকেরা একে একে সব পরিবহনে যাত্রী সংকট দেখা দিলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে যাত্রী প্রতি বাস ভাড়া ১০০ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়।


 তারপরেও বাসে যাত্রী না পাওয়ায় বাস মালিকেরা রেল প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে ফেলেছে বলে এই রুটে যাত্রীদের অনেকেই মনে করেন। তাই বাস মালিকদের প্রেসক্রিপশনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের জনপ্রিয় ট্রেন সার্ভিস কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেন বন্ধ করা হচ্ছে।


দেশের ট্রেন সার্ভিসগুলোর মধ্য অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেনের তুলনায় ঢাকা-কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে যাত্রীর চাহিদা বেশি এবং আয়ও বেশি। এছাড়া ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রেলপথে কয়েক জোড়া রেল চালানো না গেলে বিনিয়োগের কিস্তি ওঠানো সক্ষম হবে না। 


এতে রেল কর্তৃকপক্ষের লোকসানের বোঝা দিনদিন ভারী হয়ে উঠবে। কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম ও ঢাকা থেকে দুটি করে ট্রেন সার্ভিস চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই সার্ভিস বন্ধ করা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।



রেলওয়ে একশ্রেণির কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরকারের আকাঙ্ক্ষার বাইরে গিয়ে কেবল বাস মালিকদের লাভবান করার মানুষ এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই অনতিবিলম্বে কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকার যাত্রী সাধারণকে সরকারের অনন্য অবদান চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল পরিষেবা গ্রহণের সুযোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ : শ্বাসরুদ্ধকর দুর্দান্ত ম্যাচে শেষ হাসি ভারতের

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে  ডিজিটাল ডেস্ক:



টার্গেট ছিল মাত্র ১২০ রানের। তাই অনেকে মনে করেছিল অনায়াসেই জয় পাবে পাকিস্তান। তবে ভারতীয় বোলারদের আঁটসাঁট বোলিংয়ে এই অল্প রানের মধ্যে পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছে রোহিত শর্মার দল।


 দুর্দান্ত এক ম্যাচে পাকিস্তানকে ৬ রানে হারিয়ে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে ভারত।


রোববার (৯ জুন) নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাক অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যাট করতে নেমে পাক পেসারদের বোলিং তোপে ১৯ ওভারে মাত্র ১১৯ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। 



দলের পক্ষে রিশভ পন্থ করেন সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৪২ রান। এছাড়া অক্ষর প্যাটেল করেন ১৮ বলে ২০ রান। পাকিস্তানের পক্ষে নাসিম শাহ ও হ্যারিস রউফ নেন ৩টি করে উইকেট। এছাড়া আমির নিয়েছেন ২টি উইকেট।   


১২০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সাবধানী শুরু করেন দুই পাক ওপেনার। বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে দলীয় ২৬ রানে ১০ বলে ১৩ রান করে আউট হন বাবর। 


পাক অধিনায়কের বিদায়ের পর ক্রিজে আসা উসমানকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন। ধীরগতিতে রানের চাকা সচল রাখে এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৫৭ রানে উসমানকে আউট করে ভারতকে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখান অক্ষর প্যাটেল। ১৫ বলে ১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান উসমান।


এরপর ২৯ রানের মধ্যে পাকিস্তানের তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরে ভারত। ফকর জামান ৮ বলে ১৩, রিজওয়ান ৪৪ বলে ৩১ ও শাদাব খান ৭ বলে ৪ রান করে আউট হন।


এরপর ইফতিখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চলিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ইমাদ ওয়াসিম। তবে দলীয় ১০২ রানে ৯ বলে ৫ রান করে আউট হন ইফতিখার। 


শেষ দিকে ভারতীয় বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। ৬ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ভারত। ভারতের পক্ষে জসপ্রীত বুমরাহ ৩টি ও হার্দিক পান্ডিয়া নেন ২টি উইকেট। 


আরও খবর



ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমি করলে অশ্লীল: ময়ূরী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক :


বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া বরাবরই খোলামেলা পোশাকে পর্দায় হাজির হয়ে ভক্তদের মনে ঝড় তোলেন ফারিয়া। 


এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকিনি পরা একটি ছবি শেয়ার করেছেন ফারিয়া; যা দেখে উত্তাল নেটদুনিয়া।


ফারিয়ার এমন লুকের ছবি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। চিত্রনায়িকা পলি অভিনেত্রীর বিকিনি লুকের ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নুসরাত ফারিয়া, তোমাকে দেখতে সুপার লাগছে।’



পলির সেই পোস্টে মন্তব্য করতে দেখা গেছে চিত্রনায়িকা ময়ূরীকে। যেখানে ফারিয়ার খোলামেলা ছবির সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, নুসরাত ফারিয়া করলে ‘লীলাখেলা’ আমরা করলে অশ্লীল। ময়ূরীর এমন কমেন্টে চুপ থাকেননি পলিও। 


সেই মন্তব্যের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘এইবার বুঝলা দোস্ত, কেনো পোস্ট করলাম।’


 

ঢালিউডের অশ্লীল যুগের নায়িকা বলা হয় চিত্রনায়িকা ময়ূরী ও পলিকে। পর্দায় তাদের অভিনীতি বেশকিছু সিনেমা নিয়ে ব্যাপক আপত্তি রয়েছে দর্শকমহলে। যদিও নিজেদেরকে ‘অশ্লীল’ যুগের নায়িকার তকমায় ভীষণ আপত্তি রয়েছে পলি-ময়ূরীর।


তবে নেটিজেনদের ধারণা, হয়তো সেই আপত্তি থেকেই ফারিয়ার খোলামেলা ছবি নিয়ে ‘খোঁচা’ দিতে দেখা গেল তাদেরকে। তবে সমালোচকদের মন্তব্য কিংবা আপত্তিকে পাত্তাই দেননা ফারিয়া। বর্তমানে ভ্যাকেশন মুডে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।


সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে দেখা গেছে ফারিয়াকে। শ্যাম বেনেগাল নির্মিত ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী।


আরও খবর

ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