Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ছিনতাই, গ্রেফতার ৬

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারপিট করে টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মোরেলগঞ্জ সদর বাজারের মুরগীপট্টিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার শিকার নিউ প্রভাত জুয়েলার্সের মালিক দিপক কর্মকারকে মোরেলগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৬ যুবককে রাতেই গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় আজ বুধবার বেলা ১০টায় চাঁদাবাজি, মারপিট ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। 

দিপক কর্মকার বলেন, 'প্রতিদিনের ন্যায় দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে স্থানীয় ৮-১০জন যুবক তাকে ধরে নিয়ে মারপিট করে সাথে থা স্বর্ণালংকার, টাকা ও দোকানের প্রায় ৩০ লাখ টাকা মূল্যের অলংকারের ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে অলংকারের ব্যাগটি দিপক ফেরৎ পেলেও নগদ ২০ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের চেইন ও মানিব্যগ ফেরৎ পাইনি'।

এ বিষয়ে থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান বলেন, স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারপিট ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। এজাহার নামীয় ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে সমবায় দিবস উদ্যাপনে চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে জাতীয় সমবায় দিবসে সরকারী বরাদ্দের টাকা পকেটস্থ করে সমবায় সমিতির নিকট থেকে চাঁদা আদায় করে আজ শনিবার জাতীয় সমবায় দিবস পালনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর সমবায় দিবস পালনে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ অকপটে স্বীকার করলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদক জানান,উপজেলায় নিবন্ধিত সমিতি রয়েছেতিন ধরনের। যে সমিতির মুলধন বেশী সে সকল সমিতি থেকে ২ হাজার টাকা এবং যে সমিতির মুলধন কম তাদের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেছে অফিস সহকারী পরিদর্শক মোঃ মাহাবুব আলম। মির্জাগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিসের অধীনে ১৭২টি সমবায় সমিতি রয়েছে। সমবায় দিবসে উপস্থিত অতিথিদেরকে সামান্য কিছু নাস্তা দিয়ে বাকী টাকা আত্মসাৎ করেছেন সমবায় অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম  ।  

উপজেলা সমবায় অফিসের অফিস সহকারী পরিদর্শক মোঃ মাহাবুব আলম বলেন, সমবায় দিবসের চিঠি বিতরণের সময় স্যারের কথায় সমবায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদকের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করেছি। 

উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম চাঁদা আদায়ের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, সমবায় দিবস পালনের জন্য মির্জাগঞ্জে উপজেলা সমবায় অফিসকে ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। দিবসটি উদযাপনে ব্যয়ের চেয়ে সরকারী বরাদ্দ কম থাকায় তিনি সবার সাথে কথা বলে চাঁদা (সাহায্যে) আদায় করেছেন। সরকারি যে বরাদ্ধ পাওয়া গেছে তা দিয়ে দিবসের অনুষ্ঠান করা যায় না। বড় অনুষ্ঠান হওয়ায় সমিতির সভাপতি-সম্পাদক আমাদের সাহায্য করেছেন। সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককের কাছ থেকে মাহাবুব আলম টাকা আদায় করেছেন, তিনি সব কিছু বলতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস মুঠো ফোনে বলেন, চাঁদা আদায় করে সরকারী দিবস পালনের কোন নিয়ম নেই। শুনেছি দিবসটি পালনে বরাদ্দ কম এসেছে। টাকা উত্তোলনের বিষয়টি আমার জানা নেই। 


আরও খবর



মির্জাগঞ্জে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে ব্র্যাকের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

বেসরকারী সংস্থা ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি (সেল্প) মির্জাগঞ্জ শাখার উদ্যোগে নারীর ক্ষমতায়ন এবং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আইনি অধিকার নিশ্চিত করন ও বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারন বিষয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভার সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস।

এ্যাসোসিয়েট অফিসার প্রকাশ কুমার মজুমদার এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন দেউলী সুবিদখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খাঁন, মির্জাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোঃ আবুল বাসার নাসির হাওলাদার,বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ মল্লিক,মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার, এনজিও  প্রতিনিধি মোঃ কাওসার হোসেন, সেল্প এর উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ ইদ্রিস আলী বিশ্বাস ও সাংবাদিক কামরুজ্জামান বাঁধন প্রমূখ।


আরও খবর



রাঙ্গামাটির ঘাগড়া বৈজয়ন্ত বন বিহারে ২২তম দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

