Logo
শিরোনাম

মহাদেবপুরে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Thursday ২৪ November ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁ, মহাদেবপুর ও বদলগাছী আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপর ককটেল নিক্ষেপের প্রতিবাদে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর বিকালে মহাদেবপুর উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড মাছের মোড় বটতলায় আয়োজিত সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান আহসান হাবীব ভোদন প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।

সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম নুরানী আলাল এতে সভাপতিত্ব করেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি রাজু আহমেদের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ মজিবর রহমান ও আলফা আনোয়ার হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক কুদরত ই খুদা সোহাগ, উপ-প্রচার সম্পাদক মাস্টার ফণি ভূষণ মহন্ত, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মহাদেবপুর সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাঈদ হাসান তরফদার শাকিল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক গোলাম রেজাউন্নবী আনসারী বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী অনুকূল চন্দ্র সাহা বুদু, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শ্রী অমিৎ কুমার ব্যানার্জী বাপ্পী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কাওসার আলী, সহ-সভাপতি তাপস সরদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তনু কুমার দেব প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিএনপি জামাত দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করার জন্য এবং মহাদেবপুরে এমপির ছেলে সাকলাইন মাহমুদ রকি ও ভাগ্নে সাঈদ হাসান তরফদার শাকিলকে হত্যার উদ্দেশ্যে ককটেল হামলা চালায়। তারা এর তীব্র নিন্দা জানান ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবী জানান।

সন্ধ্যায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।


আরও খবর



জমে উঠেছে লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে চলছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে চলছে মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব। দেশের ঐহিত্যবাহী লোককারু শিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ সংরক্ষন, প্রদর্শন ও পুনরুজ্জীবিত করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্যই প্রতি বছর এ মেলার আয়োজন। দর্শনার্থীদের কাছে সব আয়োজন ঠিকঠাক থাকলেও অভিযোগ উঠেছে মূল ভিষণ থেকে সরে যাচ্ছে ফাউন্ডেশন, চারুকারু শিল্পীদের দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত স্টল, কনস্ট্রাকশন কাজ বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক রূপ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভেতরে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন কারুশিল্প যাদুঘর এবং লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর।  গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এ দুটি যাদুঘরে স্থান পেয়েছে প্রাচীন লোক ও কারুশিল্প।  মাসব্যাপী এ উৎসবেকে কেন্দ্র করে পুরো ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্নিল সাজে।  প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করছে লোক জীবন প্রদর্শনী,গ্রাম্য নালিশ,কনে দেখা, বিয়ে,জামাইকেও পিঠা আপ্যায়নের দৃশ্য, গ্রামীন খেলা হা-ডু-ডু ও কানামাছি। 

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কারুশিল্পীদের প্রদর্শনী,  পুতুল নাচ, বায়স্কোপ, নাগর দোলা, মুন্সিগঞ্জ ও মৌলভী বাজারের শীতল পাটি, মাগুরা ও ঝিনাইদহের শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি ও মুখোশ, চট্টগ্রামের তালপাতার হাতপাখা, রংপুরের শতরঞ্জি, সোনারগাঁওয়ের জামদানী নিয়ে অংশ গ্রহন করেছেন চারু কারু শিল্পিরা। 

এদিকে দর্শনার্থীদের বিনোদনকে আরো প্রানবন্ত করতে ফাউন্ডেশনের ভেতরের লেকে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় লোকজ এই উৎসবে থাকছে পালাগান, বাউল ও জারিসারি গানের।করোনা ভাইরাসের কারনে গত কয়েক বছর মেলা বন্ধ থাকায় এবার অন্তত একলাখ দর্শনার্থী লোকজ এ উৎসবে অংশ নেবেন বলে আশাবাদী আয়োজকরা।

মেলায় দর্শনার্থীরা গ্রামীন এসব ঐতিহ্যে দেখে ও ছেলে মেয়েদের পরিচয় করিয়ে দিতে পেরে অনেকটাই আবেগ আপ্লুত। 

এদিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিল্পিরা জানালেন প্রতিবছরই এ মেলায় অংশ গ্রহণ করেন তারা। তবে প্লাস্টিক ও বিদেশী পণ্যের দাপটে আজ বিপন্ন হওয়ার পথে এসব গ্রামীন ঐতিহ্য। বংশ পরম্পরায় অংশ গ্রহন কারী এসব শিল্পীরা বললেন সরকারী ভাবে পিষ্ট পোষকতা ছাড়া এ শিল্প ধরে রাখা যাবেনা। তারা বললেন যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেই অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবার। কয়েকটি স্টলেই দুজন করে শিল্পকে দেয়া হয়েছে। 

মেলা পরিদর্শনে আসা কবি শাহেদ কায়েস বলেন, ফাউন্ডেশনের মূল  উদ্দেশ্য থেকে সরে যাচ্ছে। চারু কারুশিল্পীদের প্রমোট করা,আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করা ও গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষেই জয়নুল আবেদিন প্রতিষ্ঠা করেছিল এ ফাউন্ডেশন। প্রতিবছর মেলার আয়োজন ছাড়া তেমন কোন কার্যক্রমই চোখে পড়েনা। আবার যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেও অবহেলা করা হচ্ছে। ১শটি স্টলের মধ্যে ৩২ স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে শিল্পীদের। কোন কোন স্টলে দুজন শিল্পীকে বরাদ্ধ দেয়া হচ্ছে। এখানেতো অন্তত ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি স্টল বরাদ্ধ দিয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে অন্তত একজন করে শিল্পীকে জড়োকরা সম্ভব। তা না করে বেশীরভাগ স্টল দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের। যারা এখানে প্লাস্টিক ও চায়না প্রডাক্ট বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।  কোটি টাকার বাজেটে বিভিন্ন ভবন তৈরী হচ্ছে। যা এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনিষ্ট করা হচ্ছে।

এসব ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের পরিচালক এস এম রেজাউল করিম বলেন,তিনি মাত্র একমাস হয়েছে দায়িত্বে বসেছেন। অভিযোগ গুলো তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেবেন। এ বছর কর্মরত কারুশিল্পীদের প্রদর্শনীর জন্য ৩২টি স্টল সহ ১০০টি স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।


আরও খবর



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ও চা‌ন্দিনায়

মডেল মসজিদের উদ্বোধন কর‌লেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো : 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নব-নির্মিত মডেল মসজিদের উদ্বোধন ।

  সোমবার সক‌াল ১১ট‌ায় সারাদেশের জেলা উপজেলায় নির্মাণাধীন ৫৬৪টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ২য় পর্যায়ে কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও চা‌ন্দিনা উপ‌জেলাসহ ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এম‌পি

উদ্বোধনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা ব‌লেন নারী মুসল্লি উম্মে আরা কুলসুম বেগম ও ইমাম মুফ‌তি আবদুর র‌হিম। 

উম্মে আরা কুলসুম  বেগম উদ্বোধনকৃত  চৌদ্দগ্রামের মস‌জি‌দে প্রধানমন্ত্রীকে একসা‌থে এককাতা‌রে নামাজ আদায় করার আমন্ত্রণ জানান । 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছি‌লেন সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি, চট্রগ্রাম বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত)বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি ‌মোঃ মাহফুজুর রহমান , কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম(বার), চট্টগ্রাম গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল খায়ের, ইসলামী ফাউন্ডেশনের চট্রগ্রাম বিভাগের পরিচালক বোরহান উদ্দিন মোঃ আবু আহসান।          

