Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে উপহার সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক: 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বুধবার সকালে প্রয়াত এমপি ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।

বেসরকারি সংস্থা মোরেলগঞ্জ এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন-এর আয়োজনে বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস, ওয়ার্ল্ড ভিশন প্রোগ্রাম অফিসার মো. নিজাম উদ্দিন, মোরেলগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি মেহেদী হাসান লিপন প্রমুখ। বিতরণী অনুষ্ঠানে ডাঃ  মোজাম্মেল হোসেন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থী সহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন ধরনের খেলনা, চেয়ার, ক্যারাম, বই সহ ৩৬ প্রকার উপহার সামগ্রী স্কুলে প্রদান করা হয়। 


আরও খবর



বর্ণাঢ্যময় জীবনের অধিকারী আকবর আলি খান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশসাক বা এসডিও ছিলেন। যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তান সরকার দেশদ্রোহিতার অভিযোগে তার বিচার করে। তিনি ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আকবর আলি খান সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সঙ্গে পদত্যাগ করেন।

আকবর আলি খান ১৯৪৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগ থেকে ১৯৬৪ সালে সম্মান ও ১৯৬৫ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন দুটিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে।সরকারি চাকরিতে যোগদানের পূর্বে আকবর আলি খান কিছু সময়ের জন্য শিক্ষকতা করেন।

১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে তিনি লাহোরের সিভিল সার্ভিস একাডেমিতে যোগ দেন। প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৭০ সালে হবিগঞ্জ মহুকুমার এস. ডি. ও. হিসেবে পদস্থ হন। তিনি তার এলাকায় সুষ্ঠুভাবে ১৯৭০-এর নির্বাচন পরিচালনা করেন।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগের অসহযোগ আন্দোলনে আকবর আলি খান সমর্থন দেন। পাকিস্তান বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে হবিগঞ্জ পুলিশের অস্ত্র সাধারণ তিনি মানুষের মধ্যে বিতরণ করে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অণুপ্রাণিত করেন।

আকবর আলি খান স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য তহবিল তৈরি করতে ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা উঠিয়ে ট্রাকে করে আগরতলায় পৌছে দেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্য যোগান দেওয়ার জন্য গুদামঘর খুলে দেন এবং পরবর্তী সময়ে আগরতলায় চলে যান। ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দেশে প্রত্যাবর্তন করেন এবং সচিবালয়ে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন।

১৯৭৩ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতায় যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। আকবর আলি খান তার পদত্যাগপত্র জমা দিলেও শেখ মুজিবর রহমান তা গ্রহণে অস্বীকৃত জানান। তাকে অবসর না দিয়ে শিক্ষকতা করার জন্য ছুটি দেওয়া হয়।

কমনওয়েলথ বৃত্তির জন্য মনোনীত হওয়ার আগে তিনি অল্প সময়ের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বৃত্তির জন্য তিনি কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়এ যোগ দেন এবং সেখানে অর্থনীতি বিভাগে মাস্টার্স এবং পি. এইচ. ডি. ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৭৯ সালে দেশে ফেরত আসার পরে অল্প সময়ের মধ্যেই আকবর আলি খান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাকে আবারও প্রশাসনের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

১৯৮৪ সালে তিনি সাভারের বিপিএটিসি-তে মেম্বার ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৭ সালের আগ পর্যন্ত তিনি পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং কর্মকমিশন সচিবালয়ে কাজ করেন।

ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসে অর্থমন্ত্রী পদে যোগ দেন আকবর আলি খান। ঢাকায় ফিরে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংকিং বিভাগে অতিরিক্ত সচিব পদে যোগ দেন।  ১৯৯৩ এ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আকবর আলি খান। ১৯৯৬ সালে তিনি অর্থ সচিব হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ে বদলি হন।

২০০১ সালে তিনি বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে বিকল্প এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর পদে যোগদান করেন। বিশ্ব ব্যাংকে তিনি ২০০২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত কাজ করেন। বিশ্ব ব্যাংক থেকে অবসর গ্রহণের তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার ফর গভর্নমেন্ট স্টাডিজ প্রতিষ্ঠিত করেন।

আকবর আলি খান দেশের ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন ও অগ্রগতি নিয়ে গবেষণা করছেন। একই সঙ্গে তিনি জীবনানন্দ দাশের কবিতা নিয়ে গবেষণা করছেন। আলি আকবর খানের গ্রন্থ হিস্টোরি অব বাংলাদেশবা বাংলাদেশের ইতিহাসএশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।

পরার্থপরতার অর্থনীতিআকবর আলি খানের গবেষণাধর্মী একটি আলোচিত বই।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলায়

