Logo
শিরোনাম

নওগাঁর আত্রাই নদী পরিযায়ী পাখিকে ঘিরে হতে পারে পর্যটন কেন্দ্র

প্রকাশিত:Monday ২৩ January 20২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :

শীত এলেই ওরা চলে আসে। আসে একেবারে দলবেঁধে। সকাল এর স্নিগ্ধ কুয়াশা আর মৃদু রোদের ফাঁক দিয়ে যেন ভেসে আসে কিচিরমিচির শব্দ। নদীর স্বচ্ছ পানিতে পরিযায়ী পাখির জলকেলি সেই সাথে কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে থাকে নদীর দুই পাড়। তাদের আগমনে প্রকৃতি যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। পাখিকে ঘিরে এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবী জানিয়েছেন স্থানিয় সচেতন মহল সহ পর্যটকরা।

গত কয়েক বছর ধরে শীতের শুরুতে দল বেঁধে আসতে শুরু করে পরিযায়ী পাখি। আবাস গড়ে তোলে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার আত্রাই নদীর তীরের পুরো কুঞ্জবন এলাকাজুড়ে। নদীর স্বচ্ছ পানিতে চোখ পড়লেই দেখা মিলবে হাজারো পরিযায়ী পাখির। চলতি শীত মৌসুমে বালিহাঁস, সরালি হাঁস, পানকৌড়ি, রাতচোরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখির বিচরণ ঘটেছে এখানে। এছাড়া পিয়াং হাঁস, পাতি সরালি, লেঙজাহাঁস, বালিহাঁস, পাতিকুট, শামুকখোল, পানকৌড়ি, ছন্নি হাঁস সহ প্রায় ১২জাতের দেশি পাখির দেখা মিলবে। এসব পরিযায়ী পাখি প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নদীর স্বচ্ছ পানিতে করছে জলকেলি। কখনও জলে ভাসতে ভাসতে আবার কখনও দল বেঁধে উড়ছে নদীর চারপাশে। একসঙ্গে ওঠানামা করতে গিয়ে পা আর পাখার ঝাপটায় চারদিকে ছিটকে পড়া পানিতে সৃষ্টি হচ্ছে এক অপরূপ দৃশ্য। সারাদিন নদীতে থাকলেও রাতে পাখিগুলো ফিরে যায় পাশের রামচন্দ্রপুর ও মধুবন সহ এলাকার বিভিন্ন গাছে। ভোরে আবারও ফিরে আসে আত্রাই নদীতে। মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্য দেখতে দুর দূরান্ত থেকে আসছেন পাখি প্রেমিরা। নিরাপদে পাখিগুলোর বসবাসের জন্য আবাস করে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন।

পাখি দেখতে আসা দর্শনার্থী আব্দুল হাকিম, খবির উদ্দিন সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল সহ অনেকেই বলেন, এখানে এসে অতিথি পাখি দেখে মনটা ভরে যায়। খুব সুন্দর পরিবেশ ও মনোমুগ্ধকর এই জায়গা। অতিথি পাখির অবাধ বিচরণ। এলাকাটিতে যদি পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলা যায় সেক্ষেত্রে প্রতি বছর এখানে পরিযায়ী পাখি আরো বেশি করে আসতো। এসব পাখিকে ঘিরে এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি উড়ে এসে পানিতে পড়ছে। আবার কেউ বাঁশের ওপর বসে আরাম করছে। এখানে যাতে কোনক্রমেই ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি না হয় সেদিকে প্রশাসন ও স্থানীয়দের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সামাজিক সংগঠন নিরাপদ নওগাঁর চেয়ারম্যান ও গনমাধ্যম কর্মী এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এখানে আগত অতিথি পাখিদের নিরাপত্তা প্রদানে আমরা কাজ করে আসছি। পাখিদের বিচরন স্থান গুলোকে অভয়ারন্য হিসেবে ঘোষনা করতে প্রশাসনের সঙ্গে একাত্ত হয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। শুধু অতিথি পাখিই নয় পুরো দেশের পরিবেশে ও জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর। মহাদেবপুর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাকসুদুর রহমান বলেন, আত্রাই নদীতে যেসব স্থান পাখিদের অবাধ বিচরণ আছে সেই সব স্থানে যাতে কেউ নৌকা দিয়ে মাছ শিকার করার কারণে পাখিদের অবাধ বিচরণে বাধাগ্রস্থ না হয় এবং কেউ যেন পাখি শিকার করতে না পারে সে বিষয়ে মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে নজরদারি রয়েছে। এছাড়া কেউ যদি পাখি শিকার করে, আমরা জানতে পারলে বনবিভাগের সাথে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু হাসান বলেন, আত্রাই নদীতে যেসব স্থান পাখিদের অবাধ বিচরণ আছে সেই সব স্থানে যাতে কেউ নৌকা দিয়ে মাছ শিকার করার কারণে পাখিদের অবাধ বিচরণে বাধাগ্রস্ত না হয় এবং কেউ যেন পাখি শিকার করতে না পারে সেই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অতিথি পাখিদের আবাসস্থলকে নিরাপদ করে অভয়ারন্যে পরিণত করে পর্যটকমুখি করতে গৃহিত পদক্ষেপগুলো দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে।


