Logo
শিরোনাম

মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ নিখোঁজ বিমানের সবাই মারা গেছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমা

বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পূর্ব আফ্রিকার দেশ মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমা মারা গেছেন। এছাড়াও প্রাণ হারিয়েছে বিমানটিতে থাকা আরও ৯ জন।



মঙ্গলবার (১১ জুন) দেশটির সরকার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ। এর আগে চিলিমাকে বহনকারী বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।



ব্যাংককে আগুনে পুড়ে মরল প্রায় ১০০০ পশু-পাখি

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও মন্ত্রিসভা থেকে সাধারণ জনগণকে জানাতে চাই, সোমবার (১০ জুন) নিখোঁজ হওয়া মালাউই ডিফেন্স ফোর্সের বিমানটির উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে।


 বিমানটিতে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস ক্লাউস চিলিমাসহ ১০ জনকে আজ মঙ্গলবার (১১) জুন সকালে চিকানগাওয়ায় পাওয়া গেছে।’


এতে আরও বলা হয়, ‘দুর্ভাগ্যবশত বিমানটিতে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাডারের বাইরে চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মালাউইয়ের প্রতিরক্ষা বাহিনী, পুলিশ সার্ভিস, বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।’


প্রতিবেদন মতে, বিমান দুর্ঘটনার খবর দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. লাজারাস ম্যাককার্থি চাকভেরাকে জানানো হয়েছে। তিনি দুর্ঘটনায় নিহত ভাইস প্রেসিডেন্টের পরিবারসহ অন্যান্যদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।


এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তার সহযোগীদের মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোক ঘোষণা করা হয়েছে।



আজ (মঙ্গলবার) থেকে শেষকৃত্যের দিন পর্যন্ত পতাকা অর্ধনিমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাককার্থি।


উল্লেখ্য, সোমবার (১০ জুন) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমাকে বহনকারী বিমানটি রাজধানী লিলংওয়ে থেকে মুজুজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।বিমানটিতে করে সদ্যই প্রয়াত হওয়া ক্যাবিনেট মন্ত্রী রালফ কাসাম্বারার শেষকৃত্যে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন মালাউইয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্টসহ নিহতরা। 


কিন্তু গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিমানটি হঠাৎ রাডারের বাইরে চলে গেলে, বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় বিমানটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছাড়া আরও ৯ জন আরোহী ছিলেন।


আরও খবর



দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চাইলেন রুবাইয়াত ফাতিমা তনি

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইনঃ


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় মুখ এবং রাজধানীর গুলশানে ‘সানভীস বাই তনি’র শোরুমের মালিক রুবাইয়াত ফাতিমা তনি। 



পাকিস্তানি বলে দেশীয় পোশাক বেশি দামে বিক্রি করায় এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করায় তাকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।


মঙ্গলবার (১৪ মে) প্রতিষ্ঠানটির মালিক তনি ভোক্তা অধিদপ্তরে হাজির হয়ে অভিযোগের বিপরীতে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় তাকে জরিমানা করা হয়। দেশি থ্রিপিস পাকিস্তানি বলে বিক্রির জন্য ৫০ হাজার এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।


জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে তনি ও ভুক্তভোগীকে নিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তর নিজস্ব অফিসে একটি লাইভ অনুষ্ঠান করে। সেখানে তনি জানান, তিনি এসব অভিযোগের বিষয়ে অবগত নন। তার ব্যবসায়িক পেইজে অভিযোগকারী নারী অভিযোগ জানালেও মডারেটররা এটা গুরুত্ব দেন না এবং পরে গুলশানের পুলিশ প্লাজা মার্কেটে ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি নোটিশ আসে। সেটিও তনির সেলসম্যান গুরুত্ব না দিয়ে ফেলে রাখেন। 



সোমবার (১৩ মে) গুলশান শুটিং ক্লাব এলাকায় পুলিশ প্লাজা মার্কেটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ‘সানভীস বাই তনি’ প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।


এ বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দেশি থ্রি পিস পাকিস্তানি বলে বিক্রি করতো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করতো। 



তনি শুনানিতে অংশ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এই বিষয়ে সর্তক থাকবেন। এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কিছু অভিযোগ আসার পর প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে এবং এই দোকানে দেশি পোশাকগুলো বিদেশি বলে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল। তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস বলে বিক্রি করে। কিন্তু ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়।



