Logo
শিরোনাম

মাছ-পশুখাদ্যে ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ট্যানারি বর্জ্য থেকে পোলট্রি ও মাছের খাদ্য তৈরি করা সম্পূর্ণ নিষেধ। কিন্তু কখনো গোপনে, কখনো প্রকাশ্যেই ট্যানারির বর্জ্য জ্বালিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিষাক্ত পোলট্রি ফিড। আর এসব ফিড সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকার পশু, পোলট্রি ও মাছের খামারে। এসব ফিডে আছে ট্যানারির চামড়ায় ব্যবহৃত রাসায়নিক ক্রমিয়াম, সালফিউরিক অ্যাসিড, লাইম, সোডা, ফরমিকা, ক্লোরাইড, সালফেট, অ্যালুমিনিয়াম সালফেট প্রভৃতি। এসব বিষাক্ত উপাদান মুরগি ও মাছের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে মানব-শরীরে। এতে জনস্বাস্থ্য রয়েছে হুমকিতে।

সাভার ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট থেকে কঠিন বর্জ্য নিয়মিত একটি চক্র অবৈধভাবে বের করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অবৈধভাবে বের করা এসব কঠিন বর্জ্য নেওয়া হচ্ছে পশু, পোলট্রি ও মাছের খাদ্য তৈরির কারখানায়। ২২ সেপ্টেম্বর সাভার ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের সলিড ওয়েস্ট ডাম্পিং স্টেশনে গেলে পরিবহন শ্রমিকরা এ তথ্য জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক বলেন, নিয়মিত একটি চক্র গভীর রাতে ও ভোরবেলা ট্রাকবোঝাই করে কঠিন বর্জ্য সাভার ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের পেছনের গেট ও ১ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নিয়ে যায়। সেগুলো দেশের বিভিন্ন পশু, পোলট্রি ও মাছের কারখানায় বিক্রি করা হয়। এ চক্রের সঙ্গে ট্যানারির কিছু নিরাপত্তাকর্মী, কর্মচারী ও স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা জড়িত।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা বলেন, এ ট্রাক দুটি কঠিন বর্জ্য নিয়ে বের হওয়ার সময় জব্দ করা হয়েছে। আমরা মাঝেমধ্যেই এরকম ট্রাক জব্দ করি। পুলিশেও দেই। কিন্তু, পুলিশ ছেড়ে দেয়। এই কঠিন বর্জ্য দিয়ে পোলট্রি-পশুখাদ্য তৈরি করা হয়। বিষয়টি বন্ধ করা দরকার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট কোম্পানি লিমিটেডের নির্বাহী প্রকৌশলী সতেন্দ্রনাথ পাল বলেন, আমরা মাঝেমধ্যেই কঠিন বর্জ্যবোঝাই ট্রাক বের হওয়ার সময় আটক করি। মাঝেমধ্যে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া পুলিশ ফাঁড়িতেও দেওয়া হয়। আমরা এ চক্রটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চাই। তা ছাড়া এই চক্রটিকে প্রতিহত করা যাবে না। আগামী বোর্ড মিটিংয়ে আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব এবং একটা সিদ্ধান্তে আসব।

বিষয়টি জানতে চাইলে চামড়া শিল্প নগরী ট্যানারি ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রাসেল মোল্লা বলেন, আমাদের কাছে শুধু একটি ট্রাক হস্তান্তর করা হয়েছিল। কিন্তু, ট্যানারি কর্তৃপক্ষ ট্রাকটির বিরুদ্ধে মামলা না দেওয়ায় পরবর্তীতে ডাম্পিং স্টেশনে ওই বর্জ্যগুলো আনলোড করে ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা তো ট্রাক আটক করার কেউ না। ট্যানারি কর্তৃপক্ষ ট্রাক আটক করে মামলা দিলে আমরা মামলা নেব।

