Logo
শিরোনাম

নিম্নবিত্তরা ১০০ টাকায় কবর দিতে পারবেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রণাধীন কবরস্থানগুলোতে সাধারণ কবরের জন্য ৫০০ টাকা এবং দুস্থ, অসহায় ও নিম্নবিত্তের মানুষের ক্ষেত্রে কবরের রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

মানুষকে কবর সংরক্ষণে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে ডিএনসিসির নিয়ন্ত্রণাধীন কবরস্থানগুলোতে শুধু পুনঃকবরের রেজিস্ট্রেশন ফি বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বনানী কবরস্থানে ৫০ হাজার ও অন্য কবরস্থানে কবরের ওপর পুনঃকবরের জন্য ৩০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ কবরের জন্য ৫০০ টাকা এবং দুস্থ, অসহায় এবং নিম্নআয়ের মানুষের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফি ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ডিএনসিসির দ্বিতীয় পরিষদের ১৪তম করপোরেশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ডিএনসিসির নিয়ন্ত্রণাধীন বনানী কবরস্থান ছাড়াও রয়েছে—উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর কবরস্থান, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, রায়ের বাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধসংলগ্ন কবরস্থান, উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থান এবং উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টর কবরস্থান।


আরও খবর

ঢাকায় বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বাজেট ঘোষণা

মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22




জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হবে.. প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত এবং সময়োপযোগী প্রচেষ্টা কোভিড-১৯ মহামারি থেকে বহু জীবন বাঁচিয়ে সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে পারে।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ সফলভাবে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করেছে এবং অনেক জীবন বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে। জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনা করে অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যে, মহামারির কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ মারা যাবে। তবে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত এবং সময়োপযোগী প্রচেষ্টা সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়াতে পারে।

এই সম্মেলন সর্বশেষ গবেষণার তথ্য ও কৌশল শেয়ার করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করবে এবং ব্যথা, ব্যথার ওষুধ, মূল্যায়নের সরঞ্জাম এবং ব্যথা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে আন্তর্জাতিক গবেষকদের জন্য একটি ফোরাম গঠনে সহায়তা করবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

শেখ হাসিনা এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস ক্রিটিক্যাল কেয়ার অ্যান্ড পেইন ফিজিশিয়ানস-বিএসএ-সিসিপিপিকে অভিনন্দন জানান এবং দেশ-বিদেশের অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান।

দেশের স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে তার সরকারের পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ৫টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১১৬টি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। গত এক দশকে সরকারি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। বেসরকারি খাতে দেশে প্রচুর সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তার সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারা দেশে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছে। দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে ৩০টি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে ক্ষুধার্ত শিশুর সংখ্যা

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

চরম খাদ্য সংকটে শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে ক্ষুধার্ত শিশুর সংখ্যা। একই ধরনের খাদ্যঘাটতির মুখে পড়তে পারে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোও। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা- ইউনিসেফ এর দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক জর্জ লারিয়া আদজেই বলেন, তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের পরিণাম ভোগ করতে হচ্ছে দরিদ্র পরিবারগুলোকে। তারা রান্নার জন্য দরকারি মৌলিক জিনিসগুলোও কিনতে পারছে না। প্রতি বেলার খাবার জোগাড় করাই অসাধ্য হয়ে পড়েছে তাদের জন্য। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জর্জ লারিয়া আদজেই বলেন, শিশুরা ক্ষুধার্ত অবস্থায় আছে। খাবারের কোনো নিশ্চয়তা নেই তাদের। জাতিসংঘ বলছে, শ্রীলঙ্কার অর্ধেক শিশুর এরইমধ্যে জরুরিভিত্তিতে আড়াই কোটি ডলারের সহায়তা দরকার।  


আরও খবর

জাতিসংঘে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

শফিউল আলম, স্টাফ রিপোর্টার:

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাত ব্যক্তির(৫০) মৃত্যু হয়েছে।১৯ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ইন্তেকাল হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১থেকে দেড় বছর যাবত এই অজ্ঞাত(৫০)ব্যক্তি শক্তিয়ারখলা বাজারে থাকতো।বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মোহাম্মদ ছবাব মিয়া জানান,১৭ সেপ্টেম্বর রাতে পরিষদের সামন থেকে অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় গ্রামপুলিশের মাধ্যমে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করেন।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তানভীর আহমদ জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর(সোমবার)সকালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরমৃত্যু হয়। সেইসাথে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অজ্ঞাত  ব্যক্তির লাশ হস্তান্তর বিষয়ে সত্যতা জানিয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানার এস আই আলিম উদ্দীন  জানান,অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



