Logo
শিরোনাম
নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে শিশু ও দুই নারীসহ চারজনপর মরদেহ উদ্ধার সমবায়ের মাধ্যমে চাষাবাদ করার আহ্বান পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর জয়পুরহাট সরকারি কলেজে কর্তৃপক্ষের শর্ত মেনে ক্যাম্পাসে প্রবেশের নির্দেশনা রাজবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ সাত পৃষ্ঠার চিরকুট লিখে কলেজ ছাত্রীর আত্মহতা লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রণোদনার সার-বীজ নিয়ে কর্মকর্তাদের নয়-ছয় নেত্রকোনায় হাওড়ে নৌকা ডুবে দুই নারীর মৃত্যু নেত্রকোনায় ইমাম হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন নেত্রকোনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পদযাত্রা ও স্মারক লিপি প্রদান

মতিউরের বিরুদ্ধে দূর্নীতি তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে দুদক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।


রোববার (২৩ জুন) দুদকের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


দুদক জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি টিম গঠন করে কাজ শুরু করেছে কমিশন। আগের অভিযোগ পর্যালোচনা করে দেখবে তারা। 



তার সম্পদের বিষয়ে সব কিছুই তদন্ত করে দেখবে কমিশন। মতিউরের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয় গত ৪ জুন। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।


এর আগে আজই এনবিআরের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে মতিউর রহমানকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


তার ছেলের কারণে মতিউর রহমান কিছুদিন ধরে আলোচনায় আছেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ‘সাদিক অ্যাগ্রো’ ফার্ম থেকে অ্যাগ্রো বিটল প্রজাতির খাসি ১৫ লাখ টাকায় কিনে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক।



 সাদিক অ্যাগ্রোতে গিয়ে ক্যামেরার সামনে ওই ছাগলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ইফাত বলেন, এ রকম একটি খাসি কেনা আমার স্বপ্ন ছিল। এ রকম খাসি আমার জীবনে প্রথম দেখা। এটা আমার হবে, জানা ছিল না। আল্লাহ নসিবে রাখছে, তাই হইছে। 


১১ জুন এটি ধানমন্ডি-৮ এ ডেলিভারি দেওয়া হবে বলা হয় এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।


ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে গুঞ্জন ওঠে, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে। রাজস্ব কর্মকর্তা বাবার দুর্নীতির টাকায় তিনি ১৫ লাখ টাকায় খাসিটি কিনেছিলেন। এ ঘটনায় ওই ছেলে ও তার বাবাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে বিস্তর সমালোচনা। বিভিন্ন পোস্ট ও কমেন্টে খাসির ক্রেতা যুবকের বাবার দুর্নীতি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।


এর পর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন; মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি থাকার বিষয়ে একের পর এক খবর প্রকাশিত হতে থাকে।


এদিকে আজই অর্থ মন্ত্রণালয় মতিউর রহমানের বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে বলা হয়, এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমানকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। 



তবে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, প্রজ্ঞাপনে তা উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



আরও খবর



কোটা নিয়ে আন্দোলন আদালতবিরোধী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সরকার বাতিল করেছিল, আদালত বহাল রেখেছেন। কোটা নিয়ে আন্দোলন আদালতবিরোধী।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) প্রেসক্লাবে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারসাম্যর পররাষ্ট্রনীতি ও বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন’ বিষয়ে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আদালতের রায় আদালত হয়েই সমাধান করতে হবে।



এসময় সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রত্যয় নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, পেনশন ব্যবস্থা সবার জন্য করা হয়েছে। আশাকরি শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।


ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ভারতের পণ্য বাংলাদেশের ভুখণ্ড ব্যবহার করছে এতে বাংলাদেশেরও উপকার হচ্ছে। ট্যারিফ পাচ্ছে। ভারতের সহযোগিতায় রেল ও সড়ক পথের উন্নয়ন হচ্ছে।



উল্লেখ্য, সম্প্রতি হাইকোর্ট মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে সরকারের পরিপত্র অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।



 অন্যদিকে পেনশন স্কিম প্রত্যয় চালু করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন। ১ জুলাই থেকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের ১৯৬ তালিকায় রয়েছেন যারা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

সদরুল আইন:

চারদিনের সফরে চীনের বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চীনে সরকারপ্রধানের সফরসঙ্গী হিসাবে রয়েছেন ১৯৬ জন। 

যাদের মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট সোমবার (৮ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকা ত্যাগ করে এবং স্থানীয় সময় বিকেল ৬টায় বেইজিং পৌঁছায়। 

বুধবার (১০ জুলাই) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর। গুরুত্বপূর্ণ ওই দুই বৈঠকে বাংলাদেশ ডেলিগেশনের স্বল্প সংখ্যক সদস্য অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে।  

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন-

১. পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

২. অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী

৩. প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান

৪. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

৫. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ

৬. ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

৭. বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু

৮. প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া

৯. প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ, এসজিপি এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, 