তিনি বলেন, গুলশানের শোরুমের গিয়ে সেটার প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধু ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটা সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে। আপাতত তাদের শো-রুম বন্ধ করে দিয়েছি।


আরও খবর



রাজশাহীতে আমের বাজার আমশূন্য

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

চলতি বছর ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডারের দুইদিন অতিবাহিত হলেও রাজশাহীর বৃহত্তম আমের বাজার বানেশ্বর হাট আমশূন্য রয়েছে। ১৫ মে থেকে রাজশাহী জেলায় ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার শুরু হয়েছে। সরেজমিনে বানেশ্বর হাটে গিয়ে দেখা মেলেনি আমের।


সারাদেশে রাজশাহীর আমের কদর রয়েছে। রাজশাহীর অর্ধেক এলাকার আম কেনা-বেচা হয় পুঠিয়ার বানেশ্বর হাটে। কিন্তু গাছে তেমন আম না থাকায় এখনো আম কেনা-বেচা শুরু হয়নি বানেশ্বর হাটে। অলস সময় কাটাচ্ছে আড়ৎদাররা। সারাদেশ থেকে আসা পাইকারি আম ক্রেতারাও কেউ আসেনি।


পুঠিয়ার শিবপুরের আমচাষী জমসেদ আলী বলেন, বাগানে আম নেই। গাছে কিছু মুকুল দেরিতে এসেছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে আম আসেনি। গতবারের তুলনায় অর্ধেক আমও হবে না এবার।


আমের আড়তদার মকবুল হোসেন জানান, অলস বসে আছি। বাগানগুলোতে আম নেই বললেই হয়। কেউ আম পারেনি। পাইকারি ক্রেতারাও নাই। ২৫ মে এর আগে এখানে আম তেমন পাওয়া যাবে না।


বানেশ্বর হাটের ইজারাদার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বানেশ্বরে আমের বাজার এবার শুরু হয়নি। বাগানগুলোতে আম নাই। তবে এবার আমের দাম বেশি হবে।

পুঠিয়া উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ কর্মকর্তা স্মৃতি রানি সরকার বলেন, এবার আমের অফ ইয়ার। গাছে কিছু মুকুল এসেছিল। তাতে আমের গুটি আসেনি। গতবারের এক তৃতীয়াংশ আমও নাই বাগানগুলোতে।


আরও খবর



এমপি আনার হত্যার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন শিলাস্তিও, আসামিদের লোমহর্ষক বর্ণনা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

ডিজিটাল ডেস্ক:


এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের জট এখনও খোলাসা না হলেও দেশে গ্রেপ্তার তিন আসামি— শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি ডিবির। 


এরই মধ্যে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এমপি আনারকে রিসিভ করার পর হত্যাকাণ্ডের সময় কলকাতার নিউটাউনের ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন শিলাস্তি রহমান। এমনকি ঝিনাইদহ-৪ আসনের এ সংসদ সদস্যকে হত্যার পর নিজেদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে সব কাজ করেছেন হত্যাকারীরা।


শুক্রবার (৩১ মে) শিমুল ভূঁইয়া ওরফে আমানুল্লাহ, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। কিন্তু আদালত এ তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


এই তিন আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবি জানায়, এমপি আনারকে হত্যা করার আগে কলকাতার সেই ফ্ল্যাটে ওঠেন শিলাস্তি রহমান। হত্যা করার সময় ফ্ল্যাটে ছিলেন তিনি। তার দায়িত্ব ছিল এমপি আনার যখন ফ্ল্যাটটিতে যাবেন তাকে রিসিভ করা। 


সেই অনুযায়ী শিলাস্তি রহমান ওই ফ্ল্যাটটিতে এমপি আনারকে রিসিভ করেন। এরপর থেকে আর এমপি আনারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার শিমুল ভূঁইয়া (৫৬) জিজ্ঞাসাবাদে ডিবিকে জানায়, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শীর্ষস্থানীয় নেতা। খুলনা, জিনাইদহ, যশোরসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তথা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে তাদের নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি।


 শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে এমপি আনারের আদর্শের বিরোধ ছিল। এছাড়া ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান ওরফে শাহিনের সঙ্গেও সংসদ সদস্যের বিরোধ ছিল। এই দুই বিরোধকে কেন্দ্র করে শাহিন ও শিমুল ভূঁইয়া আনারকে হত্যা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করছিলেন।


এমপি আনার হত্যাকাণ্ড / এবার নেপাল যাচ্ছে ডিবি

গত জানুয়ারি ও মার্চ মাসে দুবার তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হন তারা। পরবর্তীতে শাহিন ভারতের কলকাতার নিউটাউন অভিজাত এলাকায় চলতি মাসের এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। 


পরিকল্পনায় শামিল করা হয় শিলাস্তি রহমানকে। পরে তাদের সঙ্গে হত্যা পরিকল্পনার মিটিং করে শাহিন গত ১০ এপ্রিল বাংলাদেশে চলে আসেন।


ডিবির রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, পরবর্তীতে শিমুল ভূঁইয়া ও শাহিনের নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা ভুক্তভোগীকে কৌশলে ব্যবসার কথা বলে কলকাতার ওই ফ্লাটে নিয়ে যান। পরে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী শিমুল ভুঁইয়া অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় আনারকে হত্যা করেন। 


হত্যার পর তার মরদেহের হাড়-মাংস আলাদা করে মাংসের ছোট ছোট টুকরো করা হয়। পরে সেগুলো ফ্ল্যাটের টয়লেটের কমোডে ফেলে ফ্লাশ করা হয়। এছাড়া হাড়সহ শরীরের অন্যান্য অংশ ট্রলিব্যাগে করে কলকাতার নিউটাউন থেকে দূরে একটি খালে ফেলে দেয় হত্যাকারীরা।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, শাহিন ভুঁইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য কলকাতার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশকে জানানো হয়। পরবর্তীতে কলকাতার সিআইডি পুলিশ ওই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংকে তালাশ করে মানুষের মাংস সদৃশ কিছু উদ্ধার করে। যা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আনোয়ারুল আজীম আনারের কি না নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে কলকাতার সিআইডি পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে জানানো হয়। 


এই আলামত উদ্ধারের সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।


ডিবিকে গ্রেপ্তার শিমুল ভুঁইয়া আরও জানান, আনারকে হত্যা করা ও লাশ থেকে হাড় মাংস আলাদা করার কাজে আসামি ফয়সাল, মোস্তাফিজ ও জিহাদ সরাসরি জড়িত ছিলেন। হাড় ও শরীরের অন্যান্য অংশ দূরে ফেলে দেওয়ার কাজে সিয়ামসহ অজ্ঞাতনামা দু-একজন সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।


আসামি জিহাদকে কলকাতা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আসামি তানভীর ভূঁইয়া (৩০) ঘটনার সময় শাহিন ভুঁইয়ার সঙ্গে কলকাতা ছিলেন। এছাড়া তিনি হত্যাকাণ্ডে শাহিন ভুঁইয়াকে সহযোগিতা করেন বলেও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। 


পরে তানভীর ভূঁইয়ার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার বাড়ি থেকে তিনটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। আনারকে হত্যার সময় শিলাস্তি রহমান কলকাতায় ওই ফ্ল্যাটেই ছিলেন। হত্যা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিলাস্তির দায়িত্ব ছিল এমপি আনারকে রিসিভ করা।


 ঘটনায় জড়িত পলাতক মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহিন, সিয়াম ও মোস্তাফিজসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য আসামিদের সঠিক নাম-ঠিকানা সংগ্রহ ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। 


বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার রহস্য জানতে ডিবির হাতে গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসমিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হয়।


এর আগে গত ১২ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলকাতায় তার পারিবারিক বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পরদিন, ১৩ মে চিকিৎসক দেখাতে হবে জানিয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন আনার। 


সন্ধ্যায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি। পরে বিধান পার্কের কাছে কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন তিনি। চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় আনারের মোবাইল নম্বর থেকে তার বন্ধু গোপালের কাছে ম্যাসেজ আসে যে, তিনি দিল্লি যাচ্ছেন এবং সেখানে পৌঁছে তাকে ফোন করবেন।


