Logo
শিরোনাম

মোড়েলগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক সিলগালা

প্রকাশিত:Saturday ২৯ October ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

 এম. পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ 

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় একটি বেসরকারি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম গ্রীন লাইফ হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে দেন। উপজেলা হাসপাতালের অদূরে সদ্য চালু হওয়া এ সাইনবোর্ডবিহীন ক্লিনিকটির কোন রেজিষ্ট্রেশন বা অনুমোদন নেই।

জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৫ টার দিকে আশরাফ আলী শেখ(৮০) নামে ভর্তি থাকা এক রোগীর ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে এমন অভিযোগে নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেন। উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান ও ডা. রেজওয়ানা মেহজাবীন বর্না এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে ক্লিনিকের পরিচালক কচুয়া উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহাগ, কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স সকলে ক্লিনিক ফেলে পালিয়ে যান। ভুল চিকিৎসায় মৃত আশরাফ আলী শেখের ছেলে ইমরাজ শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে দেয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাবাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক কর্মকর্তা বর্তমানে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মকর্তা ডা. কামাল হেসেন মুফ্তি’র তত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য ওই ক্লিনিকে ভর্তি করেন। শুক্রবার দুপুরের দিকে ওই ক্লিনিকের সেবিকা তার বাবাকে ইনজেকশন দিলে সে অসুস্থ হয়ে মারা যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরেও ক্লিনিকের কোন কর্মকর্তা প্রকাশ্যে না আসায় সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই ক্লিনিকে ভর্তি থাকা দু'জন রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মোবাইল টিমে অংশ নেয়া উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদ নাজমুল হাসান জানান, এ ক্লিনিকটি সম্পূর্ণ অনুমোদনবিহীন, এছাড়া একটি ক্লিনিক পরিচালনার জন্য যে সব শর্ত পূরণ করতে হয় তার কোন কিছুই এখানে নেই।

এ বিষয়ে ক্লিনিক মালিক মো. রিয়াদুল ইসলাম সোহাগের ০১৯১১-৬৪৮০৭০ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 


আরও খবর



ধামরাই সোমভাগ ইউনিয়নে গরীব মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাজমুল হাসান, ধামরাই :


ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের ০৭নং ওয়ার্ডের গোয়ালদি গ্রামের কীর্তি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফ, তার নিজ বাসভবনে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে প্রায় দুই হাজার কম্বল বিতরণ করেন। 

এসময় তিনি বলেন আমার সোমভাগ ইউনিয়ন বাসী যেন শীতে কষ্ট না করে তার জন্য আমার নিজের ব্যক্তিগত ভাবে প্রায় দুই হাজার লোকের জন্য কম্বল এর ব্যবস্থা করেছি। আমার আশা আছে আগামীতে আরও বেশি মানুষের মাঝে যেন এই শীতবস্ত্র দিতে পারি, এসময় তিনি আরও বলেন আগামীতে সংসদ নির্বাচন সোমভাগ ইউনিয়ন বাসীর কাছে আমার একটি চাওয়া তাহল আগামী নির্বাচনে আপানারা অবশ্যই বিপুল ভোটের মাধ্যমে নৌকার বিজয় এনে দেবেন, এসময় তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ও সভাপতি ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মালেকের জন্য সকলের কাছে দোয়া চান,ধামরাইয়ে একমাত্র কর্মী বান্ধব নেতা তিনি হলেন মালেক সাহেব আমরা আশা করি তিনি আগামীতে অবশ্যই নৌকা নিয়ে আসবে এবং আগামীতে ধামরাইয়ের এমপি হবে।

এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ঢাকা ২০ ও সভাপতি ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মালেক। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা খায়রুল ইসলাম, সদস্য ঢাকা জেলা পরিষদ ও সাধারণ সম্পাদক ধামরাই পৌরসভা যুবলীগ নেতা সানাউল হক সুজন, সভাপতি ধামরাই পৌর যুবলীগ আমিনুর রহমান, ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা শাহিনুর ইসলাম শাহিন ও সমাজ সেবক মানিক মিয়া সহ উপস্থিত ছিলেন সোমভাগ ইউনিয়ন এর গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ।


আরও খবর



লোকালয়ে বাঘের গর্জন, এলাকাবাসী ও বন বিভাগ রাতভর পাহারা

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট : 

 সুন্দরবনে বাঘের আক্রমনে জেলে আহতের ঘটনার দুই দিন পরে আবারও লোকালয়ে বাঘের গর্জন শোনা গেছে। গত রবিবার রাতে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম আমুরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দারা এই বাঘের গর্জন শুনতে পান। ধারণা করা হচ্ছে সুন্দরবন পূর্ববন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সুধীরের সিলা ও মিস্ত্রির সিলা এলাকায় এই বাঘ ডাকাডাকি করেছে।

এদিকে বাঘের গর্জনের খবর পেয়ে রাতভর বন বিভাগ ও স্থানীয়রা এলাকায় মাইকিং ও সংর্ঘবদ্ধ হয়ে পাহাড়া দিয়েছেন। সোমবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের মোরেলগঞ্জের জিউধরা স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা রাতভর পাহাড়া দিয়েছি। এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে বাঘটি লোকালয়ের পাশাপাশি রয়েছে।

