Logo
শিরোনাম

মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে’

প্রকাশিত:Friday ০২ December 2০২2 | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বিশ্বব্যাপীই অর্থনীতিতে একটা সংকট বিরাজ করছে। অস্বীকার করছি না এটা আমাদের দেশেও আছে। তবে আমাদের দেশের আকাশে যে কালো মেঘ সেটি এখন সরতে শুরু করেছে। আশা করছি আগামী মাসে তা সরে যাবে। দেশে যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল তা এখন অনেকটা কমে এসেছে। আগামী মাসে তা আরও কমবে, বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান ।

বৃহস্পতিবার সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি আগামীতে পুরোপুরি কমে যাবে। এটা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নিরলস চেষ্টার কারণেই সম্ভব হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় মানুষের কল্যাণের কথা ভাবেন। মানুষের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে আমরা কাজ করছি।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, স্বল্পকালের জন্য হলেও সিলেটে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ চালু হওয়া উচিত। যদি সিলেটে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ হয় তাহলে এখানকার মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি দ্রুত নিশ্চিত হবে।

তিনি পরিকল্পনামন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সিলেটে হাইকোর্ট ব্রাঞ্চ স্থাপনে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে স্থানীয় আইনজীবীদের আশ্বস্ত করেন।

বিলম্বিত বিচার ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে বড় সমস্যা জায়গা জমি সংক্রান্ত। বিশেষ করে প্রবাসীদের জায়গা জমি তাদেরই দুষ্ট কিছু আত্মীয় স্বজন বিভিন্নভাবে দখলের চেষ্টা করে থাকে। এরকম মামলা এখানে বেশি হয়। তাই জায়গা জমি ও প্রবাসীদের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সিলেটে একটা প্রবাসী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে আইনজীবীদেরও কাজ করা উচিত।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




গত বছর দেশে ৪৪৬ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

২০২২ সালে দেশে স্কুল ও কলেজের ৪৪৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। দেশের পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে এই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আত্মহত্যা করা এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ও সমমান পর্যায়ের ৩৪০ এবং কলেজ পর্যায়ে ১০৬ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫৪ জন মাদরাসার শিক্ষার্থী। এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে নারী ২৮৫ জন এবং পুরুষ ১৬১ জন। 

এছাড়া ২০২২ সালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৮৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেঁছে নিয়েছেন বলেও জানিয়েছে আঁচল ফাউন্ডেশন।

এদিকে, আত্মহত্যার পেছনের কারণ হিসেবে মান-অভিমানই বেশি। ২৭ দশমিক ০৬ শতাংশ স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী অভিমানে আত্মহত্যা করেছে। এদের বড় অংশই অভিমান করেছিল পরিবারের সদস্যদের ওপর। 


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




ধামরাই সোমভাগ ইউনিয়নে গরীব মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মোঃ নাজমুল হাসান, ধামরাই :


ঢাকার ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের ০৭নং ওয়ার্ডের গোয়ালদি গ্রামের কীর্তি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফ, তার নিজ বাসভবনে গরীব অসহায় মানুষের মাঝে প্রায় দুই হাজার কম্বল বিতরণ করেন। 

এসময় তিনি বলেন আমার সোমভাগ ইউনিয়ন বাসী যেন শীতে কষ্ট না করে তার জন্য আমার নিজের ব্যক্তিগত ভাবে প্রায় দুই হাজার লোকের জন্য কম্বল এর ব্যবস্থা করেছি। আমার আশা আছে আগামীতে আরও বেশি মানুষের মাঝে যেন এই শীতবস্ত্র দিতে পারি, এসময় তিনি আরও বলেন আগামীতে সংসদ নির্বাচন সোমভাগ ইউনিয়ন বাসীর কাছে আমার একটি চাওয়া তাহল আগামী নির্বাচনে আপানারা অবশ্যই বিপুল ভোটের মাধ্যমে নৌকার বিজয় এনে দেবেন, এসময় তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ও সভাপতি ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মালেকের জন্য সকলের কাছে দোয়া চান,ধামরাইয়ে একমাত্র কর্মী বান্ধব নেতা তিনি হলেন মালেক সাহেব আমরা আশা করি তিনি আগামীতে অবশ্যই নৌকা নিয়ে আসবে এবং আগামীতে ধামরাইয়ের এমপি হবে।

এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ঢাকা ২০ ও সভাপতি ধামরাই উপজেলা আওয়ামী লীগ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম এ মালেক। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা খায়রুল ইসলাম, সদস্য ঢাকা জেলা পরিষদ ও সাধারণ সম্পাদক ধামরাই পৌরসভা যুবলীগ নেতা সানাউল হক সুজন, সভাপতি ধামরাই পৌর যুবলীগ আমিনুর রহমান, ধামরাই উপজেলা যুবলীগ নেতা শাহিনুর ইসলাম শাহিন ও সমাজ সেবক মানিক মিয়া সহ উপস্থিত ছিলেন সোমভাগ ইউনিয়ন এর গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ।


