Logo
শিরোনাম
রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন কমপ্লিট শাটডাউন : ঢাকাসহ সারা দেশে বিজিবি মোতায়েন জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইট বোঝায় ট্রাক খাদে কুষ্টিয়ায় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ -কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন পুঠিয়ায় আ’লীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা লালমনিরহাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে তিস্তা সমাবেশ বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকার সালফিউরিক এসিড কুমারখালীতে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আহত-২ শরণখোলায় নার্সের চিকিৎসার অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শেরপুরে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থী-ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত-২০

নিত্যপণ্যের দামে দিশেহারা ভোক্তা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে রোজাকে কেন্দ্র করে দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। বিভিন্ন সময় ভোক্তা অধিদপ্তর নানা উদ্যোগ নিলেও তেমন কোনো কাজে আসছে না।

রোজার মাসকে কেন্দ্র করে বাজারে প্রতিটি নিত্যপণ্যের নিজেদের মতো বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। এতে করে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারছে না। দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে কিছু কিনতে গিয়েও থমকে দাঁড়ান মধ্যবিত্তরা।

তাছাড়া গত বছর রোজায় সাধারণ ক্রেতা যে দামে পণ্য কিনেছে। চালতি বছরের রমজানে তা বেড়েছে অনেক। ফলে খরচও বেড়েছে গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতিটি জিনিসের দাম দফায় দফায় প্রতিযোগিতামূলকভাবে বাড়ছে।

বাড়তি খরচের কথা চিন্তা করে সকল ক্রেতাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, রমজান আসলে আমাদের দেশে সকল জিনিসের দাম বেড়ে যায়। জিনিসের দাম বাড়লেও কারো আয় বাড়েনি। ফলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে নিত্যপণ্যের দাম অস্থির হয়ে আছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো উদ্যোগ যখন কাজে আসছে না। কারণ অতি মুনাফাখোর জোট বেঁধে সিন্ডিকেট করেছে। প্রতিটা পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত কোন না কোনোভাবে বেড়েই চলেছে। ফলে স্বস্তির দেখা যাচ্ছে না ক্রেতারা।

রোজাকে কেন্দ্র করে দাম বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীর কঠালবাগান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, রোজাকে সামনে রেখে প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। দাম বাড়লেও মান বাড়েনি। আমি গত সপ্তাহে যে-সকল দামে মালামাল কিনেছি আজ তা অনেকটাই বেড়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, সব জিনিসের দাম বেড়েছে কথাটি ঠিক নয়। তবে আমাদের প্রয়োজনীয় অনেক কিছুর দামই বাড়তি অবস্থায় রয়েছে। এতে করে ক্রেতা কমেছে আগের তুলনায় অনেক। আবার অনেকে দাম বেশির কারণে প্রয়োজনের তুলনায় কম জিনিস কিনেছে।

একটি বেসরকারি কোম্পানির চাকরিজীবী মাহদীউজ্জামান কাঠাবাগান কাঁচাবাজারে আসেন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য। তার সাথে কথা হলে তিনি জানান, গত কিছু দিন আগে যে দাম ছিল আজ তা বিক্রি হচ্ছে আরও বেশি দামে। প্রতিদিনই কোন না কোন পণ্যের দাম বাড়ছে।

আরিফ নামের আরেক ক্রেতা বলেন, রমজানে অন্য মাসের তুলনায় বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়। কিন্তু প্রতিটি পণ্যের দামের বৃদ্ধির ফলে তা সম্ভব হবে না। ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণেই দাম রাড়ছে।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গ্রীষ্মকালীন সবজি কচুরমুখী ৮০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকায়, শসা ৭০ টাকা, খিরাই ৬০ টাকা, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৩০  থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা এবং সজনে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস, ব্রুকলি ৩০ টাকা পিস, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং গাজর ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  

এসব বাজারে লেবুর হালি ২০ থেকে ৬০ টাকা, ধনেপাতা কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।

লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৩০ টাকা, মূলা শাক ১৫ টাকা, পালং শাক ১০ থেকে ১৫ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৭৫০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৫০০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১০৫০-১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার ব্রয়লার মুরগি থেকে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া সোনালি ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ৩০০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৪০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা এবং সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ২২০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।

মাছ বাজারে দেখা যায়, ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ টাকা, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, মাগুর মাছ ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাঙাস ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকায়, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়,  তেলাপিয়া ২২০ টাকায়,  কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৬০০ টাকায়, পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বাইম মাছ ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা, দেশি কই ১০০০ টাকা, মেনি মাছ ৭০০ টাকা, সোল মাছ ৬০০ থেকে ১০০০টাকা, বেলে মাছ ৭০০ টাকা এবং কাইকলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন  বলেন, ব্যবসায়ীরা রমজান মাসকে সুযোগ হিসাবে নিয়েছে। তাদের এক মাস ব্যবসা করে সারা বছরের লাভ করতে চায়। ব্যবসায়ীরা গত বছরের চেয়ে চলতি বছরে দাম বাড়ার পেছনে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি, ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের কথা বলছে। অথচ এসবই হচ্ছে ভিত্তিহীন অজুহাত। তারা অতি মুনাফা লাভের মনোভাব থেকেই দাম বৃদ্ধি করছে।

