Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

মুন্সীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা, আটক ৩

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:  স্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের দ্বন্দ্বে  ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সুমন হালদার (৪৫) কে গুলি করে হত্যা করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা । 


রবিবার দুপুর ১ টার দিকে জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলার পাঁচগাও বাজার এলাকার আলহাজ্ব ওয়েদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটে।  নিহত এস এম সুমন হালদার পাঁচগাও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন৷ 


সে ওই গ্রামের পিয়ার হোসেন হালদারের ছেলে। তার একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। 


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,রবিবার ওয়েদ আলী দেওয়ান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন চলছিলো এসময় ভোটাধিকার প্রয়োগ নিয়ে নিহতের চাচা ও চাচাতো ভাই  মৃত মকবুল হালদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ, 


নর আহম্মেদ ভোলা,চাচাতো ভাই সেকু নুর ও  কাউসারের সাথে কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে  ইউপি চেয়ারম্যান সুমনকে এলোপাথারি গুলি করে৷


 পরে আসে পাশের লোকজন ছুটে এসে সুমনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গিবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে৷ 


এঘটনায় মৃত মকবুল হালদারের ছেলে নুর মোহাম্মদ তার ছেলে সেকু নুর ও কাউসার নামের ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা আরো বলেন হত্যা কান্ডের সাথে জড়িতরা সবাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিলেনুর রহমান মিলন এর অনুসারী। 


নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে টঙ্গিবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোল্লা শোয়েব আলী বলেন,হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তাৎক্ষণিক কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে ।


আরও খবর



কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি::

কুষ্টিয়া -রাজবাড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের  কুমারখালী বাসস্ট্যান্ডের গোলত্বরে অবস্থান নিয়ে  শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। বুধবার বেলা  ৩ টার দিকে পৌর বাস টার্মিনাল থেকে  ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড ও জাতীয় পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে সাধারন শিক্ষার্থীরা । বাসস্ট্যান্ড থেকে পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল হলবাজারে পৌঁছালে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুইজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন আফজাল ও  মাহিন তানভীর।

সদ্য কুমারখালী পৌর ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করা পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পদক আসাদুজ্জামান আলী ও কামরুজ্জামান সোয়াদের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে কুমারখালী সরকারি ডিগ্রি কলেজ, কুমারখালী মহিলা কলেজ, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। সেসময় প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীদের সমাগম ঘটে।

এ সময় মিছিলে শিক্ষার্থীরা  স্লোগান দিতে থাকেন সাঈদ ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেবোনা।  ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রধানমন্ত্রী জবাব চাই’, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ভুয়া ভুয়া’,‘কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা কেন বিচার চাই বিচার চাই’,‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার, এ কথা বলছে কে সরকার সরকার’, ‘আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’,‘কোটা না মেধা মেধা মেধা, আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’।

ঘটনাস্থলে কুমারখালী থানার ওসি আকিবুল ইসলামসহ ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন থাকা অবস্থায় কিছু সময়ের মধ্যে মহাসড়ক ত্যাগ করেন শিক্ষার্থীরা। 

এসময়  মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মহাসড়ক থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা কুমারখালী হলবাজারে মোড়ে পৌঁছালে ঢিলের আঘাতে কুমারখালী সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইসএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আফজাল ও কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের এই এসসি পরীক্ষার্থী মাহিন তানভীর আহত হন। 

হামলাকারীদের খুঁজে পাওয়া না গেলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের পুলিশ নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিকেল ৫ টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন।

আরও খবর



‘দেশের ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক:


অনলাইন জুয়া নিয়ে দেশের ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত।



বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) আইসিটি টাওয়ারে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ‘আইসিটি এবং মানসিক স্বাস্থ্য’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা জানান পলক।



তিনি বলেন, দেশের ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। জুয়ার কারণে পরিবার ধ্বংস হচ্ছে। দেশের টাকা পাচার হচ্ছে। এসব তো আমরা মেনে নিতে পারি না। এসব বন্ধ করতে হবে।



প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং, ডিপফেইক ভিডিও বানিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় মানুষকে হয়রানির জন্য ফেসবুক টিকটক এক্স, হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্লাটফর্মগুলো দায়ী। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রিমিনাল। তাদেরকে সরকারের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করা হবে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় হারাতে পারেন হাজারো বাংলাদেশি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

ব্রিটেনের নতুন লেবার সরকার বহুল আলোচিত রুয়ান্ডা প্রকল্প বাতিল করেছে। তবে কনজারভেটিভ সরকার গত ১৬ মে ব্রিটেনে আশ্রয় অনুমোদিত না হওয়া বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় এসওপি চুক্তি করেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশি ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠানোর শঙ্কায় হাজারো বাংলাদেশি ও তাদের স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে লন্ডনে ব্রিটিশ হোম অফিসের স্বরাষ্ট্র-বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকেই প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়।

