Logo
শিরোনাম

মিষ্টি জান্নাতকে ‘চুমু’ দেওয়া প্রসঙ্গে যা বলছেন জয়

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


সদরুল আইনঃ

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জন উঠেছে চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাতের।

আর এ নায়িকা সম্পর্কে মন্তব্য করে ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যান অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয়।

কিছুদিন আগে শাকিবের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিনেতার বিয়ে নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন তারা। একজন ডাক্তার পাত্রীও পছন্দ করে রেখেছেন। এর প্রেক্ষিতে নজরে আসেন অভিনেত্রী ও দন্ত চিকিৎসক মিষ্টি জান্নাত। গুঞ্জন ওঠে তিনিই সেই পাত্রী।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বললেও গুঞ্জনের সত্যতা নিয়ে প্রথমে কিছু না বলে রহস্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আর এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়। তার মতে, ভাইরাল হওয়ার জন্য শাকিবের সঙ্গে নাম জড়িয়েছেন মিষ্টি। শাকিব খানের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে হলেও সেটা টিকবে না।


জয়ের এমন কথার জবাবে ক্ষুব্ধ হয়ে মিষ্টি বলেন, ‘সে বললো, ওই যে একটা মেয়ে। এটা কেন বলবে? আমি কষ্ট পেয়েছি। যদি সে সিনিয়র না হতেন, তাহলে তাকে ধরে থাপড়াতাম। তার প্রোগ্রামে গেলেও এমন করে। অফস্ক্রিনে চুমু দেওয়ার চেষ্টা করে। আমার কাছে সেসবের ভিডিও আছে। সে অনেক নেগেটিভ কথা বলে।’

এবারে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন জয়। তিনি বলেন, ‌‘এটি ওনার নিজেকে ভাইরাল করার চেষ্টা। আমাকে নিয়ে এ ধরনের চেষ্টা অতীতে অনেকেই করেছেন। এটা কোনো বড় কিছু না। আমি এটাকে পাত্তাই দিচ্ছি না। সবচেয়ে বড় কথা, আমি জানি আমি কী।’

মিষ্টি জান্নাতের বিষয়ে জয় বলেন, ‘‘মিষ্টি জান্নাতকে ‘ওই যে একটা মেয়ে’ বলাতে তার মনে দুঃখ লেগেছে। দুঃখ থেকে সে নিজের উত্তেজনার জন্য বক্তব্য দিয়েছে। দিনশেষে সে বুঝবে তার এ কাজটা ঠিক হয়নি।

কিংবা সে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবেই আলোচনায় আসার জন্য এ কাজটি করেছে। এটি তার ব্যক্তিগত ইচ্ছা। মোবাইলের এ যুগে তার এই ইচ্ছাকে আমাদের বরণ করে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

জয় আরও বলেন, ‘আমি দীর্ঘ সময় ধরে আমার পেশায় জড়িত। আমার মাথা খুব পরিষ্কার। কথাও খুব বুঝেশুনে বলি। তাই এ রকম বিভ্রান্তিকর কোনো বিষয়ে আমার আগ্রহ নেই।’


আরও খবর



ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকতে পারে না: সৌদি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন না করার কথা আগেই জানিয়েছে সৌদি আরব। 


এবার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সম্পদশালী ও প্রভাবশালী এই দেশটি বলেছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলও থাকতে পারে না। একই সঙ্গে ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও পুনর্ব্যক্ত করেছে সৌদি আরব। 


এদিকে রাফাহ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় ৪০ জন নিহত হয়েছে।


সোমবার সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, ব্রাসেলসে আরব ও ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন-ফারহান জানান, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েলেরও অস্তিত্ব থাকতে পারে না। 



তিনি বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের মাধ্যমে তারা যে নিরাপত্তা চায় সেটি ইসরায়েল স্বীকার করে না—যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। সৌদি আরবের শীর্ষ এই কূটনীতিক সাংবাদিকদের বলেন, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ছাড়া ইসরায়েলেরও অস্তিত্ব থাকতে পারে না এবং এটা সম্পূর্ণরূপে মেনে নেওয়াই প্রয়োজন ইসরায়েলের।’



 সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন-ফারহান আরো বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই নিরাপত্তা পাবে ইসরায়েল। তাই আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি, ইসরায়েলের নেতারা বিষয়টি বুঝতে পারবেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে কাজ করাটা তাদের স্বার্থেই ভালো। 



আর সেটি শুধুমাত্র ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে শক্তিশালী করাই নয়, বরং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত তারা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক স্থাপন করবে না বলে জানিয়েছিল সৌদি আরব। 


