Logo
শিরোনাম
শিক্ষক ভাইয়ের কান্ড !

মোরেলগঞ্জে শত্রুতায় ফলন্ত কলাগাছ কর্তন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক শিক্ষকের কান্ড জমি শত্রæতায় কৃষক ভাইয়ের ফলন্ত কলাগাছ কর্তন। একের পর এক হয়রানি থানায় মুচলেকা দিয়েও থেমে নেই প্রভাবশালী ওই শিক্ষক।

  জানাগেছে, হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বড় বাদুরা গ্রামের কৃষক মো. মোয়াজ্জেম হাওলাদারের পৈত্রিক ভোগদখলীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের জন্য অপন সহোদর শিক্ষক হাওলাদার মোস্তফা মাহমুদ লোকজন নিয়ে শুক্রবার কৃষক মোয়াজ্জেমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ২০/২৫টি ফলন্ত কলাগাছ কেটে ফেলে রেখে যায়। এতে ওই কৃষকের প্রায় ১৫ হাজার ক্ষতিস্বাধন করেছে হামলাকারিরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোয়াজ্জেম হাওলাদার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ২০০৭ সাল থেকে পিতার দেওয়া পারিবারিক বন্টননামা অনুযায়ী ২৫শতক পৈত্রিক সম্পত্তি ও নিজের ক্রয়কৃত ৭ শতক মোট ৩২ শতক জমিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছে।  পিতার বাকি জমিতে অন্য ভাইয়েরা নিজ নিজ ভোগ দখল করছে। তার পরেও একের পর এক হয়রানি করছে তাকে।

তারই আপন ভাই গোপালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হাওলাদার মোস্তফা মাহমুদ গত বছরেও কৃষকের ওই বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিস্বাধন করে। এ ঘটনায় তখন থানায় অভিযোগ দিলেও মুচলেকা দিয়েও ক্ষ্যান্ত হয়নি ওই শিক্ষক। আবারও হামলা চালিয়ে গাছ কর্তন করেছে।

ইতোপূর্বে পারিবারিক জমি নিয়ে মোকাম মোরেলগঞ্জ বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালত বাগেরহাট মোয়াজ্জেম হাওলাদার বাদি হয়ে ১৮৪/১৮ মামলা দায়ের করেছেন। সে মামলাটি এখন চলমান বিচার সম্পন্নের পথে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ওই কৃষক। তিনি গাছ কর্তনের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের প্রতি। এ বিষয়ে হাওলাদার মোস্তফা মাহমুদ বলেন, তিনি তার নিজ জমির গাছ কেটেছেন। অন্য কারোর জমির গাছ কর্তন করেননি। 


আরও খবর



আদর্শ সবজি সজিনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

সজিনা একটি অতি পরিচিত ও সুস্বাদু সবজি। সজিনার ইংরেজি নাম Drumstick এবং বৈজ্ঞানিক নাম Maringa Oleifera  উৎপত্তিস্থল পাকিস্তান-ভারত উপমহাদেশ হলেও এ গাছ শীত প্রধান দেশ ব্যতীত সারা পৃথিবীতেই জন্মে। বারোমাসি সজিনার জাত প্রায় সারা বছরই বার বার ফলন দেয়। গাছে সব সময় ফুল, কচি পড দেখা যায়। আমাদের দেশে ২-৩ প্রকার সজিনা পাওয়া যায়। বসতবাড়ির জন্য সজিনা একটি আদর্শ সবজি গাছ।

অত্যাশ্চার্য বৃক্ষ : দেশি-বিদেশি পুষ্টি বিজ্ঞানীরা সজিনাকে অত্যাশ্চর্য বৃক্ষ বা অলৌকিক বলে অভিহিত করেছেন। কারণ এর পাতায় আট রকম অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডসহ ৩৮% আমিষ আছে, যা বহু উদ্ভিদেই নেই। সজিনা সবজির চেয়ে এর পাতার উপকার আরও বেশি। দক্ষিণ আফ্রিকায় এ গাছকে মায়েদের উত্তম বন্ধু এবং পুষ্টির এক অনন্য সহজলভ্য উৎস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