আরও খবর



গুরুত্বপূর্ন সড়ক ধান ব্যবসায়ীদের দখলে

দশমিনায় ভোগান্তিতে যানচলাচলসহ পথচারী

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার গুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে ফড়িয়ারা দখল করে ধানের ব্যবসায় করায় ভোগান্তিতে পড়েছে যানচলাচলসহ পথচারীরা। এতে করে সড়কে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে যানজটসহ নানা দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক, স্কুলের সামনের সড়ক দখল করে ধান ফড়িয়াররা ব্যবসা করছে। উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের যৌতা গ্রামে ৬৯ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের এপাশ ওপাশে প্রায় ২শ’ বস্তা ধান রেখে উচু টিলা বানিয়ে রেখেছে তারা। এছাড়া উপজেলার আরজবেগী বাজারের দক্ষিন পাশে প্যাদাবাড়ির সামনের সড়ক জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। উপজেলার বেতাগীসানকিপুর ইউনিয়নের বড়গোপালদী বাজারের পুর্ব ও পশ্চিম পাশের সড়কজুড়ে ধানের বস্তা রাখা হয়েছে। উপজেলার টাকুরের হাটে সড়ক জুরে ধানের বস্তা, তারপাশে দাড়িয়ে আছে ট্র্যাক এতে করে দেখা দিয়েছে যানজট। সড়কে ধানের বস্তা ও ট্র্যাক রাখায় রাস্তার এক-তৃতীয়াংশ দখল করে ধান বস্তা, ট্র্যাকে উঠানো এবং ভ্যানগড়ী দিয়ে এনে নামানোর কাজ করছে দিনভর ধান ব্যবসায়ীরা।

দশমিনা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও বড়গোপালদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আহম্মেদ ইব্রাহিম অরবিল বলেন, দশমিনা-পটুয়াখালী ও দশমিনা-বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে লোকজন গুরুত্বপূর্ন কাজে যায় এ সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করেন, রোগী বহন কারি এ্যাম্বুলেন্স এবং মালামালবাহী মিনি ও বড় ট্র্র্যাক আসা যাওয়া করে কিন্তু ধানের বস্তায় সড়কের বেশিরভাগ জায়গা দখল করায় যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় যানচলাচলকারী গাড়ির। আমার প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়াতে সময় ও জীবনের ঝুঁকি থাকে। 

বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ঠাকুরের হাট এলাকার বাসিন্দা খোকন মাঝি, রিপন ও কার্তিক চন্দ্র বলেন, এ বাজারটি সন্ধ্যার পর এলাকার বিভিন্ন পেশার লোকজন এসে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা-বেঁচা করে। এখন বাজারটি জুড়ে ধানের বস্তার স্তুপ। কেউ দেখার নেই মনে হচ্ছে ফড়িয়ারদের ধান ব্যবসা করার জন্য এই রাস্তা নির্মান করা হয়েছে। এস্তুপের তলে শিশু ও বৃদ্ধরা যে কোন সময় পড়ে যেতে পারে।  

এ বিষয়ে দশমিনা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডে সদস্য রিপন কর্মকার বলেন, এলাকার বিভিন্ন সড়ক দখল করে রাখা হচ্ছে ধানের বস্তা। এতে করে রাস্তায় যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমি বিষয়টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে জানাবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে ধান ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।


আরও খবর



পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামলো ৬ ডিগ্রিতে

প্রকাশিত:Saturday ১৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬ ডিগ্রিতে। বইছে কনকনে শীত। এর আগে গত ১০ জানুয়ারি রেকর্ড করা হয়েছিল ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বয়ে যাওয়া শৈত্যপ্রবাহের শীতের দাপটে নাজেহাল হয়ে পড়েছে উত্তরের এ জেলা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গত তিনদিন তাপমাত্রা বাড়লেও আজ নেমে এসেছে ৬ দশমিক ১ ডিগ্রিতে। গতকাল শুক্রবার রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এ জেলায় স্মরণকালে এ জেলায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ।

সকাল থেকেই দেখা মিলেছে সূর্যের মুখ। তবে অনুভূত হচ্ছে প্রচন্ড শীত। সুর্যের মুখ দেখা গেলেও মিলছে না রোদের উষ্ণতা। শীত দুর্ভোগে পড়েছে নানান শ্রমজীবী-কর্মজীবী গরীব অসহায় মানুষ। পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক, দিনমজুর থেকে শুরু করে ছোটখাটো যানবাহন ভ্যান চালক মানুষগুলো পড়েছেন বিপাকে। তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে পারছেন না অনেকে। তবে জীবিকার তাগিদে কাউকে নদীতে পাথর তুলতে, কাউকে চা-বাগানে আবার কাউকে দিনমজুরের কাজ করতে যেতে দেখা গেছে। শীতের দুর্ভোগ বেড়েছে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে। এসব মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য সরকার যে ত্রাণ দিয়েছে তা একেবারেই অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




বিদ্যুতের দাম ১৫% বাড়ানোর সুপারিশ

প্রকাশিত:Monday ০৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

জহীরুল কবির আমজাদ : গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণশুনানিতে এ সুপারিশ করে বিইআরসির কারিগরি কমিটি। 

পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) জানিয়েছে, গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের দাম না বাড়লে তাদের ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা ক্ষতি হবে। একইভাবে পিডিবি ২৩৪ কোটি, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ১ হাজার ৫৫১ কোটি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ১ হাজার ৪০২ কোটি টাকা, নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বলছে, তাদের ৫৩৫ কোটি টাকা লোকসান হবে। ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিও (ওজোপাডিকো) তাদের ক্ষতির কথা জানিয়েছে।

গত ২১ নভেম্বর বিদ্যুতের পাইকারি দাম ১৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি করে বিইআরসি। এরপর বিদ্যুতের খুচরা মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান। সবগুলো প্রতিষ্ঠান বলছে পাইকারি দাম বৃদ্ধির পর খুচরা দাম না বাড়ালে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। সেসব আবেদন কারিগরি কমিটিতে মূল্যায়ন শেষে তা গণশুনানিতে আসে।

সবশেষ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সব পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় পাইকারিতে দাম ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ গ্রাহক বা খুচরাপর্যায়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