Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ কিনবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক:


ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে পাঁচ বছরের জন্য ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার। যার প্রতি ইউনিট ব্যয় হবে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।



আজ মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে এ জলবিদ্যুৎ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে পণ্য ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এটিসহ আরও ১৫টি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।



উখিয়া ক্যাম্পে রোহিঙ্গাকে পিটিয়ে হত্যা

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় জুলাই থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে সিঙ্গাপুর থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার, যেখানে শুধু জাহাজ ভাড়া বা প্রিমিয়াম পড়বে ১৩ হাজার ৮৭৬ দশমিক ৫৩ কোটি টাকা। 


টিসিবির মাধ্যমে সরকার স্থানীয়ভাবে ডাল ও ভোজ্যতেল কিনবে। মসুর ডাল কিনবে ১০ হাজার মেট্রিক টন, যার মোট খরচ ২০৫ কোটি টাকা। আর ৩৩১ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় সয়াবিন তেল কিনবে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার। সরকার সারও কিনবে বিভিন্ন উৎস থেকে।


তিউনিশিয়া থেকে ১১৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার, কানাডা থেকে ১২৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার, মরক্কো থেকে ২২৫ কোটি ৫২ লাখ টাকায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার, কাতার থেকে ১১০ কোটি ২৮ লাখ টাকায় ৩০ হাজার বাল্ক গ্র্যানিউলার ইউরিয়ার সার এবং কাফকো থেকে ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকায় ৩০ হাজার বাল্ক গ্র্যানিউলার ইউরিয়ার সার কেনা হবে।


এছাড়া আগামী ১ বছরের জন্য জিটুজি পদ্ধতিতে কাতার ও সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।



বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সংস্কার ও সমন্বয়) মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, 'ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসবে এই বিদ্যুৎ। ভারত হয়ে ওই বিদ্যুৎ আসবে বলে ভারতকে ট্রেডিং মার্জিন হিসেবে দিতে হবে ইউনিট প্রতি দশমিক ০৫৯ রুপি। ভারতকে ট্রান্সমিশন খরচও দিতে হবে; তবে তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। '


এই বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৫ বছরের জন্য ৬৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছে।


মাহমুদুল হোসাইন খান আরও জানান, নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে চুক্তি করবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেপাল সফরের সময় কবে থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে, সেই বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চশমার লেন্স কেনো গুরুত্বপূর্ণ আপনার সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টির জন্য

চশমা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন না করলে হতে পারে বিপদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

ডক্টর মোঃ মিজানুর রহমান , পিএইচডি , দৃষ্টি বিজ্ঞান :

চোখ আমাদের শরীরের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চোখের মাধ্যমে আমরা পৃথিবীকে দেখতে পাই এবং এর সাহায্যে আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলি সম্পন্ন করি। কিন্তু যদি দৃষ্টি সমস্যায় ভুগি, তখন আমাদের জীবনে বড় সমস্যা দেখা দেয়। এই দৃষ্টি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চশমার লেন্স ব্যবহৃত হয়। বর্তমান যুগে চশমা আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। পড়াশোনা, কম্পিউটার কাজ, মোবাইল ব্যবহার, এমনকি সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের কাজেও চশমার প্রয়োজন হয়। কমবেশি অনেকেই দৃষ্টির সমস্যার কারণে কিংবা সুরক্ষার জন্য চশমা ব্যবহার করে থাকেন, , আবার কেউ কেউ সূর্য থেকে রক্ষা পেতে সানগ্লাস ব্যবহার করেন। । কিন্তু আমরা কি জানি, ছোট থেকে বড়, অনেকেই চোখের সমস্যা সমাধানে চশমা ব্যবহার করেন। তবে, চশমা ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন না করলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ।

আসুন, জেনে নেই চশমা ব্যবহারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা।