সজিনার পুষ্টি : বিজ্ঞানীরা পুষ্টির দিক দিয়ে সজিনাকে পুষ্টির ডিনামাইট আখ্যায়িত করে বলেন, এ গাছটি থেকে পুষ্টি, ওষুধিগুণ ও সারা বছর ফলন পাওয়া যায় বিধায় বাড়ির আঙিনায় এটি একটি মাল্টিভিটামিন বৃক্ষ-এর পুষ্টিগুণ খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্য শক্তি কি. ক্যাল ৪৩, পানি ৮৫.২ গ্রাম, আমিষ ২.৯ (গ্রাম), চর্বি ০.২ (গ্রাম), শর্করা ৫.১ (গ্রাম), খাদ্য আঁশ ৪.৮ (গ্রাম), ক্যালসিয়াম ২৪ (মি. গ্রাম), আয়রন ০.২ (মি. গ্রাম), জিংক ০.১৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-এ ২৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি১ ০.০৪ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি২ (মি. গ্রাম) ০.০৪ ভিটামিন-সি ৬৯.৯ (মি. গ্রাম)।

সজিনা পাতার গুণাগুণ : বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সজিনার পাতা পুষ্টিগুণের আঁধার। নিরামিষভোগীরা সজিনার পাতা থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন। পরিমাণের ভিত্তিতে তুলনা করলে একই ওজনের সজিনা পাতায় কমলা লেবুর ৭ গুণ ভিটামিন-সি, দুধের ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ, গাজরের ৪ গুণ ভিটামিন-এ, কলার ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, সজিনা পাতায় ৪২% আমিষ, ১২৫% ক্যালসিয়াম, ৬১% ম্যাগনোসিয়াম, ৪১% পটাশিয়াম, ৭১% লৌহ, ২৭২% ভিটামিন-এ এবং ২২% ভিটামিন-সি সহ দেহের আবশ্যকীয় বহু পুষ্টি উপাদান থাকে।

এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে। দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

সজিনার তেল : সজিনার শুকানো বীজ ভাঙিয়ে ৩৮-৪০% ভোজ্যতেল পাওয়া যায়, যাতে উচ্চ মাত্রার বিহ্যানিক এসিড থাকে। যা বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক। এ তেলের কোনো গন্ধ নাই এবং অন্য যেকোনো ভোজ্যতেলের মতোই মান সম্পন্ন। তেল নিষ্কাশনের পর প্রাপ্ত খইল সার হিসেবে এবং পানি শোধনের কাজেও ব্যবহার হয়।

সজিনার ওষুধি গুণাগুণ : আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ওষুধিগুণ রয়েছে।

 

ওষুধিগুণ

০১. শরীর ব্যথা : শরীরের কোনো স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড়ের প্রলেপ দিলে ব্যথা ও ফোলা সেরে যায়।

০২. কান ব্যথা : সজিনার শিকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।

০৩. মাথা ব্যথা : সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করলে মাথা ব্যথা সেরে যায়।

০৪. ফোঁড়া সারায় : সজিনার আঠার প্রলেপ দিলে ফোঁড়া সেরে যায়।

০৫. মূত্রপাথরি ও হাঁপানি : সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মূত্রপাথরি দূর হয়। ফুলের রস হাঁপানি রোগের বিশেষ উপকারী।

০৬. গ্যাস থেকে রক্ষা : সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।

০৭. কুকুরের কামড়ে : সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।

০৮. জ্বর ও সর্দি : পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।

০৯. বহুমূত্র রোগ : সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।

১০. কোষ্ঠকাঠিন্য ও দৃষ্টিশক্তি : সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।

১১. সজিনা ফুল দুধের সাথে রান্না করে নিয়মিত খেলে কামশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। এর চাটনি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

১২. গেঁটে বাত : সজিনার ফল নিয়মিত রান্না করে খেলে গেঁটে বাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

১৩. ক্রিমিনাশক ও টিটেনাস : সজিনার কচি ফল ক্রিমিনাশক, লিভার ও প্লীহাদোষ নিবারক, প্যারালাইসিস ও টিটেনাস রোগে হিতকর।

১৪. অবশতা, সায়াটিকা : সজিনার বীজের তেল মালিশ করলে বিভিন্ন বাত বেদনা, অবসতা, সায়াটিকা, বোধহীনতা ও চর্মরোগ দূর হয়।

