Logo
শিরোনাম

নারায়ণগঞ্জে অস্ত্র মামলায় একজনের ১৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি অস্ত্র মামলায় শাহিন ওরফে  চুষনি শাহীনকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কাজী ইয়াসিন হাবীবের আদালত এ রায় প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহীন ফতুল্লার ফাজিলপুর এলাকার মৃত মুনসুর কন্ট্রাক্টরের ছেলে।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল র‌্যাব-১১ ফতুল্লা এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে শাহীনকে গ্রেফতার করে। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়। পরে এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ে করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে স্বাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে অস্ত্র আইনের দুইটি ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।


আরও খবর



৪০তম বিসিএস নন-ক্যাডারদের ধর্মঘট

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

৬ দফা দাবিতে, আজও অবস্থান ধর্মঘট করছেন, ৪০ তম বিসিএস নন-ক্যাডার চাকরিপ্রার্থীরা। আগারগাঁওয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের সামনে এই ধর্মঘট করছেন তারা।

বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি কর্ম কমিশনের নতুন নিয়ম বাদ দেয়াসহ ছয়টি দাবিতে এই বিক্ষোভ করছেন তারা। বিসিএসের মাধ্যমে নন ক্যাডার পদে নিয়োগের নিয়ম থেকে সরে এসে, সরকারি কর্ম কমিশনের নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকরের প্রতিবাদ জানান নন-ক্যাডার চাকরিপ্রার্থীরা।তারা বলেন, সরকারি কর্ম কমিশন চাইলেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। কিন্তু তাদের মধ্যে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ধর্মঘটকারীরা।তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত, এই ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।


আরও খবর

কর্মবিরতিতে নৌযান শ্রমিকরা

রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২




রাজবাড়ীতে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার ॥ আটক ১ জন

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ঃ

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া  ইউপির আমবাড়িয়া গ্রামের মোশারফ হোসেন মোল্লা ( ৫৫) এর অর্ধ গলিত মৃত দেহ উদ্ধার করেছে কালুখালী থানা পুলিশ।   

১২ নভেম্বর সকালে একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের বাড়ির সেফটি ট্যাংক থেকে মোশারফ হোসেন এর মৃত উদ্ধার করা হয়। কালুখালী থানার ওসি মোঃ নাজমুল হাসান জানান, নিহত মোশারফ হোসেন মোল্লা ৮ নভেম্বর রাতে নিখোঁজ হয় পারদিন ৯ নভেম্বর পরিবারের পক্ষথেকে কালুখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে। ডায়েরির পর থেকে থানা প্রশাসন অনুসন্ধান করতে জিজ্ঞাসা বাদের জন্য রান্নুশাহ (৫০) কে আটক করে। জিজ্ঞাসা বাদের সময় হত্যার  বিষয়টি স্বীকার করে রান্নুশাহ।  রান্নুশাহ  ও মোশারফ সম্পর্কে মামাত ফুপাত ভাই। তাদের মধ্যে ধারের টাকা নিয়ে বিরোধ ছিলো। মরদেহ থানা পুলিশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে।কালুখালী থানায় মামলা প্রত্রিয়া চলমান রয়েছে।


আরও খবর



বাংলাদেশ-ভারত মহারণ আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

ইয়াশফি রহমান : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। অ্যাডিলেড ওভালে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়। 

ক্রিকেটের পরিসংখ্যানে ভারত অনেক এগিয়ে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে এই মুহূর্তে বাংলাদেশ-ভারত একই কাতারে। কারণ এখন পর্যন্ত ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে বাংলাদেশ। সমান তিন ম্যাচে ভারতের পয়েন্টও ৪। দুদলেই সেমিতে যাওয়ার সমান সুযোগ। তাই ম্যাচটি হতে পারে দুদলের ট্রাম্পকার্ড। অ্যাডিলেড ওভালে জয় তুলে সেমিফাইনালের পথে এক পা এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য দুই দলেরই!