প্রথমেই, চশমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক পাওয়ারের চশমা নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি। অপ্রয়োজনীয় বা ভুল পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চশমা নির্বাচন করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, চশমা পরিষ্কার রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিয়মিত চশমা পরিষ্কার না করলে ময়লা জমে যায় এবং তা চোখের সংক্রমণের কারণ হতে পারে। পরিষ্কার করার জন্য মৃদু সাবান ও পানি ব্যবহার করা উত্তম। এছাড়া, সফট কাপড় দিয়ে চশমা মুছতে হবে যাতে লেন্সে কোনো দাগ না পড়ে।

তৃতীয়ত, চশমা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করাও জরুরি। চশমা ব্যবহারের পর এটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে যেন তা ভেঙ্গে না যায় বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। চশমার জন্য নির্ধারিত বাক্সে সংরক্ষণ করা উত্তম।

চতুর্থত, চশমার ফ্রেম এবং লেন্স নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। যদি ফ্রেমে কোনো সমস্যা দেখা দেয় অথবা লেন্সে দাগ পড়ে, তবে তা দ্রুত ঠিক করিয়ে নেওয়া উচিত। নতুবা, দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হতে পারে।

সবশেষে, দীর্ঘ সময় ধরে চশমা ব্যবহার করলে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। বিশেষ করে যারা কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনের সামনে অনেক সময় কাটান, তাদের প্রতি ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তু দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এই নিয়ম মেনে চললে চোখের ওপর চাপ কমে এবং চোখের ক্লান্তি দূর হয়।

চশমার লেন্স দৃষ্টি সংশোধনের মূল উপাদান। একটি ভালো মানের লেন্স না থাকলে দৃষ্টির স্পষ্টতা কমে যেতে পারে এবং চোখের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। নিম্নমানের লেন্স ব্যবহার করলে চোখে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে, যেমন:

চোখের ক্লান্তি

মাথাব্যথা

দৃষ্টির অস্বচ্ছতা

চশমার লেন্সের গুরুত্ব

চশমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর লেন্স। লেন্সের গুণগত মান এবং সঠিক ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে আপনার দৃষ্টিশক্তি। নিম্নমানের বা ক্ষতিগ্রস্ত লেন্স ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি স্থায়ীভাবে চোখের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই উচ্চ মানের এবং আপনার চোখের জন্য উপযোগী লেন্স নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

চশমার লেন্স শুধু আপনার দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না, এটি আপনার চোখকে সুরক্ষাও প্রদান করে। ভালো মানের লেন্স নির্বাচন করলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়:

সঠিক লেন্স নির্বাচন করুন: চশমার লেন্সের ক্ষমতা আপনার চোখের সমস্যার সঙ্গে মিলিয়ে ঠিক করা উচিত। সঠিক ক্ষমতার লেন্স ব্যবহার না করলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এজন্য নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে চশমার লেন্স পরিবর্তন করা উচিত।

ঠিকমতো ফিটিং করান: চশমার ফ্রেম যদি ঠিকমতো ফিট না হয় তাহলে তা আপনার চোখ এবং কানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এটি মাথাব্যথা, চোখের যন্ত্রণা এবং অন্যান্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই চশমা কিনে নেয়ার সময় ফিটিং ভালোভাবে চেক করে নিন।

স্পষ্ট দৃষ্টি: উচ্চমানের লেন্স স্পষ্ট এবং পরিষ্কার দৃষ্টি প্রদান করে, যা আপনার দৈনন্দিন কাজকে সহজ করে।

রশ্মি প্রতিরোধক: অনেক লেন্সে বিশেষ প্রলেপ থাকে যা ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি প্রতিরোধ করে। এটি আপনার চোখকে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।

স্ক্র্যাচ প্রতিরোধক: ভালো মানের লেন্স স্ক্র্যাচ প্রতিরোধক হয়, যা লেন্সের স্থায়িত্ব বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে খরচ কমায়।

কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারে আরাম: ব্লু লাইট প্রতিরোধক লেন্স কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারকালে চোখের চাপ কমায় এবং আরামদায়ক দৃষ্টি প্রদান করে।

চশমার লেন্স নির্বাচন করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

চোখের পরীক্ষা:নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করানো উচিত যাতে আপনার দৃষ্টির পরিবর্তন সম্পর্কে জানা যায় এবং সেই অনুযায়ী লেন্স পরিবর্তন করা যায়।