মোহাম্মদ শাহজাহান আরও বলেন, সুন্দরবন ও পশ্চিম আমুরবুনিয়া গ্রামের মাঝের ভোলা নদী অনেক ছোট। নদীটির নাব্যতা হারিয়েছে শুকিয়ে গেছে, যার কারণে যেকোন সময় বাঘ আসতে পারে। এই কারণে এলাকার লোকজন আতঙ্কে রয়েছে। বনবিভাগ খুব সতর্ক অবস্থায় আছে। আশাকরি কোন সমস্যা হবে না। এর আগে গেল শুক্রবার সুন্দরবন থেকে খালের পাড়ে আসা একটি বাঘ হঠাৎ আক্রমন করে অনুকুলকে। তার সাথে থাকা মাহবুবের ডাক চিৎকারে নিকটস্থ আমরবুনিয়া গ্রামের ১৫/২০ জন লোক বনে গিয়ে অনুকুলকে উদ্ধার করে। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত অনুকুল অবিবাহিত তার পরিবারে শুধুমাত্র বৃদ্ধ মাতা কুমুদিনী গাইন (৯০) রয়েছেন।  বর্তমানে অনুকুল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  


আরও খবর



জমে উঠেছে লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে চলছে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে চলছে মাসব্যাপী লোককারুশিল্প মেলা ও লোকজ উৎসব। দেশের ঐহিত্যবাহী লোককারু শিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ সংরক্ষন, প্রদর্শন ও পুনরুজ্জীবিত করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্যই প্রতি বছর এ মেলার আয়োজন। দর্শনার্থীদের কাছে সব আয়োজন ঠিকঠাক থাকলেও অভিযোগ উঠেছে মূল ভিষণ থেকে সরে যাচ্ছে ফাউন্ডেশন, চারুকারু শিল্পীদের দেয়া হয়নি পর্যাপ্ত স্টল, কনস্ট্রাকশন কাজ বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক রূপ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভেতরে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন কারুশিল্প যাদুঘর এবং লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর।  গ্রাম বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এ দুটি যাদুঘরে স্থান পেয়েছে প্রাচীন লোক ও কারুশিল্প।  মাসব্যাপী এ উৎসবেকে কেন্দ্র করে পুরো ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্নিল সাজে।  প্রতিদিনই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করছে লোক জীবন প্রদর্শনী,গ্রাম্য নালিশ,কনে দেখা, বিয়ে,জামাইকেও পিঠা আপ্যায়নের দৃশ্য, গ্রামীন খেলা হা-ডু-ডু ও কানামাছি। 

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কারুশিল্পীদের প্রদর্শনী,  পুতুল নাচ, বায়স্কোপ, নাগর দোলা, মুন্সিগঞ্জ ও মৌলভী বাজারের শীতল পাটি, মাগুরা ও ঝিনাইদহের শোলা শিল্প, রাজশাহীর শখের হাড়ি ও মুখোশ, চট্টগ্রামের তালপাতার হাতপাখা, রংপুরের শতরঞ্জি, সোনারগাঁওয়ের জামদানী নিয়ে অংশ গ্রহন করেছেন চারু কারু শিল্পিরা। 

এদিকে দর্শনার্থীদের বিনোদনকে আরো প্রানবন্ত করতে ফাউন্ডেশনের ভেতরের লেকে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় লোকজ এই উৎসবে থাকছে পালাগান, বাউল ও জারিসারি গানের।করোনা ভাইরাসের কারনে গত কয়েক বছর মেলা বন্ধ থাকায় এবার অন্তত একলাখ দর্শনার্থী লোকজ এ উৎসবে অংশ নেবেন বলে আশাবাদী আয়োজকরা।

মেলায় দর্শনার্থীরা গ্রামীন এসব ঐতিহ্যে দেখে ও ছেলে মেয়েদের পরিচয় করিয়ে দিতে পেরে অনেকটাই আবেগ আপ্লুত। 

এদিকে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিল্পিরা জানালেন প্রতিবছরই এ মেলায় অংশ গ্রহণ করেন তারা। তবে প্লাস্টিক ও বিদেশী পণ্যের দাপটে আজ বিপন্ন হওয়ার পথে এসব গ্রামীন ঐতিহ্য। বংশ পরম্পরায় অংশ গ্রহন কারী এসব শিল্পীরা বললেন সরকারী ভাবে পিষ্ট পোষকতা ছাড়া এ শিল্প ধরে রাখা যাবেনা। তারা বললেন যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেই অবমূল্যায়ন করা হয়েছে এবার। কয়েকটি স্টলেই দুজন করে শিল্পকে দেয়া হয়েছে। 

