Logo
শিরোনাম

মোরেলগঞ্জের বারইখালীতে কিশোরীদের মাঝে তথ্য কার্ড বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

এম.পলাশ শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বারইখালী ইউনিয়নে বাল্য বিয়ে ঝুঁকিতে থাকা কিশোরীদের মাঝে তথ্য কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বেসরকারি সংস্থা ব্রাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচি (সেল্প)’র আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল খান মহারাজ, ব্রাকের সুরক্ষা কর্মসূচির সেল্প অফিসার মাহফুজা খাতুন, ইউপি সদস্য মো. নিজাম উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক কল্পনা রানি, ইউনিয়ন পল্লী সমাজের সভাপতি গৌতম বিশ্বাসসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ। অনুষ্ঠান শেষে পল্লী সমাজের ১৮ জন কিশোরীদের মাঝে তথ্য কার্ড বিতরণ করা হয়। 


আরও খবর



নওগাঁয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে

ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ

নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরণ। 

ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরণ এর শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্য ও সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার ৬ নভেম্বর নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইমাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালীতে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্ধোধন করেন জাতীয় সংসদ, নওগাঁ সদর-৫, আসনের এমপি ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিন রেজা, সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান, সাবেক নওগাঁ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুন অল-রশিদ ও সাবেক নওগাঁ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম সামদানী প্রমুখ।

১০টি বুথের মাধ্যমে নওগাঁ সদর উপজেলার ৫শ' ৭৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাট আইডি কার্ড বিতরন করা হয়। এসময় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সকল সদস্য ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যে সম্মান দিয়েছেন, বিগত কোন সরকারই তা দেয়নি। যতদিন আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আছে ততদিন মুক্তিযোদ্ধাদের এই সম্মান প্রদান অব্যাহত থাকবে। তাই আগামীতেও আওয়ামীলীগ সরকারকে ক্ষমতায় আনতে উন্নয়নের প্রতিক নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বাংলাদেশে ১০ বছরে সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ২ হাজারের বেশি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৬২৭টি ধর্ষণ হয়েছে ২০২০ সালে। সে বছর দেশে করোনা মহামারি শুরু হয়। বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

২০১৩ সাল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় দেশে ৯ হাজার ৬৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৩৭৯টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তবে দেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সে তুলনায় মামলা হয়েছে অনেক কম।

২০১৯ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি এবং এরমধ্যে মামলা হয়েছে ৯৯৯টি। ২০২০ সালে ধর্ষণ হয়েছে ১ হাজার ৬২৭টি এবং মামলা হয়েছে ১ হাজার ১৪০টি। ২০২১ সালে ১ হাজার ৩২১টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৯১৬টি। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৭৩৪টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫০৩টি। গত ১০ বছরে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৫৭২ জনকে এবং ধর্ষণের পর আত্মহত্যা করেছেন ১০৩ জন।

আসক সূত্রে জানা গেছে, তারা মূলত ৯টি জাতীয় দৈনিক ও কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এর বাইরেও সংবাদে প্রকাশ হয়নি এমন ধর্ষণের ঘটনাও তাদের তথ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের  অধ্যাপক ড. রাশেদা রওনক খান বলেন, ধর্ষণের সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে একজন পুরুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য পায় তার শক্তি প্রদর্শনের চিন্তা। তাছাড়া বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, নাগরিক অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এসব কিছুর সঙ্গেও ধর্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। যখন দেশে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তখনই তা নিয়ে আলোচনা হয়। এর বাইরে কোনো আলোচনা হয় না। মানুষের নৈতিক শিক্ষারও অভাব রয়েছে। সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ায় অনেকেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে আনতে চান না জানিয়ে রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, ধর্ষণের কোনো ঘটনা প্রকাশ পেলে উল্টো ভুক্তভোগীকেই সমাজ দোষীর চোখে দেখে এবং তাকেই কটুকথা শোনায়। অনেক সময় তার ওপরই দোষ চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং ধর্ষককে নিরপরাধী হিসেবে তুলে ধরা হয়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে দুটি প্রবৃত্তি থাকে। তার মধ্যে একটি হলো পাশবিক প্রবৃত্তি। যারা ধর্ষণ করেন, তারা এই পাশবিক প্রবৃত্তি দ্বারা চালিত হন। এটিকে কোনোভাবেই মানসিক সমস্যা বলার সুযোগ নেই। করোনার সময় ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে এই মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, করোনার সময় মানুষ ঘরের মধ্যে এক ধরনের বন্দিজীবন কাটানোর ফলে সামাজিক কর্মকা- খুব কম হয়েছে। সামাজিক সম্পর্ক মানুষ চালিয়ে যেতে পারছিল না। এতে করে মানুষের মধ্যে এক ধরনের একঘেয়েমি তৈরি হয়। তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা কাজ করে; যা মানুষকে নানা অপরাধের দিকে প্ররোচিত করে। তাছাড়া বিভিন্ন দুর্যোগের সময় এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যায়।



আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




মির্জাগঞ্জে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে ব্র্যাকের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ

বেসরকারী সংস্থা ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি (সেল্প) মির্জাগঞ্জ শাখার উদ্যোগে নারীর ক্ষমতায়ন এবং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আইনি অধিকার নিশ্চিত করন ও বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সমন্বিত কর্মকৌশল নির্ধারন বিষয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভার সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস।

এ্যাসোসিয়েট অফিসার প্রকাশ কুমার মজুমদার এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন দেউলী সুবিদখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খাঁন, মির্জাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মোঃ আবুল বাসার নাসির হাওলাদার,বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ আজিজ মল্লিক,মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার, এনজিও  প্রতিনিধি মোঃ কাওসার হোসেন, সেল্প এর উপজেলা সমন্বয়কারী মোঃ ইদ্রিস আলী বিশ্বাস ও সাংবাদিক কামরুজ্জামান বাঁধন প্রমূখ।


আরও খবর



ঢাকায় বায়ু দূষণ বেড়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :  বায়ু দূষণে বিশ্বের প্রায় শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে ঢাকা। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের বায়ুমান যাচাই বিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘এয়ার ভিজ্যুয়ালের’ বায়ুমান সূচক (একিউআই) ইনডেক্সে ১৩ নভেম্বর সকাল থেকে প্রথম অবস্থানে আছে পাকিস্তানের লাহোর। সকাল ৮টার দিকে ঢাকা ছিল দ্বিতীয় অবস্থানে। বেলা ১০টার দিকে ভারতের রাজধানী দিল্লি সামনে চলে আসায় ঢাকার অবস্থান নেমে আসে তৃতীয় স্থানে। গত কয়েক দিন ঢাকার দূষণ কিছুটা কম ছিল। তবে আজ তা অনেক বেশি।

 ‘এয়ার ভিজ্যুয়ালের’ বায়ুমান সূচক (একিউআই) ইনডেক্সে ঢাকার মান ২৫৩, যা মাত্রার দিক থেকে খুবই অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় আছে। তৃতীয় অবস্থানে যাওয়ার পর ঢাকার মান ছিল ২৩৭। এদিকে প্রথম অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোরের মান ছিল ৩০৪। তৃতীয় অবস্থানে থাকার সময় দিল্লির বায়ু দূষণের মান ছিল ২০২, দুই ঘণ্টা পরে তা হয় ২৫৬।

সাধারণত ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে একিউআই স্কোর ‘স্বাভাবিক অবস্থা’ বলা হয়। তবে কিছু মানুষের জন্য তা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে যারা বায়ু দূষণের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে সংবেদনশীল। এই সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ হলে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে কর হয়।

দিল্লির গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা যায়, একিউআই অনুযায়ী ৫ নভেম্বর দূষণের মাত্রা ছিল ৪০৮ একিউআই। এত বেশি বায়ু দূষণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। গাড়ির ধোঁয়া এবং পাশের অঞ্চলগুলোতে খড় পোড়ানোর জেরে দিল্লির বাতাস আরও বিষাক্ত হয়েছে। ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় বাতাসে দূষণের পরিমাণ ছিল ৩৭৬ একিউআই। ৫ নভেম্বর সকালে তা পৌঁছে যায় ৪০৮ একিউআইয়ে। যাকে দুর্যোগপূর্ণ পরিবেশ বলে থাকেন বায়ু দূষণ বিশেষজ্ঞরা। এ সময় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বের হতে বারণও করা হয়ে থাকে।

ভারতের পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্কুল বন্ধের পাশাপাশি দিল্লিতে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে পুরনো ইঞ্জিনের ডিজেল গাড়ির ব্যবহার। এছাড়া বৈদ্যুতিক ও সিএনজি চালিত ট্রাক ছাড়া অন্য ট্রাকের দিল্লিতে প্রবেশ করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার এই দূষণের মাত্রা আরও বাড়তে পারে। শুষ্ক মৌসুম এলেই বেড়ে যায় এই শহরের দূষণের মাত্রা। সরকারি নানা উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে এই মাত্রার পরিমাণ।

গাজীপুরের পর ঢাকা দ্বিতীয় এবং নারায়ণগঞ্জ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বলে উঠে এসেছে তাদের গবেষণায়। ক্যাপসের পরিচালক ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের গবেষণার তথ্য তুলে ধরেছিলেন।

বিশেষজ্ঞরা জানান, সাধারণত ছয় ধরনের পদার্থ এবং গ্যাসের কারণে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়। এর মধ্যে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা অর্থাৎ পিএম ২.৫-কে ঢাকায় দূষণের জন্য বেশি দায়ী করা হয়।


আরও খবর

ই-টিকেটিংয়ে বন্ধ অতিরিক্ত ভাড়া

শুক্রবার ২৫ নভেম্বর ২০২২




এন্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনবে, খুচরা বিক্রি করা যাবেনা