১৫. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়।

১৬. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়।

১৭. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী।

১৮. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে।

১৯. ইন্টেস্টাইন ও প্রোস্টেট সংক্রমণ : সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।

২০. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে।

 

সজিনার ব্যবহার : সজিনা খাবার টেবিলে সবজি হিসেবেই বেশি ব্যবহার হয়। মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত সজিনা বাজারে প্রচুর পাওয়া যায়। এ সময় খরিপ সবজির মধ্যে সজিনার যথেষ্ট কদর থাকে। সজিনা দিয়ে ডাল তরকারিটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। সজিনা শুধু ফল হিসেবেই নয়, সজিনার কচি পাতা ও ডাঁটা বা ডাল ভাজি বা তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। পালংশাকের বিকল্প হিসেবে সজিনা শাক খাওয়া হয়। মুরগির মাংস রান্নায় কচি সজিনা পাতা সুস্বাদু লাগে।

কালিজিরা, কাঁচামরিচ, রসুনের সাথে সজিনা পাতার ভর্তা একটি মজাদার খাবার। ছোট মাছের সাথে সজিনা পাতার চর্চড়ি খুবই উপাদেয়। সজিনা পাতার বড়া, সালাদ, পাতা বাটা ও সজিনা পাতার পাউডার দ্বারা খাদ্য সুস্বাদু ও শক্তি বর্ধক হয়। যেকোনো স্যুপের সাথে শুকনা সজিনা পাতার পাউডার মিশালে খাদ্যমান বেড়ে যায়। চা বা কফি তৈরিতে সজিনা পাতার পাউডার ব্যবহার করা যায়।

সজিনা থেকে তৈরি কয়েকটি বিশেষ খাবারের রেসিপি :-

 ১. মসুর ডালে সজিনা : প্রথমে মসুর ডাল-১ কাপ, সজিনা- ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি, তেল, হলুদ গুঁড়া;, রসুন কুচি, মেথি, সরষে বাটা, লবণ, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা পরিমাণমতো নিতে হবে। মসুর ডাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর হাঁড়িতে পানি চাপিয়ে তাতে মসুর ডাল, রসুন কুচি, হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে সেদ্ধ করতে হবে। অন্য পাত্রে তেল দিয়ে সজনে ভেজে তাতে মেথি দিয়ে তুলে নিয়ে পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে তেলসহ ডালে ঢেলে দিতে হবে। কাঁচামরিচ কালি ও ধনেপাতা দিয়ে চুলা থেকে নামাতে হবে।

২. সজিনা লাউ নিরামিষ : সজিনা ২৫০ গ্রাম, লাউ- আধা কেজি, শুকনা শিমের বীচি-২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, টমেটো-১টি, কাঁচামরিচ-২টি, ধনেপাতা পরিমাণমতো নিতে হবে। সজিনার আঁশ ফেলে ১.৫-২ ইঞ্চি করে টুকরা করে নিতে হবে। একই সাথে টমেটো ও লাউ টুকরো করতে হবে। শুকনো শিমের বীচি তাওয়ায় ভেজে পাটায় ভেঙে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তেলে পেঁয়াজ অল্প ভেজে রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, সজিনা ও লাউ দিয়ে রান্না করতে হবে। শিমের বীচি দিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখতে হবে এরপর টমেটো দিতে হবে। লাউ ও সজিনা সেদ্ধ হলে, মরিচ ফালি ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে ২-৩ মিনিট পর চুলা হতে নামাতে হবে।

৩. সজিনা পাতার পাকোড়া : সজিনা পাতা-১০০ গ্রাম, মসুর ডাল-২০০ গ্রাম, পেঁয়াজ ও আলু-২০০ গ্রাম করে, কাঁচামরিচ, ধনেপাতা, লবণ ও তেল পরিমাণমতো। মসুর ডাল পরিষ্কার করে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সজিনা ডাঁটা ভালো করে ধুয়ে কুচি, কুচি করে কাটাতে হবে। আলু, পেয়াজ, ধনেপতা, কাঁচামরিচ, সব কুচি করে কেটে নিতে হবে। মসুরের ডাল হালকা করে বেটে নিতে হবে। ডালের সাথে কুচানো সজিনা পাতা, আলু, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা ভালো করে মেশাতে হবে। চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল গরম করতে হবে। হাত দিয়ে গোল করে বড়ার মতো করে বানিয়ে তা গরম তেলে ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। সস্ বা চাটনিসহ গরম গরম পাকোড়া পরিবেশন করতে হবে।

