Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন
আমিরাতে বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক

মির শাহ আলমের সাথে মতবিনিময় সভা

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মো নূরুল্লাহ খান, আরব আমিরাত থেকে

বাংলাদেশ বেতারের সাবেক পরিচালক মির শাহ আলমের সাথে আমিরাতে বসবাসরত গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আয়োজন করে আমিরাত সরকার অনুমোদিত বাংলাদেশি চ্যানেল বায়ান্ন টিভি। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের কনসাল জেনোরেল বি এম জামাল হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবাসি সংবাদকর্মীদের অবদান অনস্বীকার্য। কমিউনিটির উন্নয়ন আর সুসংগঠিত রাখতেও সাংবাদিকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।

শুক্রবার বাংলাদেশ সমিতিতে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বায়ান্ন টিভির এমডি ছালেহ আহমদ। বার্তা সম্পাদক তিশা সেনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বায়ান্ন টিভির সিইও এবং সম্পাদক লুৎফুর রহমান। মামুন মাহিনের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সদ্যপ্রয়াত আমিরাতের রাষ্ট্রপতি শেখ খলিফা ও বরেণ্য সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সমিতি শারজাহের সভাপতি আলহাজ এম এ বাসার, বাংলাদেশ সমিতি দুবাইয়ের পরিচালক ইবরাহিম আফলাতুন সিআইপি, বায়ান্ন টিভির পরিচালক এম এ কুদ্দুস খা মজনু, পরিচালক হাজী শফিকুল ইসলাম, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম, প্রবাসি সাংবাদিক সমিতি ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শিবলী সাদিক, প্রবাসি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি সিরাজুল হক।

এ সময় সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কথা বলেন মাইটিভি প্রতিনিধি শামসুর রহমান সোহেল, সিপ্লাস প্রতিনিধি ইশতিয়াক আসিফ, মানবজমিন প্রতিনিধি শাফায়াত উল্লাহ, কেটিভি প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম সুমন, বাংলা টিভির ক্যামেরাপার্সন ইয়াসির আরাফাত, আরব বাংলা টিভির সাগর দেবনাথ ও বায়ান্ন টিভির সংবাদপাঠিকা স্নিগ্ধা সরকার তিথী।

কমিউনিটির উন্নয়নে সাংবাদিকদের অবদান এবং সংবাদমাধ্যমে প্রবাসিদের প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশ সমিতি শারজাহের প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম,  বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ার্স এসোসিয়েসন সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ূম,  বাংলাদেশ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রাস আল খাইমার সভাপতি ড. আবুল ফজল, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জাফর চৌধুরী, জসিম উদ্দিন মল্লিক, বাংলাদেশ সমিতি দুবাইয়ের মাওলানা ফজলুল করিম, বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি কামাল হোসেন সুমন, বাংলাদেশ বিজনেসম্যান এসোসিয়েসন সভাপতি সাফায়েত উল্লাহ সিকদার, বাংলাদেশ তৈরী পোশাক মালিক সমিতির মকবুল হোসেন,  বাংলাদেশ সমিতি ফুজাইরাহের জাহিদ হাসান সহ আরো অনেকে।

পরে মির শাহ আলমের সম্মানে বায়ান্ন টিভির পক্ষ সম্মাননা স্মারক তোলে দেন বায়ান্ন টিভির পরিচালক রুজেল তরফদার। 


আরও খবর

রোজার আগে পেঁয়াজ-চিনি আমদানি নিয়ে আলোচনা

শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকায় বাড়ছে চালের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