১০. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ

১১. প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মনিরা বেগম

১২. প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ আল মামুন মুর্শেদ

১৩. প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ড. ইসমাত মাহমুদা

১৪. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. তৌহিদা নওয়াজেশ রোজী

১৫. প্রধানমন্ত্রীর উপ-সামরিক সচিব কর্নেল জি এম রাজীব আহমেদ

১৬. পরিচালক-১ মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান

১৭. প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ মোহাম্মদ শামীম মুসফিক

১৮. পরিচালক-৯ মোহাম্মদ নাজমুল হক

১৯. প্রধানমন্ত্রীর এডিসি মেজর উম্মে সালমা দিনা 

২০. স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর রহমান

২১. বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব নাহিয়ান আহমেদ

২২. মেডিকেল অফিসার রুবাইয়াৎ ফেরদৌসী

২৩. প্রোগ্রামার আতাউল করিম

২৪. প্রধানমন্ত্রীর নার্সিং অফিসার মেজর আকলিমা

২৫. অফিস সহকারী প্রটোকল শাখা মানিক চন্দ্র শীল

২৬. প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত স্টাফ আবদুর রহমান শেখ

২৭. মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্স কর্পোরাল মো. শাহ আলম

২৮. প্যান্ট্রিম্যান মো. হজরত আলী 

২৯. মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব)

৩০. তৌফিক হাসান, মহাপরিচালক (পূর্ব এশিয়া ও প্যাসিফিক অনুবিভাগ) 

৩১. নাঈম উদ্দিন আহমেদ, রাষ্ট্রাচার প্রধান

৩২. মো. হাসান আব্দুল্লাহ্ তৌহিদ, রাষ্ট্রাচার উপ-প্রধান (সফর) 

৩৩. মো. জসিম উদ্দিন, এনডিসি, চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত 

৩৪. লোকমান হোসেন মিয়া, নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

৩৫. সত্যজিত কর্মকার, সিনিয়র সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

৩৬. শিবলি রুবাইয়াত উল ইসলাম, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন

৩৭. মো. কামরুল হাসান, এনডিসি সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

৩৮. মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ

৩৯. নাজমুল আহসান, সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

৪০. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব), পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ

৪১. প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর

৪২. আবুল কালাম আজাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৪৩. ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৪৪. মিজ মিরানা মাহরুখ, অতিরিক্ত সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ

৪৫. মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান, বিজিবিএম, বিএএম. এনডিসি, পিএসসি, মহাপরিচালক- এসএসএফ

৪৬. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খালেদ কামাল, বিএসপি, এনডিসি, পিএসসি, কমান্ডার- পিজিআর

৪৭. লেফটেন্যান্ট কর্ণেল দেওয়ান মঞ্জুরুল হক, পিএসসি, পরিচালক- এসএসএফ

৪৮. মেজর মো. তাওহীদুল ইমাম, উপ-পরিচালক, এসএসএফ

৪৯. লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাজিবুল হাসান, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৫০. এএসপি ইমরানুল ইসলাম, পিপিএম সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫১. এএসপি পার্থ চক্রবর্তী, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫২. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সামান্থা সিলভিয়া, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৩. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শাবনূর রহমান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৪. ক্যাপ্টেন রুমায়া ফারিন, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৫৫. ক্যাপ্টেন আলভি আকিফ বিন সিদ্দিক, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৫৬. মো. নাসির উদ্দিন মন্ডল, সহকারী পুলিশ সুপার, এসবি

৫৭. কর্ণেল মো. শহীদুর রহমান, পিবিজিএম, পিবিজিএমএস, পরিচালক, এসএসএফ

৫৮. মেজর মো. নাজীব হাসান, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৫৯. মেজর মো. তাসনিফুজ্জামান উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬০. মেজর মো. ইমরান হোসেন, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬১. মেজর ফাহিম তালহা, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬২. মেজর মো. রাকিবুল আলম, উপ পরিচালক, এসএসএফ

৬৩. ক্যাপ্টেন মো. তকি ইয়াছির, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৪. ক্যাপ্টেন মাহবুব হাসান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৫. ক্যাপ্টেন ফাহিম শাহরিয়ার, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৬. ক্যাপ্টেন মো. তানভীর রহমান, সহকারী পরিচালক, এসএসএফ

৬৭. লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. আরিফুল ইসলাম হিমেল, এসপিপি, পিএসসি, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৬৮. মেজর মো. নাজমুছ ছাকিব, পিজিআর, ঢাকা সেনানিবাস

৬৯. মেজর ইকবালুর রহমান, পিএসসি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

৭০. শামীম, সহকারী পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

৭১. মো. নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার

৭২. মো. নাঈমুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

৭৩. এম. এম. ইমরুল কায়েস, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব

৭৪. মিজ্ গুল শাহানা,  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব

৭৫. এস এম গোর্কি, প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র ফটোগ্রাফার

৭৬. মো আতাউর রহমান. নির্বাহী প্রযোজক বার্তা, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৭৭. আশরাফুল হক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৭৮. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, সিনিয়র করেসপনডেন্ট ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ

৭৯. মো. রুবাইয়াত হাসান খান, সিনিয়র ক্যামেরাম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশন

৮০. মহিউদ্দিন মাহমুদ, সিনিয়র করেসপনডেন্ট, বাংলা নিউজ ২৪.কম

৮১. মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন, অফিসিয়াল ফিল্ম ক্যামেরাম্যান, ডিএফপি

৮২. মো. আলতাফ হোসেন, অফিসিয়াল ফটোগ্রাফার, তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি)

৮৩. সাইফুল ইসলাম কল্লোল, সিনিয়র ফটোসাংবাদিক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

৮৪. ইয়াসিন কবীর জয়, সিনিয়র ফটোগ্রাফার, ফোকাস বাংলা নিউজ

৮৫.  স্বদেশ রায়, এডিটর এ্যান্ড পাবলিসার (সাবেক নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক জনকণ্ঠ)

৮৬.  কাসেম হুমায়ন, ম্যানেজিং এডিটর, দৈনিক সংবাদ

৮৭.  শেখ নাজমুল হক সৈকত, এডিটর ইন চিফ, কিংস নিউজ (সাবেক বার্তা প্রধান, মাই টিভি)

৮৮.  মোজাম্মেল হক, সভাপতি-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও প্রধান সম্পাদক-একাত্তর টেলিভিশন

৮৯.  শ্যামল দত্ত, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ; সাধারণ সম্পাদক-জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সম্পাদক, দৈনিক ভোরের কাগজ

৯০.  এম শামসুর রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও সিইও এবং প্রধান সম্পাদক, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন লিঃ

৯১.  মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য-এডিটর্স গিল্ড বাংলাদেশ ও সম্পাদক, এনার্জি এন্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম

৯২.  রফিকুল ইসলাম রতন, আহবায়ক, বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম ও সম্পাদক, বাংলাদেশ বুলেটিন

৯৩.  মাহফুজ রহমান রিমন, সম্পাদক, সংবাদ প্রতিদিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব, সম্পাদক ফোরাম এবং সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)

৯৪  রাজু আলীম, সভাপতি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) ও সিনিয়র সাংবাদিক, চ্যানেল আই এবং সদস্য, সম্পাদক


৯৫.  মাহবুবুল আলম, সভাপতি, এফবিসিসিআই

৯৬.  এস এম মান্নান (কচি) সভাপতি, বিজিএমইএ

৯৭.  মো. জসিম উদ্দিন

৯৮. মিজ শমী কায়সার, সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ভাইস চেয়ারম্যান, বেঙ্গল গ্রুপ ও আরটিভি সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সিইও, ধানসিঁড়ি কমিউনিকেশন লিমিটেড

৯৯.  মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত সরকার, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি, গাজীপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রোপ্রাইটর, গ্লোব ট্রেড

১০০.  রাশেদুল হোসেন চৌধুরী (রনি), সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সিইও, মায়া কর্পোরেশন

১০১.  যশোদা জীবন দেব নাথ, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেকনোমিডয়া লিমিটেড

১০২.  খান আহমেদ শুভ, এমপি পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, দেশবাসী প্রিন্টিং প্রেস, মেসার্স শুভ এন্টারপ্রাইজ

১০৩.  মো. সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই

১০৪.  মো. হাবিব উল্লাহ ডন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সভাপতি, সিআইএ-বিসিসিআই, সভাপতি, বারতি চেয়ারম্যান, এ এম গ্রুপ

১০৫.  আশরাফ আহমেদ, সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), চিফ এক্সিকিউটিং অফিসার, রিভারস্টোন ক্যাপিটাল লিমিটেড

১০৬.  মোহাম্মদ আলী খোকন, সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস, এসোসিয়েশন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, ম্যাকসনস স্পিনিং মিলস লিমিটো।

১০৭.  ওমর হাজ্জাজ, সভাপতি, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, মেসার্স রিলায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল

১০৮.  কামরান তানভিরুর রহমান, সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা

১০৯.  মো. সাইফুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ঢাকা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড

১১০.  মো. আমিনুল হক শামীম, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট এন্ড স্পা লিমিটেড

১১১.  দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, জেনারেল সেক্রেটারি, বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেড

১১২. মিসেস হাসিনা নেওয়াজ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অর্কিড প্রিন্টার্স লিমিটেড

১১৩. মিজ নাজ ফারহানা আহমেদ, সভাপতি, ঢাকা উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারপার্সন, আলফা ইকুইটিজ লিমিটেড, উইমেন্স এগ্রো ইকনোমিক সোসাইটি, স্টার এভিয়েশন, আলফা এগ্রো, উপদেষ্টা, ইআরবিএ, আলফা এন্ড এসোসিয়েট

১১৪.  মুনতাকিম আশরাফ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সিনিয়র, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ভ্যানটেজ হাই-টেক লিমিটেড

১১৫.  তাবারাকুল তোসাদ্দেক হোসেন খান, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, আহবাব গ্রুপ

১১৬.  মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, সাবেক সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স নিজাম এন্টারপ্রাইজ, হাসিনা ইয়াসিন মার্কেট