এ চুক্তির ব্যাপারে লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, সুসংবাদ হলো যুক্তরাজ্যে অনথিভুক্ত নাগরিকদের সংখ্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ শীর্ষ দশটি দেশের মধ্যেও নেই। তবুও ব্রেক্সিট-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সঙ্গে আমাদের এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা প্রয়োজন ছিল। তাই এই সমঝোতা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নতুন চুক্তি ছাড়াও এতদিন নাগরিকদের ফেরত পাঠানো যেত। এর আগে আলবেনিয়া সরকারের সঙ্গেও প্রত্যাবাসন চুক্তি করেছে ব্রিটেন।

ব্রিটেনের দ্য টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের মার্চ মাস থেকে চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক বছরে ১১ হাজার বাংলাদেশি ব্রিটেনে এসেছেন ছাত্র, কর্মী কিংবা ভ্রমণ ভিসা নিয়ে। এরপর তারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করে ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করছেন। যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছেন তাদের মাত্র পাঁচ শতাংশের আবেদন সফল হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজনৈতিক আশ্রয় প্রত্যাখ্যাতদের ব্যাপারে নতুন সরকার কী করতে পারে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ক্রয়েডন কাউন্সিলে লেবার গ্রুপের চেয়ার কাউন্সিলর মো. ইসলাম সোমবার বাংলা বলেন, আগের সরকারের সঙ্গে লিখিতভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির ক্ষেত্রে নতুন সরকারের কোনও পরিবর্তন আনার সম্ভাবনা দেখি না।

লন্ডনের লিংকন্স চ্যাম্বারস সলিসিটরসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বলেন, চুক্তি অনুযায়ী এখন বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্রুতগতিতে সংশ্লিষ্টদের ইমারজেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করবে। অনেক ক্ষেত্রে শুক্রবার ধরে রবিবার ফ্লাইটে তুলে দেওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। হোম অফিস উইকএন্ডের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে। এই চুক্তির ফলে অনেক প্রকৃত আবেদনকারী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে লন্ডনের চ্যান্সেরি সলিসিটরসের প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নতুন সরকার যদি বাংলাদেশি ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরত পাঠাতে নতুন করে ফাস্ট ট্র্যাক চালু করে তাহলে সেটি বাংলাদেশিদের জন্য খুব ভয়াবহ হবে।

সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও প্রায় লক্ষাধিক বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া আশ্রয় আবেদন করে ব্রিটেনে বসবাস করছেন। অনেকেই কাজের অনুমতিও পেয়েছেন। স্থানীয় কমিউনিটির অনেকের মতে, নতুন জনশক্তি না এনে পুরোনো বৈধতাহীনদের বৈধতা দিলে অর্থনীতি লাভবান হবে। তাদেরকে ব্রিটিশ অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করে কর আদায় করতে পারত সরকার।

এ ব্যাপারে লুটনের লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা মাহবুবুল করীম সুয়েদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা তো দূরের কথা নতুন নতুন কড়াকড়ি আরোপের কথা বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। কেয়ার ভিসাসহ বিভিন্ন কাজের ভিসায় আসা হাজার হাজার মানুষ রয়েছেন বেকার অবস্থায়। সব মিলিয়ে গত এক দশকের মধ্যে ব্রিটেনে সবচেয়ে বড় দুঃসময় পার করছেন অভিবাসীসহ সাধারণ মানুষ।


আরও খবর



আজকের শিশুরাই স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:


বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের ছোট শিশুরাই হবে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশের কারিগর। সবাইকে সেভাবেই প্রস্তুত করতে হবে।


শনিবার (৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত স্কুল গিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।



তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর অন্যতম চাওয়া ছিল সুন্দর জীবন ও দেশের মানুষের কল্যাণ। আজকের শিশুরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক। তারাই দেশ চালাবে, তারা চাঁদেও যাবে। সেভাবেই সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ’৭৫ এর পর ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে কীভাবে স্বাধীনতা পেলাম।স্বাধীনতার পরে যে কাজগুলো সেগুলোও জানতে হবে।


টুঙ্গিপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণারের উদ্বোধনের পর টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান সরকার প্রধান।



এরপর নবনির্মিত টুঙ্গিপাড়া মাল্টিপারপাস পৌর সুপার মার্কেট পরিদর্শন করেন তিনি। পরে জাতির পিতার সমাধিসৌধে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন।



এর আগে শুক্রবার (৫ জুলাই) পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন সন্ধ্যায় পদ্মা সেতু হয়ে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান তিনি।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জাতিসংঘ পুলিশের কার্যক্রমে অবদান রাখার অঙ্গীকার বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস ডেস্ক: জাতিসংঘ পুলিশের কার্যক্রমে ফলপ্রসূ অবদান রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও প্রস্তুতি পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, শান্তিরক্ষা কার্যত্রমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংস্থাগুলোর দক্ষতাবৃদ্ধি করতে হবে।

শুক্রবার (২৮ জুন) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়। এর আগে বৃহস্প‌তিবার (২৭ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘ পুলিশপ্রধানদের চতুর্থ সম্মেলনে প্রধান সেশনে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

 এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাসঙ্গিক ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিশেষায়িত পুলিশিং-এর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কামরুল আহসান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে মহিলা পুলিশ সদস্য প্রেরণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে নানাবিধ অপপ্রচার রোধে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরেন। 

পাশাপাশি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের গুরুত্ব বর্ণনা করে, এ ধরনের প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়ে জোর দেন।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