Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নেপালে ভূমিধস ও বন্যায় নিহত ১১, নিখোঁজ ৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

নেপালে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধস ও হঠাৎ বন্যায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। এছাড়াও নিখোঁজ রয়েছেন আরও আটজন। রবিবার (৭ জুলাই) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এসব এই ঘটনা ঘটেছে। ভূমিধস ও বন্যার কারণে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ও তলিয়ে গেছে।

পুলিশের মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি রয়টার্সকে জানান, কীভাবে আটজন নিখোঁজ হয়েছেনতা বলা যাচ্ছে না। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জরুরি বিভাগের কর্মীরা ভূমিধসের মাটি ও আবর্জনা পরিষ্কার করে রাস্তাগুলো চালু করার চেষ্টা করছেন।

নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় কোশি নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে। এই নদী নেপালের সীমানা পেরিয়ে ভারতের বিহার রাজ্যের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে। প্রায় প্রতি বছর বিহারে প্রাণঘাতী বন্যার কারণ হয় এই নদী বলে এক জেলা কর্মকর্তা জানিয়েছেন।।

নেপালের সানসারি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বেদ রাজ পুয়েল বলেন, কোশির পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের আমরা সম্ভাব্য বন্যার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছি।

তিনি জানান, স্থানীয় সময় রোববার সকাল ৯টায় প্রতি সেকেন্ডে কোশি নদী দিয়ে ৩ লাখ ৬৯ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হচ্ছিল, যা স্বাভাবিক প্রবাহ দেড় লাখ কিউসেকের দ্বিগুণের চেয়েও বেশি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানি বের করে দিতে কোশি ব্যারেজের ৫৬টি স্লুইস গেটের সবগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ১০ থেকে ১২টি গেট খোলা রাখা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেপালের পশ্চিমাঞ্চলীয় নারায়ণী, রাপ্তি ও মহাকালী নদীর পানিও বাড়ছে। পাহাড় ঘেরা রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে বেশ কয়েকটি নদীর পানি পাড় উপচে বন্যার কারণ হয়েছে, এতে নগরীর কয়েকটি রাস্তা তলিয়ে গেছে ও অনেকগুলো বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

নেপালে মধ্য জুনে বৃষ্টির মৌসুম। বৃষ্টি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ভূমিধস, বন্যা ও বজ্রপাতে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স


আরও খবর



নওগাঁয় মাইক্রোবাস ও ট্রাকের ধাক্কায় দু'জন মোটরসাইকেল চালক নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পৃথক দুটি স্থানে মাইক্রোবাস ও ট্রাকের ধাক্কায় দু'জন মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের একজন

নিহত সেনা সদস্য ও অপর জন মাদ্রাসা পড়ুয়া হাফেজ। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নয়ন নামে এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সেনা সদস্য নয়ন (২৮) নিয়ামতপুর উপজেলার গোরাই গ্রামের লালচাঁন মিয়ার ছেলে।

সোমবার ২৪ জুন সকাল ৮ টারদিকে নিয়ামতপুর উপজেলার ছাতড়া গাবতলী ধর্মপুর মোড় এলাকায় দূর্ঘটনাটি ঘটে। সেনা সদস্য নয়ন ঈদের ছুটিতে বাডি় ফিরছিলেন। সকালে ছাতড়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে গাবতলী ধর্মপুর এলাকায় পৌছালে দ্রুতগামী একটি মাইক্রোবাস মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কাদিলে

মোটরসাইকেল থেকে পাকা সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই নয়ন নিহত হোন। নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে

নিয়ামতপুর থানার (ওসি তদন্ত) কওছার রহমান বলেন, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অপরদিকে সোমবার দুপুরে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক জিহাদ হোসেন (১৮) নামে মাদ্রাসা পড়ুয়া কোরআন এর হাফেজ এর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, সোমবার ২৪ জুন দুপুরে নওগাঁ টু মহাদেবপুর আঞ্চলিক মহা-সড়কের বসনা ব্রীজ নামাক এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র জিহাদ হোসেন এর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত জিহাদ হোসেন হলেন, মহাদেবপুর উপজেলার রোদইল গ্রামের আবদুস সামাদ এর ছেলে। 

সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল                                                   আমিন প্রতিবেদক কে জানান, নিহত যুবক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী হওয়ায় এবং নিহতের পরিবার কোন অভিযোগ না করায় মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া আইনি পদক্ষেপ পক্রিয়াধীন রয়েছে 


আরও খবর



পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি::



রাজশাহীর পুঠিয়ায উপজেলায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর গায়েবানা জানাজা ও সারা দেশব্যাপী জামায়াত, বিএনপির নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে পুঠিয়া উপজেলার পরেশ নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (পিএন) মাঠে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী সবুজ আলীর গায়েবানা জানাজা শেষে, দেশব্যাপী সহিংসতার বিরুদ্ধে পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে ওই বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

পরে বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুঠিয়া উপজেলার ত্রিমোহনী বাজার মসজিদের সামনে নেতাকর্মীরা উপস্থিত হয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। সংক্ষিপ্ত ওই সমাবেশে বক্তারা বলেন জামাত-বিএনপি ও শিবিরের দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ ও জাগ্রত থাকতে হবে। যারা রাজাকার ছিল তাদেরকে উৎখাত করা হয়েছে। এদেশে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারের কোন স্থান নেই। তোমরা যারা আন্দোলন করছো ভুল পথে যেওনা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস এম একরামুল হকের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক ও সাবেক এমপি আয়েন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক চিন্ময় কান্তি দাস, জেলা যুবললীগের সাবেক সভাপতি আবু সালেহ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক প্রদ্যুৎ কুমার সরকার, উপ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ গোলাম ফারুক, পুঠিয়া উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবি, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মিঠু, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি রাজিবুল হক রাজিব, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. তুহিনুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও পৌরসভার ২ নং প্যানেল মেয়র নিজাম উদ্দীন মকুলসহ উপজেলা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগণ।




আরও খবর



বিশ্ববাজারে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস ডেস্ক:



বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে অপ্রচলিত বাজার। নতুন নতুন বাজারে ক্রমশ চাহিদা বাড়তে থাকায় রপ্তানি আয়ে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে চলেছে এদেশের তৈরি পোশাক খাত। 



চলতি অর্থবছরে সামগ্রিকভাবেই রপ্তানি আয় বেড়েছে এ খাতে; তবে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অপ্রচলিত বাজারের আয়ে।


রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত অপ্রচলিত বাজার থেকে পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১৮ কোটি ডলার, যা একই সময়ে আগের বছরে ছিল ৭৬৮ কোটি ৯ লাখ ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী মোট রপ্তানি আয়ের ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ এসেছে নতুন বাজার থেকে।



অন্যদিকে, তৈরি পোশাক খাতে সামগ্রিক রপ্তানি আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে মোট ৪ হাজার ৩৮৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ৪ হাজার ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।


অপ্রচলিত বাজারের মধ্য থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে জাপান থেকে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে জাপানে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১৪৮ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। আগের বছর রপ্তানি হয়েছিল ১৪৫ কোটি ৭৯ লাখ ডলার।



হত্যা আতঙ্কে ব্যারিস্টার সুমন, থানায় জিডি

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। সেখান থেকে তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ১০৬ কোটি ডলার।


এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলমান থাকলেও বড় ধরনের রপ্তানি আয় এসেছে রাশিয়া থেকেও। দেশের তৈরি পোশাক নতুন এ বাজারে রপ্তানি করে আয় বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। চলত অর্থবছর আয় হয়েছে ৪৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৪০ কোটি ডলার।


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীনেও চাহিদা বাড়ছে এখানকার তৈরি পোশাক পণ্যের। চলতি অর্থবছরে দেশটিতে আমাদের রপ্তানি বেড়েছে ২৩ দশমিক ২৩ শতাংশ। আয় হয়েছে ৩১ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, যা আগের বছরে ছিল ২৫ কোটি ২ লাখ ডলার।


