Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁ-৬ এমপি হেলালের হাতেই নৌকার বৈঠা দিলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল। রবিবার ২৬ নভেম্বর বিকেল ৪টায় সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে চ‚ড়ান্তভাবে জানান দিয়েছেন নৌকার মাঝির নাম। এমপি হেলালের নাম ঘোষণা হওয়ার পরপরই নির্বাচনী এলাকায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এর আগে গত কয়েক দিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন কে হচ্ছে গুরুত্বপ‚র্ণ এই আসনের নৌকার মাঝি। 

তপশিল ঘোষণা হওয়ার পর শুরু হয়েছিল মনোনয়ন ফরম দেওয়ার লড়াই। ফলে এই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন ১০জন। কে হচ্ছেন নৌকার মাঝি তা নিয়ে শুরু হয়েছিল জল্পনা-কল্পনা। অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত রবিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংবাদ সন্মেলনের মাধ্যমে এমপি হেলালের নাম ঘোষণা দেন। বর্তমান এমপি আনোয়ার হোসেন হেলালের হাতেই নৌকার বৈঠা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবশ্য নাম প্রকাশ হওয়ার পরপরই ধন্যবাদ দিতেও ভ‚লেননি এমপি হেলাল।

নওগাঁর ছয়টি আসনের মধ্যে সর্বশেষ আসন নওগাঁ-৬ (রাণীনগর-আত্রাই) এটি। জেলার রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা নিয়ে গঠিত নওগাঁ-৬। এ আসনটি জাতীয় সংসদের ৫১ নম্বর নির্বাচনী এলাকা। দুই উপজেলায় মোট ভোটার ৩লক্ষ ১৯হাজার৩৩৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ১লক্ষ৬১হাজার৭৭ জন, নারী ১লক্ষ৫৮হাজার২৭১ জন এবং হিজড়া ২জন।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে বিজয়ী হন তৎকালীন ঢাকা মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত নেতা ইসরাফিল আলম। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালে আবারও আসনটি দখলে রাখেন ইসরাফিল আলম। গত ২০২০ সালের ২৭জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ইসরাফিল আলম। এরপর উপনির্বাচনে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হেলালকে নৌকার মনোনয়ন দিলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন। উপ-নির্বাচনে বর্তমান এমপি আনোয়ার হোসেন হেলাল জয়ী হওয়ার পর সাংগঠনিকভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করা ও বিভিন্ন উন্নয়নম‚ল কাজের জন্য তিনি আবারও পেয়েছেন বলে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী মনে করছেন। 

এমপি হেলাল বলেন, গত উপ-নির্বাচনে ৩৪ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছিলেন। আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এ আসনটি শেখ হাসিনাকে উপহার দিয়ে সংসদে গিয়েছিলাম। এমপি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ধরে রেখেছি। আবারও এ আসনটি তাকে উপহার দিতে পারব ইনশাআল্লাহ। আমি আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে অন্যায় অবিচার দ‚র করে সাম্যের সমাজ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ্য, সিইসির ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই হবে আগামী ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি হবে ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ১৮ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। এবং আগামী ৭ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর

কাদের-চুন্নুকে পদ থেকে সরানো হয়েছে

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভোটের আগে বেড়েছিল নগদ টাকা রাখার প্রবণতা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সম্রাট মনির : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা হাতে রাখার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছিল। গত ৭ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের আগের দুই মাস নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছিল ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডিসেম্বরেই বাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা। এর আগে টানা চার মাস ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ টাকা কমেছিল। সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কার পাশাপাশি নির্বাচনের খরচের জন্য মানুষ নগদ টাকা তুলে ঘরে রেখেছিলেন। কেউ কেউ টাকা তুলে বিদেশেও পাচার করেন। এর বাইরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণেও নগদ টাকা তোলার প্রবণতা বাড়তে পারে।

দেশের মোট প্রচলনে থাকা মুদ্রা থেকে ব্যাংকে জমানো টাকা বাদ দিয়ে প্রতি মাসে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের তথ্য গতকাল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ অর্থের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয় ২ লাখ ৫৪ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছে ৬ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা। গত বছরের নভেম্বরেও ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থ বেড়েছিল। অক্টোবরে ব্যাংকের বাইরে টাকা থাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ফলে অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়েছিল ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। সব মিলে নির্বাচনের আগের দুই মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বাড়ে প্রায় ৮ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় জনমনে ভীতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছিল। ফলে গ্রাহকদের অনেকেই নগদ টাকা তুলে ঘরে নিয়ে রেখেছিলেন। আবার নির্বাচনের খরচের জন্যও টাকা তোলার চাপ বেড়েছিল। সব মিলে ব্যাংকের বাইরে নগদ অর্থের পরিমাণ বেড়েছিল। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ফলে নগদ টাকা তোলার কোনো চাপ নেই।

