Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে। আগের জাতীয় নির্বাচনে যেহেতু সেনাবাহিনী মোতায়েন ছিল, সেহেতু এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা রয়েছে। এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।

মঙ্গলবার মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে কমিশন। ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত এবং নির্বাচনী সরঞ্জাম ঠিক করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণও হয়ে গেছে। বিভিন্ন জেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিমিয় করা হচ্ছে। আচরণবিধিমালা প্রতিপালনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছেন।

নির্বাচনে বিদেশি কোন কোন দেশ থেকে কারা পর্যবেক্ষক হিসেবে আসবে, তাদের তালিকা নির্বাচন কমিশন হাতে পেয়েছে জানিয়ে মো. আলমগীর বলেন, বিদেশিরা নির্বাচন দেখতে আসবে না এমন কথা কেউ এখনও বলেনি।

বিএনপি যদি নির্বাচনে নাও আসে তাতে বহির্বিশ্বের কোনো চাপ নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, নির্বাচনে কোন দল অংশগ্রহণ করবে, সেটা সেই দলের সিদ্ধান্ত। শুধু বিএনপি নয়, ৪৪টি রাজনৈতিক দলকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আহ্বান করেছে কমিশন। যদি বিএনপি নির্বাচনে আসতে চায়, তাহলে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন রাজি আছে।

 


আরও খবর



মানিকগঞ্জে কৃষিক্ষেত্রে মালচিং পদ্ধতির প্রতি জনপ্রিয়তা বাড়ছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার :

প্রযুক্তির কল্যানে বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। কথাটি এখন শুধু মানুষের মুখে মুখে নয়। কৃষিক্ষেত্রে  মালচিং পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন করে  বাস্তবে পরিনত করেছে মানিকগঞ্জের কৃষকেরা। তারা ভারতের পঞ্চিম বঙ্গের ও বাংলাদেশের বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল দেখে লাভজনক এ মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু করেছে। এই পদ্ধতি ইতি মধ্যে মানিকগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

জানাযায়,কম খরচে অধীক লাভ হওয়ায় কৃষকরা এই পদ্ধতির প্রতি বেশি ঝুকে পড়ছে। বর্তমানে মানিকগঞ্জের  শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর,শিমুলিয়া,উলাইল,উথুলিসহ অন্যান্য ইউনিয়ন এবং হরিরামপুর, সাটুরিয়া উপজেলা সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায়মরিচ,শশা,টমোটো,করলা,বেগুন সহ বিভিন্ন ফসল  মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে দেখাযাচ্ছে।

স্বরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, প্রথমে আবাদি জমি প্রস্তত করে তারপর বীজতলা বা বেড তৈরি করা হয়।তার পর একটি ড্রেন আবার বেড, আবার ড্রেন, এভাবেই এ পদ্ধতিতে জমি তৈরি করা হয়। এর পর মালচিং পেপার (একধরনে ধরনের পলিথিন) দিয়ে বেডগুলোকে ঢেকে দেয়া হয়। । এরপর নিদ্দির্ষ্ট দূরত্বে মালচিং পেপার ছিদ্র করে বা গোল করে কেটে চারা রোপন করা হয়। এ পদ্ধতিকে মালচিং বা পলি মালচিং পদ্ধতিও বলা হয়। ভারতের পঞ্চিম বঙ্গে এটাকে পলি মালচিং পদ্ধতি বলে।

মানিকগঞ্জের  শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের ইউটিউব দেখে  প্রশিক্ষন নেওয়া কৃষক মোঃ জুয়েল হোসেন (এরশাদ) বলেন, আমাদের এলাকায় গেল বছর দু-একজন মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে বেশ সুফল পেয়েছিল । তাই আমি এবার  বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কিছু ইউটিউব চ্যানেল দেখেএ পদ্ধতিতে আবাদ করতে উৎসাহিত হই ।এ পদ্ধতিটা আমি ইউটিউব দেখেই শিখেছি ।এবছর তিনি ৮ বিঘা (কারেন্ট মরিচ) হাইব্রিড মরিচ এই পলি মালচিং পদ্ধতিতে আবাদ করেছেনন। 

