Logo
শিরোনাম

মাকামে ইব্রাহিম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ফেরদৌস ফয়সাল, কলাম লেখক ঃ

কাবা শরিফের পাশেই চারদিকে লোহার বেষ্টনীর ভেতর একটি ক্রিস্টালের বাক্সে আছে বর্গাকৃতির একটি পাথর। পাথরটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান, প্রায় এক হাত। এটিই মাকামে ইব্রাহিম। মাকাম শব্দের একটি অর্থ হচ্ছে দাঁড়ানোর স্থান। অর্থাৎ হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর দাঁড়ানোর স্থান। এই পাথরে দাঁড়িয়ে তিনি ঠিক কী কাজ করতেন, তা নিয়ে মতভেদ আছে। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মত হলো, কাবা শরিফের দেয়ালের উঁচু অংশ নির্মাণের সময় তিনি এই পাথরে দাঁড়িয়ে কাজ করতেন। পাথরের মাঝখানে একজোড়া পায়ের ছাপ আছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা বিশ্বাস করেন, হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মুজেজার কারণে শক্ত পাথরটি ভিজে তাতে তাঁর পায়ের দাগ বসে যায়। চার হাজার বছরের বেশি সময় পরও মাকামে ইব্রাহিমে সেই পায়ের চিহ্ন অপরিবর্তিত রয়েছে।

হজরত উমর (রা.)-এর সময় পাথরটিকে সরিয়ে বর্তমান জায়গায় বসানো হয়। মাকামে ইব্রাহিমের কাছে বা ঘেঁষে অনেক মুসল্লি নামাজ পড়েন, অনবরত চলে তাওয়াফ।

পবিত্র কাবাঘরের তাওয়াফ শেষে মাকামে ইবরাহিমের পেছনে দাঁড়িয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়তে হয়। তবে জায়গা না পেলে কাবা চত্বরের অন্য কোথাও আদায় করলে নামাজ হয়ে যায়।


আরও খবর

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন-বিধান

শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




খন্দকার রুহুল আমিন এনআরবি ব্যাংকের

রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ অনুপ সিংহ,

এনআরবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ০৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত সভায় খন্দকার রুহুল আমিন সর্বসম্মতিক্রমে বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হন।

তিনি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে চলমান রয়েছেন। তিনি দেশে ও বিদেশে একজন দক্ষ ও সফল ব্যবসায়ী। বর্তমানে তিনি আমেরিকায় অবস্থিত ফাদার রিয়ালিটি কর্পোরেশন, সুরমা রিয়ালিটি কর্পোরেশন, আমিন রিয়ালিটি কর্পোরেশন, হরিপুর রিয়ালিটি করর্পোরেশন, বোম্বে গ্রীল, গান্ধী প্যালেস, আমিন ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, রোশাই ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট এবং ইন্ডিয়ান প্যালেস-এর স্বত্ত্বাধিকারী।

আরো রয়েছেন আমিন বাংলাদেশে হোটেল নিউ ইয়র্ক, ক্যাফে নিউ ইয়র্ক, আমিন সিএনজি ফিলিং স্টেশন, ঢাকা নিউ ইয়র্ক এ্যাগ্রো ফিসারিজ এবং খন্দকার টাওয়ার-এর স্বত্ত্বাধিকারী। সামাজিক উন্নয়নে জনহিতকর কর্মকান্ডে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত।


আরও খবর

স্বর্ণের দাম কমেছে

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




কুমিল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি পুনঃগঠন

রনী- সভাপতি, আনোয়ার সাধারন সম্পাদক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লা রিপোটার্স ইউনিটি (সিআরইউ) এর পূর্ব ঘোষিত কমিটি গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় না হওয়ায় ওই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা ধারণকারীদের নিয়ে পুনরায় এজিএম করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পুনঃগঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর নজরুল এভিনিউস্থ একটি মিডিয়া সেন্টারে কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক তাওহিদ হোসেন মিঠু। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গ্লোবাল টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি সাইফ উদ্দিন রনীকে সভাপতি, এসএ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন’কে সাধারন সম্পাদক ও দেশ টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ সুমন কবির ভ‚ইয়াকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট ২ বছর মেয়াদি কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। 

