Logo
শিরোনাম

লংগদুর কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজ ২ জনের খোঁজ মেলেনি এখনো

প্রকাশিত:Saturday ০৫ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি 

রাঙ্গামাটির লংগদুর কাট্টলী বিল গাছখিলা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে যাত্রীবাহী স্পীড বোট ও বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিত বোর্টের সাথে সংর্ঘষে নিখোঁজ ২ জনের খোঁজ এখনো মেলেনি। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে ৩টার দিকে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে। এতে ৭জন আহত ও পানিতে পড়ে ২জন নিখোঁজ ছিলো।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দুপুরে রাঙ্গামাটি থেকে যাওয়ার পথে লংগদুর কাট্টলী বিল গাছখিলা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে যাত্রীবাহী স্পীড বোট ও বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিত বোর্টের সংর্ঘষ হয়। এতে স্পীড বোটে থাকা ৯জনের মধ্যে ২জন পানিতে তলিয়ে যায়।

নিখোঁজ যাত্রীরা হলেন, লিটন চাকমা (২০) পিতা মুক্ত লাল চাকমা, গ্রাম-কেংড়াছড়ি বাঘাইছড়ি, এলিনা চাকমা মহিলা (২০) পিতা-সুরুত চাকমা, গ্রাম-হাজাছড়া সুবলং বরকল। তারা দুইজনেই সিজকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে। 


এব্যাপারে লংগদু ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা এসি ল্যান্ড জনি রায় ও  লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল আমিন জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘটনার পরপরই তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং তাৎক্ষনিক নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিস ডুবুরী দল ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী উদ্ধার কাজ চালিয়ে রাত হয়ে যাওয়া উদ্ধার কাজ স্থগিত করা হয়। আজ শনিবার আবারো সকাল থেকে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিস ডুবুরী দল ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তবে নিখোঁজ দুই জনের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি। আগামীকাল আবারো উদ্ধার কাজ পরিচালনা করা হবে বলে জানান তারা। 

স্থানীয় আরো জানান, কাপ্তাই হ্রদে যাত্রীবাহী স্পীড বোটের চালকের চোখে চলন্ত অবস্থায় ময়লা পড়ার কারণে চোখ পরিস্কার করতে গিয়ে হঠাৎ বালু ভর্তি ইঞ্জিন চালিতে বোর্টেল সাথে সংর্ঘষ হয়। এসময় যাত্রীবাহী স্পীড বোটে ৯জন যাত্রী ছিলো। এর মধ্যে ২জন যাত্রী পানিতে তলিয়ে যায়। এতে যাত্রীবাহী স্পীড বোটের এক অংশ ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। 


আরও খবর



দুই দিনের সফরে টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে আজ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সফরে তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।তার সাথে আছেন ছোট বোন শেখ রেহানা ও পারিবারের সদস্যরাও।

এছাড়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নবনির্বাচিত জাতীয় পরিষদ, কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের যৌথ সভায় অংশ নেবেন তিনি। সভাটি আগামীকাল শনিবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিত হবে। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা হন। টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর তিনি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার নগরঘাট এলাকায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে কেনা দুটি পাটের গুদাম দেখতে সড়কপথে খুলনায় যাবেন। রাতে গোপালগঞ্জে থাকবেন। সেখান থেকে পরদিন দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করে ঢাকায় ফিরবেন।  


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




গুরুত্বপূর্ন সড়ক ধান ব্যবসায়ীদের দখলে

দশমিনায় ভোগান্তিতে যানচলাচলসহ পথচারী

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে ফড়িয়ারা দখল করে ধানের ব্যবসায় করায় ভোগান্তিতে পড়েছে যানচলাচলসহ পথচারীরা। এতে করে সড়কে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানজটসহ নানা দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক, স্কুলের সামনের সড়ক দখল করে ধান ফড়িয়াররা ব্যবসা করছে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের যৌতা গ্রামে ৬৯ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের এপাশ ওপাশে প্রায় ২শ’ বস্তা ধান রেখে উচু টিলা বানিয়ে রেখেছে তারা। এছাড়া উপজেলার আরজবেগী বাজারের দক্ষিন পাশে প্যাদাবাড়ির সামনের সড়ক জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী বাজারের পুর্ব ও পশ্চিম পাশের সড়কজুড়ে ধানের বস্তা রাখা হয়েছে। উপজেলার টাকুরের হাটে সড়ক জুরে ধানের বস্তা, তারপাশে দাড়িয়ে আছে ট্র্যাক এতে করে দেখা দিয়েছে যানজট। সড়কে ধানের বস্তা ও ট্র্যাক রাখায় রাস্তার এক-তৃতীয়াংশ দখল করে ধান বস্তা, ট্র্যাকে উঠানো এবং ভ্যানগড়ী দিয়ে এনে নামানোর কাজ করছে দিনভর ধান ব্যবসায়ীরা।