তিনি আরো বলেন,এ পদ্ধতিতে গাছের গোড়ায় পানি শুকিয়ে যায় না এবং গাছের প্রয়োজনীয় পানি সব সময় থাকে ।ড্রেনের মধ্য দিয়ে পানি দেয়ার ফলে পাশের বেডের মাটি পানি ধরে রাখে যা অতি রোদ্রেও শুকিয়ে যায় না।যেখানে ৬ বার সেচ দিতে হতো সেখানে এখন দুইবার সেচ দিলেই পুরো সিজন হয়ে যায়। আগে এই পদ্যতি নাথাকায় অতি বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে গাছ মরে যেত।কিন্তু ড্রেন পদ্ধতি থাকায় এখন আর পানি জমতে পারে না। অধিক বৃষ্টিতেও গাছ বেডের উপর থাকাতে গাছের কোন ক্ষতি হয় না। এ পদ্ধতিতে জমিতে আগাছাও জন্মাতে পারে না। এতে করে  আমাদের খরচ ও অনেক কম হয়।

কৃষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে বেশি খরচ লাগেনা। তবে প্রথমেই খরচটা করতে হয় বিধায় আমাদের কৃষকদের বেশ বেগ পেতে হয়। তিনি বলেন,৪ফুট প্রশস্ত এবং ৪০০ ফুট লম্বা একটা মালচিং পেপার রোলের দাম ৫ হাজার টাকা। এ রকম একটা রোল ১৮ শতাংশ জমিতে দেয়া য়ায়।সত্যিকারে যারা মালচিং পদ্ধতিতে আবাদ করেসরকারি ভাবে যদি  তাদের ভর্তুকি বা কমসূদে লোন দেয়া হয় তাহলে এই পদ্ধতির প্রতি অনেকেই উৎসাহিত হতো।এতেকরে  দেশের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেত।

মোঃ আওলাদ হোসেন খান বলেন,এই পদ্ধতির বিষয়ে আমাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষন দেয়া প্রয়োজন। তিনি দ্রুত এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষনের ব্যাবস্থার জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতি আহবান জানান। মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ্ বলেন,এ পদ্ধতিটাঅবশ্যই ভালো। আমরা কৃষকদের এ পদ্ধতির প্রতি( উদ্ভুদ্ধ করছি।সিংগাইর এলাকায় আমরা কৃষকদের উন্নত চাষাবাদের প্রশিক্ষন দিচ্ছি এবং সব জায়গাতেই এটা করা হবে।

কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক(শস্য) ড.মমতাজ সুলতানা বলেন,পলি পেপারের জন্যে এখনও কৃষক পর্যায়ে ভর্তুকির কোন নির্দেশনা আমাদের নেই। তবে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা কৃষকদের সকল প্রকার কারিগরি সহযোগীতা দিয়ে থাকি।


আরও খবর



কাঁঠালিয়ায় ইউএনও কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করলেন এমপি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

ঝালকাঠি কাঁঠালিয়া প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইউএনও কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে এ খেলার উদ্ধোধন করেন ঝালকাঠি-১ (কাঁঠালিয়া-রাজাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য  ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীরউত্তম। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.নেছার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো.এমাদুল হক মনির।

  এ সময় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.বদিউজ্জামান সিকদার, মহিলা  ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খানম, থানা অফিসার ইনচার্জ মো.নাসির উদ্দিন সরকার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ তাপস কুমার তালুকদার, এমপির ব্যাক্তিগত সহকারি ব্যারিস্টার মো.মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিমল চন্দ্র সমাদ্দার, ইউপি চেয়ারম্যান মো.হারুন অর রশীদ, শিশির দাস, মো.আমিরুল ইসলাম ফোরকান, মাহামুদুল হক নাহিদ, মাহমুদ হোসেন রিপন, মো.মিঠু সিকদারসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন । খেলায় দুই গ্রুপে মোট ৮ দল অংশ নেয়। উদ্ধোধনী খেলায় কাঁঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ বনাম চেঁচরী রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ দল অংশ গ্রহন করে।