৪. আলু সজিনার তরকারি : সজিনা-৫০০ গ্রাম, আলু, পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া ও কাঁচামরিচ পরিমাণমতো নিতে হবে। সজিনা ডাঁটার আঁশ ফেলে ২ ইঞ্চি লম্ব করে কেটে নিতে হবে। আলুর খোসা ছিলে লম্বাকরে টুকরা করে কেটে নিতে হবে। তেলে রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, লবণ দিয়ে সরষে বাটা, আলু, সজিনা দিয়ে চুলায় চড়াতে হবে। পরে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। সবজি সেদ্ধ হয়ে গেলে ধনেপাতা কুচি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

৫. সজিনা দিয়ে ইলিশ মাছ : ইলিশ মাছ-৪ টুকরা, সজিনা ৪-৫টি, বড় পেঁয়াজ কুচি-১টি কাঁচামরিচ, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, জিরা বাটা, তেল ও লবণ পরিমাণ মতো নিতে হবে। ইলিশ মাছের টুকরাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। সজিনাগুলো ১.৫-২ ইঞ্চি করে কেটে নিতে হবে। কড়াইতে তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি ও সব মসলা, লবণ কড়াইতে দিয়ে সজিনা দিতে হবে। সজিনা দিয়ে অল্প কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হলে তাতে মাছ দিতে হবে। তারপর অল্প নাড়াচড়া করে পানি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ঝোল মাখা মাখা হলে নামানোর আগে কাঁচামরিচ দিয়ে নামাতে হবে।

৬. চিংড়ি নারিকেলে সজিনা মালাইকারি : সজিনা ২৫০ গ্রাম, চিংড়ি-১৫/২০টি (মাঝারি আকৃতির), নারিকেল বাটা-আধা কাপ, চিনি-১ চা চামচ, কাঁচামরিচ-২/৩টি, পরিমাণমতো পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, তেজপাতা, তেল, হলুদ গুঁড়া নিতে হবে। প্রথমে চিংড়ির মাথা ও ভেতরের কালো রগ ফেলে ধুয়ে সজিনার আঁশ ফেলে টুকরো করে রাখতে হবে। নারিকেল বেটে নিতে হবে। তেল গরম হলে তেজপাতা, পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, আস্ত চিংড়ি দিয়ে নেড়ে চেড়ে সজিনা ভেজে নিতে হবে। পানি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এরপর বাটা নারিকেল, সামান্য চিনি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ২০ মিনিট রান্নার পর নামানোর পূর্বে কাঁচামরিচ দিয়ে নামাতে হবে।

৭. আম সজিনার ঝোল : সজিনা ভাটা-২৫০ গ্রাম, কাঁচা আম-৬-৭ টুকরা, পেঁয়াজ বাটা, পাঁচ ফোড়ন, রসুন বাটা, কাঁচামরিচ, সরিষার তেল, হলুদ গুঁড়া ও লবণ পরিমাণমতো। প্রথম সজিনা ডাঁটার আঁশ ফেলে টুকরা করতে হবে। কাঁচা আমের ওপরের সবুজ ত্বক ফেলে লম্বা করে কাটতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। তেল গরম হলে পেঁয়াজ বাটা, পাঁচ ফোড়ন বাটা, হলুদ ও রসুন বাটা দিয়ে কষাতে হবে। এরপর সজিনা ডাঁটা ও লবণ দিয়ে ২ কাপ পানি দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে দিতে হবে। সজিনা সেদ্ধ হলে আমের টুকরা ও মরিচ বাটা দিয়ে জ্বাল দিতে হয়। তেল ওপরে ভেসে উঠলে নামিয়ে ফেলতে হবে।

৮. দই সজিনা : সজিনা-৫০০ গ্রাম, টকদই-২০০ গ্রাম, রসুন, আদা, কাঁচামরিচ বাটা, হলুদ গুঁড়া ও তেজপাতা পরিমাণমতো নিতে হবে। সজিনা ডাঁটার আঁশ ফেলে ১.৫ ইঞ্চি করে টুকরা করে নিতে হবে। তেলে তেজপাতা ভেজে পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা, হলুদ গুঁড়া ও লবণ দিয়ে কষিয়ে সজিনা ঢেলে দিতে হবে। ভালোভাবে নেড়ে টকদই দিয়ে অল্প পানি সহযোগে ২০ মিনিট পর নামাতে হবে।