পাংশায় সামাজিক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

সৈকত শতদল, রাজবাড়ী  ঃ 

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে একই মঞ্চে সকল ধর্মের মানুষ একই সাথে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ গ্রহন করেন।

বৃহঃবার সকালে  র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফদিন হাসান ওদুদ,পাংশা পৌর মেয়র ওয়াজেদ আলী , পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মাদ মাসুদুর রহমান, পুজা উদযাপ পরিষদের আহবায়ক সুব্রত কুমার দাশ সাগর, পাংশা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সজ্ঞালনা করেন পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ সামুদুর রহমান রুবেল।

বক্তাগণ বলেন পাংশায় ইতিপূর্বে ধর্ম পালনে সমস্যা হয় নাই, সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বাস করছে। আগামীতে সামাজিক সম্প্রতি যাতে বিনষ্ট না হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আসন্ন দূর্গা পুজা উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারা  বজায় থাকবে বলে আশা প্রদাশ করেন। 

অনুষ্ঠানে উপজেলার কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান গণ, মন্দির কমিটির প্রধানগণ, মসজিদের ইমাম গণ উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর



পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ভারতে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : বাংলাদেশি পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় চাহিদা বাড়ছে ভারতে। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়ন ভারতের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে। তাছাড়া দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অর্থাৎ, ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। ফলে এখন ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

 চলতি বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ভারতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১০ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার ডলারের। গত বছরের একই সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৫ কোটি ২৭ লাখ ৬০ হাজার ডলারের। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৮ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরে একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৪ কোটি ১৯ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার নিট পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৯৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই মাসে ভারতে ৭ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। পরের মাস আগস্টে বাংলাদেশ থেকে ১১ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার ডলারের পোশাক কিনেছেন ভারত। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ভারতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি বেড়েছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

ভারতের বাজারে অন্য পণ্যের রপ্তানিও বেড়েছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে (২০২১-২২) ভারতে বাংলাদেশের রফতানি ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের ঘরে পৌঁছে, যা ছিল আগের অর্থবছরের (২০২০-২১) চেয়ে ৫৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, এখন ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগের উন্নতি এ ক্ষেত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে। অর্থাৎ, ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে।

গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তারা জানান, ভারতের অনেক ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশের কারখানায় পোশাক তৈরি করে নিজেদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন। এতে তাদের একদিকে যেমন লিড টাইম কম লাগছে, অপরদিকে খরচও কম হচ্ছে। এছাড়া ভারতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশটিতে বাড়ছে ব্র্যান্ড-সচেতনতা। এ কারণে সেখানে স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোও যখন দেশটিতে নতুন নতুন বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে শুরু করেছে- ঠিক এমন সময় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট বাড়ছে। অর্থাৎ এই সংকট থেকে উত্তরণে প্রায় দেড়শ’ কোটি লোকের চাহিদা মেটাতে হলে ভারতকে বাংলাদেশ থেকেই পোশাক কিনতে হবে। কারণ,ভারতে পোশাক তৈরিতে যে খরচ হয়, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করলে তার থেকে অনেক কম পড়ে। সে কারণে সব হিসাব-নিকাশ করেই তারা এখন বাংলাদেশ থেকে বেশি বেশি পোশাক কিনছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি কারখানার কাছ থেকে পোশাক নিয়ে টাকা দেয়নি ভারতীয় কোম্পানি লিলিপুট। সে জন্য ওই সময় থেকে বেশ কয়েক বছর ভারতে পোশাক রফতানিতে ভাটা পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন শহরে পোশাকের নামিদামি বিদেশি অনেক ব্র্যান্ড বিক্রয়কেন্দ্র খোলায় পোশাক রফতানি বৃদ্ধি পায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ভারতের কাপড়ের বাজার হবে ৫ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারতে ১২৭ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করা হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রপ্তানি হয় ১০৯ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারতে ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ।


আরও খবর

পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জন নিহত

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ৩২ হাজার মণ্ডপে দুর্গাপূজা

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২