Logo
শিরোনাম

নওগাঁ পৌরসভা আধুনিক বিনির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ পৌরসভা আধুনিক বিনির্মানের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে নওগাঁ শহরের মুক্তির মোড়ে ‘সচেতন পৌরবাসী’ ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। যেখানে স্লোগান দেয়া হয়েছে ‘হয় শহর বদলাও, না হয় মেয়র বদলাও’।

মানববন্ধনে পৌর নাগরিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, রামিম দেওয়ান, ফিলিপ হোসেন, সুলতান মাহমুদ সহ স্থানীয় অনেকেই। 

এসময় বক্তারা বলেন, ১৯৬৩ সালে নওগাঁ পৌরসভা গঠিত হয়। যা প্রথম শ্রেনীর মর্যাদা পায় ১৯৮৯ সালে। অথচ আড়াই লাখ নাগরিক বসবাসের এ শহরের সড়ক, ড্রেন, বৈর্জ ব্যস্থাপনা সব কিছুই বেহাল অবস্থা। অলি-গলির সড়কগুলো খানা-খন্দে ভরা। রাতে সড়কে ঠিকঠাক জ্বলেনা বাতি। এ যেন কেবলই ভোগান্তির শহরে পরিনত হয়েছে নওগাঁ শহর।

বক্তারা আরো বলেন, এতো সমস্যার ভিড়ে প্রধান সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে অটোরিক্সা-সিএনজি। নিয়ম-নিতির কোন তোয়াক্কা না করে হাজার হাজার অটোরিক্সা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শহরের মধ্যে। এতে সকাল থেকে রাত অবধি যানজটের সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষের পা ফেলার যায়গা পর্যন্ত থাকে না। শহরে নেই কোন সৌচাগারের ব্যবস্থা। তাই প্রতিদিনই শহরে আসা হাজারও নারী-পুরুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। 

বর্তমান মেয়র নজমুল হক সনি টানা তৃতীয় বারের মত দীর্ঘ ১৩ বছর ক্ষমতায়। কিন্তু শহরবাসীর ভোগান্তি লাঘবে দৃশ্যমান তেমন কিছুই করতে পারেননি তিনি উল্লেখ করে মানববন্ধন থেকে মেয়রের পদত্যাগ দাবী করেন আন্দোলনকারীরা।

ঘণ্টাব্যাপী চলা এই মানববন্ধনে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। 

এসব অভিযোগ পুরোপুরি সত্য নয় দাবী করে নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হক সনি বলেন, ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রথম বারের মত নওগাঁ পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণ করি। এরপর থেকে রাস্তা-ঘাট, ড্রেন তথা শহরের উন্নয়নে কোটি কোটি টাকার কাজ করেছি। এমনকি ইউজিপি-৩ এর মত বড় প্রকল্পও বাস্তবায়ন করা হয়েছে তার সময়কালে। আমার সাধ্যমত পৌরবাসীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি বলে জানান মেয়র।


আরও খবর



সিলেটে টিলা ধসে একই পরিবারের নিখোঁজ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টু ডে রিপোর্ট:


ভারি বৃষ্টিতে সিলেটের ইসলামপুরের চামেলিবাগে টিলা ধসের ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


 আজ সোমবার (১০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।



মাটি চাপা পড়ে মৃতরা হলেন, আগা করিম উদ্দিন, তার স্ত্রী শাম্মি আক্তার রুজি ও ১৫ মাস বয়সের শিশু তানিম।



শেখ হাসিনার সঙ্গে শ্রীলংকার রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ

শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


এর আগে সকাল ৬টার দিকে নগরীর ৩৫নং ওয়ার্ডের মেজরটিলার চামেলীবাগ আবাসিক এলাকায় টিলা ধসের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি পরিবারের অন্তত সাতজন আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।



টিলা ধসের ঘটনায় শুরুতে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা। পরে সেখানে যোগ দেয় সেনাবাহিনীর সদস্যরা।


এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের ৩৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকাল ৬টার দিকে বিকট শব্দে টিলা ধসের ঘটনা ঘটে। এখানে দুটি পরিবারের সাতজন মানুষ মাটিচাপা পড়ে। তাদের মধ্যে চারজনকে জীবিত ও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।



শাহপরাণ থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ চৌধুরী বলেন, সকাল ৭টার দিকে খবর পেয়ে আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। ভারী বৃষ্টির কারণে টিলার মাটি ধসে একটি আধাপাকা ঘরের উপরে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।


আরও খবর



আজ মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে সাড়ে ৩১ হাজার শ্রমিকের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


মালয়েশিয়ায় কর্মী ভিসায় যাওয়ার সময় আজ শুক্রবার রাতেই শেষ হয়ে যাবে। দেশটির সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজই দেশটিতে কর্মীদের যাওয়ার শেষ সুযোগ। 


আগামীকাল শনিবার থেকে আর কোনো কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন না। এ কারণে বাংলাদেশের অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর মালয়েশিয়া যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হচ্ছে।



বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়।


 ২১ মের পর আর অনুমোদন দেয়ার কথা না থাকলেও বিএমইটির তথ্য বলছে, মন্ত্রণালয় আরও এক হাজার ১১২ জন কর্মীকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। 


এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে চার লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ বাংলাদেশ থেকে মাত্র এক হাজার ৫০০ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। অর্থাৎ অনুমোদনকৃত ৩১ হাজার ৭০১ জন কর্মীর যাত্রা বাতিল হয়ে যাচ্ছে।


কুয়ালালামপুরের দুটি আন্তর্জাতিক বিমান টার্মিনালের ফ্লোরে গতকাল পর্যন্ত ১৪টি দেশ থেকে আসা প্রায় ২০ হাজার কর্মী অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী বাংলাদেশের।


এই মুহূর্তে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কর্মীর উপচে পড়া ভিড়। দুর্ভোগ বাড়ছে কর্মী ও নিয়োগকর্তাদের। নিজেদের কর্মী শনাক্তে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়োগকর্তাদের।র্মীরা বলছেন, তারা তিন-চার দিন ধরে বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। কেউ নিয়োগকর্তার খোঁজ পাচ্ছেন, আবার কেউ পাচ্ছেন না।



হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তথ্য বলছে, আজ সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাতটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশের দুটি, ইউএস-বাংলার দুটি, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি, এয়ার এশিয়ার একটি এবং বাতিক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট মালয়েশিয়ায় যাবে।


মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের সময় ঘনিয়ে আসায় বাড়তি দামে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করেছে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। বিমান বাংলাদেশের বিশেষ ফ্লাইটের টিকিটের দামও এক লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগপ্রক্রিয়ার দুর্নীতি নিয়ে গত ২৮ মার্চ মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দেয় জাতিসংঘের চারজন স্বাধীন বিশেষজ্ঞ। তবে দুই দেশের সরকারই এই চিঠির কোনো উত্তর দেয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।


গত রবিবার জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফর হিউম্যান রাইটস (ওএইচসিএইচআর) এই চিঠি প্রকাশ করেন। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ টোমোয়া ওবোকাটা, রবার্ট ম্যাককরকোডালে, গেহাদ মাদি ও সিওবান মুল্লালি এই চিঠি দেন।



চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের জনপ্রতি সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার ডলার পর্যন্ত নিয়োগ ফি দিতে হচ্ছে, যা ২০২১ সালে এই দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) খেলাপ। ওই এমওইউ অনুযায়ী, এই ফি হবে ৭২০ ডলার পর্যন্ত।


জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা উভয় সরকারের কাছে এ বিষয়ে তদন্ত, অপরাধীদের বিচার এবং নৈতিক নিয়োগের নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন। তবে ৬০ দিনের মধ্যে কোনো সরকার থেকে জবাব না আসায় এই চিঠি মানবাধিকার কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়।


