Logo
শিরোনাম

মাল‌য়ে‌শিয়ায় কর্মী যাওয়ার খরচ নির্ধারণ

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়ার খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ অংশে কর্মীদের খরচ ধরা হয়েছে ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা। বুধবার (৬ জুলাই) এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

গত ১২ জুন থেকে মালয়েশিয়ায় যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)। জেলা কর্মসংস্থান অফিস কিংবা অনলাইনে ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মাধ্যমে এই নিবন্ধন শুরু হয়।

এতে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় গমনেচ্ছু কর্মীদের বিএমইটির ডাটাবেজে নিবন্ধন বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন অনুযায়ী বিএমইটি ডাটাবেজে নিবন্ধিত কর্মীর তালিকা থেকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৈবচয়নের ভিত্তিতে কর্মী নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। সেই অনুযায়ী, মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের বিএমইটি ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বিএমইটির আওতাধীন সব জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ডিইএমও) অথবা নির্ধারিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) সরাসরি উপস্থিত হয়ে নিবন্ধন করা যাবে। প্রতিটি সফল নিবন্ধনের জন্য ২০০ টাকা সরকারি ফি (অফেরতযোগ্য) পরিশোধ করতে হবে।


আরও খবর



রংপুর সিটি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া শেষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন আজ।এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা, দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

তবে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে জামায়াত। আর এই নির্বাচনে অংশই নিচ্ছে না বিএনপি। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হবে। পহেলা ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। আর প্রত্যাহারের শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ও প্রার্থীদের প্রচার শুরু হবে ৯ ডিসেম্বর। আগামী ২৭ ডিসেম্বর রংপুর সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় নির্বাচন। 


আরও খবর



নওগাঁয় ককটেল হামলা

বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, একজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁর মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগ অফিসের পাশে ৩টি ককটেলের বিষ্ফোরণের পর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ছয় নেতার নামসহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের পর এরশাদ আলী (৩৭) নামে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য।

মঙ্গলবার মহাদেবপুর থানায় দায়ের করা মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাওসার আলী অভিযোগ করেন যে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে এমপির ছেলে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সাকলাইন মাহমুদ রকি, এমপির ভাগ্নে সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদাক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিলসহ আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ৩০/৩৫ জন নেতাকর্মী উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পাশের ফাঁকা স্থানে বসে থাকার সময় ৩/৪টি মোটরসাইকেলযোগে একদল দুষ্কৃতকারি সেখানে এসে পরপর ৩টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে নেতাকর্মী ও পথচারীরা আতংকিত হয়ে দিকবিদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। তারা দুষ্কৃতকারিদের ধাওয়া করলে পালিয়ে যায়।

মামলায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা সদরের মৃত ডা: তমিজ উদ্দিনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (৪৫), উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সদর ইউনিয়নের নাটশাল গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৪৫), সদস্য চেরাগপুর ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে চঞ্চল রহমান (৩৫), উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কুড়মইল গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে শাকিল আহমেদ (৩৩), জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য এরশাদ আলী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এনায়েতপুর ইউনিয়নের বুজরকান্তপুর গ্রামের বিএনপি নেতা শহীদুল ইসলামের ছেলে এফআই সবুজের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়।

মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস আই সামিনুর রহমান বলেন, মামলা দায়ের এর পরই ভোরে এরশাদ আলীকে তার বাড়ি থেকে আটক করে দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন। ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে দেয়া বক্তব্যে, সাকলাইন মাহমুদ রকি, সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, কাওসার আলী ও আওয়ামী লীগ নেতা সোহাগ প্রমুখ বলেন, বিএনপি জামাত জোট তাদেরকে উদ্দেশ্য করে এই ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করা প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

স্থানীয়রা জানান, ৩টি ককটেল একটি বৈদ্যুতিক খুটিতে লেগে বিস্ফোরিত হয়। তবে এতে কেউ আহত হননি। ঘটনার পরপরই উপজেলা সদরের ব্যস্ত এলাকা বাসস্ট্যান্ড মাছের মোড়, বকের মোড়, পোষ্ট অফিস মোড়সহ বিভিন্ন স্থান জনশুণ্য হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনেকেই গা ঢাকা দেন। থানা পুলিশ রাতে আসামীদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে হানা দেয়।


আরও খবর



হাতিবান্ধা সীমান্তে বাংলাদেশীকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি : 

