Logo
শিরোনাম

লেবানন থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

লেবানন থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা চালানো হয়েছে। উত্তর ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে অন্তত ২০টি রকেট ছোড়া হয়েছে।

বলা হয়েছে, লেবানন থেকে ছোড়া এই রকেটে ইসরায়েলের ডোভেভ ও মানারা এলাকায় বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এ সব রকেট যে লেবানন থেকে ছোড়া হয়েছে তাও নিশ্চিত করেছে দখলদার বাহিনী।

তবে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

গত ৭ অক্টোবরের পর থেকে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালাচ্ছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এই সংগঠনটিকে সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে ইরান। তবে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলাও চালাচ্ছে ইসরায়েল।

তবে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের আদেশকে নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য, জঘন্য ও বিরক্তিকর বলে অভিহিত করেছে ইসরায়েল। তাছাড়া দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে তাও মিথ্যা বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ মে) ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফা শহরে হামলা বন্ধের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত। জাতিসংঘের সর্বোচ্চ এই আদালতের ১৫ বিচারকের একটি প্যানেল এই আদেশ দেন।

গত ৭ অক্টোবরের পর গাজায় ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৮৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮০ হাজার ২৯৩।

 


আরও খবর



বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

আমার বাবার লাশের এক টুকরো মাংস চাই। যে মাংসের টুকরো ছুঁয়ে দেখতে পারি। সে মাংসের টুকরোকেই বাবা মনে করে জানাজা করাতে চাই।

কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে নৃশংসভাবে হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও হত্যার পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে কাঁদতে কাঁদতে এসব কথা বলেন নিহত এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। শুক্রবার (২৪ মে) বিকেল ৫টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ডে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন। মানববন্ধন চলাকালে ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাবা হারানোর ব্যথা-কষ্ট বোঝেন। তিনি আমার বাবা হারানোর বেদনা বুঝবেন। তার বাবার হত্যার বিচার করেছেন, আমার বাবা হত্যার বিচারও করবেন। হত্যার পরিকল্পনাকারীকে ধরার পরই খতিয়ে দেখা যাবে আসলে সে এত বড় অপকর্ম কেন ঘটালো। এর বিচার অবশ্যই হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে। গতকালও কথা বলেছি। আমরা আইনের আশ্রয় নেব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আছেন, আওয়ামী লীগের দলীয় সর্বোচ্চ অভিভাবকরা আছেন, তারা আমাদের পরামর্শ দেবেন এবং তারা অবশ্যই তাদের দলীয় এমপি হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। কালীগঞ্জের মানুষের সুখে দুঃখে যিনি সবসময় পাশে থেকেছেন সেই মানুষটির হত্যার বিচার আমরা চাই। আমরা কোনো শৃঙ্খলাহানি করতে চাই না।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ। এ সময় নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান মতি, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসেনসহ আওয়ামী লীগের সকল ইউনিটের নেতাকর্মী ও এলাকাসী উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মোবাইল হারালে জিডি নয়, সরাসরি মামলা করুন: ডিবিপ্রধান

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  ডিজিটাল রিপোর্ট:


মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে কিংবা চুরির পর ফিরে পেতে ভুক্তভোগী প্রথমে থানায় ডিজি করেন। তবে এ ক্ষেত্রে জিডি না করে সরাসরি চুরির মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।


বুধবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে ধর্মমন্ত্রীর চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।



হারুন অর রশীদ বলেন, অনেকে মোবাইল চুরি হলে জিডি পর্যন্ত করতে চান না। তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ মোবাইল চুরির সঙ্গে সঙ্গে একটি মামলা করবেন। 


মামলা ছাড়াও মোবাইল চুরি রোধে মোবাইলে স্ট্রং পাসওয়ার্ড এবং নামাজ ও জানাজাতে গেলে পাঞ্জাবীর পকেটে মোবাইল ফোন রাখবেন না। কেউ জানাজা বা নামাজ পড়তে যায় চোরেরা তখন সুযোগ পেয়ে মোবাইল নিয়ে যায়।


এছাড়া অনুমোদিত বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো স্থান বা ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল ফোন ক্রয় না করা, পুরোনো মোবাইল ফোন না কেনা, চিকিৎসা করার টাকা নাই তাই রাস্তায় দাঁড়িয়ে মোবাইল বিক্রি করতে চাওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল না কেনা এবং মোবাইলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সম্বলিত রশিদ ছাড়া মোবাইল ফোন ক্রয় করবে না। 


চোরাই মোবাইল ফোন কেনা-বেচা দুটোই অপরাধ। চোরাই মোবাইল ফোন যার কাছে পাওয়া যাবে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর



বাংলাদেশের দুর্বিষহ কর ব্যবস্থা ও পরিসংখ্যান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশ তার উন্নয়ন কার্যক্রম চালানোর জন্য অর্থ যোগানে রাজস্ব বাড়াতে লড়াই করছে, এমনকি একই আয়ের তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশগুলির চেয়েও বেশি। আর্থিক বছর ২০২২ এ, মাত্র ১.৪% মানুষ আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছে। প্রতিবেশী ভারতে এই সংখ্যা ৫.৮%।