নখ কামড়ানো ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিপর্যস্ত হয়ে ভারত কিছুটা ব্যাকফুটে। চলতি আসরে ৩ ম্যাচ শেষে দুই দলের জয় দুইটি করে, দুই দলই কাটা পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। 

অ্যাডিলেড ওভালে ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দলের জয়ের সুখস্মৃতি কেবল একটি। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারায় ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশের জয় ২০১৫ বিশ্বকাপে, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। 

অস্ট্রেলিয়ার মাঠ মানেই আগুনের গোলা। পেসবান্ধব উইকেটের ফায়দা তুলে তাসকিন আহমেদ আছেন দুর্দান্ত ছন্দে। এখন পর্যন্ত শিকার করেছেন আট উইকেট। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদরা। ব্যাট হাতে নাজমুল হোসেন শান্ত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছেন ৭১ রানের চমৎকার ইনিংস। সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে চলতি আসরে বাংলাদেশ যেন ফিনিক্স পাখি।

অন্যদিকে বিরাট কোহলিও ফিরেছেন চেনা অবতারে। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফিফটি পেয়েছেন রোহিত শর্মা। ব্যাটিং নির্ভর ভারতকে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসের সামনে অসহায় দেখালেও সূর্যকুমার যাদব ছিলেন অনঢ়। ভারতীয় দলে দিনেশ কার্তিকের চোট থাকলেও এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি দল। 

২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বশেষ মুখোমুখি হয় দুই দল। জিততে জিততেও ভারতের হাতে ম্যাচ তুলে দেয় বাংলাদেশ। মুখোমুখি হওয়ার আগে সেই স্মৃতি ভুলতে চাইবে টাইগাররা। শেষ ওভারে নায়ক বনে যাওয়া হার্দিক পান্ডিয়া নিশ্চয়ই মনে করিয়ে দেবেন একটু হলেও। 


আরও খবর

ডু অর ডাই ম্যাচ মেসিদের

শনিবার ২৬ নভেম্বর ২০২২

আর্জেন্টিনাকে মাটিতে নামাল সৌদি

বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২




একসময়ের মূল্যবান জিনিস আজকের সময়ে এসে মূল্যহীন হয়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ০২ নভেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী, শিক্ষাবিদ ঃ

মানুষের জীবনটাকে কতটা আমরা জানি। সবটাই কি অভিনয় নাকি সবটাই জীবন। একটা হাসিমুখ আমরা দেখি তবে সেই হাসিমুখের পিছনে মানুষের প্রতিদিনের জীবনের সাথে যুদ্ধটা কি আমরা দেখি। হয়তো দেখি না।

মানুষের সেটা দেখার মতো যে একটা মন থাকতে হয় সেটা তো আমাদের অনেক আগেই মরে গেছে। যেমন সময়ের সাথে অনেক কিছুই মরেছে। সময়ের সাথে লাল চিঠির বাক্সটা এখন আবর্জনায় পরিণত হয়েছে। চিঠিটাও এখন ইতিহাস।

খট খট শব্দে  আঙুলের বেদনায় আহত টাইপ রাইটার আর নেই। যে মানুষটা  টাইপ রাইটার দিয়ে একদিন কালো অক্ষরের জাদুতে মাতিয়ে তুলতো মানুষকে সে মানুষটাও সময়ের সাথে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। কম্পিউটার মতো আধুনিক প্রযুক্তি এসে টাইপ রাইটারকে অপ্রচলিত পণ্যে পরিণত করেছে।  

আগে গ্রামে যাত্রাপালা হতো। কত মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল সে যাত্রাপালা। হায়, সেটাও তো আর নেই। একসময়ের মূল্যবান জিনিস আজকের সময়ে এসে মূল্যহীন হয়েছে। বায়োস্কোপ এখন আর চোখে পড়ে না। একটার পর একটা নির্বাক ছবি টেনে বায়োস্কোপওয়ালা আনন্দচিত্তে বলতেন, “এই বারেতে দেখা গেল, জরিনা সুন্দরী এলো। কোমরেতে বিছা ছিল, কানে তাহার দুল ছিল। আহা কি চমৎকার দেখা গেল। কি চমৎকার দেখা গেল, আরও কিছু রইয়া গেল, তারা জ্যোতি চইলা গেছে, দেখতে কত বাহার আছে, এইবারেতে দেখেন ভাল, আপন রাজা সামনে আছে। তীর-ধনুক হাতে আছে। ” মানুষকে আনন্দ দেবার সে মানুষটাও আর নেই।  

একসময়ের দুরন্ত সময় আজ কেবল বিবর্ণ স্মৃতি। সময়ের সাথে সাথে মানুষ প্রযুক্তির জাদুকরী শক্তিতে বদলেছে। কিন্তু মাটির গন্ধও হারিয়েছে। সে মাটির গন্ধে বেগ হয়তো ছিল না তারপরও আবেগ ছিল। মনে পড়ছে পুতুল নাচের কথা। মানুষের অদৃশ্য আঙুলের নিপুণ কারুকাজে বোবা পুতুলগুলো নাচতো। মানুষ যেভাবে চাইতো সেভাবে পুতুলগুলো আছাড়ি-বিছাড়ি করে নেচেছে। অদৃশ্য মানুষটা এখন আর নেই, যেমন নেই পুতুল নাচের সেই ফেলে আসা দিনগুলো। তবে পুতুল নাচ আমাদের জীবনবোধের সামনে এসে থমকে দাঁড়ায়। কখনো মনে হয় আমরাও যেন সেই পুতুলদের মতো নেচে চলেছি কোনো এক অদৃশ্য শক্তির আকর্ষণে। এমন করেই হয়তো শক্তির পিছনে শক্তি, তারও পিছনে শক্তি এ খেলায় মেতে উঠেছে। সবাই হয়তো তা জানে তবে বুঝতে পারে না।  

সার্কাসের রং মেখে সং সাজা জোকারটার মুখটা খুব বেশি মনে পড়ছে। একটা কৃত্রিম হাসি মুখে ধরে রেখে জীবন যন্ত্রনায় জ্বলে-পুড়ে ছাই হওয়া মানুষটার ভিতরের বোবা আর্তনাদ বুকটাকে এখন কেমন যেন বুলেটবিদ্ধ করে যায়। জীবনকে বাজি রেখে জোকার নামের মানুষটা মানুষের মনোরঞ্জনের উপাদান হলেও তার ভিতরের কান্নাকে কেউ কখনো বুঝেও বুঝেনি।

সাদাকালো সিনেমার সময় যে মানুষটার অভিনয় সিনেমাকে রঙিন করেছিল সে মানুষটার নাম চার্লি চ্যাপলিন। চার্লি চ্যাপলিন সেই মহান অভিনেতা যিনি বুকে কষ্ট চেপে দর্শকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। পরনে নাক সিটকানো কোট-টাই, ঢিলেঢালা  জরাজীর্ণ প্যান্ট, মাথায় কালো রঙের ডার্বি হ্যাট, হাতে একটি পাতলা ছড়ি, পায়ে এবড়ো  থেবড়ো এক জোড়া বুট এবং ঠোঁটের ঠিক উপরে খাটো  গোঁফ মানুষটার। নিজের জীবনকে টুকরো কাচের আয়নায় দেখে উপহাস করে তিনি বলেছেন “এমনকি একটি জেলীফিশের কাছেও জীবন অনেক সুন্দর ও দারুণ একটা জিনিস”। চার্লি চ্যাপলিন সব সময় বলতেন তার মা’ই তার অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন। মায়ের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চার্লি চ্যাপলিন তাকে পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন; কোনো কষ্ট তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।  

অথচ তিনি আজীবন কষ্টকে ধারণ করে জীবনকে এগিয়ে নিয়েছেন। এখন তো সময় বদলেছে। মানুষ খুব কমার্শিয়াল হয়েছে। নিজের স্বার্থ নিয়ে যে মানুষরা প্রতিদিন একে অন্যের সাথে লড়ছে তারা কি মমতাময়ী মায়ের সেই ভালোবাসার মুখটা কখনো খুঁজেছে। না, তেমনটা ঠিক দেখছি না। মায়ের নাড়ি ছেঁড়া ধন সে নাড়ির টানকে গলা টিপে হত্যা করেছে। নিজে ক্রীতদাসের হাসি হেসেছে আর মায়ের হাসিকে বৃদ্ধাশ্রমের চার দেওয়ালে আটকে রেখে নিজের শেকড়কে লাথি মেরে ছুড়ে ফেলেছে পিচ ঢালা রাজপথে। সত্য মিথ্যার গল্পটা বার বার বলতে ইচ্ছে করে।  