সাবেক রেলপথ মন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক মুজিব এমপি ব‌লেন,‌চৌদ্দগ্রা‌মে  ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করায় বঙ্গবন্ধুকণ‌্যা প্রধানমন্ত্রী‌কে ধন‌্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তাই করেন। এ দেশে  যত উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনার দ্বারাই হয়েছে আগামীদিনেও হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই মডেল মসজিদটিতে ৮৫০জন পুরুষ ও ৩০০জন মহিলাসহ মোট সাড়ে ১১শত মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মসজিদটিতে রয়েছে ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমেেপ্লক্স পাঠাগার, গবেষণা কেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, পবিত্র কোরআন হাফেজ বিভাগ, অর্টিজম কর্নার, মাস এডুকেশন প্রজেক্ট রুম, শিশুশিক্ষা, প্রতিবন্ধীদের প্রার্থনা কক্ষ, অতিথিশালা, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, সাব-স্টেশন, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, গণশিক্ষা কেন্দ্র ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স।

দ্বিতীয় তলায় মূল নামাজ কক্ষ, কনফারেন্স রুম, ওজুখানা, টয়লেট, হিসাব কক্ষ। ৩য় তলায় মহিলাদের জন্য নামাজ কক্ষ, মক্তব কক্ষ, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, শিক্ষক ও সাধারণ কর্মচারীদের কক্ষ, অতিথি কক্ষ। এছাড়াও মেহেরাব, সিঁড়ি ও একটি সুউচ্চ দৃষ্টিনন্দন মিনার রয়েছে।

স্থানীয়রা  জানান মডেল মসজিদটি আমা‌দের উপজেলায় এটি সর্বপ্রথম সব সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। শুধু চৌদ্দগ্রাম নয় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়‌কে দি‌য়ে যাত‌ায়াত করা সকল মুসলমানরাই চৌদ্দগ্রাম দি‌য়ে যাওয়ার সময় নামাজ আদায় কর‌তে পার‌বেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর আহম্মেদ জানান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পরিষদের নব নির্মিত দৃ‌ষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ সোমবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর মসজিদটি জোহরের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মসজিদটি সর্ব সাধারণ মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।         

এদিকে সোমবার  কু‌মিল্লার চা‌ন্দিনা উপ‌জেলায়ও একই ডিজাইনের নান্দ‌নিক ম‌ডেল মস‌জিদ উদ্বোধন করা হ‌য়ে‌ছে।উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্তসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।        

সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬০‌টি মডেল মসজিদের অবকাঠামো গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ২০২১ সালে ৩০ মার্চ দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটিসি বিল্ডার্স মুসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করে। কু‌মিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বি-ক্যাটাগরি হিসেবে ৪০ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত। তিন তলা বিশিষ্ট মডেল মসজিদ (টাইপ-বি) যেখানে নিচের ফ্লোরের আয়তন ১১হাজার ৫০০বর্গফুট, ২য় ও ৩য় ফ্লোরের আয়তন ৭ হাজার ৮০০ বর্গফুট। ভবনের মোট আয়তন ২৭ হাজার১০০ বর্গফুট। বাস্তবায়নে ব্যয় ১৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




প্রতিবেশীদের নিয়ে ধামরাইয়ে শুরু ‘প্রতিবেশী উৎসব’

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার)

ঢাকার ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আইএফআইসি BANK এর ‘প্রতিবেশী উৎসব'

উক্ত অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন ধামরাই পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কবির মোল্লা।অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন শাখা ব্যাবস্হাপক এ.বি.এম. মাসুম। 

আইএফআইসি যখন প্রতিবেশী ব্যাংকিং করি যত খুশি !আইএফআইসি ব্যাংক উপশাখা আরো কাছে সবার মাঝে পাড়ায় পাড়ায় আমার ব্যাংক। •এজেন্ট বা কারো মাধ্যমে নয় সরাসরি ব্যাংকের কাছ থেকে ব্যাংকিং সেবা  • ব্যাংকের নিজস্ব কর্মী দ্বারা পরিচালিত • ঋণসহ সব ব্যাংকিং সেবা • শাখার মতোই রিয়েল টাইম ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা • এর মধ্যেই গ্রাম- শহর সারাদেশে ছড়িয়ে গেছে আইএফআইসি ব্যাংক উপশাখা।