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি জাগরনী টিভি’র কুমিল্লা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক দৈনিক রূপসী বাংলার সাইফুল ইসলাম সুমন, অর্থ সম্পাদক দৈনিক শিরোনাম এর সালাউদ্দিন সুমন, দপ্তর সম্পাদক কুমিল্লা টুয়েন্টি ফোর টিভির হেড অব নিউজ তামজীদ হোসেন লিপু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বাংলা টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আরিফুর রহমান মজুমদার, পাঠাগার সম্পাদক দৈনিক বাংলার আলোড়ন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক- দৈনিক শ্রমিকের নির্বাহী সম্পাদক আরিফ সেলিম ওপেল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক দৈনিক সকালের সময়ের কুমিল্লা প্রতিনিধি আমেনা বেগম শিউলী, প্রশিক্ষন ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক  দৈনিক আমাদের কণ্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ মনির হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক দৈনিক আজকের জীবন কুমিল্লা প্রতিনিধি নেকবর হোসেন, সমাজকল্যান সম্পাদক পথিকৃত কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার জুয়েল খন্দকার, নির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন কুমিল্লার আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক জসিম উদ্দিন কনক, প্রথম আলো’র এম সাদেক, মোহনা টিভির তাওহিদ হোসেন মিঠু, ডিবিসি নিউজের নাসির উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক বাংলা’র মাহফুজ নান্টু, দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিনের রফিকুল ইসলাম, আজকের পত্রিকার জহিরুল হক বাবু, ডেইলি স্টারের খালিদ বিন নজরুল, দৈনিক আজকের দর্পনের রবিউল বাশার খান।


আরও খবর

ফকিরহাটের জন্য সম্মান বয়ে আনলেন

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




ঢাকায় বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : আগে ঢাকার মতো প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা পৃথিবীর কোথাও ছিল না। কিন্তু এরই মধ্যে সেই নিষ্কাশন ব্যবস্থা মরে গেছে। ভরাট করা হয়েছে জলাশয়, পুকুর ও খালবিল। ফলে রাজধানী শহরটি মারাত্মকভাবে বন্যাকবলিত হওয়ার আশঙ্কায় আছে।

এতে এক দশকেরও কম সময়ের মধ্যে নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছেন দেড় কোটি মানুষ, যা দেশের জনসংখ্যার ৯ শতাংশ। প্লাবনভূমি ও নদী তীরে বসতি এবং অবকাঠামো বেড়ে যাওয়ায় এ ঝুঁকি আরো বাড়ছে। ফলে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে বন্যার ভয়াবহতা সামনের দিনগুলোতে আরো তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

 ( বাংলাদেশের নদী এলাকায় মানব উপস্থিতি ও বন্যার ঝুঁকির গতিবিধি ) বিভিন্ন সময়ের উপগ্রহের ছবির একটি মূল্যায়ন’ শিরোনামের গবেষণা করে জিওকার্টো ইন্টারন্যাশনাল। যা একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশ পেয়েছে। নিবন্ধটির গবেষকদের একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে বাংলাদেশে আট কোটি ৭০ লাখ (প্রায় পৌনে ৯ কোটি) মানুষ সরাসরি বন্যাকবলিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এসব মানুষ বাস করছেন দেশের ছোট-বড় নদীগুলোর দুই কিলোমিটারের মধ্যে। এ ছাড়াও বিভিন্ন কারণে মানুষের জন্য বন্যার ঝুঁকি বেড়েছে। যেমন, নদীর ১-২ কিলোমিটার তীরবর্তী বনাঞ্চল ৯১.৯৮ শতাংশ সংকুচিত হয়ে গেছে। তৃণভূমি ৬ শতাংশ ও অনুর্বর ভূমি কমেছে ২৭.৯২ শতাংশ। এ ছাড়াও প্লাবনভূমি আর নদী অববাহিকায় বসতি ও স্থাপনা নির্মাণ বেড়েছে ১১ শতাংশের বেশি।

এদিকে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার আর্থ অবজারভেটরির এক প্রতিবেদন বলছে, ১৯৮৮ সালে ঢাকার জনসংখ্যা ছিল ৫৭ লাখ। কিন্তু ২০২২ সালে এসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ২০ লাখে। জনসংখ্যার এই ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরগুলোর একটি এখন ঢাকা। যে কারণে এখানকার বহু মানুষকে বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলোতে বাস করতে হচ্ছে।