উচিংছা রাখাইন কায়েস রাঙ্গামাটি :

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে নানা আনুষ্ঠানিকতায় রাঙ্গামাটির ঘাগড়া বৈজয়ন্ত বন বিহারে ২২তম দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান ভিক্ষু সংঘকে চীবর উৎসর্গের মধ্যে দিয়ে  শেষ হয়েছে।

অনুষ্ঠান মঞ্চে উপবিষ্ট পূজনীয় ভিক্ষুসংঘকে ফুলের তোরা দিয়ে বরণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালার মধ্যে পঞ্চশীল গ্রহণ, অষ্টশীল গ্রহণ, বুদ্ধপুজা, বুদ্ধমূর্তি দান, অষ্টপরিষ্কার দান, সংঘদান, হাজার প্রদীপ দান, কঠিন চীবর দান, কল্পতরু দান ও নানাবিধ দান উৎসর্গ করা হয়।

ভিক্ষু সংঘকে চীবর উৎসর্গ করেন প্রধান পুণ্যার্থী রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী ও ২ দিন ব্যাপী তৈরীকৃত চীবর উৎসর্গ করেন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ মনি চাকমা,  বিহার পরিচালনা কমিটির সদস্য বিপুল চাকমা।

পুণ্যার্থীদের উদ্দ্যেশে ধর্মীয় দেশনা প্রদান করেন রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ও শিষ্য সংঘের প্রধান প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির। কাটাছড়ি বন বিহারের বিহার অধ্যক্ষ চন্দ্রগুপ্ত মহাথের, বৈজয়ন্ত বন বিহারের অধ্যক্ষ শীমৎ শীলদর্শী স্থবির, জুরাছড়ি বেনুবন অরণ্য কুঠিরের অধ্যক্ষ পন্থক মহাস্থবির প্রমূখ।

সোমবার ৩১ অক্টোবর বিহার পরিচালনা কমিটি ও দায়ক-দায়িকাদের  আয়োজনে সকাল থেকে শুরু হয়ে চলে দিনব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব। এতে দানোৎসবকে ঘিরে দূর-দূরান্ত থেকে পুণ্য সঞ্চয় করার জন্য শতশত পুণ্যার্থীরা বিহারে সমবেত হয়। 

এসময় ভিক্ষুরা বলেন, দানর রাজা কঠিন চীবর দান, জ্ঞান, বুদ্ধি, কৌশল, সত্য না থাকলে মানুষের উন্নতি হয়না। সেজন্যে পরমপূজ্য বনভান্তে জীবিত থাকাকালীন বলেছিলেন জ্ঞান, বুদ্ধি থাকতে হবে এবং পন্ডিত, জ্ঞানী, শীলবান হও। যতবেশি পুণ্য কাজ করবেন তত বেশি নির্বানের পথ সুগম হবে। তা পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। 


আরও খবর



কিশোরদের হাতে লেগুনার স্টিয়ারিং

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মো. রাসেল হোসাইন : রাজধানীতে বেপরোয়া একটি পরিবহনের নাম ‘লেগুনা’ যা সরকারি খাতায় ‘হিউম্যান হলার’ নামে পরিচিত। রাজধানীতে গণপরিবহনের ২৫১টি রুটের ১৫৯টিতেই লেগুনা চলছে। এসব লেগুনা ‘যেমন খুশি তেমন’ চলছে। ভাড়া থেকে শুরু করে স্ট্যান্ড নির্ধারণ সবকিছুই লেগুনা মালিকরা নিজেদের ইচ্ছামতো করেন। রাজধানীতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লেগুনা চালাচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্ক ১০-১৫ বছরের কিশোররা। যাদের এখন স্কুলে যাওয়ার কথা অথচ তাদের দিয়ে কিছু অসাধু লেগুনা ব্যবসায়ী লেগুনার স্টিয়ারিং হাতে তুলে দিচ্ছেন।