পাশাপাশি কোরিয়ায় আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত ১১ মাসে দেশটি থেকে আমাদের আয় হয়েছে ৫৭ কোটি ২৮ লাখ ডলার। গত বছর এ আয় ছিল ৫০ কোটি ডলার।


উল্লেখযোগ্য হারে রপ্তানি বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে; ৫৮ দশমিক ২৮ শতাংশ। এ সময়ে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩ লাখ ডলার, যা গত বছর ছিল ১৭ কোটি ২ লাখ ডলার।


বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের ৪৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ আসে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে। অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশে আমাদের রপ্তানি কমেছে ২ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এই জোন থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ২ হাজার ১৬৪ কোটি ৮১ লাখ ডলার। অবশ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করা যুক্তরাজ্যে আমাদের তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।



 চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ৫১৬ কোটি ডলার, যা গত বছর ছিল ৪৫৯ কোটি ডলার।


পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে আমাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বাণিজ্যিক অংশীদার ভারতেও। প্রতিবেশী দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের রপ্তানি কমেছে ২৩ দশমিক ১১ শতাংশ। ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরে ছিল ৯৫ কোটি ডলার।


এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রেও ৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে গেছে আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি। প্রথম ১১ মাসে দেশটি থেকে আয় হয়েছে ৭৪৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। গত বছর একই সময় এ আয় ছিল ৭৭৩ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।


বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমরা সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারছি না। সম্ভাবনা অনুযায়ী আমরা রপ্তানি আয় বাড়াতে পারছি না।



 এক্ষেত্রে সরকারকে অশুল্ক বাধা দূর করা এবং রপ্তানি সহজীকরণের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। ভারত একটি বড় বাজার। কারণ দেশটির জনসংখ্যা অনেক বড়। সেখানে যদি আমরা খুব সামান্য পরিমাণও মার্কেট ধরতে পারি সেটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হবে। 


সুতরাং ভারতসহ সম্ভাবনাময় সব অপ্রচলিত বাজারগুলোর প্রতি সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে এবং বাণিজ্যিক রিংগুলো কাজে লাগাতে হবে।’


এক্ষেত্রে তার পরামর্শ, বাজেটে যে নতুন ধরনের কর আরোপ করা হয়েছে সেগুলো প্রত্যাহার করে বাজেট রপ্তানিবান্ধব করতে হবে।


প্রচলিত বাজারে রপ্তানি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ‘নতুন বাজারের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি আশাব্যঞ্জক। তবে তা সম্ভাবনার চেয়ে কম। 


আমাদের নতুন বাজার আরো বেশি করে অনুসন্ধান করা উচিত। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রচলিত বাজারে মার্কেটের হিস্যা রপ্তানিতে কমেছে।’


সরকার ও রপ্তানিকারকদের নতুন বাজারে রপ্তানির জন্য নতুন কৌশল অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন এ অর্থনীতিবিদ।


আরও খবর



অবৈধ পার্কিংয়ে নগরজুড়ে নৈরাজ্য, বাড়ছে যানজট

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

মার্কেট আছে, গাড়ি আছে, কিন্তু নেই পার্কিং। ফলে সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা। এতে বাড়ছে যানজট ও জনদুর্ভোগ। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে উঠছে শহরের পথঘাট, অলিগলি। সৃষ্টি হচ্ছে নানা প্রতিবন্ধকতা। নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে হিমশিম খেতে  হচ্ছে নগরবাসীকে। রাস্তা দখল করে পার্কিংয়ের কারণে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনাও। রাজধানীতে পার্কিং নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। দিন যতই যাচ্ছে, ততই এ সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে। বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, ঢাকায় ৩০ শতাংশ যানজটের জন্য দায়ী অবৈধ গাড়ি পার্কিং।