১১৭.  মোহাম্মদ বজলুর রহমান, পরিচালক, এফবিসিসিআই

১১৮.  খন্দকার রুহুল আমিন, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স খন্দকার ট্রেডার্স

১১৯.  সুজীব রঞ্জন দাস, পরিচালক, এফবিসিসিআই, পরিচালক, ইউরো-পেট্রো প্রোডাক্ট লিমিটেড, নাভানা যানক্লেভ

১২০. নিহাদ কবির, সাবেক সভাপতি, মেট্রোপলিটান চেম্বার কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-ঢাকা, সিনিয়র পার্টনার, সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এন্ড

এসোসিয়েটস, পরিচালক, কেদারপুর টি কোম্পানি লিমিটেড

১২১. ড. মুনাল মাহবুব, সিনিয়র ভাইস সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডিং, চেয়ারম্যান, মাটিটা রিসোর্ট, আলফা শামস

১২২. হাসিনা রুমি, পরিচালক, ইউরোগ্যাজ এলপিজি, নুর ট্রেডিং

১২৩.  মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড, জেসিএক্স বিজনেস টাওয়ার

১২৪.  মো. শাহ জালাল, পরিচালক, এফবিসিসিআই, মেসার্স জনতা ট্রেডার্স

১২৫.  মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, সিআইপি, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নিজাম গ্রুপ অব কোম্পানি

১২৬.  মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান ভুইয়া, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন, পরিচালক, এফবিসিসিআই

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জাজ ভুইয়া টেক্সটাইল মিলস এন্ড মেসার্স জে বি ইলেকট্রনিক্স

১২৭.  মোহাম্মদ রিয়াদ আলী, পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইন্ট্রাকো গ্রুপ, পরিচালক হোটেল আগ্রাবাদ, সভাপতি, ইন্দোনেশি

১২৮.  রাকিবুল আলম দিপু, পরিচালক, এফবিসিসিআই

১২৯.  মো. শহীদুল হক মোল্লা, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, মোল্লা গ্রুপ, প্রোপ্রাইটর, মোল্লা মেশিনারি এন্ড মটরস

১৩০.  রাসেল টি আহমেদ, সভাপতি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস পরিচালক, এফবিসিসিআই সিইও, টিম ক্রিয়েটিভ

১৩১.  মোহাম্মদ ফরিদ খান (সিআইপি), পরিচালক, এফবিসিসিআই, ভাইস, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

১৩২.  সালমান খান, পরিচালক, সামিট ওয়েল এন্ড শিপিং লিমিটেড, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেড

১৩৩. গোলাম মো. আলমগীর, চেয়ারম্যান, ম্যাক্স গ্রুপ

১৩৪. হাফেজ হাজী হারুনুর রশিদ, প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি

১৩৫. সৈয়দ মো. বকতিয়ার, পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান, একটিভ লজিস্টিকস লিমিটেড

১৩৬. মিজ তাসফিয়া জসিম, পরিচালক, এফবিসিসিআই, পরিচালক, বেঙ্গল প্যাকেজিং এন্ড এক্সেসরিজ লিমিটেড

১৩৭. মোহাম্মদ ইছাকুল হোসেন সুইট, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপ্রাইটর এন্ড সিইও, মেসার্স তোহফা এন্টারপ্রাইজ, চেয়ারম্যান, সামিট কমিউনিকেশন্স লিমি 

১৩৮. আমজাদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জনতা ট্রাভেলস লিমিটেড

১৩৯. এএসএম মাইনুদ্দিন মোনেম, সিইও এন্ড ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আব্দুল মোনেম লিমিটেড

১৪০. মো. আমির হোসেন (সোহেল), পরিচালক, পিএইচপি গ্রুপ

১৪১. মো. জামাল উদ্দিন, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম জামাল এন্ড কোম্পানি লিমিটেড

১৪২. খন্দকার মশিউজ্জামান (রোমেল), সভাপতি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংকার ওনার্স এসোসিয়েশন, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই, চেয়ারম্যান এন্ড সিইও, পিপুলস গ্রুপ, মেসার্স পিপুলস ফ্যাশন লিমিটেড

১৪৩. মো. হেলাল উদ্দিন, সভাপতি, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স নিলময় ভ্যারাইটিজ স্টোর

১৪৪.  আবু হোসেন ভূঁইয়া (রানু), সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই

১৪৫. এম.জি.আর নাসির মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা, সেঞ্চুরি গ্রুপ অব কোম্পানিজ, সাবেক পরিচালক, এফবিসিসিআই

১৪৬. নুরুল কাইয়ুম খান, সভাপতি, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস এসোসিয়েশন, চেয়ারম্যান, কিউএনএস কন্টেইনার সার্ভিসেস লিমিটেড, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কিউএনএস গ্রুপ

১৪৭. শাহাব উদ্দিন খান, সভাপতি, কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৪৮. সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রথম সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ, ডিরেক্টর, ওয়েল গ্রুপ

১৪৯. খন্দকার রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড

১৫০. মো. আকতার হোসেন, সিআইপি, সহ-সভাপতি, বিকেএমইএ, প্রোপ্রাইটর, বুনবক্স এ্যাপারেলস, গ্রুপ ডিরেক্টর, উইজডম গ্রুপ