জানা যায়, ২০২২ সালের শেষ দিকে কয়েকটি ব্যাংকের ঋণ অনিয়মের খবর জানাজানি হওয়ার পর ব্যাংক খাতের প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকে টাকা তুলে নিতে থাকেন গ্রাহকরা। আবার সে সময় ব্যাংকগুলোতে নতুন আমানত আসাও কমে যায়। এতে ওই ব্যাংকগুলোতে নগদ টাকার সংকট তৈরি হয়। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। এতে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে। কিন্তু একই সময় মানুষের আয় খুব একটা বাড়েনি। আবার উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে ব্যাংকে আমানতের সুদের হার যেভাবে বাড়ার কথা সেভাবে বাড়েনি। এতে ব্যাংকে টাকা রেখে প্রকৃত অর্থে মুনাফা পাচ্ছিল না আমানতকারীরা। ফলে গত অর্থবছরে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা হাতে রাখার প্রবণতা অস্বাভাবিক বেড়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত জুন পর্যন্ত ব্যাংকের বাইরে তথা মানুষের হাতে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা, যা ছিল এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে মানুষের হাতে নগদ টাকা বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল প্রায় সাড়ে ৫৫ হাজার কোটি টাকা বা সাড়ে ২৩ শতাংশ। এর মধ্যে জুন মাসেই ব্যাংকের বাইরের টাকার প্রবাহ বেড়েছিল প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বা ১৪ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরে এসে এই চিত্র বদলে যেতে থাকে। টানা চার মাস মানুষের হাতের টাকা ব্যাংকে ফিরতে শুরু করে। মানুষের হাতের টাকা ব্যাংকে ফেরার পেছনে তখন ৪টি কারণের কথা জানিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টরা। এগুলো হলো- আমানতের সুদের হার বৃদ্ধি, নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে মন্দা, ফ্ল্যাট ও প্লটের রেজিস্ট্রেশন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাসায় টাকা রাখার নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নয়-ছয় হিসেবে পরিচিতি পাওয়া সুদের হারের সীমা গত জুলাইতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের সুদহার বাড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ঋণের সুদহার আড়াই শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে ১২ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর সঙ্গে আমানতের সুদহারও বাড়ছে। তহবিল সংকটে থাকা কোনো কোনো ব্যাংক এখন ৯ শতাংশের বেশি সুদেও আমানত সংগ্রহ করছে। তারপরও জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভীতি ও আতঙ্ক থেকে মানুষের মধ্যে নগদ টাকা তোলার প্রবণতা বেড়েছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনেও দেখা যাচ্ছে, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকা বেড়ে গিয়েছিল।

এদিকে ব্যাংকের বাইরে নগদ টাকার পরিমাণ বাড়ার পরও গত বছরের ডিসম্বরে ব্যাংকগুলোতে আমানত বাড়ে প্রায় ১৩ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। গত বছরের নভেম্বরে ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল ১৬ লাখ ৪০ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে যা বেড়ে হয় ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। তবে একই মাসে আমানতের তুলনায় ঋণ বিতরণ বেড়েছে আরও বেশি। ওই মাসে ঋণ বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ২৪ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর মাসে ব্যাংকগুলোর ঋণস্থিতি বেড়ে হয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট তৈরি হয়।


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিশ্বে মাথা উঁচু করেই চলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করতে। কাজেই আমরা মাথা নত করে নয়, মাথা উঁচু করেই চলব এবং বিশ্ব দরবারে মর্যাদা নিয়ে এগিয়ে যাব।

আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির মাঝে ‘একুশে পদক-২০২৪’ প্রদানকালে  প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীনতাই দিয়ে যাননি, তিনি আমাদের একটা মর্যাদাবোধ দিয়ে গেছেন। বিজয়ী জাতি হিসেবে সারা বিশ্বে আমরা মাথা উঁচু করেই চলতে চাই। এই কথাটা সকলকে মনে রাখতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘১৯৫২ সালের আন্দোলন কেবলমাত্র ভাষা আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। এই আন্দোলন ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের যে মর্যাদা দিয়ে গিয়েছিলেন সেই মর্যাদাটা ’৭৫ এর পর বাঙালি জাতি হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু আজকে আমি অন্তত এইটুক দাবি করতে পারি আবার বাঙালি বিশ্বের দরবারে এখন মাথা উঁচু করে চলতে পারে।

সেই মর্যাদা আমরা ফিরিয়ে এনেছি। আর এই মর্যাদা আমাদের সমুন্নত রেখেই আগামীর দিনে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, কারো কাছে হাত পেতে নয়, ভিক্ষা করে নয়, আমরা আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলব। কারণ, একুশ আমাদের মাথা নত না করা শিখিয়েছে। কাজেই, আমরা মাথা নত করে নয় মাথা উঁচু করে চলবো। এর আগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবারের একুশে পদক ২০২৪ বিজয়ী ২১ জনের তালিকা প্রকাশ  করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন পদক বিতরণ পর্বটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসনা জাহান খানম স্বাগত বক্তৃতা করেন।


আরও খবর



তাবলীগের দুই গ্রুপকে নিয়ে অস্বস্তিতে প্রশাসন

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

 নানা মহলের জোর প্রচেষ্টার পরও আজো ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি দ্বীন প্রচারে ঐতিহ্যবাহী অরাজনৈতিক সংগঠন তাবলিগ জামাত। ফলে চতুর্থবারের মতো এবারো দুই গ্রুপ আলাদা ইজতেমার আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগামী শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাদ ফজর থেকে শুরু হচ্ছে স্বাগতিক বাংলাদেশের তাবলিগ মুরব্বি মাওলানা জোবায়েরপন্থীদের বিশ্ব ইজতেমা। আগামী রোববার আখেরি মুনাজাতের মাধ্যমে তাদের ইজতেমা সমাপ্ত হবে। এরপর চার দিন বিরতি দিয়ে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা ভারতের মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভীর প্রপ্রৌত্র মাওলানা সাদ কান্ধলভী অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা। তবে সাদ অনুসারীরা এবারের বিশ্ব ইজতেমাকে তাদের ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমা এবং হেফাজতে ইসলামের এটি চতুর্থ বিশ্ব ইজতেমা বলে দাবি করছেন।

এ দিকে দ্বীন (ধর্ম) প্রচারের বৃহত্তর এ সংগঠনের চলমান বিরোধ নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রয়েছে দেশের প্রশাসন। ইতঃপূর্বে বিবদমান দুটি গ্রুপের মধ্যে বেশ কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় একটি মসজিদের ভেতর সাদপন্থী একটি জামাতের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ ব্যক্তিরা। মাওলানা সাদপন্থীরা নিজেদের তাবলিগের মূল ধারার অনুসারী এবং মাওলানা জোবায়েরপন্থীদের বাংলাদেশের ইসলামিক রাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম নিয়ন্ত্রিত বলে দাবি করে থাকেন। অপর দিকে মাওলানা জোবায়ের পন্থীরা মাওলানা সাদ কান্ধলভীর কিছু বিতর্কিত বক্তব্য এবং তাবলিগে তার একক নেতৃত্ব বা আমিরত্বকে অস্বীকার করে তাকে (সাদ) তাবলিগের উসুল বা মূল ধারা থেকে খারিজ বলে দাবি করে থাকেন।

জোবায়েরপন্থীরা শূরায়ে নেজামের (মাসোয়ারা বোর্ড) ভিত্তিতে তাবলিগ জামাতের কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বিশ্বাসী। ফলে তারা আলমে শূরা (বিশ্ব পরামর্শসভা) দ্বারা পরিচালিত বলে দাবি করেন। জোবায়েরপন্থীদের এমন দাবিকে স্ববিরোধী উল্লেখ করে সাদ অনুসারীদের বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনে যুক্ত হাজী মনির বলেন, তারাও (জোবায়েরপন্থীরা) যখন তাবলিগের কাজে জামাত নিয়ে বের হন, তখনো তো একজনকে আমির নিযুক্ত করেন। অথচ তারা আমির মানেন না এমন কথা বলা ভণ্ডামি ও ইসলামবিরোধী। কারণ পবিত্র কুরআনেই আমিরের প্রতি আনুগত্যের কথা বলা আছে। নবী রাসূল ও খোলাফায়ে রাশিদীনের আমলেও আমির ছিলেন এবং সবাই আমিরের আনুগত্য করতেন।

