Logo
শিরোনাম

মধ্যরাতে জারি হতে পারে মহাবিপদসংকেত

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রেমাল রোববার নাগাদ খুলনার সাতক্ষীরা ও চট্টগ্রামের কক্সবাজারের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে। এজন্য শনিবার মধ্যরাতে মহাবিপৎ সংকেত জারি হতে পারে।

শনিবার (২৫ মে) সচিবালয়ে বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরা বুঝতে পেরেছি, ঘূর্ণিঝড়টি আসন্ন।

তিনি বলেন, এখন ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত রয়েছে। আগামী ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সংকেত ৩-এ চলে যাবে। এটা (সতর্ক সংকেত) রাতে ৪-এর ওপরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে বিপদের পর্যায়ে চলে যেতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস পর্যালোচনা করে আমরা ঝড়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি।

রাত ১২টা-১টা নাগাদ এটা ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি হতে পারে। এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রেখেছি। সার্বিক প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। সেই অনুযায়ী কাজ শুরু করে দিয়েছি।

মহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়টিতে সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রামের কক্সবাজার পর্যন্ত কমবেশি অ্যাফেকটেড হতে পারে। ৭ থেকে ১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হবে। এজন্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হতে পারে।

রোববার সন্ধ্যা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় জেলায় আমাদের প্রায় চারহাজার আশ্রয়কেন্দ্র আছে। এগুলো আমরা প্রস্তুত রেখেছি। খাদ্যের জন্য আমাদের প্রত্যেকটি জেলায় গুদামে পর্যাপ্ত শুকনো খাবারসহ যেসব জিনিস দরকার হবে এগুলো মজুত রেখেছি। প্রয়োজনে ঢাকা থেকে যাতে আরও সাপ্লাই দিতে পারি এজন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।


আরও খবর



ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না: সৌদি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন না করার কথা আগেই জানিয়েছে সৌদি আরব। 


এবার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সম্পদশালী ও প্রভাবশালী এই দেশটি বলেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলও থাকতে পারে না। একই সঙ্গে ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করেছে সৌদি আরব। 


এদিকে রাফাহ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় ৪০ জন নিহত হয়েছে।


সোমবার সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, ব্রাসেলসে আরব ও ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন-ফারহান জানান, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েলেরও অস্তিত্ব থাকতে পারে না। 



তিনি বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের মাধ্যমে তারা যে নিরাপত্তা চায় সেটি ইসরায়েল স্বীকার করে না—যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। সৌদি আরবের শীর্ষ এই কূটনীতিক সাংবাদিকদের বলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছাড়া ইসরায়েলেরও অস্তিত্ব থাকতে পারে না এবং এটা সম্পূর্ণরূপে মেনে নেওয়াই প্রয়োজন ইসরায়েলের।’



 সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন-ফারহান আরো বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই নিরাপত্তা পাবে ইসরায়েল। তাই আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, ইসরায়েলের নেতারা বিষয়টি বুঝতে পারবেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে কাজ করাটা তাদের স্বার্থেই ভালো। 



আর সেটি শুধুমাত্র ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে শক্তিশালী করাই নয়, বরং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন করবে না বলে জানিয়েছিল সৌদি আরব। 


সৌদি প্রেস এজেন্সির বিবৃতিতে সেসময় বলা হয়, ১৯৬৭ সালে সীমান্ত অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক হবে না বলে সৌদি আরব বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে। 


বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং অবরুদ্ধ এলাকা থেকে সকল রকমের ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে। মূলত গাজা ভূখণ্ডের পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যত্ স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল অংশ হিসেবে চায়।


 এছাড়া ফিলিস্তিনিরা ঐতিহাসিক জেরুজালেম শহরের পূর্ব অংশকে নিজেদের ভবিষ্যত্ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখে থাকে।


আরও খবর



দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হামাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

আন্তর্জাতিক ডিজিটাল ডেস্ক :

চলতি মাসের শুরুতে মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের একটি যুদ্ধবিরতির আলোচনা হয়।

তবে শর্ত পছন্দ না হওয়ায় ইসরায়েল এ যুদ্ধবিরতির আলোচনা থেকে সরে আসে। এরপর হামাস জানায়, যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েলকে আর ছাড় দেবে না তারা।

শুক্রবার (১৭ মে) এক ভিডিওবার্তায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন হামাসের মুখপাত্র আবু ওবায়দা। খবর আল জাজিরা।

ভিডিওবার্তায় আবু ওবায়দা বলেন, আগ্রাসন যতই দীর্ঘস্থায়ী হোক না কেন, ফিলিস্তিনিরা রাফাহ এবং গাজার অন্যান্য স্থানে আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।

আমরা শত্রুর বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। তাদের এমন এক জলাভূমিতে টেনে নিয়ে যাচ্ছি, যেখানে তারা তাদের সৈন্যদের মৃত্যু এবং তাদের কর্মকর্তাদের বন্দিত্ব ছাড়া আর কিছুই পাবে না।


হামাসের এই মুখপাত্র বলেন, আমরা বড় শক্তি- এটা প্রমাণের জন্য আমাদের লড়াই না। আমরা এই মাটির সন্তান এবং প্রকৃত মালিক।

হামাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা ১০০টিরও বেশি ইসরায়েলি সাঁজোয়া যানকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি টানেল উড়িয়ে, রকেট ও মর্টার হামলা চালিয়ে ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত করেছে।


গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালান হামাসের যোদ্ধারা। ওই হামলায় সবমিলিয়ে ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকরা নিহত হন।

পরে হামাসের হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি এই হামলায় নিহত হয়েছে, যাদের এক তৃতীয়াংশই শিশু।


আরও খবর



চতুর্থ ধাপে উপজেলা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ১২১৭ জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:



ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ জুন। এ ধাপে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন এক হাজার ২১৭ জন পর্যবেক্ষক।



নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম বলেন, ইতোমধ্যে তাদের অনুমোদন দিয়েছেন কমিশন। এখন আবেদন করে তাদের পর্যবেক্ষক কার্ড নিতে হবে।


এদিকে আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে ৫৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ১১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার কেন্দ্রীয়ভাবে ১১২ জন ও স্থানীয়ভাবে ১ হাজার ১০৫ জন পর্যবেক্ষককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের কার্ড নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে দেয়া হবে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের কার্ড ও স্টিকার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে দেওয়া হবে।



এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে স্থানীয় পর্যবেক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থাকে পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার সরবরাহ করতে হবে।


নির্বাচন কমিশন থেকে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রত্যেক পর্যবেক্ষককে জন্য EO-2 ফরম, EO-3 ফরম, এসএসসি সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট ও ১ কপি স্ট্যাম্প সাইজ রঙিন ছবিসহ একটি আবেদন রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।



রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসার এসব তথ্য পর্যবেক্ষণ নীতিমালা-২০২৩ অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করে কমিশন থেকে অনুমোদিত বৈধ পর্যবেক্ষকদের তালিকা প্রস্তুত করবেন এবং তাদের নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত পরিচয়পত্র দেবেন।


কোনো পর্যবেক্ষক যদি কোনো রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কিংবা স্থানীয় কমিটির পদাধিকারী হন কিংবা স্থানীয় নির্বাচনী এজেন্ট/প্রচারণা কমিটি/পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন তাহলে তাকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে কোনো কার্ড ইস্যু করা যাবে না।


পর্যবেক্ষকরা অনধিক পাঁচজনের টিম করে ভ্রাম্যমাণ পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। এজন্য তাদের নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক লেখা গাড়ির স্টিকার সরবরাহ নিতে হবে।


পর্যবেক্ষক লেখা স্টিকারযুক্ত গাড়িতে অনুমোদিত পর্যবেক্ষক ছাড়া অন্য কেউ ভ্রমণ করতে পারবেন না। নির্ধারিত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যু করে তা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং তা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।



নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার নির্বাচনী মালামাল সংগ্রহের সময় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা রুম নম্বর ১০৫ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।



আরও খবর



৬ই জুন বাজেট : শিক্ষায় বাড়ছে বরাদ্দ

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

আগামী ৬ জুন প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। বাজেটে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের প্রায় ৯৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ থাকছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ৩৮ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি বরাদ্দ আসছে।


 তবে শিক্ষাবিদরা বলছেন, বাজেটের আকারের সাথে বরাদ্দ বাড়লেও ইউনেস্কোর হিসেবে এখনও জিডিপির ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ।



শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, বরাদ্দর চেয়ে গুণগত বাস্তবায়নে এবার জোর দেয়া হবে। আসছে অর্থবছরে গুরুত্ব পাবে শিক্ষকদের প্রশিক্ষক ও কারিকুলাম বাস্তবায়ন। সেইসাথে গুরুত্বের তালিকায় থাকবে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক খাত।


শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য বলছেন, বরাদ্দ যায় হোক বাস্তবায়নের গুরুত্ব দিতে হবে। এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণসহ নতুন কারিকুলাম গুরুত্ব পাচ্ছে। গবেষণাও থাকবে অগ্রাধিকারে।


তিনি বলেন, বাজেট বাড়ালেই হবে না, সেটা কর্মমুখী করতে হবে। কর্মসংস্থান সংশ্লিষ্ট যে সব দক্ষতা আছে, সেগুলো তৈরি করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, কারিকুলামের মান উন্নয়ন, উচ্চ শিক্ষায় জোর দেয়া হচ্ছে।   


প্রশ্ন ছিলো শিক্ষার সাথে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে জুড়ে দিয়ে টাকার অঙ্ক বড় করে দেখানো হয়। মন্ত্রীর জবাবও ২২ মন্ত্রণালয় শিক্ষার সাথে কাজ করছে। 


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে। সেগুলো কিন্তু এ হিসেবে দেখানো হয় না। আমাদের সাথে ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত। যেহেতু ২২টি মন্ত্রণালয় জড়িত সেখানে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ হয়ে থাকে। 


করোনাকালীন ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠেনি শিক্ষা খাত। সেই সাথে আরো কিছু চ্যালেঞ্জ ছিলো সব উৎরে বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন গুরুত্ব পাবে বলছেন শিক্ষামন্ত্রী।


আরও খবর



ওয়াকার-উজ-জামান নতুন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার (১১ জুন) আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে জানা যায়, আগামী ২৩ জুন থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে (ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফ-সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে ওই দিন থেকে আগামী তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তিনি বেতনভাতা পাবেন।

১৮তম সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।


আরও খবর