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে মোঃ শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম (২৮) নামে এক বাংলাদেশীকে বিএসএফের বন্দুকের বাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার  অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৭ নভেম্বর) সকালে সীমান্ত এলাকা থেকে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে সে নিহত হয়। এর আগে ওই দিন ভোরবেলা উপজেলার গেন্দুকরি সীমান্ত থেকে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাকে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে বন্দুকের বাট ও লাঠি দিয়ে পিটুনি দিলে সে গুরুতর আহত হয়।

নিহত শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম গোতামারী এলাকার আছিম উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, প্রকৃতির ডাকে শনিবার ভোরবেলা শরিফুল বাংলাদেশের অভ্যন্তরের ৯০১ নম্বর পিলারের কাছে গেলে বিএসএফ সদস্যরা তাকে চোর সন্দেহে ক্যাম্পে ধরে নিয়ে যায়। পরে ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে লাঠি ও বন্দুকের বাট দিয়ে দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। এতে শরিফুল অসুস্থ হয়ে পড়লে বিএসএফ সদস্যরা তাকে বাংলাদেশের গোতামারী ইউনিয়নের ভুটিয়ামঙ্গল নামক সীমান্ত এলাকায় তাকে ফেলে দিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে রবিবার সকালে শরিফুলের পরিবারের লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহা আলম জানান, সীমান্ত এলাকা থেকে আহত অবস্থায় শরিফুলকে উদ্ধার করা হলেও বিএসএফ’র প্রহারে তার মৃত্যু হয়েছে কি না তিনি নিশ্চিত নন। তবে মরদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হলেই মৃত্যুর কারন জানা যাবে।


আরও খবর



১২ দফা দাবি পরিবহন শ্রমিক নেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার ঃ সড়ক পরিবহন খাতে দিনে ১১ কোটি টাকার চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ। 

সংগঠনটি বলছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন মালিকদের সঙ্গে আঁতাত করে দিনে ১১ লাখ গাড়ি থেকে ১১ কোটি চাঁদা আদায় করে। সে হিসাবে বছরে সড়কে ৪ হাজার ১৫ কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়। জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন শ্রমিক লীগ সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন।

মোহাম্মদ হানিফ খোকন আরো বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন নামে শ্রমিকদের ফেডারেশন হলেও তা মূলত মালিকদের সমিতি। ওই ফেডারেশন ১০টি দাবি করলে ৮টি দাবিই থাকে মালিকদের। ফেডারেশনের নেতারা মালিক সমিতির সঙ্গে আঁতাত করে শ্রম আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজির নির্দেশিকা তৈরি করে। পরিবহন সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকরা একটি মাফিয়া চাঁদাবাজ চক্রের হাতে নির্যাতিত। শ্রমিকদের শোষণ করে চাঁদাবাজরা শত শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছে। রাজধানীর চারটি বড় টার্মিনালসহ দেশের প্রতিটি টার্মিনালের শ্রমিকরা এ মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি। এরা সড়ক মহাসড়কে চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে নিজেদের প্রাসাদ-প্রতিপত্তি গড়ে তুলছে।


তিনি বলেন, আমরা আপনাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাদের বলতে চাই, পরিবহন শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নে ব্যর্থতার দায় নিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন থেকে বিদায় নিন। অথবা সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ঘোষিত মজুরি বাস্তবায়ন ও শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র প্রদানসহ পরিবহন শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে প্রকৃত অর্থে ট্রেড ইউনিয়নে ফিরে আসুন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রমিক বান্ধব সরকার যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা, শ্রম আইন অনুযায়ী নিয়োগপত্র প্রদান ও পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি বন্ধসহ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের ঘোষিত ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নে পরিবহন সেক্টরের সকল শ্রমিক ও মালিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।