আটকে থাকা কর্মীদের বিষয় কোনো পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের সভাপতি আবুল বাশার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে একাধিকবার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছি। 


আমরা দু-এক মাস সময় বাড়িয়ে দেয়ার কথা বলেছিলাম। তাহলে সব কর্মীকে পাঠানো যেত। কারণ কর্মীরা যেতে না পারলে তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে। তারা অনেক টাকা দিয়ে বসে আছে। 


বৃহস্পতিবারও এই বিষয় মন্ত্রণালয়কে অবগত করেছি। কাল (শুক্রবার) মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের পর জানা যাবে বিষয়টির কী হবে।’


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (কর্মসংস্থান) গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার বলেন, ‘এ বিষয় আন্ত মন্ত্রণালয়ের বৈঠক চলছে। সামনেও বৈঠক হবে। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, কার্যকর ১ জুন থেকে

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:


ডিজেল ও কেরোসিনে লিটারে ৭৫ পয়সা এবং পেট্রোল ও অকটেনে ২.৫০ টাকা বাড়িয়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করেছে সরকার। 


এরই ধারাবাহিকতায় ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য ১০৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৭ টাকা ৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি লিটারপ্রতি পেট্রোলের বিদ্যমান মূল্য ১২৪.৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২৭ টাকা এবং অকটেনের বিদ্যমান মূল্য ১২৮.৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দর আগামী ১ জুন থেকে কার্যকর হবে।


বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জ্বালানি তেলের এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।



বৃহস্পতিবার (৩১ মে) এ বিষয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার গত মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলার আলোকে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করছে। 


তারই ধারাবাহিকতার প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য ১০৭ টাকা (লিটার) থেকে ০.৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ১০৭.৭৫ টাকা, পেট্রোলের বিদ্যমান মূল্য ১২৪.৫০ টাকা (লিটার) থেকে ২.৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১২৭ টাকা এবং অকটেনের বিদ্যমান মূল্য ১২৮.৫০ টাকা (লিটার) থেকে ২.৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমন্বয়কৃত এ মূল্য ১ জুন, ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কিছুটা হ্রাস পেলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে এ মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। মূল্য সমন্বয়ের পরও ভারতের কলকাতায় বর্তমানে ডিজেল লিটারপ্রতি ৯০.৭৬ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৫.৭০ টাকায় এবং পেট্রোল ১০৩.৯৪ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৩.৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা বাংলাদেশ থেকে লিটারপ্রতি যথাক্রমে প্রায় ১৭.৯৫ টাকা ও ১৬.৯৬ টাকা বেশি।



আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নতুন করে গণবিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর গাজায় যুদ্ধ পরিচালনা নীতির বিরুদ্ধে হাজার হাজার ইসরাইলি নাগরিক সোমবার জেরুসালেমে বিক্ষোভ জানিয়েছে।

ইসরাইলি পার্লামেন্টে নেসেটের সামনে থেকে এই বিক্ষোভ শুরু হয়ে পরবর্তীতে তা নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত বাসভবন পর্যন্ত যায়।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকার যেন হামাসের সাথে দরকষাকষি করে তাদের হাতে আটক বাকি পণবন্দীদের মুক্তির উদ্যোগ নেয় এবং আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনের আয়োজন করে।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ইসরাইলি নাগরিকদের হত্যা ও পণবন্দী করে

ফিলিস্তিনি মুক্তিকামী সংগঠন হামাস।

 

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ মূল জনস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আলাদা করে পুলিশি ব্যারিকেড অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে পিছু হটতে বাধ্য করে। পরবর্তীতে জলকামান ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়।

