Logo
শিরোনাম

মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থান আইন সংশোধন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :মালয়েশিয়া এমপ্লয়মেন্ট (কর্মসংস্থান) আইন সংশোধন করেছে। যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের ৬০ ধারা সংশোধন করে লেবারের ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এজন্য নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য কিছু বাধ্যতামূলক শর্ত রয়েছে; যেমন—এমপ্লয়মেন্ট আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ইস্যু পেন্ডিং থাকা যাবে না; এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে প্রদত্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা আদেশ বা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা; সকসো, মিনিমাম বেতন এবং মিনিমাম আবাসনের শর্ত প্রতিপালন না করার কারণে নিয়োগ কর্তাকে কোনো দণ্ড আরোপ করলে এবং সে মোতাবেক অবস্থার উন্নয়ন না করলে; মানবপাচার ও জবরদস্তিমূলক শ্রমের জন্য নিয়োগকর্তা শাস্তি পেলে নিয়োগের অনুমতি পাবে না।

বর্তমান আইন অনুযায়ী বিদেশিকর্মী নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে নিয়োগকর্তাদের এবং অবশ্যই কোন পদে বা কোন কাজের জন্য নিয়োগ করবে তা স্পষ্ট উল্লেখ করা; কর্মরত স্থানীয় কর্মীর সংখ্যা; কর্মরত বিদেশি কর্মীর সংখ্যা, কোম্পানির নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, কোম্পানির ঠিকানা ও অবস্থান; কোম্পানির যোগাযোগের তথ্যাদি; সেক্টর; কোম্পানি বা ব্যবসা শুরুর তারিখ; কোম্পানির বর্তমান অবস্থা; সকসো নম্বর তথ্য দিতে হবে।

জি-টু-জি প্লাসের নিয়োগের সময় বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম উইং ডিমান্ড এটেস্টেশন করার পূর্বে সরেজমিন নিয়োগকর্তা বা কোম্পানির উপযুক্ততা নির্ণয়ের জন্য যেসব বিষয়াদি যাচাই করেছিল ঠিক সে বিষয়গুলো মালয়েশিয়া সংশোধিত এমপ্লয়মেন্ট আইনের অধীনে এনেছে।

হাইকমিশনের শক্ত অবস্থানের কারণে জি-টু-জি প্লাসের সময় তুলনামূলক ভালো এবং শতভাগ কর্মসংস্থান হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়ার সংসদেও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। সিন্ডিকেট এবং অতিরিক্ত অভিবাসন খরচের ইস্যুর ভিড়ে ভালো কর্মসংস্থানের ইস্যুটি চাপা রয়ে গেছে।

এমন কি কোম্পানির পরিচালকের সাক্ষাৎ এবং লিখিত ঘোষণাও নিয়েছিল যেন বাংলাদেশি কর্মীরা ভালো থাকে। উপযুক্ততা না থাকায় অনেক কোম্পানির এটেস্টেশন করেনি এবং পদ্ধতি অনুসরণ না করায় মালয়েশিয়ার বিমান বন্দরে আগত কর্মীকে নিয়োগকর্তা নিজ খরচে ফেরত পাঠিয়ে এবং পুনরায় যথা নিয়মে মালয়েশিয়ায় আনয়ন করেছিল।

সে সময়ের লেবার কাউন্সিলর সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের যৌক্তিক এবং নিরাপদ মাইগ্রেশন অর্থাৎ সঠিক কোম্পানিতে কাজ পাওয়া এবং ভালোভাবে থাকার বিষয়টি ছিল চ্যালেঞ্জের এবং অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছিল। ফলে অনেক চাপ ও বিরোধিতা এবং নেতিবাচক প্রপাগান্ডা সত্ত্বেও আমরা নিয়োগকর্তার ও কোম্পানির অবস্থা যাচাই না করে এটেস্টেশন করিনি। এতে দীর্ঘদিনের কাজ না পাওয়া, অমানবিক অবস্থার শিকার হওয়ার যে দুর্নাম ছিল সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানো সম্ভব হয়েছে।

করোনার আগে মালয়েশিয়ায় আগমনে বিদেশি কর্মীদের উচ্চ অভিবাসন খরচ এবং কর্মীদের মানহীন আবাসনের কারণে আমেরিকা ও ইউরোপ মালয়েশিয়ায় উৎপাদিত পণ্য গ্রহণ না করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

আন্তর্জাতিকভাবে এ দুটিকে মানবপাচার এবং জবরদস্তিমূলক শ্রম অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ দুটি অভিযোগ মালয়েশিয়ার উন্নত দেশের স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে অন্যতম বাধা। এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য মালয়েশিয়া সরকার জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং দেশীয় এনজিওদের সঙ্গে কাজ করছে।

