Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

মা হলেন বিশাপা বসু

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বলিউড পাড়ায় বইছে সুসংবাদের বাতাস। আলিয়া-রণবীরের কন্যা সন্তান জন্মের ঠিক ছয় দিনের মাথায় এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন বলিউডের আরেক সুপারস্টার দম্পতি করণ সিংহ -বিশাপা বসু।

১২ নভেম্বর মুম্বাইয়ের খারের হিন্দুজা হাসপাতালে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিপাশা বসু।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে বিপাশা-করণ দম্পতি জানান, তাদের ঘরে নতুন অতিথি আসছে। বিপাশা বসু এরপর বিভিন্ন ফটোশুটের মাধ্যমে ভক্তদের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করেন। বিপাশা বসু ৪৩ বছরে মা হয়েছেন এই খবরে ভীষণ আনন্দিত তার ভক্তরা।

বিপাশার মা হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা প্রিয় তারকাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপাশার বেবি বাম্পের ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়।

এ ছবি নিয়ে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা হয়। কিন্তু বিপাশা ও করণ ভক্তরা এটিকে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছেন।

বিপাশা বসু ও করণ সিং গ্রোভার বলিউডের অন্যতম আলোচিত দম্পতি। তাদের ব্যক্তিজীবন নিয়েও সিনমোপ্রেমীদের মাঝে তুমুল আগ্রহ রয়েছে। ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল মুম্বাইয়ে সাত পাকে বাঁধা পড়েন দুই তারকা।


আরও খবর

ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন পরীমণি

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত মাহিয়া মাহির

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সৃষ্ট বিশ্ব সংকটের মধ্যেই দেশটি এই প্রস্তুতি শুরু করেছে। যার জেরে যুক্তরাজ্যে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্রগুলো সাফোকের আরএএফ লেকেনহেথে (ইংল্যান্ডের রয়েল এয়ার ফোর্স স্টেশন) স্থাপন করা হবে।

পেন্টাগনের নথিপত্র যাচাই করে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওই স্থানে ৫০ কিলোটনের বি৬১-১২ গ্র্যাভিটি বোমা থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা ১৯৪৫ সালে হিরোশিমায় ফেলা পারমাণবিক বোমার চেয়েও তিন গুণ বেশি। দ্য গার্ডিয়ান।

নথিগুলো থেকে জানা যায়, পেন্টাগন যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিটির জন্য নতুন অস্ত্রের ক্রয়াদেশ দিয়েছে। যেখানে শত্রুপক্ষের আক্রমণ থেকে সামরিক কর্মীদের রক্ষা করার জন্য ব্যালিস্টিক শিল্ডসহ নতুন বেশ কিছু সরঞ্জাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে কাজ করা মার্কিন সেনাদের জন্য নতুন আবাসন ব্যবস্থা নির্মাণের কাজ আগামী জুন মাসে শুরু হবে।

যুক্তরাষ্ট্র এর আগে আরএএফ লেকেনহেথে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করেছিল। পরে মস্কোর পক্ষ থেকে স্নায়ুযুদ্ধের হুমকি কমে যাওয়ায় ২০০৮ সালে সেগুলো সরিয়ে ফেলে। আবারও একই পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ক্রেমলিনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের উত্তেজনা ক্রমেই বেড়েছে। যার প্রতিক্রিয়ায় পারমাণবিক অস্ত্র বাড়ানো এবং সেগুলোকে আরও উন্নত করার কর্মসূচি নেয় ন্যাটো। এর অংশ হিসাবেই আবারও যুক্তরাজ্যে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র।

যুক্তরাজ্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, প্রদত্ত স্থানে পারমাণবিক অস্ত্রের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী যুক্তরাজ্য এবং ন্যাটো নীতি রয়েছে। সম্প্রতি আটলান্টিকের উভয় প্রান্তের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ন্যাটো বাহিনী ও রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যকে প্রস্তুত থাকার জন্য সতর্ক করেছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিদায়ি প্রধান জেনারেল স্যার প্যাট্রিক স্যান্ডার্স বলেছিলেন, সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ৭৪ হাজার কর্মকর্তার মধ্যে কমপক্ষে ৪৫ হাজারকে মোতায়েন রাখতে হবে। সেনাবাহিনীর আকার বেশ ছোট হওয়ায় নাগরিকদেরও যুদ্ধের জন্য ডাকা হবে।