স্বামী ও উকিল বাবাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলায় স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম ও উকিল বাবা আব্দুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ রায় দেন কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মামলার বিবরণে জানাযায়- প্রায় ০৪ বছর পূর্বে সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ নূরুল ইসলাম এর সাথে ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম বিয়ে হয়। এবং দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা সন্তান লামিয়া জন্ম গ্রহণ করে। এরপর হতে ভিকটিমের স্বামী নুরুল ইসলাম প্রায়ই তাঁর পরিচিত লোকজনের সাথে খারাপ কাজ করার জন্য তাঁর স্ত্রী দেলোয়ারা বেগমকে পরামর্শ প্রদান করত। ভিকটিম দেলোয়ারা উক্ত প্রস্তাবে রাজী না হলে তাঁকে তাঁর স্বামী মারপিট করত এবং তাকে তালাক দিয়ে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়ার হুমকী প্রদর্শন করত। ২০২০ সালের ০১লা সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম মাগরিব এর নামাজ পড়ে তাঁর বাচ্চাকে নিয়ে তসবিহ জপতে থাকাবস্থায় তার স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম উকিল বাবা আব্দুর রহমানকে ঘরে নিয়ে আসে। ঐ সময় আব্দুর রহমানের হাতে একটি নতুন শাড়ি ছিলো। তাঁর স্বামী ভিকটিমের হাতে নতুন শাড়ী দিয়ে উকিল বাবা আব্দুর রহমানের সাথে খারাপ কাজ করার জন্য ভিকটিম দেলোয়ারা বেগমকে প্রস্তাব দেয়। দেলোয়ারা উক্ত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তাঁর স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম দেলোয়ারার মুখ চেপে ধরে আব্দুর রহমানকে বলে ধর্ষণ করার জন্য। ভিকটিমের স্বামী জোর করে তাঁর সেলোয়ার খুলে ফেলে। মুখ চেপে ধরায় দেলোয়ারা কোন শব্দ করতে পারেননি। তখন উকিল বাবা আব্দুর রহমান দেলোয়ারা ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে ২০২০ সালের ০৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধনুয়াখোলা নিবাসী জোহর আলীর কন্যা ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম (২৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে ভিকটিমের স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম (৩৩) ও একই থানাধীন সৈয়দপুর নিবাসী মৃত আলী মিয়া গাজীর ছেলে উকিল বাবা মোঃ আব্দুর রহমানকে আসামী করে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সং/০৩) এর ৯(১)/৩০ ধারার বিধানমতে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে ঘটনা তদন্তপূর্বক আসামীদ্বয়ের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রাথমিক ভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় গত বছর ২৬ এপ্রিল উল্লেখিত আসামীগণের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকরী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ। এরপর মামলাটি বিচারে আসিলে সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে ভিকটিমের স্বামী মোঃ নূরুল ইসলাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ধারা ৯(১)/৩০-এ দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০,০০০/- টাকা অর্থ দণ্ড এবং উকিল বাবা আব্দুর রহমানকে সংশ্লিষ্ট ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০,০০০/টাকা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায়ে আরও উল্লেখ করেন ধর্ষণের শিকার ভিকটিম দেলোয়ারা বেগম অর্থদন্ডের অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে প্রাপ্য হবেন। আসামী নূরুল ইসলাম ও আব্দুর রহমান অর্থ দণ্ডের ৬০,০০০/- টাকা পরিশোধ না করলে উক্ত টাকা আদায়ের নিমিত্তে আসামীদ্বয়ের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ ভিকটিম দেলোয়ারা বেগমকে ক্ষতিপূরণ বাবদ পরিশোধ করার জন্য ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টারকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন- কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পিপি এডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত এবং  আসামী পক্ষে এডভোকেট মোঃ আতিকুল ইসলাম।


আরও খবর



ইটনায় ৩৬ টি মন্ডপে দুর্গোৎসব-থানা পুলিশের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মোজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জ ঃ

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় এবার ৩৬টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।মন্ডপগুলোতে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে থানা পুলিশ প্রশাসন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। 

২৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকালে দুর্গা পুজো উপলক্ষে ইটনা রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অডিটোরিয়ামে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলার প্রতিটি মন্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। 

ইটনা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম মোল্লা'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার(অষ্টগ্রাম সার্কেল) সামুয়েল সাংমা। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ইটনা উপজেলা শাখার সভাপতি তাপস রায় এবং সাধারণ সম্পাদক কৌশিক দেব নাথ জয়। থানা পুলিশের মতবিনিময় সভা পরিচালনায় ছিলেন ইটনা থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আহসান হাবিব। 

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত পূজা মণ্ডপের সভাপতি ও সম্পাদক বক্তব্য রাখেন এবং উনাদের দুর্গা পুজোর উৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি রাখেন। পূজা মণ্ডপে উচ্চ শব্দে ডিজে গান বাজানোর নিষেধ করেন পূজা উদযাপন পরিষদ ইটনা উপজেলা শাখার সভাপতি তাপস রায় 

সহকারী পুলিশ সুপার(অষ্টগ্রাম সার্কেল) সামুয়েল সাংমা বলেন, এবার শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সব সময় তৎপর থাকবে। মন্ডপ এলাকায় কোন ক্রমেই কোন রকম নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া উচ্চশব্দে গান বাজানোর ক্ষেত্রে সহনশীল হতে হবে। প্রতিটি মন্ডপে আনসার ও ভিডিপির নারী-পুরুষ সদস্যরা পাহারায় থাকবে। তিনি মন্ডপ গুলোর আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।


আরও খবর



যানজটের কারণে এই শহর ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছে করে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম, সিনিয়র সাংবাদিক লেখক ও গবেষক ঃ

মাঝে মধ্যে কোনভাবেই আর ধৈর্য্য রাখতে পারি না। আর কতো সহ্য করা যায়? প্রায় দুই ঘন্টা বাড্ডা লিংক রোড মোড়ে স্থবির হয়ে আটকে ছিলাম । সহ্য করতে না পেরে বৃষ্টি কাঁদায় হেঁটে অফিসে ফিরেছি।  শুধুমাত্র যানজটের কারণে এই শহর ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছে করে। এভাবে আর কতো? 

আচ্ছা আজ যে মানুষটার হাসপাতালে যাওয়ার কথা, হালকা স্ট্রোক করে অ্যাম্বুলেন্সে যিনি ঘন্টার পর ঘন্টা বসেছিলেন, যে শিশুটির স্কুলে যাওয়ার কথা পরীক্ষা দিতে, ফ্লাইট ধরার কথা যাদের, অফিসে যাওয়ার কথা যার, কী অবস্থা তাদের সবার? আফসোস একটা শহরকে আমরা মৃত বানিয়ে ফেলেছি তারপরও উন্নয়নের গল্প শেষ হয় না।

ভাবুন তো কী এক অদ্ভুত শহর! আপনি বরিশাল কিংবা খুলনা গোপালগঞ্জ থেকে শত শত কিলোমিটার পথ পদ্মা সেতু পেরিয়ে চলে আসবেন দুই ঘন্টায় কিন্তু গুলিস্তান থেকে মিরপুর বা মিরপুর কতো ঘন্টায় যাবেন সেটা বলার শক্তি নেই কারো। কারণ এই শহরে গাড়ির গতি এখানে ঘণ্টায় ৫ কিলোমিটার। অথচ ১২ বছর আগেও এই গতি ছিল ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার৷ এক যুগের ব্যবধানে সেটি পাঁচে নেমে এসেছে। 

মনে রাখবেন, আপনার যতো দামী গাড়িই হোক, বাসে বা উবারে যেভাবেই যান, ঘন্টায় আপনি পাঁচ কিলোমিটারের বেশি যেতে পারবেন না। অথচ পায়ে হেঁটেও একই গতিতে চলা যায়। কিন্তু হাঁটার পরিবেশও কী আছে? হাঁটতে গেলে দেখবেন, ফুটপাতগুলো তো প্রায় সব বেদখলে। মাঝে মধ্যে মনে হয়, আমাদের নীতি নির্ধারকদের বলি, একটু পাবলিক বাসে বা সিএনজিতে চড়েন। এই শহরের পাবলিকের কষ্টটা বোঝেন। 

এই যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে আমরা শেষ হয়ে যাচ্ছি, এই নগরবাসীর শারীরিক মানসিক নানা সংকট তৈরি হচ্ছে এর দায় কার? আমি তো বলবো, এই শহরের মানুষের পারিবারিক বা সামাজিক বহু অশান্তির কারণ এই যানজট। এই শহরের বহু মানুষ সকালে বের হয় আর রাতে বাসায় ফেরে। পথে যানজটে যায় ৬-৭ ঘন্টা। এটা কী কোন নাগরিক জীবন?    

বুয়েটের এক গবেষণায় বলছে, ঢাকায় যানজটের কারণে প্রতিদিন ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়৷ আর এই যানজটে বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৩৭ হাজার কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেটের ১১ ভাগের এক ভাগ৷ ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে, ১৯৮০ সালে গাড়ির গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার এবং এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটারেরও কম। এতে যানজটের কারণে প্রতিদিন ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। ২০৩৫ সালে ঢাকায় জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২৫ মিলিয়নে। 

সড়ক ও জনপথ বিভাগের ২০১৩ সালে তার এক গবেষণায় দেখানো হয়, শুধু যানজটে কর্মঘণ্টা নষ্টের জন্য বছরে ক্ষতি হয় ১২ হাজার কোটি টাকা৷ শুধুমাত্র গণপরিবহণ ব্যবস্থা ভালো নয় বলেই এই শহরে অনেকে ধার করে বা ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে একটি গাড়ি কেনে। কিন্তু তাতে লাভটা কী হয়? যতো দামী গাড়ি হোক বাসের বদলে নিজের গাড়িতে যানজটে বসে থাকতে হয় এই যা! 

সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো এই শহরে ট্রাফিক সিগন্যাল বলে কিছু নেই। অথচ ছোটবেলায় আমি দেখেছি এই শহরে ট্রাফিক সিগন্যাল ছিল। লাল-সবুজ বাতি কাজ করতো। এখন সব বৃথা। আর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। আচ্ছা প্রযুক্তির এই যুগে যেখানে প্রতিটা রাস্তার প্রতিক্ষনের অবস্থা দেখা যায় সেখানে কী যানজটের সমাধানে প্রযুক্তির ব্যবস্থা নেয়া যায় না? 

আমাদের নীতি নির্ধারকদের বলবো, একটু ভাবুন। যানজট সমস্যা দূর করা খুব কঠিন কাজ বলে মনে করি না। কিন্তু আমরা যদি মনে করি সমাধান নেই আর এটাই মেনে নিতে হবে তাহলে তো আমরা শেষ! 

আপনারা যারা সরকারের নীতিনির্ধারক, আপনাদের দোহাই লাগে আপনাদের কাছে অন্ন বস্ত্র বাসস্থান কিছু চাই না। শুধু যানজট থেকে মুক্তি দিন। দেখেন দয়া করে কোটি কোটি টাকার যত্রতত্র পরিকল্পনা নেবেন না। এইসব বিআরটি এইসব ফ্লাইওভার অর্থহীন। দয়া করে গণপরিবহনে নজর দিন। 

আচ্ছা আপনারা যারা নীতি নির্ধারক তারা কি ঢাকার পাবলিক বাসগুলোর চেহারা দেখেছেন? চড়েছেন? সস্তা জনপ্রিয় বুলি না আওড়ে প্লিজ সমাধান খুঁজুন।‌

আমি এখনো মনে করি ঢাকার বিভিন্ন রূটে কয়েকশ করে নতুন পাবলিক বাস নামলে, পাঁচ মিনিট পরপর এসি বাস ছাড়লে লোকে অন্তত সেই বাসে চড়বে। নীতি নির্ধারকেরাও এসব বাসে চলুন। কয়েকদিন ব্যক্তিগত গাড়ি সব বন্ধ করে দেখেন। ফুটপাতগুলো দখলমুক্ত করে দেন। আর সিগন্যালিং সিস্টেমটা ঠিক করুন। 

সত্যি বলছি ভীষণ যন্ত্রনা লাগে! নীতি নির্ধারকদের কাছে তাই হাতজোড় করে অনুরোধ যানজটের রোজকার এই যন্ত্রণা থেকে আমাদের নগরবাসীকে মুক্তি দিন! গণপরিবহন ব্যবস্থা ঠিক করুন নয়তো রাজধানী সরিয়ে নিন। বিকেন্দ্রীকরণ করুন বা অন্য যে কোন কিছু। দয়া করে এই নগরবাসীকে তিলে তিলে শেষ করে দেবেন না! আপনাদের দোহাই লাগে!


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার বিকেলে লন্ডনে পৌঁছেছেন। তিনি রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে যোগ দেবেন। এরপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

রানির শেষকৃত্য অনুষ্ঠান ছাড়াও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে লন্ডন ও নিউইয়র্কের উদ্দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১৯০৯ ভিভিআইপি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

১৬ সেপ্টেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার অবস্থানকালীন হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। পরে যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা, জাতিসংঘ ও কমনওয়েলথবিষয়ক মন্ত্রী লর্ড আহমদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের বিরোধীদলীয় ও লেবার পার্টির নেতা স্যার কেইর স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ১৮ সেপ্টেম্বর বাকিংহাম প্যালেসে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে রাজার এক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।

১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে অংশ নেবেন। একই দিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান ও জাতিসংঘ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবদুল মুহিত।

২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সংবর্ধনায় যোগ দেবেন। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। তিনি ইউএনএইচসিআরের ফিলিপো গ্রান্ডি ও স্লোভেনিয়ার প্রেসিডেন্ট বরুত পাহোরের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। একই দিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সংবর্ধনায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ, বতসোয়ানা, স্লোভাক প্রজাতন্ত্র ও জাতিসংঘ আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের ‘টেকসই আবাসন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২