লেন্সের প্রকার: আপনার দৃষ্টির সমস্যা অনুযায়ী কনকাভ, কনভেক্স, বা সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স বেছে নিন।

লেন্সের প্রলেপ:অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ বা অ্যান্টি-স্ক্র্যাচ প্রলেপযুক্ত লেন্স নির্বাচন করুন যাতে লেন্স দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং দৃষ্টির স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

বিভিন্ন প্রকারের চশমার লেন্স :

চশমার লেন্স বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। মূলত, দুটি প্রধান প্রকারের লেন্স ব্যবহৃত হয়: একক দৃষ্টি লেন্স এবং বহুমুখী দৃষ্টি লেন্স।

একক দৃষ্টি লেন্স: এই লেন্সগুলো শুধুমাত্র এক ধরনের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মায়োপিয়া (দূর দৃষ্টি সমস্যা) বা হাইপারমেট্রোপিয়া (নিকট দৃষ্টি সমস্যা) সমাধানে একক দৃষ্টি লেন্স ব্যবহার করা হয়।

বহুমুখী দৃষ্টি লেন্স: এই লেন্সগুলো বিভিন্ন দূরত্বে দৃষ্টি সমস্যা সমাধান করতে ব্যবহৃত হয়। প্রেসবাইওপিয়া (বয়সজনিত দৃষ্টি সমস্যা) সমাধানে এই লেন্সগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।

সঠিক লেন্স নির্বাচন 

চশমার লেন্স নির্বাচন করার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ: আপনার চোখের পরীক্ষা করে একজন বিশেষজ্ঞ অপটোমেট্রিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স নির্বাচন করুন।

মানসম্মত লেন্স: সর্বদা মানসম্পন্ন লেন্স ব্যবহার করুন যা আপনার দৃষ্টিশক্তি এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

ফ্রেমের আরাম: এমন ফ্রেম নির্বাচন করুন যা আরামদায়ক এবং আপনার মুখের সাথে মানানসই।

চশমার লেন্সের আধুনিক প্রযুক্তি :

বর্তমানে চশমার লেন্সে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। ব্লু লাইট ফিল্টার লেন্স, ফটো ক্রোমেটিক লেন্স, অ্যান্টি-রিফ্লেকটিভ লেন্স ইত্যাদি প্রযুক্তি ব্যবহার করে দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখা যায় এবং চোখের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়।

ভালো লেন্স নির্বাচন করার কিছু টিপস :

চিকিৎসকের পরামর্শ: চশমার লেন্স কেনার আগে অবশ্যই একজন চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক চোখ পরীক্ষা করে সঠিক লেন্সের পরামর্শ দেবেন।

গুণগত মান: লেন্সের মান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া খুবই জরুরি। ভালো মানের লেন্স চোখের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক।

অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং: আজকাল অনেক লেন্সেই অ্যান্টি-রিফ্লেক্টিভ কোটিং থাকে, যা গ্লেয়ার কমায় এবং দৃষ্টি পরিষ্কার করে।

ইউভি প্রোটেকশন: সূর্যের ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য লেন্সে ইউভি প্রোটেকশন থাকা উচিত।

যদি চশমার লেন্স ঠিকমতো না হয় তাহলে চোখের কিছু সমস্যা হতে পারে যেমন:

দৃষ্টিশক্তির কমতি: চশমা ঠিকমতো না থাকলে দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হতে পারে। এটি বিশেষত দূরদৃষ্টি বা কাছদৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রকাশযুক্ত হয়।

অস্বচ্ছ দৃষ্টি: চশমা যদি মধ্যে মধ্যে সাফ না থাকে বা মন্দ হয়ে যায়, তবে দৃষ্টি অস্বচ্ছ হয়ে যেতে পারে।

চোখের অবশ্যতা: অন্ধকার বা মন্দ আলোয় সঠিকভাবে দেখা যাবে না।

চোখের অস্থিরতা: চশমা সঠিকভাবে না হলে চোখের অস্থিরতা অনুভব হতে পারে, যা দৃষ্টিশক্তিতে ভার তুলে দেয়।