এরই মধ্যে মালয়েশিয়া সরকার আইএলও কনভেনশনে সই করেছে। বর্তমান সরকার বিদেশি কর্মী নিয়োজন প্রক্রিয়া বেশি সহজ ও সংক্ষিপ্ত করার কাজ করছে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




প্লাস্টিকের প্লেট-চামচ নিষিদ্ধ করল ইংল্যান্ড

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

যুক্তরাজ্যে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে এবার ইংল্যান্ডে একবার ব্যবহারযোগ্য খাবারের প্লেট-চামচ-কাঁটাচামচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোববার লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির পরিবেশমন্ত্রী থেরেসে কফি।

মন্ত্রীর এ ঘোষণার মাধ্যমে প্রায় পুরো যুক্তরাজ্যেই প্লাস্টিকের প্লেট-চামচ নিষিদ্ধ হলো। কারণ স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসে আগেই এসব নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এখন কেবল বাকি আছে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।

এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যে প্রতিদিন বাড়তে থাকা প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশটির পরিবেশকর্মীরাও এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ইংল্যান্ডে প্রতি বছর গড়ে ১১০ কোটি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের প্লেট এবং ৪০০ কোটি চামচ-কাঁটাচামচ ব্যবহৃত হয়; এবং মাথাপিছু হিসেবে এক একজন ইংল্যান্ডবাসী প্রতি বছর ব্যবহার করেন অন্তত ১৮টি প্লেট এবং ৩৭টি চামচ-কাঁটা চামচ।


আরও খবর



বিশ্বে করোনায় শনাক্ত ছাড়াল ৬৭ কোটি

প্রকাশিত:Friday ১৩ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরো বেড়েছে। তবে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগী। গত এক দিনে বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে প্রায় সাড়ে তিন লাখে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ব্রাজিল, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো ও হংকং। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৭ কোটি ২ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৭ লাখ ২৩ হাজার।

শুক্রবার সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দিনে সারা বিশ্বে করোনায় মারা গেছেন ১ হাজার ৪৫৩ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৫২ জনে।

একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৫২ হাজার ৩১৪ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ২০ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ কোটি ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৩ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জাপানে। এই সময়ে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭২ জন এবং মারা গেছেন ৪৮৯ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ১০ লাখ ৩২ হাজার ২০৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৬১ হাজার ২৮১ জন মারা গেছেন।


আরও খবর



নওগাঁয় তীব্র শীত অপেক্ষা করে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা মূলত উত্তর জনপদের খাদ্যশস্য ভান্ডার খ্যাত হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। 

ইতি মধ্যেই নওগাঁ জেলায় হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

জেলার আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে চলছে এখন বোরো ধান রোপনের কাজ। শুধু আত্রাই উপজেলা নয় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে মাঠে (বিশেষ করে নিচু জমিতে) চলছে আগাম বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ। সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপন করতে পেরে খুশি কৃষকরা।

প্রচন্ড শীত আর সেই সাথে ঘণ কুয়াশায় বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে চারা রোপন করা পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটছে ধান চাষি কৃষকদের। ইতোমধ্যে নানা সমস্যার মধ্যেও বোরো চারা রোপনের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এখন গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপনের কাজ চলছে। কোনো জমিতে চলছে চাষ, বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে বীজ, চলছে রোপন সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে চলছে বোরো ধান রোপনের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, এক ফসল বিক্রি করে অন্য ফসল আবাদ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এখন কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধান চাষের কৃষি জমিগুলো লিজ দিয়ে তৈরি  করছেন মাছ চাষের পুকুর। এতে করে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ৩ ফসলী শত শত বিঘা কৃষি জমি।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সাহাগোলা গ্রামের ধান চাষি কৃষক আজাদ সরদার বলেন, গত বছর তিনি ৮বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এবার করছেন ৫বিঘা জমিতে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে প্রায় জমি তৈরির কাজ শেষের দিকে। আর ক’দিনের মধ্যে চারাগাছ রোপন করা শুরু করব।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, পৌষ মাসের শুরুতেই বোরো ধান রোপন করা শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারেননি। তাই চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলো। এতে করে ফলনও একটু ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা পোষন করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার তেমন একটা ক্ষতি না হওয়ায় আত্রাই উপজেলার কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছে। তিনি আরোও জানান, উপজেলায় চলতি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় শতকরা ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হয়েছে। অতিদ্রুত পুরো উপজেলার সকল মাঠের জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদি।

এছাড়াও উপজেলার কৃষকদের বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে জমিতে চারা রোপন করা পর্যন্ত সকল পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। কৃষি অফিস যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর



গজারিয়ার হোসেন্দী এলাকায়

মেঘনা নদীতে গোসল করার সময় নিখোঁজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে মো. শিহাব (১০) নামে   নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর (১০) লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরী দল। 

জানা যায়, আজ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০ টার দিকে জেলার গজারিয়া উপজেলার ভবানীপুর গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ শিহাব উপজেলার জামালদী গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে। সে ভবানীপুর জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া কবরস্থান মাদরাসার ছাত্র। 

এদিকে, নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল। ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের টিম লিডার দুলাল ব্যানার্জী জানান, খবর পেয়েই তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। নিখোঁজের সন্ধানে সকাল থেকে  আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।

নিখোঁজ শিহাবের মা সালেহা বেগম জানান, 

সকালে মাদরাসা থেকে বের হয়ে সহপাঠী আব্দুল্লাহ আল তামিমের (১০) সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বলাকীচর গ্রামের বালুর মাঠে ফুটবল খেলতে যায়। সেখানে খেলাধুলা শেষ করে ভবানীপুর গ্রামের সিটি গ্রুপের লবন ফ্যাক্টরীর পানি নিস্কাষনের ড্রেনের পাশেই মেঘনা নদীতে সহপাঠীকে নিয়ে তার ছেলে গোসল করতে নামে। 

গজারিয়া থানার পরিদর্শক তদন্ত মুক্তার হোসেন বলেন, এক শিক্ষার্থী নিখোঁজের খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সেখানে পৌঁছে যায়। ফায়ার সার্ভিসও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে, নিখোঁজ ছাত্রের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতায় বিকাল তিনটার দিকে লাশ উদ্ধার করে ডুবুরী দল।


আরও খবর



দূষণে ধুঁকছে গাজীপুর

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

সদরুল আইন, বিশেষ প্রতিবেদক :অনিয়ন্ত্রিত শিল্পকারখানা আর মেগা প্রকল্পের দূষণে ধুঁকছে গাজীপুর নগরী। গবেষণা বলছে, অত্যাধিক ধোঁয়া আর ধুলার কারণে, এখানকার বাতাসে মিলছে স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ দূষিত পদার্থ। যা বায়ু দূষণের দিক থেকে গাজীপুরকে রেখেছে ৬৪ জেলার শীর্ষে। ফলে হাসপাতালগুলোতে দিনকে দিন বাড়ছে ফুসফুজনিত রোগীর সংখ্যা

গাজীপুর পরিচয় শিল্প নগরী হলেও, এখন যেনো ধোঁয়া আর ধুলোর জনপদ। কী সকাল, কী রাত...। গোটা শহরের যেখানেই যাওয়া যায়, ধুলোর অত্যাচার থেকে মেলে না রেহাই। বছরের পর বছর ধরে চলা মেগা প্রকল্প আর এলোপাতাড়ি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ধুলো ছড়াচ্ছে চারপাশে। শুষ্ক এই মৌসুমে নগরীর কোথাও যেনো এতটুকু প্রাণ নেই। নাকমুখ চেপে মাইলের পর মাইল পাড় হতে হয় এই পথে চলাচলকারী মানুষনজকে। বিশেষ করে ভোগান্তিতে, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য শিল্পকারখানার কালো ধোঁয়া বিষিয়ে তুলছে বাতাস। সম্প্রতি গাজীপুরের বায়ুমান পর্যবেক্ষণ করেছে বেসরকারি সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। যাতে দেখা যায়… টঙ্গীর স্টেশন রোড, কলেজ গেইট, মেইল গেইট, টঙ্গী বাজারসহ বেশ কিছু এলাকার বায়ুতে, প্রতি ঘনমিটারে গড়ে ধূলিকণা ও দূষিত পদার্থের পরিমাণ দুশো থেকে সাড়ে ৫শো মাইক্রোগ্রামে।

গাজীপুর সদরের মির্জাপুরের ব্যবসায়ী আতিক হাসান। শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যাথা নিয়ে কাতরাচ্ছেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসক জানান, অত্যধিক বায়ু দূষণের ফলে হাসানের মতো রোগির সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুন।

গাজীপুরের পরিবেশ অধিকার কর্মীদের অভিযোগ… শিল্প কলকারখানা ও নির্মাণকাজে পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। নগরীর বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে একরকম অসহায়ত্ব ফুটে উঠলো জেলা পরিবেশ কর্মকর্তার কথায়। বলছেন, সীমিত জনবলের কারণে সবসময় অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিগগিরি শক্ত পদক্ষেপ না নিলে, আরো ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে গাজীপুর মহানগরবাসী।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