শহুরে জীবন মানুষকে এক ধরনের বিচ্ছিন্নতাবােধের দিকে ঠেলে দিয়েছে।যেখানে প্রতিবেশীদের নিজেদের মধ্যে কোনাে যােগাযােগ নেই, যেখানে একই এলাকার ভেতরে এক প্রতিবেশীর কাছে অপর প্রতি বেশীকে আগন্তুক বলে মনে হয়, যা সামাজিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রতিবেশী কমিউনিটি’কে দুর্বল করে ফেলছে।প্রতিবেশীদের মধ্যে এ সংযােগকে পুনরুজ্জীবিত করে তুলতেই ঢাকার ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘প্রতিবেশী উৎসব’।


আরও খবর



নওগাঁর আত্রাইয়ে ভুট্টা চাষে ঝুকেছেন কৃষকরা

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :


খরচ কম, ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝুকেছেন কৃষকরা।

দেশের উত্তর জনপদ নওগাঁর আত্রাইয়ে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক পরিমাণ জমিতে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। ভুট্টার বাম্পার ফলনে আশাবাদী উপজেলার কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে কৃষকদের আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় স্বল্প খরচে যথাসময়ে কৃষকরা এবার ভুট্টার বাম্পার ফলন পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

আত্রাই উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৪শ' ৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও তার চেয়ে অধিক জমিতে ভুট্টার চাষ করেছেন কৃষকরা। এবার ভুট্টা চাষে উপজেলার কৃষকরা বেশি ঝুকে পড়ছেন। ভুট্টা চাষে খরচ কম অথচ ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী প্রামানিক বলেন, এলাকার যেসব জমিতে আগে বোরোচাষ করা হতো সেই জমিগুলোতেই আমরা এবার ভুট্টা চাষ করছি। বোরো চাষে উৎপাদন খরচ অনেক বেশি। অথচ যখন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয় তখন ধানের বাজারে ধস নামে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচই উঠে না। কিন্তু ভুট্টার উৎপাদন খরচ যেমন কম দামও অনেক বেশি থাকে। এ জন্য আমরা ভুট্টা চাষে এবার ঝুকে পড়েছি। উপজেলার চৌড়বাড়ি গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন, একই কথা। 

আমাদের এলাকা আলু চাষের জন্য দীর্ঘদিন থেকে বিখ্যাত। উপজেলার সিংহভাগ আলু আমাদের এলাকায় উৎপন্ন হয়ে থাকে। মৌসুমের শেষ দিকে আলুর দাম বাড়লেও এর মুনাফা কৃষকরা পায়নি। মুনাফা পেয়েছে মজুতদাররা। তাই এবার ভুট্টা চাষ করছি। আশা করি ফলনও বাম্পার হবে। তবে ন্যায্য দাম পেলে কষ্ট সার্থক হবে।

আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী বলেন, এলাকার কৃষকরা যাতে যথাযথভাবে স্বল্প খরচে উচ্চ ফলনশীল ভুট্টা উৎপাদন করতে পারে এ জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কৃষকদের কাছে গিয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। বিভিন্ন রোগ-বালাই থেকে ভুট্টাকে মুক্ত রাখতেও পরিমিত পরিমান ওষুধ প্রয়োগের পরামর্শ দিয়ে থাকি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কেএম কাউছার হোসেন জানান, সব ধরনের ফসল উৎপাদনে আমরা কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। যাতে করে কৃষকরা সহজভাবে কৃষি উপকরণ পায়। বিশেষ করে বীজ, সার ও তেল এর জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। এবার ভুট্টার ফলন বাম্পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর



৯৩ হাজার টাকা ছাড়াল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই হাজার টাকার বেশি বেড়েছে। নতুন দর অনুযায়ী প্রতি ভরি ভালো মানের স্বর্ণ কিনতে গ্রাহককে গুনতে হবে ৯৩ হাজার টাকার বেশি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন-বাজুস দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ায় বাজুস, যা ৮ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। তখন প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯০ হাজার টাকা ছাড়ায়।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক ভূঁইয়া লিটন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, 

বাজুস ভালো মানের স্বর্ণ ভরিতে দুই হাজার ৬৮৩ টাকা বাড়িয়েছে। এতে প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা। আগে এই দাম ছিল ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