আমরা যেটা হাসি সেটা সত্য না মিথ্যা। নাকি সেটা একটা নগ্ন রহস্য। ফেলে আসা পুরাতন কিছু। হয়তো একটা মানুষ, তার পিছনের মানুষ, তার সামনের মানুষ, তার ভিতরের মানুষ সবকটাই একটা মানুষ তবে  অভিন্ন মানুষ নয়। যেমন যে সত্যকে  আমরা দেখি তা  হয়তো সত্য নয়। যা দেখি না সেটাই সত্য। মানুষের বাইরের শরীরের চেয়ে যেমন ভিতরের হাড় দিয়ে গড়া কংকালটা সত্য। 

সত্য এমন আগুনে পোড়া নদীর মতো। জলীয় বাষ্পের মতো। মেঘে ঢাকা তারার মতো। যার গতিপথ জীবনের গতিপথকে হার মানায়।

সব কিছু মানুষের আজ কেমন করে যেন হারিয়ে গেছে। এক একটা মানুষ জীবন্ত লাশ হয়ে রাজপথের কোলাহলে নিজেদের অস্তিত্ব হারাচ্ছে। ঝুলন্ত বাদুড় হয়ে সত্য মিথ্যার পোশাক পড়ে মানুষের বিবেক বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন। তাও খুব চড়া দামে। তারপরও সব হারিয়েও জীবনবোধের বিশ্বাস তো কখনো হারাতে নেই। আবেগ তো কখনো হারাতে নেই। স্বপ্ন জয়ের হাসি তো কখনো হারাতে নেই। প্রতিদিন মানুষের মৃত্যুর খবর যেমন আসে তেমনি নবজাতকের ভূমিষ্ঠের খবরও আসে। সব পুরাতন পচে যায় না। নষ্ট হয়ে নষ্টের দড়িতে ঝুলে পড়ে না। যেমন সময়। যেমন সততা। যেমন মানবিক মূল্যবোধ। এমন আরও অনেক মূল্যহীন মানুষের বাজারের অনেক অদেখা মূল্যবান জিনিস। 

চলন্ত ট্রেনটা মানুষকে পিষে ফেলার আগেই মানুষ সেখান থেকে বেরিয়ে আসুক। সব মানুষ রক্ত মাংসের মানুষ হোক। যেমন মানুষ, মানুষ তেমনটাই থাকুক। সবটাই এক ঝাপটায় মানবিক নগর হয়ে উঠুক মানুষের অতৃপ্ত যন্ত্রনায়। সেটা চোখে না দেখে মন দিয়ে দেখাটাতেই আনন্দ। তার থেকে বেশি কিছু নয়।


আরও খবর



দেশের অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করলেও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাব, জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

যুবলীগের ৫০ বছর পূর্তি ও সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে শুক্রবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী মহাসমাবেশস্থলে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান যুবলীগের নেতাকর্মীরা। দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে মহাসমাবেশের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

যুবলীগ নেতাকর্মীদের অনুরোধ করে তিনি বলেন, যেহেতু ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশন আর স্যাংশন, আমাদের আমদানি সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে- যুবলীগের নেতারা গ্রামে যান, নিজের জমি চাষ করতে হবে এবং অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যুবলীগ আমাদের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিয়েছে। যুবক থাকলে কাজ করার অনেক সুবিধা। উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যুবদের সম্পৃক্ত করতে যুবলীগ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তরুণরাই পারে দেশকে গড়ে তুলতে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, অনেকে নাকি আমাদের উন্নয়ন চোখে দেখে না। চোখ থাকতে অন্ধ হলে দেখবে কী করে? আমরা কত যুবকের কর্মসংস্থান করেছি। আর জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া? সবই তো একই ইতিহাস। হাজার হাজার যুব নেতাদের হত্যা করেছেন।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। এতে আরও বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক। সঞ্চালনা করছেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।



আরও খবর