১৫১. ফজলে শামীম এহসান, সহ-সভাপতি, বিকেএমইএ, ফতুল্লা এপারেলস

১৫২. আনোয়ার হোসেন (মানিক), পরিচালক, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক; টেক্স টাউন লিমিটেড

১৫৩. শামস মাহমুদ, পরিচালক, বিজিএমইএ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শাশা গার্মেন্টস লিমিটেড

১৫৪. মো. মিজানুর রহমান, পরিচালক, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি (বিসিআই), ব্যবস্থাপনা পরিচালক, টেটা বিজনেস সলিউশন্স লিমিটেড

১৫৫. মো. শামীম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মেসার্স ফেইথ লজিস্টিক্স

১৫৬. রাশেক রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বুরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ কোম্পানি

১৫৭. মোহাম্মদ ওয়াহিদ রিহান ইফতেখার মাহমুদ, সহ সভাপতি, চট্টগ্রাম মেট্রপলিটন চেম্বার

১৫৮. মোহাম্মদ বাবুল আখতার, সভাপতি, বাংলাদেশ নন প্যাকার ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৫৯. সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন

১৬০. মোহাম্মদ মনসুর, মহাসচিব, বাংলাদেশ ফ্রুটস ভেজিট্যাবলস এন্ড এলাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মনসুর জেনারেল ট্রেডিং কো

১৬১. মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, চেয়ারম্যান, এটুআই গ্রুপ

১৬২. রফিকুর রহমান খান ইউসুফজাই, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ই.বি সলিউশন্স লিমিটেড

১৬৩. আবুল হাসানাত কবির, চেয়ারম্যান, কেআরসি কম্পোসিট টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড, আরও টেক্সটাইল মিলস (প্রাইভেট) লিমিটেড; ভাইস চেয়ারম্যান, একলিপস গ্রুপ; ব্যবস্থাপনা পার্টনার, ফারাজ ইন্টারন্যাশনাল বিডি, প্রোপাইটর: এইচ.কে কনটেক্সচার

১৬৪. হাসানুর বারি, মহাসচিব, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ট্যাংক ওনার্স এসোসিয়েশন; চেয়ারম্যান, সী লিয় শিপিং কো. লিমিটেড

১৬৫. যাদব দেবনাথ, চেয়ারম্যান এবং সিইও, যাদ্রু গ্রুপ

১৬৬. মিসেস শামিমা আখতার

১৬৭. খন্দকার আশিকুজ্জামান, পরিচালক, পিপলস শিপিং লিমিটেড

১৬৮. জি এস আকন্দ মাসুম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সর্নালি গ্রুপ

১৬৯. মোস্তাফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যান, জি টেক সলিউশন লি.

১৭০. খান নুরে আলম সিদ্দিকী, যুগ্ম মহাসচিব এফবিসিসিআই 

১৭১. সৈয়দ আমিরুল ইসলাম নাদিম, উপ মহাসচিব (পিএস টু প্রেসিডেন্ট), এফবিসিসিআই মেম্বার, বিকেএমইএ; ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কেপস ফ্যাশন লিমিটেড

সচিব, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, টাঙ্গাইল উপজেলা


১৭২.  মো. মুনির হোসেন, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই

১৭৩. মো. আতাউর রহমান ভুইয়া, পরিচালক, এফবিসিসিআই এন্ড তমা কস্ট্রাকশন কো. লিমিটেড চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি-টেক সলিউশন লিমিটেড

১৭৪. কাউসার আহমেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপাইটর এন্ড সিইও, রুপসা ট্রেডিং কর্পোরেশন

১৭৫. মোহাম্মদ আফতাব জাবেদ, পরিচালক, এফবিসিসিআই, প্রোপাইটর, নাভেদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, ইম্পেরিয়াল

১৭৬. ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান, পরিচালক, কানাডা বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স, পরিচালক, এম আলাম গ্রুপ, প্রোপাইটর, টিআর ট্রেডিং

১৭৭. মাসুম জামিল খান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, কসমস গ্রুপ

১৭৮. মীর আসাদ হোসেন টিটু, প্রোপাইটর, টুশি এন্টারপ্রাইজ

১৭৯. শাহরিয়ার হাসান, কো-ফাউন্ডার এন্ড সিইও, ই-পোস্ট সফটওয়্যার লিমিটেড, প্রতিষ্ঠাতা এবং উপদেষ্টা, পেপারফ্লাই প্রাইভেট লিমিট।

১৮০. খন্দকার তাসফিন আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার, দারাজ বাংলা লিমিটেড

১৮১. মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিতু, চেয়ারম্যান, টেলিলিংক গ্রুপ

১৮২. কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ন্যাশনাল এ ইম্পোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট লিমিটেড, ও ফার্মা লিমিটেড; সভাপতি, বাংলাদেশ এগ্রোকেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন

১৮৩. এসফারুল কাইয়ুম খান, পরিচালক, বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ এসোসিয়েশন