চলতি বছরের শুরু থেকেই অস্থিরতা লেগে আছে দেশের মানুষের প্রধান খাদ্যপণ্য চালের বাজারে। মন্ত্রী-সচিবদের হুমকি-ধমকি এবং মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযানসহ সরকারের নানা পদক্ষেপেও স্বস্তি ফিরছে না। অভিযানের পর পাইকারি চালের বাজারে তাৎক্ষণিক নামমাত্র দাম কমলেও এর প্রভাব নেই খুচরা বাজারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু ভয় দেখালে হবে না, আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মোটা চাল (স্বর্ণা ও চায়না ইরি) বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৫৩ টাকায়। মাঝারি মানের চাল (পাইজাম ও বিআর ২৮) ৫২-৫৭ টাকা এবং সরু চাল (মিনিকেট ও নাজিরশাইল) ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছু হাস্কিং মিলের মোটা চাল ৪২-৪৫ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। অথচ চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকেও এসব চালের দাম প্রতি কেজিতে ১০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। চালের অবৈধ মজুত প্রতিরোধে নিয়মিত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সারাদেশে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়। মাগুরা জেলায় ৩৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জয়পুরহাটে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অতিরিক্ত মজুত রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া দিনাজপুরে ৬২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নেত্রকোণায় ২২টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। এসময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা ও ফুডগ্রেইন লাইসেন্স না থাকায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি মাঠে কাজ করছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। দাম নিয়ন্ত্রণে নিজেই সরাসরি বাজারে যাচ্ছেন অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। সম্প্রতি অভিযান পরিচালনার সময় তিনি বলেন, সরকারকে বিব্রত অবস্থায় ফেলতেই অযৌক্তিকভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। ডিসেম্বরের পর হঠাৎ চালের দাম বেড়ে গেছে। এটি উত্তরাঞ্চলের মিলগুলো থেকে করা হয়েছে। মিল মালিকরা বলতে চাচ্ছেন ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা এটা করেছে। তবে ধানের দাম বাড়লেও সেই ধানের চাল বাজারে আসার কথা বৈশাখ মাসে। একটি অসাধু চক্র এর আগেই দাম বাড়িয়েছে। আর যারা এটা করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশালের ফরিয়াপট্টি, চকবাজার এলাকার পাইকারি বাজার পরিদর্শন করেন এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি বলেন, এসএমএসের (ক্ষুদে বার্তা) মাধ্যমে ডিম, ব্রয়লার মুরগির মতো চালের বাজারও অস্থির করে দেওয়া হচ্ছে। মাঝে মাঝে সুযোগ নিয়ে ১৭ কোটি ভোক্তাকে প্রতারিত করছে ক্ষুদ্র কয়েকটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। এর আগে আলু, ব্রয়লার মুরগি, ডিম নিয়ে যা করছে আজ চাল, কাল পেঁয়াজ নিয়েও তা করা হচ্ছে। আর এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে আমাদের।

এদিকে না শোধরালে মজুতদারদের জেলে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রোববার নওগাঁয় এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, দেশে খাদ্য শস্যের কোনো ঘাটতি নেই। সাধারণ মানুষের জন্য সরকারিভাবে ওএমএস চালু আছে। ডিজিটাল কার্ড প্রস্তুত হয়েছে। শিগগিরই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ওএমএস বিতরণ করা হবে। এতে এক ব্যক্তি বারবার চাল নিতে পারবেন না। চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে হলে ব্যবসায়ীদের অধিক লাভের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে। চালের দাম বৃদ্ধির পেছনে মিলার, পাইকারি, খুচরা ব্যবসায়ী ও করপোরেট সবার দায় রয়েছে। ফুডগ্রেইন লাইসেন্স স্পটে গিয়ে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। অনেকেই আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটা লাইসেন্স নিয়ে কোটি কোটি টাকার পণ্য মজুত করে ফেলেন। এটা তো হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন ২০২৩ পাস হয়েছে। বিধি প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি সংসদে অনুমোদন পেলে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। শুধু জরিমানা করেই ছাড় নয়, অবৈধ মজুতদারেরা না শোধরালে তাদের জেলে যেতে হবে।

চালের মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে বাজারে সরবরাহের কোনো সংকট নেই জানিয়ে খাদ্যসচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে আসতে বাধ্য। না আসার কোনো কারণ নেই। সারাদেশে খাদ্যের কোনো সংকট নেই। আমন মৌসুম শেষ হলো। সুতরাং ভরা মৌসুমে চালের সংকট নেই। খাদ্যের সংকট হবে এমনটিও ভাবার কোনো কারণ নেই। যদি পরিস্থিতি এমন হয় মজুতদারেরা মূল্য কমাতে চাচ্ছে না, তাহলে জিরো ট্যাক্স করে আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানির অনুমতি নিয়ে নেব। তাহলে মজুতদারেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অপরদিকে, বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাকির হোসেন রনি  বলেন, দীর্ঘদিন আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তাদের লাগাম টানতে হবে।

এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস চেয়ারম্যান এস এম নাজের হোসাইন বলেন, এখনও চালের বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। এখন খাদ্য মন্ত্রণালয় যে অভিযান চালাচ্ছে তার কোনো ইম্পেক্ট খুচরা বাজারে নাই। তারা যে পরিসরে অভিযান পরিচালনা করছে তা খুবই নগণ্য।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকার দুইটা বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছি। একটা হচ্ছে এই অভিযানটা খাদ্য মন্ত্রণালয় একা না করে জেলা প্রশাসক, ভোক্তা অধিদফতরসহ যেসব সংস্থা আছে তাদেরকে নিয়ে সমন্বিতভাবে যদি এটা করতো তাহলে এটার ফলোআপ থাকত। এখন মন্ত্রণালয় থেকে যেখানে যাচ্ছে পরবর্তীতে সেখানে আর কোনো ফলোআপ নাই। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, ব্যবসায়ীদেরকে লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসতে হবে এবং আইনে যে বিষয়গুলো বলা আছে তার কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রয়োগ হয় নাই। যার কারণে তারা বেপরোয়া হয়ে গেছে। এখন যে হাঁকডাক দেওয়া হচ্ছে, ব্যবসায়ীরা তো জানে এই হাঁকডাক দুই-চার দিন থাকবে, তারপর আবার স্বাভাবিক। এজন্য আর হাঁকডাক না দিয়ে যদি অ্যাকশনে যাওয়া যায় তবে এর সুফল পাওয়া যাবে।


আরও খবর



ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। কিছু জেলায় দিনে অল্প সময়ের জন্য রোদ উঠলেও কমাতে পারছে না শীতের তীব্রতা। ঘনকুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে দৃষ্টিসীমা। সঙ্গে বইছে গা হিম করা শীতল বাতাস। এর মধ্যে আজ দেশের ২১ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শনিবার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

কুয়াশা নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন চলাচল ব্যাহত হতে পারে।

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জ, মৌলভীবাজার, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রবিবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারী কুয়াশা পড়তে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন চলাচল ব্যাহত হতে পারে। সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

সোমবারের তাপমাত্রার বিষয়ে বলা হয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির প্রবণতা আছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।


আরও খবর



এক বদনা অজুর পানি ১০ টাকা !

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা বিশ্ব ইজতেমার ৫৭তম আসর (প্রথম পর্ব)। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫১ মিনিটে এই মাঠেই দেশের বৃহত্তম জুম্মার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এদিকে নামাজের আগে ময়দানের বাইরে অজুর পানি সংকট দেখা দেয়। এতে বোতলজাত পানি কিনে অজু করেন অনেকে। এছাড়াও কিছু প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের বিনামূল্যে পানি দেওয়া হয়। তবে ভ্রাম্যমাণ কিছু ব্যবসায়ী এক বদনা পানি ১০ টাকায় বিক্রি করেন মুসল্লিদের কাছে।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জুমার নামাজের আগে ইজতেমার আশপাশে এমন চিত্র দেখা গেছে। এ ছাড়াও জায়নামাজের জন্য পলিথিন, ফয়েল পেপার, কাগজ ১০ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের স্টেশন রোড এলাকায় মুসল্লিদের কাছে ১০ টাকা বদনা পানি বিক্রি করছিলেন মারফত আলী। তিনি বলেন, বছরের অন্যান্য সময় আমি রিকশা চালাই। ইজতেমায় টঙ্গী এলাকায় রিকশা চলাচল এক প্রকার বন্ধ থাকে। তাই অজুর পানি সরবরাহসহ মুসল্লিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে উপার্জন করে থাকি।

মারফত আলী বলেন, এক মহিলার মাধ্যমে দূর থেকে কলস দিয়ে পানি এনে ড্রামে মজুত করে তা মুসল্লিদের কাছে প্রতি বদনা ১০ টাকায় বিক্রি করছি।

পাশেই খোলা পানি বোতলজাত করে মুসল্লিদের কাছে বিক্রি করছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি খোলা পানি দুই লিটার বোতল ভরে ২০ টাকা দরে ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের কাছে বিক্রি করেন।