দশমিনা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বড়গোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আহম্মেদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, দশমিনা-পটুয়াখালী ও দশমিনা-বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজন গুরুত্বপূর্ন কাজে যায় এ সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করেন, রোগী বহন কারি এ্যাম্বুলেন্স এবং মালামালবাহী মিনি ও বড় ট্র্র্যাক আসা যাওয়া করে কিন্তু ধানের বস্তায় সড়কের বেশিরভাগ জায়গা দখল করায় যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যানচলাচলকারী গাড়ির। আমার প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়াতে সময় ও জীবনের ঝুঁকি থাকে। 

বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ঠাকুরের হাট এলাকার বাসিন্দা খোকন মাঝি, রিপন ও কার্তিক চন্দ্র বলেন, এ বাজারটি সন্ধ্যার পর এলাকার বিভিন্ন পেশার লোকজন এসে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা-বেঁচা করে। এখন বাজারটি জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। কেউ দেখার নেই মনে হচ্ছে ফড়িয়ারদের ধান ব্যবসা করার জন্য এই রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। এস্তুপের তলে শিশু ও বৃদ্ধরা যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে।  

এ বিষয়ে দশমিনা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডে সদস্য রিপন কর্মকার বলেন, এলাকার বিভিন্ন সড়ক দখল করে রাখা হচ্ছে ধানের বস্তা। এতে করে রাস্তায় যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে জানাবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে ধান ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।


আরও খবর



কুড়িগ্রাম রাজীবপুরে ইউএনও-চেয়ারম্যানের বিশৃংখলায় আইন শৃঙ্খলা সভা পন্ড

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম :

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভা পন্ড হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্ত্তীর সাথে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের হট্টগোলের কারণে।

অফিস না করেই বাস ভবনে বসে বিভিন্ন প্রকল্প ভাগ বন্টন, ফাইলে স্বাক্ষর করা নিয়ে ইউএনও-ইউপি চেয়ারম্যানরা মুখোমুখি অবস্থান নেন। এতে ইউএনও-জনপ্রতিনিধিদের মাঝে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।

কোদালকাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বলেন, ইউএনও অমিত চক্রবর্ত্তী মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভা চলাকালে সবার উপস্থিতিতে আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন,‘আপনি হজ্ব করে আসছেন। হজ্ব কইরা কি হয়?’ এ কথার প্রতিবাদ করলে তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বলেন,তুই বেশি কথা বলিস। রুম থেকে বের হয়ে যা। তিনি মারার জন্য তেড়ে আসেন। গালি গালাজ করেন। এ সময় আনসার সদস্যদের হুকুম দেন,আমাকে গ্রেফতারের জন্য।

মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, টিআর-কাবিখাসহ সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচীতে ইউএনও স্বেচ্ছাচারিতা করেন। তিনি অফিস না করেই তার বাস ভবনে বসে অফিস করেন এবং সকল ফাইলে স্বাক্ষর করেন। এলাকার সাধারণ মানুষ ইউএনওর সঙ্গে দেখা করতে এসে না পেয়ে ফেরত যান। এতে সরকারি বিভিন্ন সেবা থেকে ব িত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সরকারের মুজিব শতবর্ষের গৃহ নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ করেন ইউপি চেয়ারম্যানরা। এছাড়া মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত অফিস না করার বিষয়টি তুলে ধরলে ইউএনওর সাথে ইউপি চেয়ারম্যানদের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। 

মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভায় উপস্থিত উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই সরকার বলেন,ইউএনও অমিত চক্রবত্তর্ী ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে খুবই খারাপ আচরণ ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। তিনি হজ্ব ও হাজিদের নিয়ে কটাক্ক করেছেন।আমরা ইউএনও’কে থামানোর অনেক চেষ্টা করেছি। এরপরও তিনি থামেননি। উল্টো তিনি মাসিক সভা শেষ না করেই বের হয়ে যান। 

মাসিক আইন শৃংখলা কমিটির সভার সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,ইউএনও কাজটি মোটেও ঠিক করেননি। সভা থেকে ইউএনও বের হয়ে যাওয়ার অনেক পরে সভা স্থগিত করা হয়।