আরও খবর

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রানে ফিরেছেন সাকিব

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দলে দলে ঢুকছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ২২৯ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আশ্রয় নেওয়া বিজিপির সদস্য সংখ্যা ছিল ১১৩। পরে আরও ৭ জনকে রিসিভ করলে সে সংখ্যা হয় ১১৫। এরপর একসঙ্গে আরও ১১৪ জন প্রবেশ করেন।

আগে যারা প্রবেশ করেছেন তারা সবাই এখনো বাংলাদেশেই রয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাও নিচ্ছেন। তাদের নিজ দেশে ফেরাতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত কয়েক দিন ধরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপের তুমুল লড়াই চলছে। তাদের ছোড়া গুলির সিসা ও রকেট লঞ্চার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তে উড়ে এসে পড়ছে। এতে ঘুমধুম-তুমব্রু এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন পার করছেন। ইতোমধ্যে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ঢুকে পড়া মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে সে দেশের সরকার যোগাযোগ করেছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ আছে। আজ সকালে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আমাদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাদের বর্ডার গার্ডের সদস্যদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। এখন তাদের উড়োজাহাজ, নাকি নৌকায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, সেটা নিয়ে আমরা আলোচনার মধ্যে আছি।

মন্ত্রী জানান, এর আগে ভারতেও অনেকে (বিজিপি সদস্য) ঢুকে পড়েছিলেন। ভারত থেকে তাদের উড়োজাহাজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

মিয়ানমার থেকে এখনো অনেকে আসছেন উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরাও যোগাযোগ করেছি। এখনো আরও আসছে, আসার সম্ভাবনা আছে। কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদের কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জাতীয় সংসদে বলেন, সীমান্তে উত্তেজনার পরিস্থিতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে৷ মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি দেখছে।


আরও খবর



ইংল্যান্ডের স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ইংল্যান্ডের সব স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিওয় এই ঘোষণা করেন তিনি। মোবাইল ফোনের ওপরে বিধিনিষেধের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, স্কুলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ফোন। ব্যাহত হয় পঠনপাঠন। সরকারি নির্দেশিকায় বিষয়টিতে নজরদারির জন্য প্রধানশিক্ষকের ওপরে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে নানা উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে। পড়ুয়ারা যাতে স্কুলে ফোন না নিয়ে আসে তা শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। আবার কেউ ফোন আনলে তা যাতে লকারে সুরক্ষিতভাবে রাখা যায়, ওই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে, ক্লাস চলাকালীন যেন কেউ যাতে ফোন ব্যবহার না করে কিংবা ফোনের আওয়াজে পড়াশোনা ব্যাহত না হয়। শিক্ষামন্ত্রী স্কুলে পড়াশোনার ধারাবাহিকতার ওপরে জোর দিয়েছেন।

মোবাইল ফোন কিভাবে কাজে বিঘ্ন ঘটায়, তা বোঝাতে ৫১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সুনক। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি যখনই কিছু বলতে যাচ্ছেন, বার বার বেজে উঠছে ফোন। সুনক বলেছেন, 'প্রায় এক তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছে, ফোনের জন্য কিভাবে তাদের পঠনপাঠনে বিঘ্ন ঘটে। অনেক স্কুল ইতিমধ্যেই ফোনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যার ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশের উন্নতি ঘটেছে। এবার নতুন করে এ বিষয়ে নির্দেশিকা দেয়া হলো। যাতে সব স্কুলই এই বিষয়টি মেনে চলে। ছাত্রছাত্রীদের যে শিক্ষা প্রয়োজন, তা যেন সকলে পায়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাই আমরা।