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল ঃ


এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য খুচরা বিক্রি একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এবিএম খুরশিদ আলম বলেছেন, জ্বর হলেই সাধারণ ওষুধের সাথে দেখা যায় এন্টিবায়োটিক ট্যাবলেট ২ -৩ টা নিয়ে যাচ্ছে। এটা সাধারণ মানুষের মাঝে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্সের জন্য বড় কারন। এজন্য নিয়ম করা প্রয়োজন কেউ এন্টিবায়োটিক কিনলে ফুল ডোজ কিনতে হবে, নাহয় কিনবেনা।

রোববার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আয়োজিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সমস্যা প্রতিরোধ গড় সবাই মিলে শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি মাইক্রোবিয়াল সমস্যাসহ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

 অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম জানান, রোগীদের পকেটের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর সাথে যেই স্ট্যান্ডার্ড মেনে হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে তা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় ইস্যু। আমরা যদি আন্তর্জাতিক মানের সাথে তুলনা করি প্রধানত আমাদের অপারেশন থিয়েটার কিংবা বেড থেকে সংক্রমন হওয়ার ই কথা না, এটি আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। কিন্তু সেটা আমাদের এখানে হচ্ছে। আমাদের লোকজন বেশি আমাদের সুযোগ-সুবিধা কম। প্রতিদিন আমাদের অপারেশন থিয়েটার গুলো থেকে জীবানুর সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আমরা থিয়েটারের নিয়ম-কানুন আমরা মানছিনা। আমাদের ওয়ার্ড বয়, সিস্টার, লোকজন, রোগী এমনকি চিকিৎসকরাও মানছেন না। লোকজন সরাসরি ডুকে যাচ্ছে গাউন পরছেনা, বাহিরের কাপড় নিয়ে ডুকে যায়। এই বিষয়গুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিৎ।  

তিনি বলেন, এছাড়া রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহারিত যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছেনা। অপারেশনের যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্জীবানু মুক্ত না করে বার বার ব্যবহার করা হচ্ছে এতে সংক্রমন হয়ে থাকে। রোগীদের গ্যাস নয়ার পাইপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা একই জিনিস থেকে ব্যবহার করছে অনেকে। এতে এক জনের মুখের জীবানু ছড়াচ্ছে আরেকজনের কাছে। অনেক জীবানু আছে যেটা গরম পান দিয়ে বয়েল করার পরও মারা যায়না। এ জীবানু ও যাতে না থাকে সেটার জন্য ও ব্যবস্থা নিতে হবে। 

ভর্তি রোগীদের মাঝে সংক্রমণ রোধে প্রতিকার তুলে ধরে তিনি বলেন,  যখন কোনো একটি মেডিকেলে কোনো সংক্রমণ হচ্ছে তখন সেখান থেকে স্যাম্পল নিলাম, যেমন, হাসপাতালের বেড থেকে, অপারেশন থিয়েটার থেকে, সেখান কার টয়লেট থেকে এবং প্রয়োজনীয় জায়গা থেকে স্যাম্পল নিয়ে আমাদের বের করা উচিৎ কোন ধরনের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তখন  আমরা বুঝতে পারবো এই হাসপাতালে রোগী আসলে আমরা প্রথমে কোন এন্টিবায়োটিকটা দিবো। এটি সব হাসপাতালের জন্য এক ধরনের হবেনা। এটি হবে এক হাসপাতালের জন্য এক ধরনের পলিসি। 

আমাদের হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,  আমরা ময়লা পেলার জন্য আলাদা আলাদা বিন করে দিয়েছি, যে এখানে নরমাল বর্জ্য এখানে সংক্রামক ধরনের ময়লা ফেলা হবে। কিন্তু দেখা যায় সব হাসপাতালের এই বিন গুলোর ময়লাকে নিয়ে সব একই জায়গায় পেলে দেয়া হয়। এতে সেখান থেকে পরিবেশ, মাটি, পানি এবং শস্য খেতেও জায়গায় জীবানু সংক্রমিত হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা একই বিচানায় ৩ জন ও থাকছে। এই রোগীরা যে টয়লেট ব্যবহার করছে কিংবা যেখানে থাকছে সেখান থেকে জীবানুর সংক্রমিত হচ্ছে কিনা সেটাও একটা বড় বিষয়। এই বিষয়গুলো আমাদের চিন্তা করতে হবে। 

এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে আইন প্রয়োজন, সাথে আইন প্রয়োগকারী ও প্রয়োজন।  এছাড়া দেখা যায় ফার্মাসিস্ট কোম্পানিরা ইনসেনটিভ তো ডাক্তারকে দিচ্ছে সাথে কোয়াকদের ও দেয়া হচ্ছে। আমরা ডাক্তারকে বন্ধ করলেও কোয়াককে তো আইনে আনা যাবেনা। ওজন্য শুধু আইন দিয়েও ব্যবস্থা হবেনা।


আরও খবর

জন্মনিয়ন্ত্রণে আগ্রহ কমছে

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২