দাবিগুলো হচ্ছে, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ মোতাবেক সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের স্ব-স্ব মালিক কর্তৃক বাস, ট্রাক চালকদের নিয়োগপত্র প্রদান করা, প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মাসিক বেতন প্রদান ও ৮ কর্ম ঘণ্টা নির্ধারণ করা; সড়ক পরিবহন শ্রমিক ও কর্মচারীদের মালিক কর্তৃক খোরাকি, চিকিৎসা ভাতা এবং ২ ঈদ ও পূজায় উৎসব বোনাস প্রদান করা; পরিবহন সেক্টরে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের বেআইনিভাবে চাঁদার আদায়ের নির্দেশিকা তৈরি করে পরিবহন সেক্টরে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা; যানজট নিরসন ও সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে মেয়াদোত্তীর্ণ সকল প্রকার ফিটনেসবিহীন যানবাহন বন্ধ করা; শরীয়তপুর-হরিনাঘাট, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া, মাওয়া-কেওড়াকান্দীসহ বিভিন্ন ফেরিঘাটে বাস, ট্রাক, কভার্ডভ্যান সিরিয়ালের নামে অবৈধ চাঁদা আদায় বন্ধ এবং ফেরিঘাটে যানজট নিরসনে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা; বিআরটিএতে পরিবহন চালকদের লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে রি-টেস্ট প্রথা বাতিল ও পরিবহন শ্রমিকদের সহজ পদ্ধতিতে লাইসেন্স প্রদান করা; হাইওয়ে সড়কে ট্রাক-ট্যাংকলরি ও কভার্ড ভ্যানের উপর অহেতুক পুলিশের হয়রানি বন্ধ এবং মানিকগঞ্জ, সীতাকুণ্ড, কুমিল্লা ময়নামতি, দাউদকান্দিসহ বিভিন্ন মহাসড়কে ওয়ে স্কেল (ওভার লোডিং) এর নামে বিনা রশিদে টাকা আদায় বন্ধ করা।

এছাড়া ঢাকায় সীমাহীন যানজট নিরসনে ফুলবাড়িয়া স্টপ-ওভার অস্থায়ী পরিবহন টার্মিনালটি কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা; সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক কল্যাণ তহবিল বিল অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা; নাইট কোচ যাত্রীদের ডাকাতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য প্রতিটি পরিবহনের মালিকের মাধ্যমে ২ জন আনসার-পুলিশ নিয়োগ করা; বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের অন্তর্ভুক্ত সকল বেসিক ইউনিয়নের পরিচয়পত্র ব্যবহারকারী ভূমিহীন পরিবহন শ্রমিকদের সরকারি খাস জমিতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং ঢাকা মহানগরীতে যানজট নিরসনে মহানগরের মধ্যে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকল বাস ও নাইট-কোচ কাউন্টার অবিলম্বে আন্তঃজেলা টার্মিনালে স্থানান্তর করা।

আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ১২ দফা দাবি মানা হলে ওই দিন পরবর্তী কর্মসূচি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক লীগ সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন।


আরও খবর



বাঘাইছড়ির সাজেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে জেএসএস সমর্থক নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস, রাঙ্গামাটি ঃ

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের দূর্গম নিউলংকর দাড়ি পাড়া গ্রামের মিড পয়েন্ট এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে সুখেন চাকমা (২০) পিতা-মঙ্গল চাকমা নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় সজীব চাকমা (২২) পিতা-বিধুমঙ্গল চাকমা নামে আরও এক যুবক পায়ে গুলি বৃদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। ঘটনার পর পরই আহত সজীব চাকমাকে উদ্ধার করে গ্রামবাসীরা হাসপাতালে নিয়ে আসে।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেন, সাজেক থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আলম।

আহত ও নিহত দুজনেই পেশায় মোটরসাইকেল চালক ও সম্পর্কে চাচাতো ভাই বলে জানা গেছে। পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সমর্থক বলে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানান। এই ঘটনার জন্য পাহাড়ের আরেক আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) কে দায়ী করেছেন জেএসএস সন্তু বাঘাইছড়ি উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ত্রিদিপ চাকমা। আমরা এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এদিকে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সাজেক অঞ্চলের সমন্বয়ক আর্জেন্ট চাকমা এই ঘটনার সাথে তাদের দলের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন এবং নিউলংকর এলাকায় ইউপিডিএফ এর কোন কর্মকান্ড নেই বলে দাবি করেন। এটি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানান তিনি।


বাঘাইছড়ি ও সাজেক থানার সার্কেল এএসপি, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল আওয়াল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা সংবাদ পাওয়ার পরপরই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারসহ আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। তবে এলাকাটি খুবই দূর্গম। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে, তাই একটু সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

এদিকে আগামী ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাঘাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল জনসমাবেশের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। তার দুইদিন আগে এমন ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সমাবেশকে ঘিরে বড় সংঘাতের আশঙ্কা করছে অনেকে। ফলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন পয়েন্টে। 


আরও খবর