ফ্রান্সে অবস্থিত ওইসিডি(OECD) অর্গানাইজেশন ফর ইকনোমিক কর্পোরেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট জরিপ মতে ২০২০ সালে বাংলাদেশের কর-টু-জিডিপি হার ১০.২ শতাংশ যেখানে এশিয়ার দেশগুলোর কর-টু-জিডিপি হার ১৯.১ শতাংশ যা আমাদের দেশের তুলনায় ৮.৯ শতাংশ বেশি এবং যদি ওইসিডি(OECD) ভুক্ত দেশগুলোর সাথে তুলনা করি তাহলে ওইসিডি(OECD) দেশগুলোর কর- টু-জিডিপি হার ৩৩.৫ শতাংশ যা আমাদের দেশ থেকে ২৩.৩ শতাংশ বেশি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে ১৫%, শ্রীলংকায় ১১.৫%, পাকিস্তানে ১১.৮%, আফগানিস্তানে এ হার ৯.৩% ও নেপালে ১৮% ।

যদি, আমরা ২০০৭ থেকে ২০২০ সালের পরিসংখ্যান লক্ষ করি , তাহলে দেখা যাবে যে ২০০৭ সালে বাংলাদেশের কর-টু-জিডিপি হার ৮.৫ শতাংশ ছিল, ২০২০সালে যা শুধু ১.৭শতাংশ বেঁড়ে ১০.২ শতাংশ হয়েছিল, যার মধ্যে ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ ১০.৮ শতাংশ ছিল।

সিইআইসি(CEIC) এর তথ্য মতে, ২০২২ সালে কত কর-টু-জিডিপি হার ছিল ৮ শতাংশ ২০২৩সালে যা এসে দাঁড়িয়েছে ৭.৮ শতাংশ। গত এক বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভে এক বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছে, এঁর পিছনে নানান কারন জড়িত। রিজার্ভ ঘাটতি মেটাতে ব্যর্থ হওয়ায় এ দেশের অর্থনীতিতে বড়সড় আঘাত লেগেছে, যার কারনে নিত্যপন্য দ্রব্য থেকে শুরু করে বিলাসবহুল জিনি্সের বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পরেছে। এই সমস্যার আরেকটি বড় কারণ হলো সরকার কাঙ্ক্ষিত কর তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। যার কারন হতে পারে জনগনের কর ফাঁকি অথবা কর দানে অনুৎসাহ, ফলশ্রুতিতে জিডিপিতে কর হার এত কম।

অর্থনীতির এই জটিল অবস্থায় অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ যখন আইএমএফ(IMF) এর কাছে ঋণ অনুমোদন চায় তখন আইএমএফ এর দেয়া শর্তগুলোর মধ্যে একটি ছিল , কর-টু-জিডিপি হার ২০২৪ এর মধ্যে ৮.৩ শতাংশ এবং ২০২৬ এর মধ্যে ৯.৫%মধ্যে উন্নিত করতে হবে। এত কিছুর পরেও ২০২৩ সালে সরকার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৪ হাজার কোটি টাকা কর আয় কম তুলতে পেরেছে ।

ওইসিডি(OECD) তথ্য অনুসারে বাংলাদেশের কর আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস মূল্য সংযোজন কর / পণ্য ও পরিষেবা কর(value added taxes / goods and services tax) যার হার মোট কর উত্তলনের ৩৩ শতাংশ, এখানে ব্যক্তি আয়কর (Personal income tax) সবচেয়ে কম ১১ শতাংশ, আশ্চর্য ভাবে এদেশের সামাজিক নিরাপত্তা (Social security contributions) খাতের ক্ষেত্রে কোনো কর আদায় হয় না। কিন্তু যা অন্যান্য উন্নত দেশের প্রধানতম আয়ের উৎস। যদি এশিয়ার দেশ গুলোর দিকে দেখি তাহলে, ব্যক্তি আয়কর ১৬ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর ২৩ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা খাত থেকে আয় ৬ শতাংশ। আর ওইসিডি(OECD) ভুক্ত দেশ গুলোতে ব্যক্তি আয়কর ২৩ শতাংশ, মূল্য সংযোজন কর ২০ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা খাত থেকে আয় ২৬ শতাংশ। সুতরাং স্পষ্ট ভাবে বুঝা যাচ্ছে তাদের কর আদায়ের উৎস এবং প্রক্রিয়া কতটা ফলপ্রসূ এবং কার্যকর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত এপ্রিল-জুন ২০২২সালের ত্রৈমাসিক কর আদায় এর তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে কর আয় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩,৪৬,০০০ কোটি টাকা, যা বাস্তবে অর্জিত হয় ৩,০৮,৬২৫ কোটি টাকা। ২০২১সালে কর আয় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩,১৬,০০০ কোটি টাকা যাতে অর্জিত হয় ২,৬৯ ,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব বোর্ড থেকেই আয় হয় ৯১.৩ ভাগ।