সৌদি প্রেস এজেন্সির বিবৃতিতে সেসময় বলা হয়, ১৯৬৭ সালে সীমান্ত অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক হবে না বলে সৌদি আরব বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে। 


বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে এবং অবরুদ্ধ এলাকা থেকে সকল রকমের ইসরায়েলি বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে। মূলত গাজা ভূখণ্ডের পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যত্ স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল অংশ হিসেবে চায়।


 এছাড়া ফিলিস্তিনিরা ঐতিহাসিক জেরুজালেম শহরের পূর্ব অংশকে নিজেদের ভবিষ্যত্ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখে থাকে।


আরও খবর



নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর নাজিম হত্যাকান্ডে জড়িত দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর ''নাজিম উদ্দিন ফকির'' হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, জড়িত দু'জন কে গ্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে সদর মডেল থানা প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্যটি জানিয়েছেন নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ গাজিউর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নওগাঁ সদর উপজেলার বিলভবানীপুর গ্রামের নিহত নাজিম উদ্দীন প্রায় এক বছর আগে মারপিটের ঘটনায় একটি গ্রাম্য সালিশ দরবার করেছিল এলাকায়। সেই শালিসে ৩০ হাজার টাকা অর্থ জরিমানা করেন তিনি। ঐ গ্রাম্য শালিসে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ক্ষিপ্ত ছিল নাজিমের উপর। তৈরি হয়েছিল শত্রুতা। এছাড়া প্রায় ৬-৭মাস আগে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি আপস করেন নিহত নাজিমুদ্দিন। এরই জ্বেরে গত সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে নাজিম উদ্দিন ফকির বিলভবানীপুর মৎস্যজীবী পাড়ায় জনৈক ব্যক্তির শালিস শেষে নিজের বাড়ী ফেরার সময় অজ্ঞাতনামা আসামীরা ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ী দিয়ে আঘাত করে গুরুত্বর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাজিম উদ্দিনের মৃত্যু হয়। হত্যাকান্ডের বিষয়টি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক স্যারকে জানালে স্যারের সার্বিক দিক নির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তথ্য প্রযুক্তি এবং সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার মাধ্যমে মঙ্গলবার নওগাঁ শহরের দপ্তরীপাড়া এলাকা হতে ঐ গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে সুজাত আলী (৩২) ও রঘুনাথপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম এর ছেলে মেহেদী হাসান (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়। আটকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পূর্বের রাগ ও ক্ষোভের জ্বেরে দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা নাজিম উদ্দিন ফকিরকে হত্যা করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এসময় তাদের দেয়া তথ্য মোতাবেক বিভিন্ন স্থান থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চাকু ও ভাঙ্গা হাতুড়ী উদ্ধার করেন পুলিশ। আটকৃতদের বুধবার বিকেলে আইনী প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এই কত্যাকান্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আদালতের কাছে আসামীদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডের মাধ্যমে আরো তথ্য জানা জেতে পারে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। এসময় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান, নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক সহ থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে ডিজিটাল ডেস্ক:


টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নরেন্দ্র মোদি।


 আজ রোববার দেশটির স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনের আঙিনায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  মন্ত্রিসভার ৭২ সদস্যও একযোগে শপথ নিচ্ছেন মোদির সঙ্গে। এর মধ্যে ৩০ জন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, পাঁচজন স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মোদিসহ অন্য মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান।



শপথ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল, মৌরিতাস, মালদ্বীপ ও সিসিলিসের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি নতুন সরকারের একাধিক মন্ত্রীও শপথ নিচ্ছেন। এবার ৭২ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছেন মোদি। 


এই প্রতিবেদন পর্যন্ত শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন অমিত শাহ, এস জয়শঙ্কর, মনোহরলাল খট্টর,  নির্মলা সীতারামন, শিবরাজ সিংহ চৌহান, রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করি, জেপি নাড্ডা, জেডিএস নেতা এইচডি কুমারস্বামী, পীযূষ গয়াল, ধর্মেন্দ্র প্রধান।


 

শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে রাষ্ট্রপতি ভবন রাইসিনা হিলসে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশের সোয়াত এবং এনএসজির কমান্ডোদের অনুষ্ঠানস্থল ও কৌশলগত অবস্থানের চারপাশে মোতায়েন করা হয়েছে।


পুলিশ রাজধানীকে একটি ‘নো-ফ্লাই’ জোন ঘোষণা করেছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিন ড্রোন, প্যারা গ্লাইডার, রিমোটচালিত উড়োজাহাজ এবং গ্যাসভর্তি বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।