পরামর্শ

নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করান এবং চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লেন্স পরিবর্তন করুন।

চশমা ব্যবহারে কোনো অসুবিধা হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চশমা ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং শিশুদের ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দিন।

চশমার লেন্স শুধু দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না, বরং চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, সঠিক লেন্স নির্বাচন এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো আমাদের সকলের জন্যই জরুরি। সুস্থ ও সুন্দর দৃষ্টি উপভোগ করতে ভালো মানের লেন্স ব্যবহার করা উচিত। চশমা আপনার দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সঠিকভাবে চশমা ব্যবহার করলে এবং নিয়মিত যত্ন নিলে আপনি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে পারেন। তাই চশমার সঠিক ব্যবহারে সতর্ক থাকুন এবং আপনার চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

লেখক : অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ম্যানেজমেন্ট এন্ড সাইন্স ইউনিভার্সিটি , মালয়শিয়া


আরও খবর



পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং দেশের অভ্যন্তরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে চলমান বন্যায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান।

শনিবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতে ১৫ জেলা আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলাগুলো হলো- সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, গাইবান্ধা, ফেনী, রাঙামাটি, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, সিরাজগঞ্জ, লালমনিরহাট ও কক্সবাজার।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এসব জেলায় এখন পর্যন্ত নগদ তিন কোটি ১০ লাখ টাকা, ৮ হাজার ৭০০ টন ত্রাণের চাল, ৫৮ হাজার ৫০০ বস্তা শুকনো খাবারের ব্যাগ ও অন্যান্য খাবার, শিশু খাদ্য কেনার জন্য ৬০ লাখ টাকা এবং গো-খাদ্য কেনার জন্য ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিনই বন্যা বিস্তৃতি লাভ করছে। ১৫ জেলার সব মানুষই পানিবন্দি নয়। কোনো কোনো জেলা আংশিকভাবে বন্যা কবলিত। এখন পর্যন্ত আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ২২৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মনে করি বন্যাদুর্গত এলাকায় যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা পর্যাপ্ত।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা আক্রান্ত অঞ্চল নিয়ে সরকার কাজ করছে। বন্যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃতি লাভ করলে সেই জায়গাগুলোকেও আমরা অ্যাড্রেস করব। বন্যার কারণে দক্ষিণ দিকেও প্লাবন হতে পারে। আগামী মাস (আগস্ট) কিংবা তার পরের মাসেও (সেপ্টেম্বর) এ রকম আরেকটা বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বন্যার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।

তিনি বলেন, সবার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা কাজ করছি। তারপরও বিভিন্ন সময় পত্রিকায় দেখি যে কোনো কোনো জায়গায় মানুষজন খাদ্য পায়নি। এজন্য আমরা জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলব।

স্থানীয় পর্যায়ে সংসদ সদস্য, ডিসি, ইউএনও যখন যেটা চাচ্ছে আমরা দিচ্ছি। ‌তারপরও গ্যাপ থাকার কোনো কারণ নেই- বলেন প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মতিউর ও তার পরিবারের সব হিসাব জব্দের আদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ |

Image

মতিউর রহমান ও তার দুই স্ত্রী এবং সন্তানদের ব্যাংক হিসাব ও বেনিফিশিয়ারি অ্যাকাউন্ট (বিও হিসাব) স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছাগলকাণ্ডে ভাইরাল হওয়ার পর এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) স্থগিত করার পাশাপাশি তাদের হিসাবের যাবতীয় তথ্য চেয়েছে।

এ সংক্রান্ত একটি চিঠি শেয়ার বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠিয়েছে বিএফআইইউ।

বিএফআইইউয়ের চিঠিতে যাদের ব্যাংক ও বিও হিসাব স্থগিতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন মতিউর রহমান, তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ, প্রথম স্ত্রীর মেয়ে ফারজানা রহমান ইপ্সিতা, প্রথম স্ত্রীর ছেলে আহাম্মেদ তৌফিকুর রহমান, দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলী, দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে ইফতিমা রহমান মাধুরী, দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত, দ্বিতীয় স্ত্রীর ছেলে ইরফানুর রহমান ইরফান।