এমন এক সমীকরণ সামনে রেখে নতুন আয়কর আইন ২০২৩ সালের জুন মাসে সংসদে পাস হয়েছে এবং এটি বেশ আলোড়ন তৈরি করেছে। দেশের কর ব্যবস্থা এত দিন ধরে ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশ দিয়ে চলেছে। তবে বিভিন্ন সময়ে সেই আয়কর অধ্যাদেশের সংশোধন করা হয়েছে। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর পর এটিই প্রথম পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে তৈরিকৃত আয়কর আইন। সবচেয়ে বড় কথা, দেশে এখন পরিপূর্ণ আয়কর আইন প্রণীত হয়েছে। প্রথমেই যে সেই আইনে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তেমনটা আশা করা যায় না। এখন এই আইনকে ভিত্তি ধরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে সময়ের পরিক্রমায় হয়তো আইনটি পরিপূর্ণ মাত্রা পাবে। আসা করা যায় এরই ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় কর আয়ের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।


আরও খবর



নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা:


নিকলী হাওরের বিলগুলো প্রভাবশালীদের দখলে

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে রয়েছে হাওর-বাঁওড়সহ বিভিন্ন আকৃতির জলাশয়।


 আর এগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে ধান আর বর্ষায় মাছ পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার বেশির ভাগ মানুষ কৃষক ও মৎস্যজীবী। হাওরের ধান ও মাছের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হয় তাদের।


 কিন্তু হাওরের জলমহাল ও বিলগুলো মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। 


জেলেরা বলছেন, হাওরপাড়ের প্রভাবশালীরা মৎস্যজীবী সমিতির নামে বিভিন্ন বিল লিজ নিয়ে তাদের দখলে নিচ্ছেন। ফলে বিল ও জলমহাল থেকে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত জেলেরা।



জানা যায়, বর্ষাকালেই জেলেরা হাওরে মাছ ধরে থাকেন। চৈত্র মাসের শেষের দিকে সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন বিল লিজ নেয় সমাজের বিত্তশালীরা। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সমিতির নাম ব্যবহার করে বিলগুলো ইজারা নিয়ে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে বিপাকে পড়েন মৎস্যজীবীরা। যার ফলে জেলেদের জীবনে নেমে আসে অভাব-অনটন।


নিকলীতে প্রায় ছোট-বড় শতাধিক বিল ও জলাশয় রয়েছে। বর্ষার সময় এ বিলগুলো থেকে মাছ শিকার করে হাওর অঞ্চলের জেলেরা জীবনযাপন করেন। কিন্তু বর্ষার মাঝামাঝি সময়ে প্রভাবশালীরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে হাওরগুলো লিজ দেওয়া হয়। 


একেকটি বিল লিজ নিতে কোটি বা অর্ধকোটি অথবা লাখ লাখ টাকা ব্যয় করতে জেলেরা না পারায় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় বিলগুলো। বিল ইজারা নিয়ে হাওরে মাছ শিকার নিষেধ করে দেন মৎস্যজীবীদের। ফলে তাদের অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হয়। অভাবের কারণে অনেক জেলে পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা, চিকিৎসা ও পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয়।


 মৎস্যজীবী রাকেশ দাস বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবীদের নামে। কিন্তু তার আধিপত্য চলে যায় প্রভাবশালীদের কাছে। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মৎস্যজীবীদের বেঁচে থাকা দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তাই লিজ নেওয়া বিলে দিনমজুরি করে ছেলেমেয়েদের মুখে দুই বেলা ভাত তুলে দিতে হিমশিম খেতে হয়।


 সরকার যাদেরকে বিল লিজ দেয় তাদের একটা সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া দরকার। যাতে অন্য মত্স্যজীবীরা সীমানার বাইরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।



এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, সরকার বিলগুলো লিজ দেয় মৎস্যজীবী সমিতির নামে। কিন্তু তারা পরবর্তীকালে প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি করে দেন। জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী মৎস্যজীবী সমিতিকে দেওয়া হয়। 


কিন্তু ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা ও সচেতনতার অভাবে ও অর্থসংকটের কারণে প্রভাবশালীদের দ্বারস্থ হন তারা। মৎস্যজীবীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও অর্থসংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা থাকলেও তারা প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।


আরও খবর



চলতি মাসে ডেঙ্গুতে ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

ডেস্ক রিপোর্ট:


 ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে (মে) ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ১২ জন এবং এর বাহিরে বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩ জন ভর্তি হয়েছে।


চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৩৫ জন। এরমেধ্য সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ হাজার ৬৯৬ জন। মারা গেছেন ৩৬ জন। 


বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সিজনাল নেই, সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সব জায়গায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। 


একই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বছরব্যাপী নানান উদ্যোগ নিলেও কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেনতনা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।


উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।




আরও খবর