এ দিকে তাবলিগ জামাতের এই দ্বিধাবিভক্তির কারণে সাধারণ অনুসারীরাও কারা হকপন্থী তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে রয়েছেন। তবে সাধারণ অনুসারীদের প্রত্যাশা, দুই গ্রুপ আবারো এক হয়ে আগের মতো একসাথে ইজতেমার আয়োজন করে তাবলিগের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করবে। সাধারণ অনুসারীরা দ্বিধাবিভক্তিতে বিশ্বাস না করায় তারা উভয় গ্রুপের ইজতেমায় শরিক হয়ে থাকেন। অপর দিকে সরকারসহ সব মহলই তাবলিগ জামাতকে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চায়।

তাবলিগের ঐক্য অক্ষুণ্য থাক এটাই আমরা চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গত ২২ জানুয়ারি টঙ্গীতে ইজতেমার প্রস্তুতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত ফলো-আপ সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি বলেন,
বিশ্ব ইজতেমা আমাদের কাছে একটা গর্বের বিষয় ছিল। সারা পৃথিবীতেই আমাদের এই ইজতেমাটা সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিল, সারা বিশ্ব থেকে লোক আসত। এই ইজতেমা বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্য। বাংলাদেশে একটা ইতিহাস সৃষ্টি করেছে এই ইজতেমার মাধ্যমে। এই জিনিসটা অক্ষুণ্য থাক এটাই আমরা চাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের বিরোধ মিটানোর জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। অনেক পানি গড়িয়েছে। আমরা বহু জায়গায় আপনাদের (তাবলিগ মুরব্বিদেরকে) পাঠিয়েছি। কিন্তু আপনাদের মনোভাবটা পরিবর্তন হয় নাই। সেজন্য আমরা কষ্ট পেয়েছি।

উত্তরায় মসজিদের ভেতর অপ্রীতিকর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, মসজিদে আল্লাহর ঘরে গিয়েও আপনারা দখল বেদখল করেন, আমাদের লজ্জায় মাথা হেড হয়ে যায়। আপনাদের কাছে রিকোয়েস্ট থাকবে আপনারা এই কর্মটা থেকে বিরত থাকবেন। সবাই মিলেমিশে থাকবেন। আমাদের সেই শিক্ষাটাই দিবেন, আল্লাহর দাওয়াতের কথাটা আমাদের যেভাবে শিক্ষাটা দিচ্ছেন। আমাদের মিলেমিশে থাকার শিক্ষাটাও আপনারা দিবেন। তিনি বলেন, উত্তরায় যে দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে এবং বিভিন্ন জায়গাও এই ঘটনাগুলো ঘটে। আপনাদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করব আপনারা এই ঘটনাগুলো ঘটাবেন না। মিলেমিশ চলতে পারার জন্যই আপনাদের আবার রিকোয়েস্ট করব।

 

তিনি বলেন, আমরা মনে করি আপনারা যদি আবার এক প্লেটে একসাথে ওয়াসিফ-জুবায়ের সাব খেতে পারতেন। আমরা যদি এটি দেখে যেতে পারতাম তাহলে আমরা খুব খুশি হতাম। সভায় এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্মপ্রতিমন্ত্রীকে অনুরোধ করে বলেন, আপনি নেতৃত্ব দেন এই দুই গ্রুপ জুবায়ের সাব ও ওয়াসিফ সাবকে মিলিয়ে দিতে পারেন কিনা। এক টেবিলে এক প্লেটে খাওয়ায়ে দিতে পারেন কিনা। তাহলে আমরা আপনাদের অনেক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাব।

মন্ত্রী এ সময় বলেন, আমি জুবায়ের গ্রুপকে একটু পরিষ্কার করে বলতে চাই, আপনারা কিন্তু প্রথম আসছেন। প্রতিবারই আপনাদের দাবি অনুযায়ী প্রথমবার মাঠটা আপনাদের দেয়া হয়। সেই দাবি রক্ষা করে আপনাদের যেভাবে সম্মান দেয়া হয়েছে ঠিক সেই সম্মানের সাথে তাদের (সাদপন্থীকে) মাঠটা বুঝিয়ে দিবেন। যাতে কোনো রকম ভাঙচুর না হয়, তারা যেন কোনো ক্লেইম না করেন। এটা আপনাদের কাছে আমার রিকোয়েস্ট থাকবে। তিনি বলেন, আমরা গতবারও শুনেছি কিছু ভাঙচুরও হয়েছে, কিছু জিনিস খোয়া গিয়েছে। আরো নানান ধরনের কথাবার্তা শুনছি। আমরা চাই আপনারা সুন্দরভাবে তাদের মাঠটা বুঝিয়ে দিবেন।