লেগুনা মালিকদের মতে তারা এই ছোট শিশুদের দিয়ে কম টাকা লেগুনা পরিবহনটি চালিয়ে নিতে পারছেন। ফলে তাদের ব্যবসা ভালোই হচ্ছে। লেগুনা চালিয়ে উপার্জনের টাকা দিয়ে অধিকাংশ কিশোররা মাদক ও নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এদের মধ্যে শিক্ষার ছোঁয়া না থাকায় এদের দ্বারা রাস্তাঘাটে স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্রীরা ইভটিজিংয়ের শিকার হয়। এসব কিশোর ওস্তাদের কাছ থেকে শিখে কোনো প্রকার লাইন্সেস ছাড়াই তারা বসছে চালকের আসনে। অদক্ষ হাতে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন অসংখ্য যাত্রী। তারা এতটাই বেপরোয়াভাবে লেগুনা চালায় একজন অসুস্থ ব্যক্তি বা স্কুল শিশুদের যাতায়াত সুবিধা না থাকায় রাখে না বাধ্য হয়ে এই লেগুনাতে চলাচল করতে হয়।

ওরা লেগুনা স্টিয়ারিং চালু করার পর আকাশে উড়ছে নাকি রাজধানীরে হাজারো মানুষের চলাচল করা ব্যস্ত রাস্তায় আছে তা যেন ওরা ভুলেই যায়। ছোট ছোট শিশু চালকদের কাছে রাজধানীর ব্যস্ত রোডগুলো প্রতিযোগিতার মাঠের মতো। পেছন থেকে একটা লেগুনা আসা দেখা মাত্রই ওরা অস্থির হেয়ে যায়, কোনোভাবেই তাকে সামনে আসতে দেওয়া যাবে না। একইভাবে পেছনে থাকা লেগুনা মরিয়া ওঠে যেকোনো মূল্যেই হোক সামনেরটাকে ওভারটেক করতেই হবে। এতে যাত্রী অথবা পথচারীদের দিকে তাকানোর কেনো কোনো তোয়াক্কা না করেই তাদের এগিয়ে যাওয়া।

অপ্রাপ্তবয়স্ক, অদক্ষ, অবৈধ চালক দিয়ে যখন গণপরিবহন চালানো হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই এরা যানজটের দিকে লক্ষ্য করে না, নিরাপত্তার ইস্যুটাও তাদের চিন্তায় থাকে না। তাদের চোখ কিন্তু রাস্তার দিকে থাকে না, চোখ থাকে যাত্রীর দিকে কখন মাঝ রাস্তায় কে ওঠার জন্য হাত জাগায়। এদের না আছে লাইসেন্স, না আছে কোনো সংকেত সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা। সীমাবদ্ধ হাতের স্টিয়ারিং আর পায়ের ব্রেকে উড়ছে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও লাইসেন্সবিহীন এ চালকরা রাজাধানীর হাইওয়ে রোডগুলোতে যাত্রী পরিবহন করে চলছে প্রসাশনের নাকের ডগায়। প্রশাসন যেন ওদের চোখেই দেখছে না। তথ্য মতে, প্রশাসনকে সাপ্তাহিক ও মাসিক কিস্তি দিয়ে প্রতিটি লেগুনা প্রভাবশালী ও ক্ষমতাশীন ব্যক্তি লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন লেগুনা বিভিন্ন রোডে দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে।

হাইওয়ে ছাড়া রাজধানীর জিগাতলা-ফার্মগেট রুটে প্রায় সব লেগুনাই চলে। এ রুট ছাড়াও ফার্মগেট থেকে ৬০ ফিট, আজিমপুর ট্যানারি মোড় থেকে নিউমার্কেট, নিউমার্কেট থেকে ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হল, মোহাম্মদপুর থেকে শ্যামলী, গুলিস্তান থেকে আজিমপুর ঠ্যানারি মোড়, মিরপুর এক নাম্বার থেকে মিরপুর ১২ নাম্বার ঢাকার ভেতরে এমন অনেক রুটেই লেগুনা চলে। এসব লেগুনার অল্প কিছু ডিজেলচালিত। বাকি সব চলে সিএনজিতে। বিএআরটি থেকে এদের নির্দিষ্ট কোনো ভাড়া ঠিক করা না থাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করে। লেগুনা গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের হাল ধরার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই শিশু হেল্পাররাও। সব জেনেও বাধ্য হয়েই লেগুনায় উঠছেন সাধারণ যাত্রীরা। লেগুনার লাইসেন্স ও ফিটনেস ঠিক রেখে এবং প্রাপ্তবয়স্ক দক্ষ চালক দিয়ে চালানোর অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ও সরকারের নিকট বিনীত আবেদন, লেগুনা পরিবহনের শৃঙ্খলা ফেরাতে ইতিবাচক উদ্যোগ এবং বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে দৃষ্টি দিন।