আগামী ৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের ব্যাংক হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি, লেনদেন বিবরণী ইত্যাদি তথ্যা সরবরাহের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মতিউর রহমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট ও সোনালী ব্যাংকের প‌রিচালক ছিলেন।

দুর্নীতির বিষয়টি সামনে এলে তাকে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়। পরে সোনালী ব্যাংকের প‌রিচালক পদ থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে গত ৪ জুন পাওয়া অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মতিউর রহমানের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে দলটি অনুসন্ধান শুরু করেছে।

এদিকে মতিউর রহমান, তার স্ত্রী ও ছেলেকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। যদিও গুঞ্জন রয়েছে এরইমধ্যে তিনি দেশত্যাগ করেছেন।

প্রসঙ্গত, ঈদুল আজহায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে মতিউর রহমানের ছেলে সিফাতের ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন খামার থেকে ৭০ লাখ টাকার গরু কিনেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে উঠে আসে। এরপর থেকে মতিউর রহমানের ছেলের দামি ব্র্যান্ডের ঘড়ি, গাড়ি, আলিশান জীবনযাপন, মতিউর রহমান ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিং স্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।


আরও খবর



পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি::



রাজশাহীর পুঠিয়ায উপজেলায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর গায়েবানা জানাজা ও সারা দেশব্যাপী জামায়াত, বিএনপির নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার পরেশ নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (পিএন) মাঠে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী সবুজ আলীর গায়েবানা জানাজা শেষে, দেশব্যাপী সহিংসতার বিরুদ্ধে পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ওই বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

পরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুঠিয়া উপজেলার ত্রিমোহনী বাজার মসজিদের সামনে নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সংক্ষিপ্ত ওই সমাবেশে বক্তারা বলেন জামাত-বিএনপি ও শিবিরের দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ ও জাগ্রত থাকতে হবে। যারা রাজাকার ছিল তাদেরকে উৎখাত করা হয়েছে। এদেশে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারের কোন স্থান নেই। তোমরা যারা আন্দোলন করছো ভুল পথে যেওনা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস এম একরামুল হকের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও সাবেক এমপি আয়েন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক চিন্ময় কান্তি দাস, জেলা যুবললীগের সাবেক সভাপতি আবু সালেহ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক প্রদ্যুৎ কুমার সরকার, উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক, পুঠিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবি, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মিঠু, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি রাজিবুল হক রাজিব, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. তুহিনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও পৌরসভার ২ নং প্যানেল মেয়র নিজাম উদ্দীন মকুলসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগণ।




আরও খবর



মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিভিন্ন সময় মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা হয়েছে এবং তারা তাদের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমি চাই যুগ যুগ ধরে দেশের মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দেবে। মুক্তিযোদ্ধাদের সব সময় সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‌প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ ২০২৪-২৫-এর নির্বাচিত ফেলোদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা কখনো ব্যর্থ হতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধা যে দলেরই হোক, তাদের সব সময় সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা সবচেয়ে বেশি মেধাবী। তাদের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। সেটাই আমাদের কর্তব্য। সেই সুযোগ আমরা করে দিতে চাই। সেই কারণে ফেলোশিপটা চালু করেছি।

২০২১ থেকে ২০৪১ সাল নির্দিষ্ট করেছি। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ব। আমাদের জনশক্তি স্মার্ট জনশক্তি হবে। আমাদের বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বলেন সরকারপ্রধান।

নারী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী কেউ যাতে পিছিয়ে না থাকে তার জন্য সরকার সচেষ্ট বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ অ্যাওয়ার্ড ভবিষ্যতে কেউ যেন বাতিল করতে না পারে সেজন্য একে ট্রাস্টের আওতায় আনা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এজন্য ৫০০০ কোটি টাকার ফান্ড প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলায় তরুণদের উপযুক্ত করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ের কথাও জানান সরকারপ্রধান।


আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