৯. সজিনা পাতার সবুজ ভাত : চাল-৪০০ গাম, মুগডাল-২০০ গ্রাম, সজনে পাতা-২০০ গ্রাম, সেদ্ধ ডিম-৩টি, টমেটো, শসা, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, তেজপাতা, গরম মসলা, লবণ, সয়াবিন তেল, লেবু পরিমাণমতো নিতে হবে। প্রথমে চাল ও ডাল ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সজনে পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে কেটে কুচি কুচি করতে হবে। পেঁয়াজ ও ধনেপাতা কুঁচি করতে হবে। সেদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়িয়ে টমেটো ও শসার সাথে স্লাইস করতে হবে। আদা, রসুন ও কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। চুলায় কড়াই চাপিয়ে তেল গরম হলে পেঁয়াজ ভাজতে হবে। এরপর চাল ও ডাল ২ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। তারপর আদা, রসুন, কাঁচামরিচ বাটা ও তেজপাতা দিয়ে ভালোভাবে মিশাতে হবে। তারপর সজিনা পাতা যোগ করতে হবে। পরিমাণমতো পানি দিয়ে ২০ মিনিট জ্বাল দিলে সব সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে যাবে। কুচানো ধনেপাতা ও গরম মসলা দিয়ে নেড়ে দিতে হবে। ডিম, টমেটো, শসা ও লেবু দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

১০. সজিনা পাতার সবুজ রুটি : গমের আটা-৫০ গ্রাম, বেসন-২০ গ্রাম, সজিনা পাতা-২৫ গ্রাম, পেঁয়াজ-২৫ গ্রাম এর সাথে আদা জিরা, কাঁচামরিচ, তেল, লবণ পরিমাণমতো নিতে হবে। প্রথমে সজিনা পাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে বেটে নিতে হবে। আদা, পেঁয়াজ কুচি করে কেটে নিতে হবে। জিরা ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে। এবার আটার সাথে বেসন ভালো করে মেশাতে হবে। একে একে মিশ্রণের সাথে সজিনা পাতা, পেঁয়াজ, মরিচ, আদা ও অন্যান্য মসলা মিশাতে হবে। এরপর পানি দিয়ে রুটি তৈরির খামির বানাতে হবে। কিছুক্ষণ খামির রেখে দিয়ে রুটির গোলা তৈরি করে রুটি বেলে নিতে হবে। চুলায় তাওয়া গরম করে সাধারণ রুটির মতো সবুজ রুটি ভেজে নিতে হবে।

১১. পেলকা : সজিনা পাতার তৈরি দিনাজপুরের গ্রামীণ সমাজের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উপাদেয় খাবারের নাম হচ্ছে পেলকা। পরিমাণমতো সজিনা পাতা, খাবার সোডা এক চিমটি, রসুন ১টি কাঁচামরিচ ও লবণ স্বাদমতো নিতে হবে। ডেকচিতে ২-৩ লিটার পানি চাপিয়ে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। সজিনা পাতা পরিষ্কারভাবে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে। চুলায় পানি ফুটলে পাতাগুলো ফুটন্ত পানিতে ঢেলে দিতে হবে। এরপর আদা, রসুন কাঁচামরিচ ও সামান্য পরিমাণ খাবার সোডা দিয়ে নেড়ে নিতে হবে। পাতিলের তলায় যেন না লাগে সেজন্য চামচ দিয়ে নাড়তে হবে। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

 লেখক : কৃষিবিদ মো. মোশাররফ হোসেন।

 


আরও খবর

পাহাড়ের টক-মিষ্টি ফল লটকন

বৃহস্পতিবার ০৭ জুলাই ২০২২

আম খেলে কি ভালো ঘুম হয়

রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২




রূপগঞ্জের চনপাড়া বস্তিতে হাত বাড়ালেই মাদক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

 নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চনপাড়া বস্তিতে ২০০ মাদকের ডিলার রয়েছে। প্রতি সন্ধ্যায় এই বস্তিতে বসে মাদকের হাট। পুলিশ ও প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বস্তিতে প্রতি মাসে প্রায় আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার মাদক বিক্রি হয়। আর মাসে ১০ লাখ টাকা বখরা হিসেবে পায় পুলিশ। উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন এলাকায় এই চনপাড়া বস্তি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকার সীমানায় এই বস্তির অবস্থান। বস্তিতে প্রায় ৮০ হাজার মানুষের বাস। এখানে মাদক বেচাকেনা চলে প্রকাশ্যে। রূপগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ ও রাজধানীর ডেমরা, সারুলিয়া, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ বস্তিতে আসে মাদক সেবন করতে। মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন এখানকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে বরাবরই ব্যর্থ হয়েছে। মাদকের হাটখ্যাত চনপাড়া বস্তি থেকে থানা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, প্রভাবশালীরা নিয়মিত বখরা পায়। মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে গত তিন মাসে কমপক্ষে শতাধিক বাড়িতে লুটপাট হয়েছে হত্যা ধর্ষণ আর লুট-- চনপাড়া বস্তির নিয়মিত ঘটনা চনপাড়ার বেশিরভাগ মানুষের অভিযোগ ইউপি সদস্য প্যানেল মেয়র বজলুর রহমানের দিকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা করে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন বজলুর রহমান

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে চনপাড়ায় কোলাহল শুরু হয়। এ রমরমা আসর চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এখানে ফেরি করে বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করা হয়।

এলাকাবাসী জানায়, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর মোহনায় চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র। বায়ান্ন বাজার তেপ্পান্ন গলিখ্যাত চনপাড়ায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ রয়েছে অনেক। একদিকে পুলিশ প্রবেশ করলে মাদকসেবীরা অন্য পথ দিয়ে বের হয়ে যায়। এখানে দিনমজুর, ঠেলাগাড়িচালক, রিকশাচালক, ফেরিওয়ালা, গার্মেন্ট শ্রমিকের পাশাপাশি পেশাদার খুনি, ছিনতাইকারী, অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বাস করে।

পুলিশ, এলাকাবাসী, মাদকসেবী ও কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর তথ্যমতে ২০০ ব্যক্তি মাদক ব্যবসা করে।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, থানায় অভিযোগ দিলে তাদের উপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়ে তাই তারা থানায় কোন অভিযোগ দেন না


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




নারায়ণগঞ্জে বঙ্গসাথী ক্লাবের ৩২ বছর পূর্তি

শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি অনুর্ধ ১৬ মাস্টার্স ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জে বঙ্গসাথী ক্লাবের ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি অনুর্ধ ১৬ মাস্টার্স ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে শহরে দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় ডিএসএস ক্লাব মাঠে টুর্নামেন্টের খেলা উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক) এমপি।


এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গসাথি ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, বিশেষ অতিথি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হাই, জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদির, বঙ্গসাথী ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মহানগর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জল।

এ টুর্নামেন্টে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহি ফুটবল ক্লাবগুলো অংশ নিচ্ছে। আজ উদ্বোধনী খেলায় সিরাজদৌলা ফুটবল একাডেমীকে ১/০ গোলে পরাজিত করে  বন্ধন ফুটবল কোচিং জয় লাভ করে।


আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২




ডেঙ্গু নিয়ে চিন্তিত ডাক্তাররা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার কথা তার চেয়ে অনেক সময় পরে দেশে দেখা দিচ্ছে এই রোগ। বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরে যে লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তা সচরাচর লক্ষণের মত নয় অর্থাৎ এর উপসর্গে পরিবর্তন এসে গেছে। আর এই বিষয়গুলোই ভাবিয়ে তুলেছে চিকিৎসকদের। ডেঙ্গুর যথাযথ চিকিৎসা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন তারা।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত তিন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ডায়রিয়া ও কাশির মত উপসর্গও দেখা গেছে। ফলে রোগী ডেঙ্গু জ্বরে নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তা বুঝে উঠতে দুই ধরনের পরীক্ষাই করাতে হচ্ছে। এতে রোগীদের ব্যয় বাড়ছে, যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে সময় নিতে হচ্ছে এবং রোগী কষ্ট পাচ্ছেন।