সাভার এলাকায় তিনটি পোলট্রি ফিড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে ১ লাখ ৫ হাজার টন ট্যানারি বর্জ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সাভারের ভার্কুতাতেই এক লাখ টন, আমিনবাজারে দুই হাজার টন ও ভার্কুতা মোগড়াকান্দায় তিন হাজার টন বর্জ্য পাওয়া যায়। রাজধানীর হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্পকে ঘিরে এর আশপাশে গড়ে উঠেছিল অসংখ্য বিষাক্ত পোলট্রি ফিড তৈরির কারখানা। এখন এসব ট্যানারি রয়েছে সাভারের হেমায়েতপুরে। হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের হরিণধরা গ্রামে গড়ে ওঠা চামড়া শিল্প নগরীর একেবারে উত্তর প্রান্ত ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বর্জ্য পোড়ানোর খামারগুলো। বর্জ্য পোড়াতে সেখানে প্রায় ৪০টির মতো চুলা রয়েছে। আর সেখানেই তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত পোলট্রি ফিড।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ডিএলএস) ডা. এ বি এম খালেদুজ্জামান বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পোলট্রি ফিডে ট্যানারি বর্জ্য দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। নিয়মিত সম্মিলিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। পোলট্রি ফিডে ট্যানারির বর্জ্য মেশানোর অপরাধে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ৯ এপ্রিল মাছ, মুরগি ও পশুখাদ্য তৈরিতে ট্যানারির বর্জ্য ব্যবহার বন্ধে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছিলেন আপিল বিভাগ। ওইদিন শিল্প মালিকদের করা আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধী চার সদস্যর বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, পোলট্রি ও মাছের খাবার প্রস্তুতকারক সমিতির করা আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন আপিল বিভাগ খারিজ করে দিয়েছে। ওই আদেশের ফলে ট্যানারি বর্জ্য দিয়ে মুরগি ও মাছের খাবার তৈরি বন্ধে আগের রায়ই বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন মনজিল মোরসেদ।

 ২০১০ সালের ২৬ জুলাই পরিবেশবাদী সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে জনস্বার্থে করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ২১ জুলাই এক মাসের মধ্যে ট্যানারি বর্জ্য দিয়ে মাছ, মুরগি ও পশুখাদ্য তৈরির কারখানা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। পরে এর বিরুদ্ধে একটি কারখানার মালিকের করা লিভ টু আপিলও খারিজ করে দেয় আপিল বিভাগ।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




ভারত-পাকিস্তানকে হারিয়ে ‘আপসেট’ ঘটাতে চান সাকিব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : জয়ের সম্ভাবনা তৈরী করে হেরে যাওয়া- ভারতের বিপক্ষে গত কয়েক বছর সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের এমন চিত্র খুবই সাধারণ। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই প্রতিবেশী। 

এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, ভারত দুটো দলই জিতেছে দুটি করে ম্যাচ। গ্রুপ-২-এর পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে আছে ভারত এবং তিনে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে অ্যাডিলেড ওভালে আগামীকাল মুখোমুখি হবে এই দুই প্রতিবেশী। এমনকি এই অ্যাডিলেডে আরেক এশিয়ান টিম পাকিস্তান দলের বিপক্ষেও খেলবে বাংলাদেশ। সাকিব বলেন, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের একটা জিতলে আপসেট হিসেবে গন্য হবে ৷ আমরা সেই আপসেট ঘটাতে পারলে খুশি হব ৷

২০১৫ বিশ্বকাপ থেকেই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ হয়ে উঠেছে বিশেষ কিছু। আইসিসি ইভেন্ট হোক বা এশিয়া কাপ, অনেকেরই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে এই দুই প্রতিবেশীর ম্যাচ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা ‘স্পেশাল’ কি না এই প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, ‘না। আমাদের কাছে প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটা ম্যাচেই আমরা একই অ্যাপ্রোচ নিয়ে আমরা খেলতে চাই। 


আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২




বরিশালে তিন চাকার যানবাহনে ধর্মঘট

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 বরিশালে আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর সকল রুটে থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিন চাকার যানবাহনের মালিক ও শ্রমিকরা। বরিশাল জেলা বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন কর্তৃক চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।

সিএনজি ও ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পরিমল দাস জানান, বরিশাল জেলা বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়ন কর্তৃক চালকদের হয়রানি বন্ধ করা, নগরীর সকল রুটে থ্রি হুইলার গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করাসহ পাঁচ দফা দাবিতে শুক্র ও শনিবার ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। এসময় বরিশাল জেলার সকল রুটে মাহেন্দ্র-আলফা, সিএনজি অটোরিকশা, এলপি গ্যাসচালিত ব্লু গাড়ি বন্ধ রাখার জন্য মালিক ও শ্রমিকদের অনুরোধ করা হয়েছে।এরআগে গত ২৬ অক্টোবর মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও থ্রি-হুইলারসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে একই দিনে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপ। 


আরও খবর



পুলিশ কর্মকর্তার নজরে পড়ায়

মোড়েলগঞ্জে ২০ বছর পর স্বজনদের কাছে ফিরে গেল সাদেক আলী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সাদেক আলী বিশ্বাস নামে এক ব্যাক্তিকে ২০ বছর পরে তার পরিবারের সদস্যরা খুজে পয়েছেন। গতকাল শনিবার বেলা ১০টার দিকে মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট থেকে তাকে বুঝে নেন ছোট ভাই নুরুল ইসলাম বিশ্বাস। সাদেক আলীর বয়স এখন ৫৪ বছর। সে ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার খর্দ্দ ধোপাদী গ্রামে মহর আলী বিশ্বাসের ছেলে। মোরেলগঞ্জে কর্মরত কালিগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তার নজরে পড়ায় ঠিকানা আবিস্কার হয় সাদেক আলীর। 

জানা গেছে, নিখোঁজের পর থেকেই মোরেলগঞ্জে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের মাঝিবাড়ি এলাকায় খাদিজা বেগমে(৫৫) নামে এক দরিদ্র বিধবা নারীর বাড়ির পাশে একটি পরিত্যাক্ত ঘরে ওঠেন। খাদিজা বেগম স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু’র সহযোগিতায় সেখানে তার খাওয়া পরার ব্যবস্থা করেন। মস্তিস্ক বিকৃতজনিত কারনে ২০ বছর পূর্বে ৩৪ বছর বয়সে সাদেক আলী পরিবার থেকে হারিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে কোন সন্ধান পাননি তার মা ও ভাইয়েরা। 

কালিগঞ্জ এলাকার পুলিশের এসআই নুরুল ইসলাম এই ঘটনাটি জানতেন। সম্প্রতি তিনি মোড়েলগঞ্জ থানায় বদলী হয়ে গেলে সেখানে মাঝিবাড়ি এলাকায় সাদেক আলীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন। ওই সময় এসআই নুরুল ইসলাম তার ছবি তুলে কালিগঞ্জের এক সাংবাদিকের মাধ্যমে পরিবারকে জানান। ছবি দেখে সাদেক আলীর ভাই চিনতে পারেন। 

গতকাল শনিবার পুলিশের মাধ্যমে সাদেক আলীকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তরের সময় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন হতদরিদ্র বিধবা খাদিজা বেগম। সাদেক আলীও যেতে রাজি ছিলেন না। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুর রহমান, নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু ও এসআই নুরুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে অস্ত্র মামলায় একজনের ১৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি অস্ত্র মামলায় শাহিন ওরফে  চুষনি শাহীনকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কাজী ইয়াসিন হাবীবের আদালত এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহীন ফতুল্লার ফাজিলপুর এলাকার মৃত মুনসুর কন্ট্রাক্টরের ছেলে।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল র‌্যাব-১১ ফতুল্লা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে শাহীনকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। পরে এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ে করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে স্বাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে অস্ত্র আইনের দুইটি ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।


আরও খবর