আরও খবর



বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

বাংলাদেশকে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ৯৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১১৭.৪২ টাকা ধরে)।

সোমবার (১০ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়। সোমবার রাজধানীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও এডিবির পক্ষে যথাক্রমে ইআরডির সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং এ ঋণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতিরক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ক্ষমতা জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষ। সেকেন্ড স্ট্রেংথেনিং সোশ্যাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম শীর্ষক প্রোগ্রামের মাধ্যমে এডিবির এই অর্থ দেশের মানুষের দক্ষতা বৃদ্ধি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থিক উন্নয়ন এবং বৈচিত্রপূর্ণ সুরক্ষা চাহিদা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করা হবে। দেশের দারিদ্রতা কমাতে সাহায্য করবে এই নতুন প্রোগ্রামটি।

এ ব্যাপারে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং বলেন, সেকেন্ড স্ট্রেংথেনিং সোশ্যাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম কর্মসূচির লক্ষ্য হলো সুরক্ষা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উন্নত করা এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ সুরক্ষা চাহিদার প্রতিক্রিয়া জোরদার করার ক্ষেত্রে সংস্কারমূলক কাজের গতি বাড়ানো। এ কর্মসূচির প্রথম ধাপ ২০২২ সালের জুনে শেষ হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়া এই প্রোগ্রামের সাহায্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য সহায়তা দেওয়া হবে। তা ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সামাজিক সুরক্ষায় এ অর্থ কাজে লাগানো হবে বলে জানা যায়। এ ছাড়া বিধবা ভাতা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে এডিবির এই নতুন প্রোগ্রামের মাধ্যমে। পাশাপাশি ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য জীবিকা সহায়তা কর্মসূচির প্রসার ঘটিয়ে দুর্বল নারী ও ট্রান্সজেন্ডারদের সুরক্ষা নিশ্চিতে কাজ করা হবে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

কর্মসূচির আরেকটি লক্ষ্য হলো তৈরি পোশাক খাতকে আরও শক্তিশালী করে তোলা। দেশের শ্রম ও কর্মসংস্থানে আরও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের পোশাক খাতের কর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্য কর্মীদের কাজের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা যায়। এ ছাড়া দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও নীতি বিশ্লেষণে সহায়তা করে সরকারি সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অনুদান দিচ্ছে এডিবি।


আরও খবর



এক শতাংশ ভোটার এলেও নির্বাচন গ্রহণযোগ্য: ইসি হাবিব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান।

তিনি বলেন, এই সময়ে ৩৬ শতাংশ ভোট কম না। নির্বাচনে এক শতাংশ ভোটার এলেও তা গ্রহণযোগ্য।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর শিল্পকলা একাডেমিতে যশোর, নড়াইল ও মাগুরার উপজেলার নির্বাচনের প্রার্থী, নির্বাচনি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।


তিনি আরও বলেন, উপজেলাওয়ারি ভোটার উপস্থিতির পরিসংখ্যান প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি আসন্ন দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে কেন্দ্রে ভোটার আনতে কমিশন প্রচারণা চালাবে।

প্রার্থীদেরও প্রচারণা চালাতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোটারদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসতে সব ব্যবস্থা করবে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, মূলত তিনটি কারণে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। এর মধ্যে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অনুপস্থিতি, দ্বিতীয়ত এখন ধান কাটার মৌসুম, তাছাড়া ভোটের আগের রাতে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামীতে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।


বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি প্রার্থীদের বলেছি, মানুষ হিসেবে যে আমরা শ্রেষ্ঠ তা প্রমাণ করতে হবে। জনগণের সেবক হতে হবে। কারোর ওপর ভর না দিয়ে জনগণের ভালোবাসার ওপর ভর করতে হবে।

প্রার্থীরা আমাদের কথায় সম্মত। তাদের আমরা আশ্বস্ত করতে পেরেছি। সামনের নির্বাচনগুলো আগের থেকে আরও স্বচ্ছ ও ভালো হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইন প্রয়োগে কঠোর হবে। কোনও ছাড় হবে না।

আহসান হাবিব খান বলেন, আমরা আস্তে আস্তে ভালো করছি। আগামীতে আমাদের নির্বাচন বিশ্ববাসীর জন্য রোল মডেল হবে।

বেলা ১১টায় যশোর শিল্পকলা একাডেমিতে যশোর, নড়াইল ও মাগুরার উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী, নির্বাচনি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক বসেন নির্বাচন এই কমিশনার। দুপুর আড়াইটায় বৈঠক শেষ হয়।


আরও খবর