নেতানিয়াহু যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এই বিক্ষোভ শুরু হয়। গত সপ্তাহে মধ্যপন্থী দুই সাবেক জেনারেল বেনি গ্যান্টজ ও গাদি এইসেনকট মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার পর নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপ প্রত্যাশিতই ছিল। নেতানিয়াহুর সাথে যুদ্ধ পরিচালনার প্রক্রিয়া নিয়ে মতভেদের জেরে এই দুই নেতা পদত্যাগ করেন।

 

গ্যান্টজ অক্টোবর মাসে হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শুরুর দিকে নেতানিয়াহুর জোট সরকারে যোগ দেন এবং যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা গঠনের দাবি জানান।

হোয়াইট হাউস সোমবার জানিয়েছে, মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়ার বিষয়টি ইসরাইলি সরকারের অভ্যন্তরীণ ও নিজস্ব পদক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্র নেতানিয়াহুর সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, ইসরাইলি সরকারে কে থাকবেন বা থাকবেন না, সেটা যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয় নয়।

মিলারকে জিজ্ঞাসা করা হয় ইসরাইলে সরকারি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কট্টর ডানপন্থীদের মতামত বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন কিনা। এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বিবেচনায় যেসব নীতিমালা শুধু ফিলিস্তিনি জনগণ না, ইসরাইলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও অকার্যকর, সেগুলোর ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন তার দ্বিমতের কথা প্রকাশ্যে জানাবে।

 

যুক্তরাষ্ট্র এর আগে জানিয়েছিল, যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ফলপ্রসূ।
সূত্র : ভয়েস অফ আমেরিকার


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর নাজিম হত্যাকান্ডে জড়িত দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর ''নাজিম উদ্দিন ফকির'' হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, জড়িত দু'জন কে গ্রেফতার ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ। বুধবার দুপুরে সদর মডেল থানা প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্যটি জানিয়েছেন নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ গাজিউর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নওগাঁ সদর উপজেলার বিলভবানীপুর গ্রামের নিহত নাজিম উদ্দীন প্রায় এক বছর আগে মারপিটের ঘটনায় একটি গ্রাম্য সালিশ দরবার করেছিল এলাকায়। সেই শালিসে ৩০ হাজার টাকা অর্থ জরিমানা করেন তিনি। ঐ গ্রাম্য শালিসে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ক্ষিপ্ত ছিল নাজিমের উপর। তৈরি হয়েছিল শত্রুতা। এছাড়া প্রায় ৬-৭মাস আগে পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি আপস করেন নিহত নাজিমুদ্দিন। এরই জ্বেরে গত সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে নাজিম উদ্দিন ফকির বিলভবানীপুর মৎস্যজীবী পাড়ায় জনৈক ব্যক্তির শালিস শেষে নিজের বাড়ী ফেরার সময় অজ্ঞাতনামা আসামীরা ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ী দিয়ে আঘাত করে গুরুত্বর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাজিম উদ্দিনের মৃত্যু হয়। হত্যাকান্ডের বিষয়টি পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক স্যারকে জানালে স্যারের সার্বিক দিক নির্দেশনায় পুলিশের একটি চৌকস দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তথ্য প্রযুক্তি এবং সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার মাধ্যমে মঙ্গলবার নওগাঁ শহরের দপ্তরীপাড়া এলাকা হতে ঐ গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে সুজাত আলী (৩২) ও রঘুনাথপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম এর ছেলে মেহেদী হাসান (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়। আটকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পূর্বের রাগ ও ক্ষোভের জ্বেরে দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা নাজিম উদ্দিন ফকিরকে হত্যা করার বিষয়টি স্বীকার করেন। এসময় তাদের দেয়া তথ্য মোতাবেক বিভিন্ন স্থান থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চাকু ও ভাঙ্গা হাতুড়ী উদ্ধার করেন পুলিশ। আটকৃতদের বুধবার বিকেলে আইনী প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এই কত্যাকান্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য আদালতের কাছে আসামীদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। রিমান্ডের মাধ্যমে আরো তথ্য জানা জেতে পারে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। এসময় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান, নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল হক সহ থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর