Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে নারী ইউপি সদস্য’র জমি দখল, পিটিয়ে আহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য জাহানারা বেগম (৪৮) কে পিটিয়ে আহত করে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে পশুরবুনিয়া গ্রামে। আহত ওই ইউপি সদস্যকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগে জানাগেছে, খাউলিয়া ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য পশুরবুনিয়া গ্রামের মো. ফকরুল ইসলাম ফকিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম দীর্ঘদিন ধরে ক্রয়সূত্রে বসতবাড়ি সংলগ্ন ১৭ শতক জমি ভোগ দখল করে আসছে।

উক্ত জমি জোরপূর্বক দখলের জন্য দু’দফা হামলা চালায় একই গ্রামের প্রভাবশালী আব্দুল খালেক হাওলাদারের নেতৃত্বে বহিরাগত ২০/২৫ জন লোক জমিতে ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলে নেয়। এ সময় হামলাকারিদের বাঁধা দিলে ইউপি সদস্য জাহানারা ও তার ছোট ছেলে জহিরুল ইসলাম ফকিরকে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। গুরুত্বর জখমী জাহানারা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসারত মেম্বার জাহানারা বলেন, চিকিৎসা নিতে আসার পথিমধ্যে ওরা বাঁধা প্রদান করেছে। বিষয়টি চেয়ারম্যান সাহেব ও ফাঁড়ি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।  

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার মো. সাইদুর রহমান বলেন, ইউপি সদস্যকে মারপিটের ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। শনিবার উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে।

সন্ন্যাসী ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই অনুপ রায় বলেন, পশুরবুনিয়া গ্রামে ইউপি মেম্বারের ওপর হামলা ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। মেম্বার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর



ভয়াবহ আকার ধারণ করছে হুন্ডি

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

হুন্ডির কারণে কত বিদেশি মুদ্রা থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হচ্ছে, কাদের মাধ্যমে এই মুদ্রা পাচার হচ্ছে, তার একটি ধারণা পাওয়া গেল এরকম একটি চক্রের ২০ সদস্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হাতে ধরা পরে।

বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায়সহ বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অন্তত পাঁচ হাজার এজেন্ট হুন্ডি চক্রে জড়িত। আর এদের কারণে বছরে আনুমানিক ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হয়।

দেশে ডলারের দামে অস্থিরতা শুরুর পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে সিআইডি। এর অংশ হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিন দফা যৌথ অভিযান চালিয়ে ওই ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিট।


গত ৪ মাসে ২০ কোটি ৭০ লাখ টাকা তাদের মাধ্যমে পাচার হওয়ার তথ্য পেয়েছেন তারা।

আর সাইবার ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে সিআইডি ৫ হাজারের বেশি এজেন্টের সন্ধান পেয়েছে,যারা এমএফসের মাধ্যমে হুন্ডির কারবারে জড়িত।

 এই চক্র অবৈধভাবে হুন্ডির মাধমে বিদেশে অর্থপাচার করছে। আবার বিদেশে অবস্থানরত ওয়েজ অর্নাদের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশ বাংলাদেশে না এনে স্থানীয় মুদ্রায় মূল্য পরিশোধ করে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ করছে।

“প্রাথমিক পর্যায়ে বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায় এর বহু এজেন্ট এই অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার সাথে জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।”

পাঁচ হাজার এমএফএস এজেন্টের মাধ্যমে চার মাসে হুন্ডি হয়েছে আনুমানিক পঁচিশ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনা আসায় ওই পরিমাণ রেমিটেন্স থেকে বাংলাদেশ সরকার বঞ্চিত হয়েছে।


 সিআইডি বলছে, এসব এমএফএস এজেন্টের মাধ্যমে বছরে হুন্ডি হয়ে দেশে আসছে আনুমানিক পঁচাত্তর হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, সরকার প্রায় ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসীরা ২ হাজার ১০৩ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন, যা দেশের মোট জিডিপির ৭ শতাংশের মত।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




ডিআইজি মিজানকে বরখাস্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

দুর্নীতির মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাগারে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে ৬ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার তদন্ত শেষে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ তাকে তিন বছরের কারাদন্ড প্রদান করেন। সেহেতু, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪২(১) ধারা অনুযায়ী মো. মিজানুর রহমানকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হলো।

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুস নেওয়ার মামলায় ডিআইজি মিজানুর রহমানকে তিনবছরের কারাদন্ড দেন আদালত। ৪০ লাখ টাকা ঘুস কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন।
ডিআইজি মিজান অস্ত্রের মুখে এক নারীকে তুলে নিয়ে বিয়ে করাসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন। তখন তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। 


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




নওগাঁয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ 


নওগাঁয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২২ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর দুপুরে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান পিএএ। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নওগাঁর উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব‍্য রাখেন অতিরিক্ত পুলশ সুপার মোঃ গাজিউর রহমান এবং নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন।

পরে অগ্নি নির্বাপণ এবং  সড়ক দৃর্ঘটনা থেকে জান মাল রক্ষা সম্পর্কিত একটি মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খানসহ সরকারি কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব‍্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর



নওগাঁয় ধান ক্ষেত থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


নওগাঁয় নিখোঁজের ১৫ ঘন্টা পর মাঠে "ধান ক্ষেত" থেকে স্বপন আকন্দ (৩৯) নামে এক ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার ৬ নভেম্বর সকালে নওগাঁর রানীনগর উপজেলার জয়সার গ্রামের উত্তর মাঠের ধানের ক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করেন রানীনগর থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত মৃতদেহটি জয়সার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মজিবর রহামনের ছেলে স্বপন আকন্দ (৩৯) এর।

স্থানিয় ও নিহতের পরিবার সুত্র জানায়, শনিবার বিকেল ৩ টার দিকে স্বপন বাড়ি থেকে বেড়িয়ে খানপুকুর বাজারে যায়। এরপর সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। স্বপন বাড়ি না ফেরায় সন্ধ্যার পর থেকে গ্রামে ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর রবিবার সকাল আনুমানিক ৭ টারদিকে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পান গ্রামের উত্তর মাঠে ফসলের জমিতে স্বপনের মৃতদেহ পড়ে আছে।

ধান ক্ষেতে মৃতদেহ পরে থাকার খবর পেয়ে রাণীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জ্যন নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন। এব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।



আরও খবর



দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস এর দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে প্রতিদিন লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। সমিতির নামে সিন্ডিকেট তৈরি করে জমির ক্রেতা বিক্রেতাদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। তাদের এ অনৈতিক কাজ বছরের পর বছর চলে আসলেও এর কোন সুরাহার উদ্যোগ নেয়নি কেউ।

অভিযোগ করা হয়েছে যে, সরকারি লাইসেন্সধারি দলিল লেখকরা দলিলের প্রতি পৃষ্ঠা লেখার জন্য নির্ধারিত হারে ফি পাবেন। কিন্তু যে কোন লেখকই দলিল লেখুক না কেন প্রতিটি দলিলের জন্য সমিতির নামে "অতিরিক্ত" ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা না দিলে সে দলিল রেজিষ্ট্রি হয়না। এজন্য প্রতিটি দলিলের শেষ পাতায় সমিতির চাঁদা পরিশোধের একটি "সাংকেতিক চিহ্ন ও ব্যবহার করা হয়। এভাবেই সমিতির নামে আদায় করা কোটি টাকা সমিতির সদস্যদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয়। অনেক দলিল লেখক কোন দলিল না লিখেও প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা ঘরে বসেই পেয়ে যান। এছাড়াও বছর শেষে সমিতির সদস্যদের নিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে কক্সবাজার ভ্রমণে দু' সপ্তাহের ট্যুর দেয়া হয়।

মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মৃত তাহের আলী মন্ডলের ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আজাদ রহমান অভিযোগ করেন যে, তারা মোট ২৯ জন গত ১৮ অক্টোবর মহাদেবপুর সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে মোট ৭টি দলিলে ৩ একর ২৭ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করেন। জমির মালিকের কাছ থেকে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় সে জমি কিনেন। কিন্তু মহাদেবপুর মৌজার জমির সরকারি দাম বেশি নির্ধারণ করা থাকায় দলিল করতে হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার। ঐ টাকার উপর সরকারি ট্যাক্স, ভ্যাট দিয়েছেন ১৯ লাখ ৩ হাজার ৬০ টাকা। দলিল লেখা প্রভৃতির খরচ দিয়েছেন ৪৫ হাজার টাকা। এরপরও সমিতির নামে চাঁদা দিতে হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সমিতির চাঁদা পরিশোধ না করা পর্যন্ত দলিল রেজিষ্ট্রি হবেনা বলে জানালে তারা সে টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হন। পরে জানতে পারেন, চাঁদা নেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ ও বেআইনী এর পরই আজাদ রহমান এব্যাপারে বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। 

বিষয়টি জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে মহাদেবপুর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে কোন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে ঐ ৭টি দলিলের লেখক নুরুল ইসলাম সমিতির নামে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণের কথা শিকার করে জানান, সমিতির নিয়মানুযায়ী তিনি টাকা গ্রহণ করে সমিতিতে জমা দিয়েছেন। এত বেশি টাকা চাঁদা নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দলিলের জন্য চাঁদার নির্ধারিত রেট রয়েছে। তবে উপজেলার ১০ ইউপি চেয়ারম্যান, বড় কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতা ও সাংবাদিকদের জন্য কিছুটা ছাড় দেয়া হয়।

তবে সরকারি দলের প্রথম সারির একজন নেতা জানান, তিনি সহ দু'জন নেতা ঐ ৭টি দলিলের জন্য দাবি করা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদার পরিমাণ কিছু কমানোর অনুরোধ জানালেও সমিতির নেতারা তা মানেন নি।

জানতে চাইলে মহাদেবপুর দলিল লেখক সমিতির সভাপতি কাওসার আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন এবিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা নেয়া হয়েছে কিনা তা অফিসে গিয়ে কাগজপত্র দেখার পর বলতে পারবেন বলে জানান।

উপজেলা সাব রেজিষ্ট্রার আব্দুর রশিদ মন্ডল জানান, তিনি মূলত আত্রাই উপজেলার দায়িত্বে রয়েছেন। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রতি সপ্তাহে দু' দিন মঙ্গলবার ও বুধবার মহাদেবপুরে অফিস করেন। সমিতির নামে চাঁদা নেয়া হয় কিনা তা তিনি জানেন না বলে জানান।

মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান লিখিত অভিযোগ পাবার কথা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি দু:খজনক। এরকম চাঁদাবাজি হয়ে থাকলে অবিলম্বে তা বন্ধ করতে হবে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।


আরও খবর