তাবলিগের দুই গ্রুপের কর্মকাণ্ডে আমি লজ্জিত , মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী :
একই সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন,
আপনাদের কর্মকাণ্ডে আমি নিজেই খুব লজ্জা পাচ্ছি। আমরা মানুষকে বুঝাই, শিখাই যাতে এরকম না হয়। আমাদের যদি আরেকজন ভুল ধরেন এটা আমাদের জন্য লজ্জার। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব লজ্জিত। আমি তাবলিগের সাথে সম্পৃক্ত হিসেবে প্রত্যাশা করি, আমাদের আচার-আচরণে এরকম ভুল আর হবে না। তিনি বলেন, দশটা মতভেদ হতেই পারে, দশজন উগ্র হতে পারে তাতে অসুবিধা কী? আমাদেরও তো হয়। তাই বলে একজন যাওয়ার সময় একটা কিছু ভেঙে যাবে বা এমন কিছু আচরণ করে যাবে যা আরেকজনের কাছে কষ্টদায়ক হয়।

 

আমরা চাই না তাবলিগের এই বিভেদটা আগামী দিনের জন্য থাকুক , ধর্মপ্রতিমন্ত্রী :
একই সভায় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক বলেন,
তাবলিগ জামাতকে সারা বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে, সহযোগিতা করে। আজকে দুটি গ্রুপ হওয়ার কারণে অনেক অসঙ্গতিপূর্ণ কাজকর্ম হচ্ছে, যা সত্যিকারে আমাদের খুব কষ্ট লাগে, বিবেকে বাধা দেয়। আমরা আল্লাহকে রাজিখুশি করার জন্য দ্বীনের কাজ করি। অথচ সেখানে আমাদের মধ্যে বিভেদ অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, আমরা চাই না এই বিভেদটা আগামী দিনের জন্য থাকুক। আপনাদের মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আমরা চাই আপনাদের ঐকমত্য পোষণকল্পে আগামীতে এই বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামীতে কোথাও কোনো রকম ত্রুটিবিচ্যুতি এক তিল পরিমাণও যাতে পরিলক্ষিত না হয় উভয় পক্ষের কাছে বিনয়ের সাথে অনুরোধ থাকবে।

আপনাদের নিয়ে আমরা অস্বস্তিতে থাকি , পুলিশ প্রধান : একই সভায় পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন তাবলিগ জামাতকে উদ্দেশ করে বলেন, একটা সময় ছিল আপনারা বলতেন আপনাদের সাহায্যের দরকার নাই। আপনারাই সব ব্যবস্থা করতেন। আমরা তখন খুব স্বস্তিতে থাকতাম এবং তবলিগ জামাতকে সাহায্য করা আমরা একটা ইবাদত মনে করেছি। এখন যে অবস্থা হয়েছে তাতে আপনাদের নিয়ে আমরা অস্বস্তিতে থাকি। আপনারা দুইজন একসাথে বসেন না এমন একটা অবস্থা হয়েছে। তিনি বলেন, এই জিনিসগুলো যাতে আর না হয়, আমরা একটা চমৎকার পরিবেশ দেখতে চাই। যৌথভাবে আপনারা আবারো তবলিগ জামাতের আয়োজন করবেন। একটি সুন্দর পরিবেশ হবে এমন আগামীর আশায় রইলাম।

আইজিপি আরো বলেন, ইতঃপূর্বে যে সব সিদ্ধান্ত হয়েছে তা পরস্পরের প্রতি সম্মানবোধ রেখে সবাই বাস্তবায়ন করব। গতবারও শুনেছি এক পক্ষ যখন আরেক পক্ষকে মাঠ বুঝিয়ে দেয় তখন ভেঙে দেয়। আমরা আদব-লেহাজ-তমিজ আপনাদের কাছ থেকে শিখব। তাবলিগে যারা আছেন আপনাদের কাছ থেকে আমরা শিখেছি। এখন আপনাদের মাঝে এসব কী হচ্ছে? আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কী শিখবে? এটা আপনাদের কাছে একটা নিবেদন থাকবে। আমরা আপনাদের কাছ থেকে যে জিসিনগুলো শিখি আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের শিশুদের আমরা তা শিখাই। এখন আমরা কী শিখব আপনারা আজ আমাদেরকে বলে যাবেন।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