ন্যাচার সাময়িকীর এক বিশ্লেষণ বলছে, ঢাকার চারপাশেই নদী। দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা, পশ্চিমে তুরাগ, উত্তরে টঙ্গীখাল ও পূর্বে বালু নদী। ২০০০ সাল থেকে বুড়িগঙ্গা ও বালু নদীর তীরে জনবসতি বেড়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালের বন্যায় ডুবে গিয়েছিল ঢাকা। এতে দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর ১৯৯৮ সালের বন্যায় মারা যান ৯০০ জন। প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, উপগ্রহের মাধ্যমে তোলা রাতের ছবির পিক্সেলের আলো বিশ্লেষণ করে দেশের কোথায় কোথায় মানুষের বসতি গড়ে উঠেছে, সে সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়েছে। ছবিতে কোথাও কোথাও আলোর উজ্জ্বলতা বেড়েছে।

আলোর উজ্জ্বলতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে গবেষক দলের নেতা ও অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফ দেওয়ান বলেন, ‘আমাদের নগর কিংবা গ্রামীণ অঞ্চলে আলো থাকে। যেসব অঞ্চলে শিল্পকারখানা আছে, সেখানেও আলো থাকে। নাসার বিশেষায়িত একটি উপগ্রহ আছে, যেটা কেবল রাত্রিকালীন আলোর তথ্য চিত্রায়ন করে। অর্থাৎ কোথায় আলো কমেছে কিংবা কোথায় বেড়েছে, তা ধারণ করতে পারে এ উপগ্রহ। এ রকম উপগ্রহ দিয়ে ১৯৯২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরের ডেটা নিয়েছি আমরা। কিন্তু এ গবেষণায় ২০০০-২০১৮ সালের তথ্য ব্যবহার করেছি।

বন্যার ঝুঁকি কেন বেড়েছে তার ব্যাখ্যা দিয়ে এই গবেষক আরো বলেন, প্লাবনভূমি কমে গেলে বন্যার পানি কোথায় যাবে? তখন তা মানুষের বসতবাড়ি থেকে শুরু করে অবকাঠামোগুলো ডুবিয়ে দেবে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

গবেষণা অনুসারে ঢাকা সবচেয়ে বেশি বন্যার ঝুঁকিতে। কারণ রাজধানীর জনসংখ্যার বড় একটি অংশ নদীর পাশে বসবাস করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক, পানিসম্পদ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলেন, আগে পানি যেখানে ওঠার কথা উঠত, এখনো যেখানে ওঠার কথা সেখানে ওঠে। কিন্তু পানি যেখানে ওঠার কথা, এখন সেখানে মানুষ থাকে। কাজেই মানুষ থাকে বলে তাদের ক্ষতি হচ্ছে। আগে ঢাকার শ্যামলী পর্যন্ত পানি আসত, কল্যাণপুরে পানি আসত। এখন মানুষ থাকতে চাইলে পানি আটকাতে হবে। আর পানিকে আটকানো হয়েছে। আর ভিতরে যাতে পানি থাকতে না পারে, সে জন্য পাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে বসবাস করতে চাইলে পানি সরিয়ে দিতে হবে। কাজেই পানিকে দোষ দিয়ে কিছু হবে না, পানির কাজ পানি করবেই।


আরও খবর

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বাজেট ঘোষণা

মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22

ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে

সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২




হাঁটলে আয়ু বাড়বে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকতে এবং শরীর ভালো রাখতে নিয়মিত হাঁটার বিকল্প নেই। কেবল শরীর নয়, মন সতেজ রাখতেও এর তুলনা হয় না। এছাড়া যারা ওজন কমানো নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন, তাদের জন্যও হাঁটার কোনো বিকল্প নেই।

প্রতি সপ্তাহে মাত্র ৭৫ মিনিটের হাঁটা ২০ মাস পর্যন্ত আয়ু বাড়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট ও ব্রিগহ্যাম উওমেন হাসপাতালের একটি যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষকদের মতে, যদি কেউ প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত ছোটখাটো শারীরিক পরিশ্রম করেন- যেমন ৭৫ মিনিট হাঁটেন- তাহলে তিনি ৪০ বছরের পর অন্যদের তুলনায় ন্যূনতম ২০ মাস বেশি আয়ু পেতে সক্ষম।

গবেষণায় সাড়ে ছয় লাখ মানুষের ১০ বছরের স্বাস্থ্য রেকর্ড নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এদের মধ্যে মাত্র ৮২ হাজার মানুষ উল্লিখিত বর্ধিত আয়ু শেষ হওয়ার আগে মারা যান।