চিকিৎসকরা আরও জানান, আগের বছরগুলোতে সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বর- এই চার মাস ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার প্রকোপ বেশি থাকত। অক্টোবর মাসে রোগী কমতে শুরু করত। কিন্তু এ বছর এ চিত্র পাল্টে গেছে। এ বছর অক্টোবরে নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে সেপ্টেম্বরের তুলনায় তিনগুণ।

এ বছর অসময়ে বৃষ্টি এই রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। তবে বৃষ্টির পাশাপাশি শুকনো মৌসুমের শুরুতে বাড়তি আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা অনুকূলে থাকা এবং প্রাণীদেহের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর উপযুক্ত ক্ষেত্র থাকার কারণে এই অসময়েও সংক্রমণ বেড়ে গেছে বলে তাদের ধারণা।



আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২




তত্ত্ববধায়কের ভূত ভুলে ঠিকই নির্বাচনে যাবে বিএনপি : সবুর

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো ঃ

কু‌মিল্লার আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামীলীগ ত্রি বা‌র্ষিক স‌ম্মেলন।   

বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা কাজী আবুল বাসার‌কে সভাপ‌তি ও তা‌রিকুল ইসলাম জু‌য়েল‌কে সাথারণ সম্পাদক ক‌রে ৭১সদস‌্য বি‌শিষ্ট ক‌মি‌টি ঘোষণা ।

 আওয়ামীলী‌গের বিজ্ঞান ও প্রযু‌ক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর ব‌লে‌ছেন, খু‌নের রাজনী‌তি জিয়া রহমান শুরু ক‌রে‌ছে ।তা‌দের কা‌ছে বাংলা‌দেশ নিরাপদ নয়।খা‌লেদা‌জিয়ারা বাংলা‌দেশ‌কে পা‌কিস্তান বানা‌তে চায়। বঙ্গবন্ধুর আদ‌র্শের নেতাকর্মীরা বে‌চে থাক‌তে তা হ‌বে না।

রোববার কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। কু‌মিল্লা নগ‌রের টাউনহল  মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 ইঞ্জি‌নিয়ার মোঃ আবদুস সবুর  বলেন, ‌বিএন‌পি ২১হাজার নেতাকর্মী‌দের হত‌্যা ক‌রে‌ছে। বার বার দূর্নী‌তি‌তে চ‌্যা‌ম্পিয়ান হ‌য়ে‌ছে। ও‌দের কা‌ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানায় না। বাংলা‌দে‌শে আর তত্ত্বাবধ‌ায়ক সরকার আর আস‌বে না।

এর আগে সকালে কু‌মিল্লা আদর্শ সদর উপ‌জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আবুল বাসার এর সভাপতিত্বে  কু‌মিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ,ক,ম বাহা উ‌দ্দিন বাহার সন্মেলন উদ্ধোধন করেন।বি‌শেষ অ‌তি‌থির বক্তব‌্য রা‌খেন কু‌মিল্লা সি‌টিক‌র্পো‌রেশ‌নের মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলী‌গের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত,‌জেলা আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি ও জেলা প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান ম‌ফিজুল ইসলাম বাবলূ , বীরমু‌ক্তি‌যোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী,মহানগর আওয়ামীলী‌গের সহ-সভাপ‌তি জ‌হিরুল ইসলাম সে‌লিম,সদর উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান এড আ‌মিনুল ইসলাম টুটুল, সাধারণ সম্পাদক তা‌রিকুর ইসলাম জু‌য়েল,যুগ্ন সম্পাদক আহ‌মেদ নিয়াজ পা‌ভেলসহ আওয়ামীলী‌গের নেতৃবৃন্দরা।

এদিকে সম্মেলনে ৬‌টি ইউ‌নিয়‌ন আওয়ামীলী‌গের নেতাকর্মীরা ঢল নামে নগ‌রের টাউনহল  অংশ নেন। টাউনহল মাঠের। প‌্যা‌ন্ডে‌লে দলের কর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারসহ মিছিল নিয়ে, উৎসব উ‌দ্দিপনায় ঢাকঢোল বাজিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন।

সম্মেলন স্থল নেতাকর্মী শ্লোগা‌নে মুখ‌রিত হ‌য়ে  উৎসবের আমেজ বিরাজ ক‌রে।


আরও খবর