রাণীনগরে ফুটবল ফাইনাল খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ) :

নওগাঁর রাণীনগরে ফুটবল ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার করজগ্রাম হাইস্কুল মাঠে করজগ্রাম যুব সংঘ কতৃক আয়োজিত এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় নির্ধারিত সময়ে আদমদীঘির বিহিগ্রাম ফুটবল একাডেমি ও রাণীনগরের কাটরাশাইন কে, এসপি তরুন সংঘ ১-১ গোলে ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে মাধ্যমে ৫-৩ গোলে আদমদীঘির বিহিগ্রাম ফুটবল একাডেমিকে হারিয়ে রাণীনগরের কাটরাশাইন চাম্পিয়ন হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিতদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ আসনের এমপি এ্যাডভোকেট ওমর ফারুক সুমনের ছেলে জনি,আনোয়ার হোসেন বিএ, আব্দুল ওহাব চাঁন,আনিছুর রহমান,সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল,আবু বক্কর সিদ্দিক বাচ্চু,গোলাম মুক্তাদি,জাহিদুল ইসলাম টুকু,জাহাঙ্গীর মোল্লা, নজরুল ইসলাম মাঝি, হেলাল উদ্দিন,রাইহান ইসলাম রণি মল্লিক,রহিদুল মল্লিক,দৌলত খানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। রাতে সাংস্কৃতিক অনষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



রমজানে কোনো জিনিসের অভাব হবে না

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রমজানে কিন্তু কোনো জিনিসের অভাব হবে না। ইতোমধ্যে সমস্ত কিছু ব্যবস্থা করা আছে। এটা নিয়ে অনেকে কথা বলবে, কিন্তু কোনো অসুবিধা হবে না। রমজান তো কৃচ্ছতা সাধনের জন্য, রমজানে মানুষ একটু কম খায়। আমাদের দেশে রমজানে খাবার-দাবারের চাহিদা একটু বেড়ে যায়।

জার্মানি সফরের বিষয়ে আজ (শুক্রবার) সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শেখ হাসিনা। ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয় ৬০তম মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স। সে বিষয়েই আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, রমজানে ছোলা, খেজুর, চিনি পর্যাপ্ত পরিমাণে আনার ব্যবস্থা আছে, এগুলো নিয়ে সমস্যা হবে না। সেই ব্যবস্থা অনেক আগেই করে রেখেছি।

তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে একটা দেশ উন্নত হয়। গত পনেরো বছরে আত্মসমাজিক উন্নয়ন হয়েছে, মানুষের মন-মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে, সব দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক উপর উঠে আসতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এখন স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা যথাযথভাবে এগিয়ে যেতে পারি সেই কাজটাই আমাদের বড় কথা। এদিকে আমার মনোযোগ দিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, রাজনৈতিক দলের অভাব বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগ ৪৯ সালে গঠিত হয়েছিল গণমানুষের কথা বলে। সেই সময় থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেছে। আমি যদি আমার প্রতিপক্ষ কয়েকটি দল দেখি, একটা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধী দল জামাত। যাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান সংবিধান সংশোধন করে তাদেরকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়। পাসপোর্ট নিয়ে যারা পাকিস্তান গেছে তাদেরকে ফিরিয়ে এনে ভোটের অধিকার দিয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, তারা চায় এমন একটা পরিবেশ হোক, তাদেরকে কেউ ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। সেটা করতে গিয়ে তারা যে প্রথম ধরা খেল, সেটা ২০১৮ নির্বাচন। প্রচার-প্রচারণা সব দিক থেকে আওয়ামী লীগ বিএনপি সমান-সমান ভাব ছিল। ২০০৮ নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন করতে পারেনি। সেই নির্বাচনের রেজাল্টটা কি? গণতান্ত্রিক ধারাকে আমরা স্থায়ী করেছি, যার সুফল মানুষ পাচ্ছে। তাদের জীবনমান উন্নত হয়েছে। আমরা চাই এ ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে।


আরও খবর