তবে স্বাভাবিক ওজনের ব্যক্তিদের জন্য এ হাঁটা আরও উপকারি হতে পারে বলে গবেষণায় জানা যায়। তারা সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে ৭ বছর দুই মাস পর্যন্ত আয়ু বাড়াতে সক্ষম।

গবেষণা বলছে, যারা গতিতে হাঁটে তাদের আয়ু গড়ে ২০ শতাংশ বাড়ে, তাদের থেকে যারা সেভাবে কম গতিতে হাঁটেন। এছাড়াও পায়ের পেশী ভালো থাকে। 

নিয়মিত হাঁটলে কোলেস্ট্রল নিয়ন্ত্রণে থাকে। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডায়াবেটিস ও স্থুলতা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে। পাশাপাশি হার্ট, উচ্চ রক্তচাপ এমনকি ক্যানসারের মতো রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে নিয়মিত হাঁটার অভ্যেস। কেন আমাদের আরো বেশি হাঁটা প্রয়োজন এবং জেনে নিন হাঁটার উপকারিতা-

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

হাঁটলে শরীরের পেশিতে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে। ফলে রক্তের গ্লুকোজ কমে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। সম্প্রতি গবেষকদের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আপনি যত বেশি হাঁটবেন, তত আপনার ডায়াবেটিস হবার সম্ভাবনা কম হবে। যিনি সপ্তাহে ৫ দিন প্রতিদিন ১০,০০০ স্টেপ হাঁটেন, তিনি ডায়াবেটিস থেকে তত দূরে থাকেন যিনি প্রতিদিন ৩,০০০ স্টেপ হাঁটেন।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন নিয়ম করে ৩০ মিনিট হাঁটা ও ব্যায়াম করতে হবে। স্তন, প্রোস্টেট, ফুসফুস, কোলন ও কিডনির ক্যানসার প্রতিরোধ নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

জয়েন্টে ব্যথার উপশম করে

গাঁটে গাঁটে ব্যথা বা জয়েন্ট পেইনে ভুগলে কিন্তু হাঁটার কোনও বিকল্প খোঁজা দায়। জয়েন্টে ব্যথার উপশমই শুধু নয়, এক গবেষণা বলছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হাঁটার গুণাগুণ প্রচুর।

হার্ট ভালো থাকে

নিয়মিত হাঁটলে রক্তনালীর দেওয়ারগুলিতে চর্বি কম জমে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়াও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজ দেয় হাঁটার অভ্যাস। এতে কমে যায় স্ট্রোকের সম্ভাবনা।

বাড়তি মেদ ঝরায়

ডায়টেশিয়ানদের মতে, প্রতি সপ্তাহে ২৫০ মিনিট ধরে হাঁটা উচিত। অর্থাৎ প্রতি দিনের নিরিখে আধ ঘণ্টার একটু বেশি। দীর্ঘক্ষণ হাঁটলে ক্যালোরি বার্নে সুবিধা হয়। আর তারফলেই শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে সাহায্য হয়।

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকে

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাওয়া দাওয়ার নিয়মের পাশাপাশি দরকার নির্দিষ্ট সময় মেনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাঁটা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্লাড প্রেশারের সমস্যা কমাতে ৩০ মিনিট নিয়ম করে রোজ হাঁটলে তা উপকার দেবে।

মানসিক সুস্থতা ভালো থাকে

অফিসে বা কাজে হেঁটে যাওয়া অনেক ভালো একটি উপায়। সকালে হাঁটার অভ্যাসের পাশাপাশি কাজের জায়গায় গিয়ে আপনাকে মানসিকভাবে ভালো থাকতে সাহায্য করবে।‘ইট দিস ডট কম’ ওয়েবসাইটের এক গবেষণায় অ্যাংলিয়াস নরউইচ মেডিকেল স্কুলের প্রধান গবেষক অ্যাডাম মার্টিন বলেন, যারা গাড়িতে যাতায়াত করেন, তাদের মানসিক সুস্থতা বেশি খারাপ হয়। আর যারা বেশি হাঁটেন, তাদের মানসিক সুস্থতা ততই ভালো হয়।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রভাব পড়ে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। কমে যায় স্মৃতি শক্তি। তাই স্মৃতি শক্তি ভাল রাখতে নিয়মিত হাঁটার অভ্যেস করুন। নিজেকে সুস্থ রাখুন।

