Logo
শিরোনাম

নারী কারাগার প্রস্তুত রাখার নির্দেশ আইজি প্রিজনের

প্রকাশিত:Friday ০২ December 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম আনিসুল হক। মূলত, গত দুই বছর আগে উদ্বোধন হওয়া বন্দিবিহীন নারী কারাগার পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় খালি পড়ে থাকা নারী কারাগারটি দ্রুত প্রস্তুত করার নির্দেশনা দেন আইজি প্রিজন।

বৃহস্পতিবার ঢাকা কেন্দ্রীয় নারী কারাগার (কেরানীগঞ্জ) পরিদর্শন করেন আইজি প্রিজন।

এ সময় উপস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের কর্মকর্তাদের খালি পড়ে থাকা নারী কারাগারটি দ্রুত ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে বন্দিদের রাখার উপযোগী ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দেন আইজি প্রিজন।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ ও জেলার মাহবুবুল ইসলাম।

আইজি প্রিজনের নারী কারাগার পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার মাহাবুবুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘নারী কারাগারটি গত দুই বছর আগে উদ্বোধন হলেও বন্দিদের রাখার নির্দেশনা ছিল না। এখন দ্রুত সেটাকে পরিষ্কার করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন আইজি প্রিজন স্যার। নির্দেশনা অনুযায়ী ধোয়া-মোছার কাজ চলছে।


আরও খবর



সড়ক ভবন নয়, এযেন একটি দেশিও বিদেশি ফুল গাছের বাগান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁ সড়ক ভবনে দেশিও বিদেশি ফুল গাছের সমারহ।

নওগাঁ সড়ক ভবনের কার্যালয় বর্তমানে নানা ধরনের দেশি ও বিদেশি ফুলের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ভবনের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করার সময় চোখে পড়বে বিভিন্ন রঙ্গের বড় বড় গাঁদা ফুল থোকায় থোকায় ফুটে আছে। পাশেই সুন্দর অবকাঠামোর মাঝে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন দেশী, বিদেশী ফুল ও ওষুধী গাছের ভেষজ মিশ্রণ ফুল বাগান।

শুধু ফুল বাগানের সৃজন নয়, পুরো সড়ক ভবনের প্রাঙ্গন-ই যেন ছিমছাম সৌন্দর্য্যরে ছোঁয়া আর আবাসিক ভবনের বাইরের অংশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার প্রিয় দেশের পতাকার রঙ্গের আদলে মনকাড়া ছোঁয়াও রয়েছে সেই সাথেই বাগানের মাঝে শোভা পাচ্ছে ডোরাকাটা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতিকৃতি আর পুরো বাগান জুড়ে ফুল গাছের পাশাপাশি নানা রকমের শোভাবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির গাছও শোভা পাচ্ছে। যা দেখার মতো।

মনোরম বাগানে প্রবেশ করতেই দ্যামাস্ক গোলাপ, রংগন, জবা, ক্রিসমাস, বেরিসহ বিভিন্ন ফুল গাছের পাশে শোভা পাচ্ছে সুন্দর সুন্দর নাম ফলক। একবার বাগানে প্রবেশ করে পুরো বাগানটি অবলোকন করলেই চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারো। এছাড়া ফুলের সৌন্দর্য্য আর মিষ্টি গন্ধে সতেজ হয়ে উঠবে প্রান। প্রতিটি মানুষেরই এমন ফুল বাগান অন্তত একবার পরিদর্শন করা উচিত। বিশেষ করে ফুল বিষয়ে শিশুসহ সকল ধরনের মানুষেরই জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে এই বাগান পরিদর্শন করার কোন বিকল্প নেই। নওগাঁ সড়ক বিভাগের সড়ক ভবন প্রাঙ্গণে হৃদয়ের সবটুকু ভালোলাগা ও ফুলের প্রতি ভালোবাসার সবটুকু ঢেলে এমন ব্যতিক্রমী ফুল বাগানে সাজিয়েছেন, সওজ নওগাঁ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ও লেখক মোঃ সাজেদুর রহমান সাজেদ।

নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান সাজেদ বলেন, নওগাঁ সড়ক বিভাগে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন আমার উত্তরসুরী সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হামিদুল হক। তারই ধারাবাহিকতায় একটু একটু করে অফিস কম্পাউন্ডকে সাজানো শুরু করি আমি। আমি যেখানে কাজ করি সেখানেই সড়ক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অফিস ও বাসা সবকিছু পরিপাটি করার চেষ্টা করি। মানুষ সাধারনত পুরাতন ও জরাজীর্ণ সরকারী অফিস দেখে অভ্যস্ত। কিন্তু সুন্দর পরিবেশ করতে পারলে সবার মন প্রফুল্ল থাকে। কাজের গতি পায়। মানুষের মন মানসিকতা পরিবর্তনেও পরিবেশ সহায়ক ভূমিকা রাখে। আর এ জন্য খুব বেশি অর্থেরও প্রয়োজন হয় না। সরকারি দপ্তর সম্পর্কে মানুষের ধারনা বদলানোর জন্যই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা। সরকারের স্বক্ষমতা বেড়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মানসিকতাও ইতিবাচকভাবে বদলে যাচ্ছে। আমরা যেখানে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটাই সেই অফিসকে সুন্দর রাখা নৈতিক দায়িত্ব। এতে করে যেমন একটি সুন্দর পরিবেশের সৃষ্টি হয় তেমনি ভাবে ওই অফিসের সবকিছুতে স্বচ্ছতার পাশাপাশি কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় এবং মন মানসিকতার পরিবর্তনের পাশাপাশি সবকিছুতেই পরিচ্ছন্নতা ফিরে আসে বলেও মনে করেন তিনি।


আরও খবর



নওগাঁয় স্কুলে যাওয়ার একমাত্র পথ ভেঙ্গে পুকুর-গর্ভে

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল হচ্ছে মিরাট গ্রাম। মিরাট গ্রামে ১৮৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মিরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আর এক পাশে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত মিরাট উচ্চ বিদ্যালয়। এই দুই বিদ্যালয়ের যাতায়াতের জন্য মাঝে রয়েছে একটি রাস্তা। যে রাস্তাদিয়ে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী সহ গ্রামবাসীরা প্রতিনিয়তই চলাচল করেন। কিন্তু দীঘদিন যাবত ঢালাই করা রাস্তাটি ভেঙ্গে পুকুর-গর্ভে বিলীন হলেও তা মেরামত করার প্রতি দৃষ্টি নেই কর্তৃপক্ষের।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটি নির্মাণ করার ৪ মাস পর যদি ভেঙ্গে যায় তাহলে কি পরিমাণ নিম্ম মানের কাজ করা হয়েছিলো তা বোঝা যায়। প্রতিদিনই শিক্ষার্থীসহ শত শত গ্রামের বাসিন্দাদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে পায়ে হেটে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। এতে করে প্রতিনিয়তই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

মিরাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতাজ উদ্দিন বলেন, আনুমানিক দেড়বছর আগে এই রাস্তাটি তৈরি করে উপজেলা এলজিইডি বিভাগ। পুকুরপাড়ে পালাসাইড না দিয়ে শুধুমাত্র কয়েকটি পিলারের সঙ্গে ইটের গাঁথুনির উপর ঢালাই দিয়ে নির্মাণ করা হয় জনগুরুত্বপূর্ন এই রাস্তাটি। নির্মাণের প্রায় ৪মাস পরই ইটের গাঁথুনি আর পিলার পুকুরগর্ভে ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে রাস্তাটির ৪ ভাগের ৩ ভাগই ভেঙ্গে পুকুরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সামান্য একটু অংশের উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে কোনমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে চলাচল করতে গেলেই পা পিছলে পুকুরের মধ্যে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ইতিমধ্যেই স্কুলে চলাচল করার সময় শিশুসহ অনেক শিক্ষার্থী মনের অজান্তে পুকুরে পড়ে ঘটেছে দুর্ঘটনা। তাই অতিদ্রুত দীর্ঘস্থায়ীভাবে এই রাস্তাটি মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি এই উপজেলাতে নতুন। সরেজমিনে পরিদর্শন করে দ্রুত এই রাস্তাটিকে মেরামত কিংবা সংস্কার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।


আরও খবর



বকশীগঞ্জের চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সে নবীন বরণ অনুষ্ঠান

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মাসুদ উল হাসান,জামালপুর :