১৮৪. এলথেম বি. কবির, চেয়ারম্যান, ইকে এন্ড এক্সেসরিজ

১৮৫. এস.এম ফারুকী হাসান, সিআইপি চেয়ারম্যান, প্রতিক গ্রুপ

১৮৬. খাইরুল হুদা চপল, সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই, সভাপতি, সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৮৭. আব্দুস সামাদ লাবু, পরিচালক, এস আলম গ্রুপ

১৮৮. মোহাম্মদ আলামগীর পারভেজ, প্রোপাইটর, মেসার্স ফ্র্যাংক এন্টারপ্রাইজ, পরিচালক, দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

১৮৯. এ.কে.এম শামসুদ্দোহা, সভাপতি, দোহাটেক নিউ মিডিয়া

১৯০. এজাজ মোহাম্মদ, মহাসচিব, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব গালফ মেডিকেল সেন্টার্স (বিএজিএমসি)

১৯১. মো. মাহবুব উর রহমান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এইচএসবিসি

১৯২. তানভির এ মিশুক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নগদ লিমিটেড

১৯৩. মোহাম্মদ কামাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ফ্রে ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন

১৯৪. ইমরান করিম, ভাইস চেয়ারম্যান, কনফিডেন্স গ্রুপ

১৯৫. জিয়াউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বে গ্রুপ

১৯৬. খন্দকার ফজলে রাব্বি, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সীরক এ্যাপারেলস।


আরও খবর



রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখো মানুষ। কেউ গেছেন গ্রামের বাড়িতে, আবার কেউ পরিবার নিয়ে বেড়াতে গেছেন কোনো পর্যটন স্থানে। ফলে রাজধানীতে মানুষের চাপ নেই বললেই চলে।

মানুষের চাপ কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সড়কেও। দেখা যায়নি চিরচেনা যানজট। গণপরিবহনে ওঠার জন্য নেই কোনো হুড়াহুড়ি। সবমিলিয়ে ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীর রাজপথ।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর কুড়িল, বাড্ডা, রামপুরা, শান্তিনগর ও পল্টন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে ঢাকার রাজপথে যানবাহন ও যাত্রীদের উপস্থিতি একেবারেই কম। রাস্তায় হাতেগোনা কয়েকটি গণপরিবহন চলছে, এসব বাসেও যাত্রীর সংখ্যা খুব কম। অন্যদিকে রাস্তায় কিছু ব্যক্তিগত যানবাহন, সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করছে।

রাস্তায় বের হওয়া মানুষজন জানান, ঈদের ছুটিতে রাস্তা ফাঁকা থাকায় এক ঘণ্টার রাস্তা ১০-১৫ মিনিটে যাওয়া যাচ্ছে।

রাজধানীর রামপুরা থেকে বাসে উঠে ২০ মিনিটে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছেছেন রজব আলী। তিনি বলেন, ফাঁকা ঢাকায় ঈদের ছুটিতে ঘুরতে বের হয়েছি। রাজধানীতে মানুষের চাপ নেই বললেই চলে। মাত্র ২০ মিনিটের রামপুরা থেকে কুড়িল বিশ্বরোড এসেছি। আগে এ রাস্তায় এলে তো ঘণ্টা পার হয়ে যেত। ফাঁকা ঢাকায় ঘুরতে ভালোই লাগছে।

এদিকে, ফাঁকা ঢাকায় অনেকে রিকশায় চেপে ঘুরতে বের হয়েছেন। রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে রিকশায় করে ঘুরতে বের হওয়া যাত্রী শামসুল হক বলেন, এবারের ঈদ ঢাকাতে পালন করেছি। ঈদে সবচেয়ে ভালো লাগে ঢাকার ফাঁকা রাস্তা। এসময়ে রিকশা দিয়ে ঘুরতে খুব ভালো লাগে। তাই আজ পরিবার নিয়ে বের হয়েছি রিকশা দিয়ে ঘোরাঘুরি করার জন্য।

তবে রাস্তা ফাঁকা হলেও কিছুক্ষণ পরপর গণপরিবহন দেখা যাচ্ছে ঢাকার রাস্তায়।ঢাকায় যে অল্পসংখ্যক মানুষ রয়ে গেছেন তারা ঈদের ছুটিতে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় যাচ্ছেন, ঘুরতে বের হচ্ছেন। এ কারণে স্বল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়েই গণপরিবহন চলছে। ঈদের উপলক্ষ্যে ভাড়া কিছুটা বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে জানান যাত্রীরা।

সদরঘাট থেকে উত্তরাগামী ভিক্টর ক্লাসিকের একটি বাসের চালক জুনায়েদ বলেন, এখন রাস্তায় চাপ নেই, যাত্রীও নেই। তারপরও মাঝেমধ্যে কিছু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে, সেজন্য গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। সদরঘাট থেকে উত্তরা এখন পর্যন্ত দুই ট্রিপ দিয়েছি। রাস্তা একদম ফাঁকা, কোথাও বিন্দুমাত্র যানজট নেই।


আরও খবর



নওগাঁয় আমের ওজন নিয়ে রশি টানাটানি' ভোগান্তিতে চাষীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