কিছুদিন আগে এস আলমের চিনি কারখানায় আগুন লাগার পরপরই চিনির দামটি বেড়ে গেছে। সেখানে যে চিনি নষ্ট হয়েছে তার রিফাইন যোগ্য চিনি ছিল না। কিন্তু তারপরেও দাম বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা যখন অজুহাত পায় তখনই দাম বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে এটি অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

ক্যাবের সহ-সভাপতি বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ না আসার সাথে সাথে দেশের পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। অথচ অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ না আসার সাথে দাম বৃদ্ধির কোন নিয়ম নেই। ব্যবসার নিয়ম হচ্ছে পণ্য যদি বেশি দামি কেনা হয়, তাহলে বেশি দামে বিক্রি করবে। আর যদি কম দামে কেনা হয়, তাহলে কম দামে বিক্রি করতে হবে। এসবের পেছনে ব্যবসায়ীরা মূল দায়ী। আমাদের দেশীয় পণ্যের সাথে ডলারের কোন সম্পর্ক নেই। অথচ এই সকল জিনিসপত্রের দামও বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, এরজন্য ব্যবসায়ীর সাথে সাথে যারা তদারকি করছেন তাদের গাফিলতি রয়েছে। সঠিক আইনের প্রয়োগ করলে তখনই এই অনিয়ম বন্ধ হওয়া সম্ভব। বিভিন্ন সময় অভিযান হলে সব জায়গায় হচ্ছে না। ফলে এর প্রভাব তেমন একটা নেই। মন্ত্রিপরিষদের বিরাট একটি অংশ ব্যবসায়ী শ্রেণি হওয়ার কারণে এসব দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে বা দাম বাড়ার পরও কমছে না বলে মন্তব্য করেন ক্যাবের এই সহ-সভাপতি।


আরও খবর



রাজবাড়ীতে কষ্টি পাথরের থালাসহ আটক -৪

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২০ জুলাই ২০24 |

Image

জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী::


রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ৫ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের থালাসহ ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।আটককৃতরা হলো, সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার পেঙ্গুয়ারী গ্রামের মৃত মোঃ নিজাম উদ্দিনের ছেলে মোঃ গোলাম সাকলাইন (৪৩), সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর থানার কামাউড়া গ্রামের মৃত আলাল উদ্দিনের ছেলে মোঃ মাসুদ রানা (৩৫), জামালপুর সদরের তুলশির চর গ্রামের সফুর উদ্দিনের ছেলে মোঃ খোরশেদ আলম (৪২), ও  গাজীপুর জেলার টঙ্গী থানার মুদাফা গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪৫)।


রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ইফতেখারুজ্জামান।ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ৪টার দিকে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গেটের সামনে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে ঢাকা গামী একটি সিলভার কালারের প্রাইভেটকার যার নাম্বার ঢাকা মেট্টো জ-৩৯-২০৯৫। উক্ত নাম্বারের প্রাইভেটকার তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় খবরের কাগজ, কার্বন, পলিথিন ও সাদা কাপড় দিয়ে মোড়ানো ও ময়দার আঠা দিয়ে আটকানো অবস্থায় একটি কালো রঙ্গের বড় গোলাকার ৪ কেজি ৮২০ গ্রাম ওজনের একটি কথিত কষ্টি পাথরের থালা জব্দ করা হয়। এসময় প্রাইভেটকারের মধ্যে থাকা মোঃ গোলাম সাকলাইন, মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ আবুল কালাম আজাদসহ ৪ জনকে আটক করা হয়।


তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায় তারা অবৈধভাবে প্রত্নতত্ত্বটি সংগ্রহ করে অবৈধ পন্থায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। এ ব্যাপারে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় বিশেষ ক্ষমতায়নে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদের আজ রাজবাড়ীর বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



নতুন গিলাফে জড়ানো হলো পবিত্র কাবা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

মক্কায় পবিত্র মসজিদুল হারাম তথা কাবাঘরের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়েছে। কালো কাপড়ের স্বর্ণখচিত গিলাফ মোড়ানো আরবীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্য। প্রতি বছর হজের সময় পুরোনো গিলাফ পরিবর্তন করে কাবাঘরে নতুন গিলাফ পরানো হয়। কিন্তু এবার তা নতুন বছরে করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে আরবি নতুন বছর ১৪৪৬ হিজরির প্রথম প্রহরে পবিত্র কাবার এ গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। হিজরি নববর্ষকে স্মরণীয় করতে গত বছর থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এর আগে প্রতি বছর হজের সময় আরাফার দিন সকালে কাবার গিলাফ পরিবর্তন করা হতো। তবে গত দুই বছর হিজরি নববর্ষের প্রথম দিন কাবার গিলাফ পাল্টানো হচ্ছে।