লেখক : শিক্ষার্থী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

[email protected]


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




মধ্যে রাতে ৩ হাজার জেলে গেছে সাগরে

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাগরে মা ইলিশ ধরা বন্ধের ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর নিশেধাজ্ঞার ২২ দিন পার করে শুক্রবার মধ্য রাত থেকেই সাগরে গেছে   বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৩ হাজার জেলে। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ’র ৪ হাজার ৩৩৪ জন জেলে পরিবার জনপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ আনুষ্ঠানিক শুরু হয়েছে। 

বলইবুনিয়া ৩১৫, বহরবুনিয়া ২২৫ ও বনগ্রাম ইউনিয়নে ১৬৫ জন জেলে পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মেরিন ফিসারিজ অফিসার আব্দুল্লাহ আল মেদাচ্ছের, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান আলী খান, চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস, ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর শেখ, এসকেন খান, উপজেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মো. এসএম আলী খান, প্রমুখ।    

এদিকে সাগরে নির্ভরশীল জেলেরা সকাল থেকে উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের শ্রেনীখালী, দোনা, বলইবুনিয়া, পঞ্চকরণের পঞ্চকরণ, বারইখালীর কাস্মির, তুলাতলা, খাউলিয়ার কুমারখালী, আমতলী, মধ্য বরিশাল, পশুরবুনিয়া, চিংড়াখালীর পূর্ব-চন্ডিপুর পশুরিপাড়া, চন্ডিপুর, বারইখালীর উত্তর বারইখালী, কাষ্মির, হোগলাবুনিয়ার বদনী ভাঙ্গা, পাঠামারা, সদর ইউনিয়নের গাবতলা, কাঠালতলা ও পুটিখালী ইউনিয়নের সোনাখালী গ্রামের প্রায় এক হাজার ট্রলার-নৌকা শত শত শ্রমীক নিয়ে সাগরে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।  

প্রতিটি ট্রলার ও নৌকায় ৫ মাসের খাবার চাল, ডাল, তৈল, লবণ, রান্না করার শুকনা কাঠসহ বিভিন্ন সামগ্রী নৌকায় তুলতে দেখা গেছে জেলেদের। মধ্য রাতের অপেক্ষায় রয়েছে সকলে। দীর্ঘ ২২দিন অবকাশ কালিন সময় পার করে কর্মময় জীবনে ফিরছেন এসব জেলেরা। চোঁখে মুখে আনন্দের ছাপ। 

 কথা হয় সোনাখালী গ্রামের জুয়েল হাওলাদার, মো. নাইম খান, সবুর হাওদার, সিদ্দিকুর রহমান গাজী, আব্দুল হাই খান, উত্তর ফুলহাতা গ্রামের এশারাত তালুকদার, পঞ্চকনের হায়াত বাদশা, দেলোয়ার মাল, শাহিন হাওলাদারসহ একাধিক জেলেরা বলেন, মাছ ধরার মৌসুম শুরু, সাগরে যাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। ৫ মাস পার করতে হবে গভীর সাগরে। জালে মাছ বেশী ধরা পড়লে দাদন কেটে বছর পার হবে। মাছ কম হলে দেনা হতে হবে আরও বেশী। মহাজনদের কাছ থেকে দাদন নিয়ে অগ্রীম টাকা দিয়ে বেতনে  শ্রমীকদের নিতে হচ্ছে। প্রতিটি ট্রলার ও নৌকায় ১০/১২ জন শ্রমীক রয়েছে। তাদের সাথে এদের মাসিক বেতন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।   

জেলেদের দাবি সরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিনা সুদে ব্যাংকের মাধ্যমে লোন দেওয়া হলে দাদন ব্যবসায়ীদের হাত থেকে রক্ষা পাবেন তারা। বছরের পর বছর আর দেনা গ্রস্ত হতে হবে না।

এ সর্ম্পকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, এ উপজেলার সাগর নির্ভরশীল প্রায় ৩ হাজার জেলে নিশেধাজ্ঞার ২২ দিন পর আজ মধ্যে রাত থেকে সাগরে যাত্রা শুরু করছেন। ইতোমধ্যে সরকারিভাবে তাদের বরাদ্দকৃত বিশেষ ভিজিএফ’র ২৫ কেজি করে চাল জেলেদের মাঝে বিতরণ শুরু করা হয়েছে। 


আরও খবর