দেশের আমের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত নওগাঁর সাপাহারে আমচাষী সমিতি ও প্রশাসন এবং আম ব্যাবসায়ী সমিতির মধ্যে সৃষ্ট রশি টানাটানির মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারণ আম চাষীরা।

জানা গেছে, প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও আমের মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ব্যাপারিগন বিভিন্ন আড়তে সেলটার নিয়ে বিগত কয়েক বছরের মত ৫২ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম হিসেবে ক্রয়-বিক্রয় চালিয়ে আসছিলো। এরই মধ্যে অন্যান্য বছরের মত এবারেও আমচাষী সমিতির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত ১০/১২ কেজি আমের বিষয়ে আলোচনা সমালচনা শুরু হলে কয়েক দফায় উপজেলা প্রশাসনের মধ্যস্থতায় আম চাষী ও আম ব্যাসায়ী সমিতির কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় মিটিং বসে। সর্ব শেষ গত ২৩ জুন মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী সাপাহারে এক সরকারী সফরে এলে বিষয়টি তার নজরেও আসে এবং তাৎক্ষনিক এক জরুরী সভায় তিনি উভয়ের লাভ লোকশানের কথা বিবেচনা করে ৪৮ কেজিতে (ক্যারেটসহ) ১মন আম ক্রয়-বিক্রয় এবং প্রতি কাঠায় কৃষকের নিকট থেকে ৭০ টাকা আদায় করার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। তারই ধারাবাকিতায় গত ২৫ জুন সাপাহার সদর ইউনিয় পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তার নেতত্বে

বাজার মনিটরিং কমিটির এক বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে আম ব্যাবসায়ীর পক্ষে সমিতির সভাপতি শ্রী কার্তীক সাহা ৪৮ কেজিতে ১মন আম ক্রয় করার জন্য ব্যাপারীদের নির্দেশ দেয়ার কথা স্বীকার করলেও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ৭০ টাকার বদলে ৮০টাকা আদায়ের ঘোষনা প্রদান করেন।

বৈঠক শেষে অজানা করণে ব্যাপারীগন বাজারে আম কেনা কার্যক্রম বন্ধ করে আড়তে বসে থেকে কালক্ষেপন করতে থাকেন। অপরদিকে সকাল ৭টা হতে বাজারে আসা হাজার হাজার আমচাষীগনও প্রচন্ড রোদ ও গরম উপেক্ষা করে সারাটা দিন তাদের আম নিয়ে রাস্তায় বসে থাকেন। অবশেষে সন্ধার পর সারা দিন জিম্মি হয়ে বসে থাকা কিছু আমচাষী তাদের অতি প্রয়োজনে দু’একটি আড়তে বাধ্য হয়ে ৫০/৫২ কেজি হিসেবে প্রতি মন আম কম দামে বিক্রি করে তাদের প্রয়োজন মিটিয়েছেন। এছাড়া অধিকাংশ আমচাষীগন মনের রাতে তাদের আম বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আম বিক্রি না হওয়ায় বাসায় ফিরিয়ে নেয়া সাপাহার উপজেলার গোয়ালা গ্রামের আমচাষী, ফয়জুল ইসলাম, গৌরীপুরের রেজাউল, পিছলডাঙ্গার আব্দুল করিম, নিশ্চিন্তপুরের আবু সাঈদ এর সাথে কথা হলে তারা ক্ষোভের সাথে জানান যে, আম বাড়ীতে নিয়ে পচে ফেলব তার পরেও ব্যাসায়ীদের অন্যায় দাবীর কাছে মাথা নোয়াবনা বা তাদের কাছে জিম্মি হবো না।

এদিকে ব্যাপারীগন ও তাদের পূর্বের নেয়া ৫০-৫২ কেজিতে মন ছাড়া আম ক্রয় করবে না বলে আম ক্রয়করা থেকে বিরত রয়েছেন। বর্তমানে সাধারণ আমচাষীগন সৃষ্ট সমস্যার মধ্যে পড়ে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন এবং এক প্রকার জিম্মি হয়ে ব্যাপারিদের কথা মত ৫০-৫২ কেজিতে মন ও তাদের নির্ধারণ করা দামেই আম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এবিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান যে, প্রশাসনিক ভাবে যে ৪৮ কেজি আম কেনা-বেচার সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে তার বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই, বিষয়টি জোরালোভাবে খতিয়ে দেখার জন্য তিনি বাজার মনিটরিং কমিটির উপর দায়িত্বভার অর্পন করেছেন বলেও জানিয়েছেন। অচিরেই এই সমস্যা নিরসনে তারা আমচাষী সমিতি ও আম ব্যাবসায়ী সমিতির দৃষ্টি আকর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। গত মঙ্গলবার হতে আজও চাষীদেরকে আমভর্তি পরিবহনের গাড়ির পশরা নিয়ে রাস্তায় বসে থাকতে দেখা গেছে।


আরও খবর



দেশবিরোধী চুক্তি আড়াল করতেই ছাগলকাণ্ড, বেনজিরকাণ্ড: রিজভী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image