তবে সুনকের এই ভিডিওর সমালোচনা করেছেন অনেকেই। কারো কারো মন্তব্য, 'খুবই দুর্বল অভিনয় দক্ষতা। বিরোধী লেবার পার্টিও ওই ভিডিওকে ব্যঙ্গ করে একই ধরনের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সুনক কিছু বলতে যাচ্ছেন কিন্তু বার বার ফোনে নোটিফিকেশন আসছে। কখনো ব্রিটেনে আর্থিক মন্দার খবর, আবার কখনো অভিবাসন কিংবা স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সমস্যা সংক্রান্ত বার্তাও আসছে ফোনে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




ইসরাইলিরা সরতেই গাজায় সিটিতে ফিরছে হামাস

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মাসখানেক আগে গাজার যেসব এলাকা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেসব এলাকায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস আবার ফিরে এসেছে। এমনকি তারা ওইসব এলাকায় তাদের নিজস্ব প্রশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য পুলিশ অফিসার নিয়োগ এবং বেসামরিক কর্মীদের আংশিক বেতন প্রদানও শুরু করেছে। গাজা সিটির স্থানীয় চার অধিবাসী এবং হামাসের এক সিনিয়র কর্মকর্তা শনিবার এই তথ্য জানিয়েছেন।

এসব এলাকায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল ইসরাইলি বাহিনী। তারা ওইসব এলাকায় হামাসকে নির্মূল করার দাবিও করেছিল। কিন্তু তারা হামাসের শক্তি বুঝতে পারেনি। হামাসের যে ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা রয়েছে, তা অনুধাবন করতে পারেনি। তবে হামাস ফিরে আসতেই ইসরাইলি বাহিনীও ওইসব এলাকায় আবার হামলা করতে শুরু করেছে।

গাজা সিটির চার অধিবাসী বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, গাজা সিটির পুলিশ সদরদফতর এবং অন্যান্য সরকারি অফিসে ইউনিফর্ম পরা এবং সাদা পোশাকের পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়োগ করেছে হামাস। তারা জানিয়েছে, তারা বেসামরিক কর্মীদের ফিরতে দেখেছেন। তবে এরপর ইসরাইলি হামলাও প্রত্যক্ষ করেছেন।

পুলিশের ফিরে আসাটা বিধ্বস্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা প্রয়াসের অংশবিশেষ বলে মনে হচ্ছে। হামাসের এক কর্মকর্তাও এপিকে একই কথা বলেন। তিনি অবশ্য তার পরিচয় প্রকাশ করেননি। কারণ তিনি কথা বলার অনুমতিপ্রাপ্ত নয়।

হামাসের ওই কর্মকর্তা বলেন, যেসব এলাকা থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যহার করা হয়েছে, সেসব এলাকায় তাদের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দিয়েছেন। পরিত্যক্ত দোকানপাট ও বাড়িঘরে যাতে লুটপাট বা চুরি না হয়, সেটা প্রতিরোধের চেষ্টা তারা করছেন। এসব সম্পত্তির মালিকরা ইসরাইলের উচ্ছেদ নোটিশের পর সরে গিয়েছিলেন।

হামাস প্রায় ১৭ বছর আগে গাজায় তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তারা নিজস্ব সরকারি আমলাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে হাজার হাজার বেসামরিক কর্মী নিয়োগ করে। এদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক, ট্রাফিক পুলিশ, সিভিল পুলিশ।

বর্তমানে এসব কর্মীকে আংশিক বেতন হিসেবে ২০০ ডলার করে দেয়া হয়। এতে বোঝা যাচ্ছে যে হামাসের শক্তি এখনো অটুট আছে। উল্লেখ্য, ইসরাইল দাবি করেছে যে তারা গাজায় হামাসের প্রায় ১০ হাজার যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। আর ৭ অক্টোবর ইসরাইলি হামলা চালানো সময় হত্যা করা হয়েছিল ১০০০ হামাস যোদ্ধাকে। কিন্তু মনে হচ্ছে, ইসরাইলের দাবি সত্য নয়।

ইসরাইলি কমান্ডাররা দাবি করছে যে হামাসের ব্যাটালিয়ন কাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু কার্যত দেখা যাচ্ছে যে হামাস এখনো গেরিলা কায়দায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


সূত্র : টাইমস অব ইসরাইল

 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