হাঁটার সময় যেসব কৌশল মেনে চলবেন

জার্নাল অব হ্যাপিনেস স্টাডিজের একটি গবেষণায় তারা একদল স্বেচ্ছাসেবককে হাঁটার সময় তাদের সামনে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে তিনটি কৌশল মেনে চলতে বলেন। প্রথমটি হচ্ছে— তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভালোবাসা-দয়া রাখা; দ্বিতীয়টি হচ্ছে— পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা এবং তৃতীয়টি হচ্ছে— কৌশলে বলা হয় অন্যান্য লোকদের বাহ্যিক উপস্থিতি এবং চেহারা বিবেচনা করতে। গবেষণাটিতে দেখা যায়, এ কৌশলগুলো অবলম্বন করার ফলে তারা কম উদ্বেগ, আরও সুখী, আরও সংযুক্ত, আরও যত্নশীল এবং আরও সহানুভূতি অনুভব করে।

হাঁটার মাঝে মাঝে শ্বাস প্রশ্বাস ঠিক রাখতে লম্বা ও গভীর দম নিন ও ছাড়ুন। নাক দিয়ে দম নিয়ে, মুখ দিয়ে ধীরে ছাড়ুন। এতে আপনার শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও আরো হাঁটার শক্তি পাবে।

হাঁটার ১০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। সারাদিন এক ঘন্টা পর পর এক গ্লাস করে পানি খেলে হাঁটার সময় পানিশুন্যতা হবে না। হাঁটার সময় প্রতি ২০ মিনিটে এক কাপ করে পানি খাবেন। হাঁটার শেষে এক থেকে দুই গ্লাস পানি খাবেন।

প্রতিদিন যত বেশি হাঁটবেন, মনে হবে আপনি ততই বেশি ভাল আছেন। ভাল থাকার ব্যাপারে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। শরীরকে যথাযথভাবে কর্মক্ষম রাখার জন্যে এবং আয়ু বাড়াতে নিয়মিত হাঁটুন।


আরও খবর

যোগাসনে ব্যায়াম হবে পুরো শরীরের

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

খালি পেটে কাঁচা রসুন কেন খাবেন

শনিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২২




আইসিসির কাছে নালিশ জানাবে পিসিবি

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : খেলার মাঠে দুই দলের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হলে সেখানে উত্তেজনা ছড়াবেই- এটাই যেন অলিখিত একটি নিয়ম। তবে, যাই ঘটুক, সবই থাকবে সীমার মধ্যে। অখেলোয়াড়োচিত কোনো আচরণ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

মঙ্গলবার আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচের উত্তেজনা অনেকটাই সীমা লঙ্ঘণ করে গেছে। আফগান পেসার ফরিদ আহমেদের দিকে তেড়ে গেলেন পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলি। শুধু তাই, তাকে ব্যাট দিয়ে পেটাতেও উদ্যোগি হতে দেখা গেছে আসিফ আলিকে।

যদিও শেষ পর্যন্ত কোনো আনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর ঘটেনি। অন্য ক্রিকেটাররা এসে মাঝে দাঁড়িয়ে যান এবং দু’জনকে ছাড়িয়ে নেন। মাঠের এই ঘটনার রেশ গিয়ে পড়েছে গ্যালারিতেও। সেখানে আফগান সমর্থকদের বেশ উত্তেজিত হতে দেখা যায় এবং পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর হামলে পড়তেও দেখা যায়।

এসব বিষয় নিয়ে, বিশেষ করে গ্যালারিতে আফগান সমর্থকদের হামলার ঘটনার বিষয়ে আইসিসির কাছে লিখিত অভিযোগ জানাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি চেয়ারম্যান রমিজ রাজাই জানিয়েছেন এ তথ্য।

মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রমিজ রাজা বলেন, ‘আপনি সন্ত্রাসী কার্যকলাপকে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন না। আর এ ধরনের পরিবেশ আপনাকে অসুস্থ করে তুলবে। আমরা আইসিসিকে লিখিতভাবে জানাব, নিজেদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরব। যা করা সম্ভব করব। কারণ, দৃশ্যগুলো ছিল বীভৎস।’

এবারই প্রথম এমন কিছু ঘটেনি জানিয়ে রমিজ বলেন, ‘এমন কিছু এবারই প্রথম ঘটেনি। হার ও জিত খেলারই অংশ। এটা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই ছিল। কিন্তু আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। পরিবেশ ভালো না থাকলে ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আপনি কখনো এগিয়ে যেতে পারবেন না। 


আরও খবর

বিশ্বকাপ নিশ্চিত নারী ক্রিকেট দলের

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুকুট নিয়ে আজ ফিরছে বাঘিনীরা

বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২