বিডি টুডেস রিপোর্ট:


দেশবিরোধী চুক্তি আড়াল করতেই ছাগলকাণ্ড, বেনজিরকাণ্ড, আজিজকাণ্ড, হেলিকপ্টারে আসামি গ্রেপ্তারকাণ্ড সামনে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 


তিনি বলেন, জনগণ চূড়ান্ত বাধা টপকিয়ে বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্য বানাতে দেবে না।


শুক্রবার (২৮ জুন) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একজন ডিক্টেটরের হুকুমে দেশ চলছে বলেই জনগণ আজ ত্যাজ্য, প্রত্যাখ্যাত ও নিজ দেশে পরবাসী হতে চলেছে।



 গোটা জাতি এখন ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে। শ্বাসবায়ূ প্রাণ ভরে কেউ গ্রহণ করতে পারছে না। তবে জনগণ চূড়ান্ত বাধা টপকিয়ে বাংলাদেশকে কারো আশ্রিত রাজ্য বানাতে দেবে না।


রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, যারা ভারতবিরোধীতার ইস্যু খুঁজছেন তারা আবারও ভুল পথে যাচ্ছে। ওবায়দুল কাদেরের কথায় ধরে নিতে হবে আমাদের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে কেউ বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে স্থাপনা করে যাবে, তারপরেও এর বিরোধীতা করলে সেটি ভুল পথ হবে।



 এ ধরনের কথা কেবলমাত্র নতজানু, জনগণের ক্ষমতা ছিনতাইকারী দেশদ্রোহীদের মুখেই সাজে। জনগণের সম্মতি ব্যতিরেকে চিকেননেককে বাইপাস করে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারত রেলপথ নির্মাণ করবে আর সেটি চুপ করে দেখা হবে, তা ৭১-এর শহীদদের রক্তকে অসম্মান করার শামিল।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভেতর দিয়ে রেলপথ বসানোর চুক্তি করে শেখ হাসিনা স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের নির্যাতনের সাথে বেইমানি করছেন। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্তে ভেজা, ভারত থেকে বয়ে আসা বাংলাদেশের নদীগুলো উষর মরুভূমিতে পরিণত হওয়া, চরম বাণিজ্য ঘাটতির পটভূমিতে বাংলাদেশের বুকচিরে রেললাইন বসিয়ে ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পণ্য পরিবহনের সুযোগে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যে শনিরদশা ডেকে আনা হবে।


বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা এবং নিজস্ব শক্তির উপর নির্ভরশীল থাকতে পারবে না। এমনিতেই আমাদের দেশের জনগণের এনআইডির সকল তথ্য ভারতকে জানানো হয়েছে।



 ভারত সবসময় বিগব্রাদার সূলভ গরিমা থেকে বাংলাদেশকে বিবেচনা করে। ৭ জানুয়ারি একতরফা ডামি নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে বৈধতা দিয়েছে ভারত, তাই কৃতজ্ঞতাস্বরূপ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে ভারতকে সব উজাড় করে দিতে কুণ্ঠিত হচ্ছেন না।


রিজভী বলেন, দেশে দুর্নীতির মহামারী, লুণ্ঠন আর কুৎসিত অনাচারের নানা রং-বেরঙের কাহিনী এখন মানুষের মুখে-মুখে। আর এই সমস্ত অপকর্মে জড়িতরা প্রায় সবাই ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ। এইসব ঘটনা ফাঁস হওয়াতে সরকারের মন্ত্রী ও এমপিরা বেসামাল হয়ে পড়েছে। ভারসাম্যহীন কথাবার্তা বলছেন। 



একদিকে বলছেন দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার ষড়যন্ত্রের অংশ, আবার অন্যদিকে বলছেন অভিযোগ সত্য। এ কথার কী অর্থ হতে পারে তা আমার জানা নেই। অভিযোগ সত্য হলে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রচার ষড়যন্ত্রের অংশ হবে কেন? এরা বিভ্রান্তিতে ভুগছেন, কারণ আওয়ামী সরকারের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারাই ছিল ডামি সরকারকে টিকিয়ে রাখার বিশ্বস্ত সৈনিক।


তিনি আরও বলেন, একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে এ সমস্ত কর্মকর্তাই ভোটারদেরকে নতজানু রাখতে রক্ত খেলায় মেতেছিলো। এরা জনগণকে নতজানু রাখতে যথেচ্ছাচার রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করেছে। এরাই ডেলিবারেট কিলিং করেছে, নিয়ন্ত্রণহীন হত্যাকাণ্ডের জন্য নিজ বাহিনীর সদস্যদেরকে কেন সক্রিয় হচ্ছে না, সেই জন্য ভর্ৎসনা করেছে।



 গণতন্ত্রকামী মানুষের বিরুদ্ধে উগ্রতা এবং বন্দুকের ভয় দেখিয়ে নীরব রাখার চেষ্টা করেছে। সেজন্যই মন্ত্রী-এমপিরা তালগোল পাকিয়ে স্ববিরোধী বক্তব্য রাখছেন।


আরও খবর