 


আরও খবর



দশমিনায় শ্রদ্ধাঞ্জলির নামে জুতা পায় অবমাননা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা  (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

দশমিনা উপজেলার আরজবেগী এস.এ. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  এক সহকারি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জুতা পায়ে শহীদ মিনারের বেদিতে দাঁড়িয়ে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি)সন্ধা থেকে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।জানা গেছে, ওই শিক্ষকের নাম মাইনুল ইসলাম রুমি। তিনি উপজেলার আরজবেগী এস.এ.মাধ্যমিক বিদ্যালয় গনিত বিভাগের শিক্ষক। এবং ওই বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। 

গতকাল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে সাজানো হয় ওই স্কুলের শহীদ মিনার। সকাল থেকেই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানায় স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।এসময় ওই শিক্ষক মাইনুল ইসলাম রুমি জুতা পায়ে শহীদ মিনারের বেদিতে উঠে ফটোসেশন করেন। পরে ছবিটি তার  ছাত্র ফেসবুকে পোস্ট করলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।ছবিটি পোস্ট করে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন,শ্রদ্ধাঞ্জলির নামে জুতা পায়ে অবমাননা। শিক্ষার্থীদের সাথে একজনশিক্ষকওরয়েছেনদুঃখিত,আমরা একাডেমিক শিক্ষায় শিক্ষিত হলেও প্রকৃত শিক্ষা গ্রহন করতে পারিনি। স্থানঃআরজবেগী এসএ মাধ্যমিক বিদ্যালয় শহিদ মিনার।এ ছাড়া মন্তব্যতে লিখেছেন, একজ শিক্ষক হয়ে উনি জুতা পায় দিয়ে শহিদ মিনারে কিভাবে ফুলের তোরা দ্যায় আমার জানা নেই, আর তার স্টুডেন্ট রা তো মাশাল্লাহ।এছাড়াও আরো নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন অনেকেই।এ বিষয়ে জানতে ওই শিক্ষক মাইনুল ইসলাম রুমি কিছু বলতে রাজি নন।দশমিনা উপজেলা সাবেক  মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মোঃ শাহাবুদ্দিন বলেন,শহীদ মিনারের জুতা পায়ে না উঠি। এটা আমাদের শিষ্টাচার। আমরা যুগে যুগে তা মেনে চলে আসছি, যা আমাদের মানা উচিৎ বলে আমি মনে করি।এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওসার আলম মুঠোফোনে জানান, আমার অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় কেউ জুতা পায়ে দিয়ে ওঠে নাই, এর আগে বা পরে কেউ উঠলে আমার জানা নেই। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম মিয়া বলেন,  বিষয়টি আমি ফেসবুকে দেখেছি, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ওই  শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  :

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে কৃষক আবুল কাশেম (৩৫) হত্যা মামলায় স্ত্রী, শ্বশুর, শ্যালক-শ্যালিকাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।  শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম মোর্শেদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তার সবার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে র‌্যাব তাদের কমলনগর থানায় হস্তান্তর করে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- নিহত কাশেমের শ্বশুর আলী আক্কাস, শ্যালক জহির উদ্দিন, জেঠ্যস আকলিমা বেগম, স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও শ্যালিকা তাহমিনা আক্তার।

গত শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরজাঙ্গালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব তাদের গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম মোর্শেদ বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের কোনো তথ্য ও প্রমাণ ছিল না। ঘটনার পর থেকেই গ্রেপ্তার তাহমিনা পলাতক ছিলেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় সন্দেহভাজন পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তহিদুল ইসলাম বলেন, র‌্যাব পাঁচজনকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তাদের কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত কাশেম কমলনগরের চরকাদিরা ইউনিয়নের চরপাগলা গ্রামের আবু ছায়েদ মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় কৃষি শ্রমিক ছিলেন।