এ জন্য প্রতিবছর অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি হচ্ছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে অন্তত ১৫ হাজার বহুতল ভবনে নেই পার্কিং সুবিধা। ফ্ল্যাট অনুপাতে আরও লক্ষাধিক বহুতল ভবনে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা নেই। ফলে ব্যস্ত সড়কের উপর অবৈধভাবে বাড়ছে গাড়ি পার্কিং। এতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কগুলো সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এসব অবৈধ পার্কিং নগরবাসীর জীবনে বিষফোঁড়া হয়ে উঠছে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন ঢাকাবাসী। পদ্মা সেতু চালু হলে ঢাকায় যানবাহনের সংখ্যা আরও বাড়বে। এতে থমকে যাবে মানুষের চলাচল। সরকার কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিদিনই বাড়ছে গাড়ি, কমছে সড়ক। 
রাজধানীর পার্কিং নৈরাজ্য কমাতে ২০০৭ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল। তবে ২০২৩ সালে এসেও তা আলোর মুখ দেখেনি। হয়নি নীতিমালাও। বিভিন্ন সময় পার্কিং নৈরাজ্য নিয়ে একাধিক সংস্থা কাজ করার কথা বললেও, সমস্যার জটিলতা কমেনি। বরং এই সময়ে পার্কিং নৈরাজ্য বেড়েছে বহুগুণ। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর অধিকাংশ ভবনের নেই পার্কিং-এর ব্যবস্থা। বড় বিপণি বিতানগুলোতে পার্কিং ব্যবস্থা থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। এ ছাড়া সড়কের পাশেই গড়ে ওঠা মার্কেটগুলোতে রাখা হয় না পার্কিংয়ের সুবিধা। ফলে গাড়ির মালিকের ইচ্ছা ও চালকদের সুবিধার জন্য সড়ককেই বেছে নেন। ব্যস্ত ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা, কিংবা মার্কেটের সামনের রাস্তায় চোখে পড়ে অবৈধ গাড়ি পার্কিংয়ের দৃশ্য। ফুটপাথ থেকে শুরু করে যেখানে সেখানে রাখা হচ্ছে এসব গাড়ি। সুবিধা মতো পার্কিংয়ের জায়গা না থাকায় যত্রতত্র গাড়ি রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন চালকরা। সড়ক দখল করে গড়ে তোলেন বাস কিংবা কার স্ট্যান্ড। সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। বিশেষ করে অফিস সময়ে অসহনীয় যানজটের ভোগান্তির শিকার হতে হয় কর্মজীবীদের। ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন ঢাকার রাস্তায় নতুন করে শতাধিক যানবাহন রাস্তায় নামে। ফলে সড়কে গাড়ি পার্কিং বেড়েই চলছে। এতে যানবাহন চলাচলের গতি কমে যাচ্ছে।

রাজধানীর কাওরান বাজার। সেখানেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়। অফিস থাকলেও সংস্থাটির কার পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। সড়কের উপর বেশ কয়েকটি খুঁটি বাসিয়ে পার্কিংয়ের জায়গা করে নিয়েছে সরকারের সেবাদাতা এ প্রতিষ্ঠানটি। শুধু সিটি করপোরেশনেই নয়। জনতা টাওয়ার থেকে পেট্রোবাংলা পর্যন্ত পুরো সড়কের উপর অবৈধভাবে পার্কিং করছে আরও ৯/১০ সরকারি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রতিদিনই ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেই থাকছে। রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের দিলকুশা। ব্যাংকপাড়া হিসেবেও বেশি পরিচিত স্থানটি। সরজমিন গত মঙ্গলবার দুপুরে দেখা গেছে, এখানে প্রতিটি সড়কের অলিগলিতে রাখা হয়েছে ছোট বড় গাড়ি। গোটা বাণিজ্যিক এলাকায় যানজট লেগে আছে। এই এলাকায় অধিকাংশ বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে কোনো রকম পার্কিং সুবিধা ছাড়াই। হাতেগোনা কিছু নতুন ভবনে অপর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা রয়েছে। আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি ফ্ল্যাটগুলোতে পার্কিং সুবিধা থাকলেও সেগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