আরবি নতুন বছর উপলক্ষে শনিবার ১ মুহাররম (সন্ধ্যা থেকে দিন গণনা শুরু) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় এশার নামাজের পর রাত পৌনে ১০টার দিকে পবিত্র ঘরের নতুন গিলাফ পরিধানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শনিবার সৌদি প্রেস এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


আরও খবর



রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস রিপোর্ট:



রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে তাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমার ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।



 বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মিয়ানমারের আবাসিক রাষ্ট্রদূত কাও সো তার পরিচয়পত্র পেশকালে রাষ্ট্রপতি তার মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারকে এ আহ্বান জানান।



রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘বিদ্যমান রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সমস্যা। আশা করি, জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত এসব জনগণ যাতে নিরাপদে ও সম্মানজনকভাবে তাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে পারে মিয়ানমার সেই পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’


রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।



রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেয় বাংলাদেশ।


নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সব সময় মিয়ানমারের সঙ্গে ভালো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেয়।


রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, তার দায়িত্ব পালনকালে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।



উভয় দেশেরই অন্বেষণের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক রয়েছে এবং উভয় দেশেরই এই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।


বাংলাদেশ আগামী সেপ্টেম্বরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিমসটেককে শক্তিশালী করতে মিয়ানমারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ।



রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ানের ডায়লগ পার্টনার হতে চায়। এ ব্যাপারে তিনি মিয়ানমারের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।


রাষ্ট্রদূত ঢাকায় তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তচ্যুতদের কারণে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে তার দেশ কাজ করছে।



মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, এই ব্যাপারে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তিনি তার সরকারকে জানাবেন এবং সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।


সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আদিল চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে পৌঁছলে রাষ্ট্রপতির গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি অশ্বারোহী দল অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূতকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কাল বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে আবার বাংলা ব্লকেড

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট:


সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দেশে বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ফের বাংলা ব্লকেড ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।



 বুধবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে শাহবাগ থেকে এ ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।



বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি শুরু হবে। 



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ অবরোধ করা হবে।



এ সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ পদ থেকে প্রতিশ্রুতি পেলে শিক্ষার্থীরা রাজপথ ছাড়বেন। 



পাশাপাশি যৌক্তিক সংস্কার করে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ কোটা রাখারও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। শুধুমাত্র অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা কোটা পেতে পারেন। নাতি-নাতনিরা নন।


 গত ৭ জুলাই থেকে 'বাংলা ব্লকেড' নামে এই অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম দুদিন অর্ধদিবস অবরোধ চলার পর মঙ্গলবার বিরতি দেয়া হয়।




প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের পর সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে পুরো কোটাব্যবস্থা বাতিল করে। ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটা বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।



 পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রিট করেন। গত ৫ জুন রায় ঘোষণায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নবম থেকে ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ দেওয়ার বাধা দূর হয়। ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে।


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন মামলাটিতে পক্ষভুক্ত হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান আবেদন করেন। 



এরপর আজ (বুধবার) আপিল বিভাগ সরকারি চাকরিতে কোটা বহালে হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন।



আরও খবর

রাজধানীর সেতু ভবনে আগুন

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা বাতিল আন্দোলনরত রাবি শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ |

Image

ওবায়দুল ইসলাম রবি - রাজশাহী ব্যুরো প্রধান

আন্দোলনরত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে কোটা পদ্ধতি সংস্কার করার একদফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ গণপদযাত্রা ও স্মারক লিপি জমা দিয়েছেন। রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদর কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও তাদের সাথে দেখা করে কথা বলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

পায়ে হেটে প্রায় ৯ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে জেলা প্রশাসকের মেইন গেটের সামনে গেলে কর্তব্যরত পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের থামিয়ে কয়েকজনকে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য যাওয়ার অনুরোধ করেন।

রবিবার সকাল ১১ টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে নগরীর তালাইমারি মোড় থেকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সমবেত হয়। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পদযাত্রা বেগমান করে তোলেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৮ জনের প্রতিনিধি দল রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদের সভাকক্ষে যান। এসময় জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধিদল শিক্ষার্থীদের সুন্দর পরিবেশে বসার জায়গা করে দেন। কিছুক্ষণ পরই জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ সভাকক্ষে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর লিখিত স্মারক লিপি গ্রহণ করে আজকের মধ্যেই তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানোর আশ্বাস প্রদান করেন।

ওই সময় শিক্ষার্থীরা দাবি জানান, অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট করে পায়ে হেঁটে এসেছেন এই কথাগুলোই আপনি তাদের সামনে গিয়ে বললে আশ্বস্থ হবেন ও তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন আরও সুশৃঙ্খল হবে বলে জানান। জেলা প্রশাসক তাদের কথা রাখেন ও মেইন গেটের সামনে গিয়ে কথা বলেন এবং স্মারক লিপি রাষ্ট্রপতির নিকট আজকেই পাঠানোর কথা জানালে তারা উল্লাসিত হয়ে স্লোগান দেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, এই আন্দোলন যাতে কোনো বিশৃঙ্খলায় রুপ না নেয় এবং জানমালের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।


আরও খবর