এই বিষয়ে রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবত্তর্ী বলেন,হজ্ব বা হাজিদের নিয়ে আমি কোন কটাক্ষ করি নাই। এটা চেয়ারম্যানের মনগড়া কথা। তঁার  অভিযোগ, চেয়ারম্যানরা আমার সঙ্গে কোনো সমন্বয় করেন না। তঁাদের ডেকে ও চিঠি দিয়েও অফিসে হাজির করতে পারি না। ফলে সরকারের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচী সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। এই বিষয় গুলো মাসিক সভায় তুলে ধরলে কোদালকাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক সাইদুল আরীফ বলেন,আমি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 


আরও খবর



আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :সরকারের নির্বাহী আদেশে বাড়ল খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পাইকারি বিদ্যুতেরও দাম। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। গত ১২ জানুয়ারিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের যে দাম বাড়ানো হয়েছিল, সেই জারিকৃত প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। 

এর আগে ১২ জানুয়ারি গড়ে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয় বিদ্যুতের। ওই দাম জানুয়ারি মাসেই কার্যকর করা হয়। জানুয়ারি মাসের বিল গ্রাহককে ফেব্রুয়ারি মাসে দিতে হবে। এবার ফেব্রুয়ারি মাসের বাড়তি দামের বিদ্যুতের বিল গ্রাহককে দিতে হবে মার্চ মাসে।

বিদ্যুতের ব্যবহার ভেদে ছয় ধরনের গ্রাহক রয়েছে, যে গ্রাহক যত বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন, তাকে বিদ্যুতের দাম তত বেশি দিতে হবে। এর মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ যারা ব্যবহার করে, তাদের অতি দরিদ্র মনে করা হয়; তাদের বিদ্যুতের ধাপকে লাইফলাইন বলা হয়। এ বাদেই ছয়টি ধাপ রয়েছে। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে সঙ্গে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।

দেশের পাইকারি বিদ্যুৎ কিনতে গিয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। এর মধ্যে সরকার দেবে ১৭ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২৩ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

এর আগে চলতি মাসেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার দেওয়া মূল্যবৃদ্ধি প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি করে। বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রায় ২০ শতাংশ খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে। এর মধ্যেই ১২ জানুয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগ ৫ শতাংশ খুচরা পর্য়ায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করে বিইআরসির আদেশকে পাশ কাটিয়ে। মঙ্গলবার ফের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করল বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার একবারে ২০ শতাংশ দাম বাড়াতে চায়নি। সে কারণে মাসে মাসে সমন্বয়ের নামে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে। কম কম করে দাম বাড়ালে গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া কম হবে বলে মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম একবারে ১৫ থেকে ২০ ভাগ বাড়লে বাজারে পণ্যের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। এজন্য সরকারের যদি কিছুটা লোকসানও হয় তাহলেও ধাপে ধাপে দাম বাড়ালে মানুষের ওপর পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব খুব একটা পড়ে না।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সরকার সম্প্রতি বিদ্যুৎ, শিল্প ও বাণিজ্যে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। এর ফলে গ্যাস বিক্রি থেকে অতিরিক্ত যে অর্থ পাওয়া যাবে তা দিয়ে বিশ্ববাজার থেকে এলএনজি কেনা হবে। এই এলএনজি দিয়ে যদি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাহলে গড়ে এলএনজি চালিত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ পড়বে সাড়ে আট টাকা। কিন্তু দেশের তেলচালিত (ফার্নেস) অয়েলে উৎপাদন খরচ ২৯ টাকার কাছাকাছি। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০ টাকার মতো কম প্রয়োজন হবে। যাতে সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কম প্রয়োজন হবে। যাতে বিদ্যুৎ জ্বালানিতে সামগ্রিক ভর্তুকির হার কমবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




ধামরাইয়ে দুই বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার) :

ঢাকার ধামরাই উপজেলার জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয় ও নওগাঁও আশরাফ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৯ জানুয়ারি) ধামরাই উপজেলার জলসীন এলোকেশী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু এর সভাপতিত্বে ৯৮তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, ঢাকা জেলা আ’লীগের সভাপতি, ঢাকা -২০ ধামরাই আসনের মানণীয় জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন মোল্লা।

এ’সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ধামরাই পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

এদিকে একই দিনে অপরএক বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান নওগাঁও আশরাফ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোহাদ্দেছ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, ঢাকা জেলা আ’লীগের সভাপতি, ঢাকা -২০ ধামরাই আসনের মানণীয় জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আলহাজ্ব বেনজীর আহমদ উদ্বোধক হিসেবে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ধামরাই পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা।

এ’সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহানা জেসমীন মুক্তা, সানোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ খালেদ মাসুদ খান লাল্টু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের সভাপতিগন।


আরও খবর