মেলা পরিদর্শনে আসা কবি শাহেদ কায়েস বলেন, ফাউন্ডেশনের মূল  উদ্দেশ্য থেকে সরে যাচ্ছে। চারু কারুশিল্পীদের প্রমোট করা,আর্থিকভাবে স্বচ্ছল করা ও গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষেই জয়নুল আবেদিন প্রতিষ্ঠা করেছিল এ ফাউন্ডেশন। প্রতিবছর মেলার আয়োজন ছাড়া তেমন কোন কার্যক্রমই চোখে পড়েনা। আবার যাদের জন্য এ মেলার আয়োজন তাদেরকেও অবহেলা করা হচ্ছে। ১শটি স্টলের মধ্যে ৩২ স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে শিল্পীদের। কোন কোন স্টলে দুজন শিল্পীকে বরাদ্ধ দেয়া হচ্ছে। এখানেতো অন্তত ৬৪ জেলার জন্য ৬৪টি স্টল বরাদ্ধ দিয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে অন্তত একজন করে শিল্পীকে জড়োকরা সম্ভব। তা না করে বেশীরভাগ স্টল দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন ব্যাবসায়ীদের। যারা এখানে প্লাস্টিক ও চায়না প্রডাক্ট বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।  কোটি টাকার বাজেটে বিভিন্ন ভবন তৈরী হচ্ছে। যা এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনিষ্ট করা হচ্ছে।

এসব ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের পরিচালক এস এম রেজাউল করিম বলেন,তিনি মাত্র একমাস হয়েছে দায়িত্বে বসেছেন। অভিযোগ গুলো তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেবেন। এ বছর কর্মরত কারুশিল্পীদের প্রদর্শনীর জন্য ৩২টি স্টল সহ ১০০টি স্টল বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত।


আরও খবর



টাইগারদের নতুন কোচ হাথুরুসিংহে

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

ইয়াশফি রহমান :টাইগারদের নতুন বস হলেন তাদেরই সাবেক গুরু চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব পেলেন এই শ্রীলঙ্কান।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সংবাদ মাধ্যমে আজ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারিতে টাইগারদের সঙ্গে যোগ দিবেন সাকিব-তামিমদের পুরাতন গুরু।

ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে সিরিজ শেষে ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে বড়সড় রদবদল আসছে। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে রদবদলের আভাস দিয়েছিলেন। এরপরই নিজের ভবিষ্যতের কথা টের পেয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন রাসেল ডমিঙ্গো।

ডমিঙ্গো বাংলাদেশের প্রধান কোচ থাকা অবস্থাতেই বিসিবি কোচ খুঁজছিল। সেই সময় একাধিক কোচের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়। যে তালিকায় নাম ছিল বাংলাদেশের সাবেক কোচ শ্রীলঙ্কার চন্ডিকা হাথুরুসিংহে, দক্ষিণ আফ্রিকার ল্যান্স ক্লুজনার ও অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি।

তবে টাইগার শিবিরে হাথুরুসিংহেকেই ফিরিয়ে আনতে বেশি আগ্রহী বিসিবি। কারণ, দায়িত্ব সচেতন ও কর্তৃত্বপরায়ন হাথুরুসিংহে ক্রিকেটারদের শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখেন। তাছাড়াও সাকিব, তামিম, মিরাজদের বেশ ভালোভাবেই চেনা-জানা তার। তাই এই লঙ্কানই আবারও হলেন টাইগারদের প্রধান কোচ।

এর আগে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন। নিজ দেশ শ্রীলঙ্কার কোচও ছিলেন। এরপর ২০২০ সালে আবার নিউ সাউথ ওয়েলসে ফিরে যান। সেখানে থেকে আবার টাইগারদের ডেরায় ফিরলেন হাথুরুসিংহে।


আরও খবর



দশমিনায় বিতর্কিত শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Sunday ২৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাঈম হোসাইন,দশমিনা (পটুয়াখালী) :

গত ২৬শে জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় দশমিনা উপজেলা পরিষদের  সামনে মানববন্ধন করে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দশমিনা থানা শাখা। 

দশমিনা থানা শাখার সভাপতি মোঃ বাহাউদ্দীন নোমান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুবকর সিদ্দিক এর সঞ্চালনায় কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন   বাংলাদেশ দশমিনা উপজেলা শাখার  জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ রুহুল আমীন রুহানি। 

তিনি বলেন, আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা মুসলিম এরপর আমরা বাঙালী, আমরা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, আমরা জানি আমাদের সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহ। বর্তমানে শিক্ষা সিলেবাসে কুরআন সুন্নাহ বিরোধী, অযৌক্তিক ডারউইনের বিবর্তনতত্ত্ব যুক্ত করার মাধ্যমে আমাদের ঈমানের উপর আঘাত করা হয়েছে।

ইসলাম ও মুসলমানদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। 

একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশে হিন্দুত্ববাদী সিলেবাস মেনে নেয়া যায় না। 

যাঁরা এই সিলেবাস রচনা করেছে তাঁদের তদন্ত সাপেক্ষ বিচারের দাবী জানাচ্ছি। 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ দশমিনা থানা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ ইমাম হোসাইন।  সহ-সভাপতি বনিউল আমিন, সাংগঠনিক মোঃ ফয়সাল আহমেদ, কওমী মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান, তথ্য গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক  মোঃ আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।


আরও খবর