প্রায় তিন মাস আগে চর জাঙ্গালিয়া গ্রামের তাছলিমাকে পারিবারিকভাবে তিনি বিয়ে করেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি তিনি শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যান। ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে বের হন। রাত ১০ টার দিকে স্ত্রী তাছলিমা তাকে মোবাইলে কল দিলে মোবাইল বন্ধ পান। পরদিন সকাল সোয়া ৭টার দিকে শ্বশুর বাড়ির পাশের একটি সয়াবিন ক্ষেতে কাশেমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তাছলিমার বাবা আক্কাস মোবাইলে বিষয়টি কাশেমের বাবাকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক ও মুখে রক্ত লেগে ছিল। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ছায়েদ বাদি হয়ে কমলনগর থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে র‌্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করেন। এরপর কাশেমের স্ত্রী, শ্বশুর, শ্যালক, জেঠ্যস ও শ্যালিকাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


আরও খবর



অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

অনুমতি ছাড়া হজ পালন করাকে বেআইনি ঘোষণা করে কঠোর শাস্তির বিধান করেছে সৌদি আরব। নিরবিচ্ছিন্ন ও সুন্দরভাবে হজ মৌসুম শেষ করতেই এ বিধান জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আর যারা এ আইন ভঙ্গ করবেন তাদেরকে ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ টাকার সমান।

সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া হজ পালন করা বেআইনি। আর যারা এ আইন ভঙ্গ করবেন তাদের ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। এমনকি যে বা যারা অনুমতিবিহীন ব্যক্তিদের মক্কায় পরিবহন করে ধরা পড়বেন তাদেরকেও ৫০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে।

গালফ নিউজ জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী হজ মৌসুমের এই আইন ভঙ্গ করবেন, তাদেরকে প্রথমে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হবে। কারাভোগের পরে নিজ দেশে তাদের ফেরত পাঠানো হবে। পাশাপাশি পরবর্তী ১০ বছরে সৌদিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞাও দেয়া হবে। এছাড়া এই আইন ভঙ্গকারীদের পরিচয় স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। যেন তাদের আশপাশের সবাই চিনে রাখতে পারেন।

প্রসঙ্গত, ইসলামের অন্যতম স্তম্ব হজ। নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদের মালিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ মুসলিম নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হলেও হজ করা ফরজ। প্রতি বছরই হজ পালন করতে পবিত্র মক্কা নগরীতে সমবেত হন লাখ লাখ মানুষ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক মানুষ হজ করতে যান। পাশাপাশি সৌদির স্থানীয় মানুষও পবিত্র হজ পালন করে থাকেন।


আরও খবর



মিয়ানমারে ৬২ সৈন্যকে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় গত তিন দিনে অন্তত ৬২ জন সেনা ও কয়েকটি ঘাঁটি হারিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। সংবাদমাধ্যম ইরাবতীর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

গত কয়েক দশক ধরে সামারিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী। সর্বশেষ অভ্যুত্থানের পর থেকে সামরিক বাহিনীর সাথে গ্রামাঞ্চলে মারাত্মক সংঘাতে লিপ্ত রয়েছে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী। বিদ্রোহী বাহিনীর একটি দল সম্প্রতি চীন সীমান্তে জান্তা লক্ষ্যবস্তুতে একের পর এক আকস্মিক হামলা চালিয়েছে

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অং সান সুচির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার সময় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে সামরিক বাহিনী। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রপন্থিদের বিক্ষোভ কঠোরভাবে দমন করে জান্তা। স্থানীয় এক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠীর মতে, সামরিক বাহিনীর দমন অভিযানে চার হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন কয়েক হাজার। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর অভিযানের মুখে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়েছে জান্তা বাহিনী। 

ইরাবতী জানায়, সাগাইং, মাগওয়ে, মান্দালা, কাচিন ও কারেন প্রদেশে সংঘর্ষের খবর মিলেছে। পিডিএফ বাহিনীর অভিযানের মুখে জান্তা বাহিনী তাদের মিশন ছেড়ে পালিয়ে গেছে।  

২৬ জানুয়ারি থেকে ৪০০ জান্তাসেনা নিয়ে একাধিকবার মিতওয়ে শহর দখলের চেষ্টা করেছে সরকার। তবে তা এখন পিডিএফ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে। 

গোষ্ঠীটি জানায়, ত্যাগ করা এই সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ১৫ জন সেনার মরদেহ পেয়েছে তারা। এছাড়া সংঘাতে জান্তা বাহিনীর আরও ৪০ জন সদস্য আহত হয়েছে বলে জানায় তারা। 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