দিলকুশায় সাধারণ বীমা টাওয়ারে ২০০৬ সালে পার্কিং ব্যবস্থা চালু করা হলেও সেখানে গাড়ি উঠছে না। অথচ ব্যস্ত সড়কের দুপাশে হাজার হাজার গাড়ি দিনভর পার্ক করে রাখা হয়েছে। ৩৭তলা সিটি সেন্টারেও প্রায় সাড়ে ৫শ গাড়ি পার্ক করার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানেও গাড়ি উঠছে না। পল্টন-মতিঝিল রুটে চলছে মেট্রোরেল নির্মাণকাজ। এতে দুইদিকে সরু হয়ে গেছে সড়ক। এই সরু সড়কের ওপর রাখা হয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি। এতে গণপরিবহন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। তৈরি হচ্ছে যানজট। শাপলা চত্বর থেকে নটরডেম কলেজ পর্যন্ত সড়কেরও একই চিত্র। সড়কের কোথাও নেই তিল পরিমাণ খালি জায়গা। গাড়ি সড়কের ওপর রেখেই এসব স্থানে খোশগল্পে মেতে উঠেছেন চালকরা। সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান, মগবাজার, ফার্মগেট, তেজগাঁও, সাতরাস্তা, মেয়র আনিসুল হক সড়ক, বনানী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, মিরপুর ১ ও ১০ নম্বর, ধানমণ্ডি, গুলশান, বাড্ডা, নতুনবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ওপর বাস রাখার কারণে নগরবাসীর অশান্তির শেষ নেই।

সূত্রে জানা যায়, পার্কিং নৈরাজ্য কমাতে ২০০৭ সালে মহাপরিকল্পনা হাতে নেয় সিটি করপোরেশন। সেটিকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ওই সময়ে ডিএসসিসির আরবান প্ল্যানিং বিভাগ একটি খসড়াও তৈরি করে। রাজধানীর পার্কিং স্পটগুলোতে কত সংখ্যক গাড়ি পার্কিং করা যায় তাও নির্ধারণ করা হয়। তখন সিদ্ধান্ত হয় নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করবে গাড়ি। দিতে হবে টোল। টোল আদায় কর্মীদের অনুমতি ছাড়া রাস্তার পাশে কেউ গাড়ি পার্কিং করতে পারবে না। তখন আশা করা হয়, এতে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে ফিরে আসবে শৃঙ্খলা, কমে যাবে যানজট। তবে নানা জটিলতায় পার্কিং নিয়ে মহাপরিকল্পনা আটকে যায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সিটি করপোরেশন, রাজউক, ঢাকা ওয়াসা, সওজ, রেলওয়েসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পার্কিং স্পেস বাড়াতে উচ্ছেদে নামে। সড়ক সংলগ্ন অবৈধ স্থাপনা এবং বহুতল ভবনের কার পার্কিং স্পেস অবমুক্ত করা হয়। তখন বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং মলে পার্কিং স্পেস ছেড়ে দেন ভবন মালিকরা। অনেক মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ডে বাণিজ্যিক কাজে ভাড়া দেয়া স্থাপনা ভেঙে ফেলেন। পরে সরকার পরিবর্তন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যায় সব চিত্র। ফের পার্কিং স্পেস ও আন্ডারগ্রাউন্ড বাণিজ্যিকীকরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ ফজলে রেজা সুমন বলেন, আমাদের দেশে পার্কিং নৈরাজ্য কমাতে কোনো গাইডলাইন নেই। প্রতিটি রোডে পার্কিং ব্যবস্থা রাখতে হয়। সেটা আমাদের দেখে নেই। গণপরিবহনের চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা বেশি। যা মোটেও কাম্য নয়। আমরা বারবার বলে আসছি- প্রতিটি সড়কে পার্কিং ব্যবস্থা রাখা হোক। প্রয়োজনে এর জন্য একটা চার্জ নিতে পারে সরকার। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা এসব আমলে নিচ্ছেন না। তিনি বলেন, ঢাকায় গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য জায়গা প্রয়োজন ২৫ শতাংশ। অথচ আছে মাত্র ৮ শতাংশ। সেটাও দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। এজন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে মহাপরিকল্পনার বিকল্প কিছু নেই। ঢাকায় প্রতিটি ভবন নির্মাণকালে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত জায়গা রাখা হচ্ছে কিনা সিটি করপোরেশন ও রাজউকসহ সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়াতে হবে। এ ছাড়া রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে গড়ে তুলতে হবে পরিকল্পিত পার্কিং ব্যবস্থা। পার্কিং নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত সুবিধাভোগীদের লাগাম টানতে হবে। সড়কে কিংবা ফুটপাথে গাড়ি রাখলে তার মালিক ও চালকদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তাহলেই পার্কিং নৈরাজ্য কমে আসবে।

ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন বলছে- নগরীর ভেতরে পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত স্থান নেই। এ ছাড়া বাসের রুট পারমিটেও চরম নৈরাজ্য চলছে। অবৈধ পার্কিং ঠেকাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। শিগগিরই পার্কিং নৈরাজ্য বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বলছে, যারা সড়কে গাড়ি নামান, তারা অনুমোদন নেয়ার সময় নিজস্ব পার্কিং জোন দেখান। যদিও পরে সেসব স্থানে গাড়ি পার্কিং করা হয় না। ফলে সড়কের ওপর অবৈধভাবে পার্কিং করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেন। গাড়ি রেখে যারা সড়ক দখল করবে বিআরটিএ আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


আরও খবর



কোটাবিরোধী আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image



বিডি টুডেস  রিপোর্ট:


কোটা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লেখাপড়া বাদ দিয়ে কোটার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনের যৌক্তিকতা তিনি দেখেন না।



রোববার (৭ জুলাই) যুব মহিলা লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গণভবনে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।


শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেখছি কোটা আন্দোলন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে কোটা, নারীদের কোটা সেটি বাতিল করতে হবে। সেটা কিন্তু একবার বাতিল করা হয়েছিল। সেটার ফলাফল কী? 



পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষার হিসাব যদি দেখা যায়, তাহলে দেখা যাবে আগে নারীরা যে পরিমাণ সুযোগ পেতো এই কয়বছরে তেমন সুযোগ পায়নি। এটাই বাস্তবতা। 



এমনকি অনেক প্রত্যন্ত এলাকা বা জেলার মানুষ বঞ্চিত থেকে গেছে। তারাও চাকরি পাচ্ছে না। এরকম বঞ্চিত হওয়ার কারণে একটা মামলা হয় আর হাইকোর্ট রায় দেয়।


তিনি বলেন, আমরা সবসময় হাইকোর্টের রায় মেনে নেই। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে, কোটাবিরোধী আরেকটি আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। লেখাপড়া বাদ দিয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলন করছে, সেখানে মেয়েরাও আন্দোলন করে। 



প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আগে যারা কোটাবিরোধী আন্দোলন করেছিল তাদের কতজন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দিয়েছিল এবং কতজন পাশ করেছিল তার একটা হিসাব বের করা দরকার। তারা (মেয়েরা) দেখাক পরীক্ষা দিয়ে বেশি পাশ করেছিল কিনা। মেয়েরা প্রমাণ করুক তারা বেশি পাশ করেছে।



তিনি বলেন, ‘যুব মহিলা লীগ সবসময় আন্দোলন সংগ্রামে ছিল। বিএনপি-জামায়াত যুব মহিলা লীগের নেতা-কর্মীদের অকথ্য নির্যাতন করেছে।’



সরকারপ্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশকে একটি উচ্চ আসনে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় বিএনপির উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, তার সরকার জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। 



বিএনপি ভোটচুরি করে ক্ষমতা এসেছিল। দেশের মানুষ ভোট চোরদের ক্ষমতায় থাকতে দেয় না। ভোট চুরির অপরাধে খালেদা জিয়াকে দুইবার পদত্যাগ করতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