পরে ১৫ মে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তায় এমপি আনার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন এবং ভিআইপিদের সঙ্গে আছেন। তাকে ফোন করার দরকার নেই। একই বার্তা পাঠান বাংলাদেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী রউফের কাছেও।


১৭ মে আনারের পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গোপালকে ফোন করেন। ওই সময় তারা গোপালকে জানান, তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিন ঢাকায় থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে আর এমপি আনারের খোঁজ পাওয়া যায়নি।


২০ মে এমপি আনারের খোঁজ করতে গিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে। তারা জানতে পারেন, কলকাতায় বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার মোবাইলের লোকেশন একবার পাওয়া গিয়েছিল সেখানকার নিউমার্কেট এলাকায়।


 এরপর ১৭ মে তার ফোন কিছুক্ষণের জন্য সচল ছিল বিহারে। পরে বুধবার (২২ মে) ভারতের এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জিভা গার্ডেনসের একটি ফ্লাটে এমপি আনারকে খুন করা হয়েছে।



আরও খবর



কোটা পুনর্বহালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে দেওয়া পরিপত্র সম্প্রতি অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। এ বিষয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

গত ৫ জুন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এসকে) সাইফুজ্জামান জামান ওইদিন জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে।

আদালতে ওই দিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. মুনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এস কে) সাইফুজ্জামান জামান।


আরও খবর



মোদির সামনে চ্যালেঞ্জ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

এবার ভাটা পড়ল নরেন্দ্র মোদির একক আধিপত্যে। লোকসভা নির্বাচনে জিতেও তিনি নিজের মতো করে দেশ শাসন করতে পারবেন না। পরপর দুবার দেশ শাসনে যে দাপট দেখিয়েছিলেন এবার আর সেটা সম্ভব হবে না। উঁচু গলা কিছুটা হলেও নিচু করতে হবে তাকে। 

কেননা এবার জোট সরকার গঠন করতে হবে মোদিকে। মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি নিজেদেরকে নতুন ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করে আসছে। এমনকি কংগ্রেসকে ইঙ্গিত করে তারা বলছে তাদের হাতে বর্তমান ভারত নাকি স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিমুক্ত। যদিও মোদী শাসনের বিপরীতে আছে ফ্যাসিবাদ, বেকারত্ব সমস্যা, হিন্দুত্ববাদী নীতি ও মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব সহ আরো অনেক অনেক অভিযোগ।

এবার নির্বাচনে বুথফেরত জরিপেও আশাহত হয়েছিলেন বিজেপি। কেননা ফলাফলে মোদির হ্যাটট্রিক জয়ের কথা থাকলেও তিনি পেয়েছেন মাত্র ২৪০ টি আসন। যদিও এবারের নির্বাচনে এটি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন কিন্তু এককভাবে সরকার গঠনের জন্য দরকার ছিল ২৭২ টি আসন। যেটি কোন দলই পায়নি। আর এ কারণেই জোট শরীকদের কাঁধে ভর করা ছাড়া এখন বিজেপির হাতে আর কোন উপায় নেই। 

বিজেপির নেতৃত্বাধীন নরেন্দ্র মোদির সাথে জোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ শরিক হিসেবে থাকবে অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুর দল টিডিপি এবং বিহারের নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ। এছাড়াও, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) ও একনাথে শিন্ধের শিবসেনাসহ এমডিএ দলের ছোট ছোট দশটি শরিক দল রয়েছে।

ফলাফল প্রকাশের পর শরীকদের সাথে সরকার গঠনের জন্য মোদি সবরকম তোরজোর চালাচ্ছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলগুলোতে আলোচনা চলছে- এককভাবে দেশ শাসন করা মোদি এখন শরিকদের কাঁধে ভর করে দেশ শাসন করতে পারবেন কিনা!

কারন, শরিকদের সাথে জোট সরকার গঠন করলে মোদীর সামনে থাকবে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ। এর আগে, পরপর দুবার বিজেপির নেতৃত্বাধীন মোদি তার শাসনামলে নিজের সাম্প্রদায়িক উগ্র হিন্দুত্ববাদী চিন্তাধারা সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাকে। আর এখন সেই মোদিকেই কোন সিদ্ধান্তের জন্য নির্ভর করতে হবে জোট সরকারের ওপর। যা মোদির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আরও খবর