ইজতেমা ময়দানে জুমার খুতবা পাঠ শুরু হয় দুপুর ১টা ৩৭ মিনিটে। নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বি এবং কাকরাইল মারকাজ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা জুবায়ের।

তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারণে এবারও বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বিরোধী পক্ষ মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা করছেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ইজতেমা করবেন ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি।

 


আরও খবর



নতুন শিডিউলে ছুটল মেট্রোরেল

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

যাত্রীদের চাহিদার কথা বিবেচনায় পিক আওয়ারে মেট্রোরেলের যাতায়াতের সময় ১০ মিনিট থেকে কমিয়ে ৮ মিনিটে নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে কার্যকর হয়েছে।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এন ছিদ্দিক জানিয়েছেন, উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পিক আওয়ারে নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত। আর মতিঝিল থেকে পিক আওয়ার ধরা হয়েছে সকাল ৮টা ১ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৮ মিনিট পর্যন্ত। এ সময় মেট্রোরেল চলাচলের মধ্যবর্তী সময় ১০ মিনিট থেকে কমিয়ে ৮ মিনিট করা হয়েছে।

তবে উত্তরা উত্তর থেকে সকাল ১১টা ৪৯ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ১২ মিনিট পর্যন্ত অফ পিক আওয়ার ধরা হয়েছে। আর মতিঝিল থেকে দুপুর ১২টা ৯ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত অফ পিক আওয়ার ধরা হয়েছে। এ সময় ১২ মিনিট পরপর আগের মতোই মেট্রোরেল চলবে।

আবার উত্তরা উত্তর থেকে বিকেল ৩টা ১২ মিনিট থেকে রাত ৮টা ১১ মিনিট পর্যন্ত পিক আওয়ার ধরা হয়েছে। এ সময় ৮ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলবে। আর মতিঝিল থেকে বিকেল ৩টা ৫৩ মিনিট থেকে পিক আওয়ার ধরা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল রুটে সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্পেশাল অফ পিক আওয়ার ধরে ১০ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আবার মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর রুটে সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত স্পেশাল অফ পিক আওয়ার বিবেচনা করে ১০ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়েছে

বর্তমানে শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত উত্তরা-মতিঝিল রুটে মেট্রোরেল চলে। সকাল ৭টা ১০ মিনিট এবং সকাল ৭টা ২০ মিনিটে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া দুটো মেট্রোতে শুধু এমআরটি এবং র‍্যাপিড পাস ব্যবহারকারী যাত্রীরা ভ্রমণ করতে পারবেন। রাত ৮টার পর মতিঝিল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া মেট্রোরেলেও শুধু এমআরটি এবং র‍্যাপিড পাস ব্যবহারকারী যাত্রীরা ভ্রমণ করতে পারবেন।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এন ছিদ্দিক আরও জানিয়েছেন, মেট্রোরেলে নতুন ২৬টি ট্রেন যুক্ত হয়েছে। ফলে আজ থেকে বিরতি কমিয়ে চালানো শুরু করা সম্ভব হয়েছে। সামনে আর ট্রেন আসলে তখন যাত্রীদের বেশি সুবিধা দেওয়া যাবে।

এর আগে গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মেট্রোরেলের বগির সংখ্যা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় রাজধানীতে চলাচলকারী অত্যাধুনিক এই বাহনটির যাত্রা পথে বিরতির সময় কমানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।


আরও খবর



নওগাঁয় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নওগাঁয় ঝুলন্ত (গলায় ফাঁস দেওয়া) অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন থানা পুলিশ।

রবিবার সকালে নওগাঁর রাণীনগর 

উপজেলার চরকানাই গ্রামে নিজ বাড়ির শয়ন ঘরে আব্দুস সাত্তার (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পেয়ে রাণীনগর থানায় খবর দেন স্থানিয়রা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট অন্তে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

আব্দুস সাত্তার চরকানাই গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। 

তার মৃত্যুর সঠিক কারন না জানাতে পারলেও সে আত্নহত্যা করেছে বলেই প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন নিহতের স্বজন সহ প্রতিবেশীরা।


আরও খবর