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্সে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম শিক্ষা কমপ্লেক্স অডিটোরিয়াম নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম। নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য ও বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ফতেহপুর কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক ইকবাল হোসেন মিল্লাত। চন্দ্রাবাজ শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক দিনুল ইসলাম সিরাজীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী শরিফ মাহমুদ,সৈয়দা কামরুন্নাহার কনক ও আসমাউল হোসনা প্রমূখ। এ সময় চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের সকল শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পেইড সোর্স নিয়োগ করে

হত্যা মামলার আসামীকে ভারত থেকে এনে গ্রেফতার করলো পুলিশ

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিনিধি :

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে সাবেক কলেজ অধ্যক্ষ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামী নাহিদুজ্জামান প্রধান বাবু ভারতে পালিয়ে গিয়েও রক্ষা পায়নি। পুলিশের চৌকসতায় পেইড সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে ফের আসামী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল ৫ টায় লালমনিরহাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে পুলিশ সুপার জানান, পাটগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলী হত্যাকান্ডের পর থেকে মুল আসামীকে গ্রেফতার করতে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে অনুসন্ধান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী নাহিদুজ্জামান বাবুর অবস্থান ভারতের কুচবিহারে জানা যায়।পরে পেইড সোর্স নিয়োগ করে তাদের মাধ্যমে আসামী ভারতের কুচবিহার থেকে বাংলাদেশের পাটগ্রামের দহগ্রাম এলাকায় ঢুকলে আসামিকে পাটগ্রাম থানা পুলিশের ১০ সদস্যের একটি টিম গ্রেফতার করে।

এসপির দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তথ্যসূত্রে জানাযায়, হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামী নাহিদুজ্জামান প্রধান বাবু দীর্ঘ ০৩ বছর যাবত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলীর উপর বিভিন্ন কারণে ক্ষিপ্ত ছিল। ঘটনার দিন(২০ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলীর পিছু নিয়ে তার বাসার সামনে পৌঁছিলে ধারালো ছুরি দিয়ে প্রথমে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় উপর্যুপরি আঘাত করে বাবু। অঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলী রাস্তা সংলগ্ন তার নিজ বাড়ির ওয়ালের পার্শ্বে পড়ে গেলে আসামীর হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে ওয়াজেদ আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুনরায় আঘাত করে এবং পরিশেষে ধারালো ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করে। এসময় এম ওয়াজেদ আলীর আত্মচিৎকারে লোকজন আসতে থাকলে আসামী ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এবং ঐ রাতেই উপজেলার জগতবের সীমান্ত দিয়ে গরু পারাপারকারীর মাধ্যমে অবৈধ পথে ভারতে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশের তৎপরতায় এবং পেইড সোর্সের মাধ্যমে মামলার মূল আসামী নাহিদুজ্জামান বাবু বাংলাদেশ সীমান্তের দহগ্রামে ফেরত আসলে কৌশলে ২৯ জানুয়ারি রোববার মধ্য রাতের দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত নাহিদুজ্জামান প্রধান বাবু (২৭) পাটগ্রাম নিউ পূর্বপারা রসূলগঞ্জ এলাকার আব্দুস সামাদ প্রধানের পুত্র। এর আগে মামলার প্রধান আসামী বাবুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী নাহিদুজ্জামান প্রধান বাবুকে ৩০ জানুয়ারী বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আসামি এই হত্যাকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে পাটগ্রাম আমলী আদালত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট  বেলাল হোসাইনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

লালমনিরহাট পুলিশের এ সংবাদ সম্মেলনে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বি সার্কেল,পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ওমর ফারুক, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মুত্তালিবসহ প্রমূখ পুলিশ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নারায়নগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসি মাহাবুব, শ্রেষ্ঠ তদন্ত আহসান

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

জহিরুল কবির আমজাদ:  নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন ইনচার্জ মাহাবুব আলম ও শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আহসান উল্লাহ।

মাসব্যাপী বিভিন্ন মামলার তদন্ত, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার সহ বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করে মঙ্গলবার (১৭ই জানুয়ারি)  দূপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ ও শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসির নাম ঘোষণা করেন জেলা পুলিশ সুপার।

মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় জেলার পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল পিপিএম (বার) শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুব আলম এবং শ্রেষ্ঠ তদন্ত ওসি হিসেবে একই থানার আহসান উল্লাহ এর নাম ঘোষণা করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব আমির খসরু,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাই লাও মারমা সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ।

 
 

আরও খবর