আরও খবর



চালের দরে 'কারসাজি' মিল মালিকদের

প্রকাশিত:Friday ০৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার : একই ধানে দুই বার লাভ করে মিল মালিকরা। একদিকে তারা ধান থেকে চাল তৈরি করে অতি মুনাফায় সেটি বিক্রি করেন। অন্যদিকে ধানের উপজাত হিসেবে খুদ, তুষ ও কুড়া বিক্রি করেও বাড়তি লাভ করেন। কিন্তু এই লাভের অঙ্ক গোপন করে আসছের মিল মালিকরা। সম্প্রতি ১৯৫টি চাল কল নিয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে আসে চাল কল মালিকদের অতি মুনাফার চিত্র।

এক কেজি চাল তৈরীতে ধান লাগে প্রায় দেড় কেজি। দেড় কেজি আমনের দাম প্রকার ভেদে ৩৭ টাকা থেকে ৪২ টাকা। আর চিকন জাতের দাম ৪৫ টাকা। একই পরিমান বোরো ধানের দাম ৩৭ টাকা থেকে ৪৬ টাকা। আর চিকন জাতের দাম পড়ে ৫৪ টাকা।

মিল মালিকরা এই চাল আমন মৌসুমে বিক্রি করে ৪৩ থেকে ৫৪ টাকা। আর বোরো মৌসুমে ৪৩ থেকে ৬৩ টাকা । এতে কেজি প্রতি চালে তাদের আয় থাকে ৫.৬৪ টাকা থেকে ৯.০৬ টাকা। বোরোর ক্ষেত্রে লাভের অঙ্কটা ৫.৬৪ টাকা থেকে ৯.০৫ টাকা।

চাল তৈরীর সময় উপজাত বা বাই প্রোডাক্ট হিসেবে যে খুদ, তুষ ও কুড়া তৈরী হয় সেখান থেকেও প্রায় ৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৯ টাকা আয় করে মিল মালিকরা। উপজাত পণ্যের এই লাভ যুক্ত করলে এক কেজি চালে মিল মালিকদের মুনাফা ৮ থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১৩ টাকা।

নিয়ন্ত্রনহীন চালের বাজার নিয়ে সম্প্রতি দেশের ১৯৫টি চাল কলের ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন তৈরী করে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইন্সটিটিউট। তাদের তথ্য বলছে মিল মালিকরা বরাবরই খুদ, তুষ ও কুড়া থেকে তাদের লাভের অঙ্কটা গোপন করে আসছে। একই পণ্য তারা দুবার লাভ করছে।


আরও খবর

কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

Saturday ০৪ February ২০২৩




ধামরাইয়ে সরিষার বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি।

প্রকাশিত:Saturday ০৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

মোঃ মাহবুবুল আলম রিপন,ধামরাই,ঢাকা :


ঢাকার ধামরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন জোরেই এবার সরিষার আবাদ হয়েছে, যতদূর চোখ যায় শুধু সরিষা আর সরিষা।

এবার ১৬ টি ইউনিয়ন এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সরিষা আবাদ হয়েছে ধামরাই সদর ইউনিয়ন, সোমভাগ ইউনিয়ন, ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন  কুল্লা ইউনিয়ন, কুশুরা ইউনিয়ন সূতিপাড়া ইউনিয়ন, আমতা ইউনিয়ন, বালিয়া ইউনিয়ন, নান্নার ইউনিয়ন ও সুয়াপুর ইউনিয়ন এ সবচেয়ে বেশি সরিষার আবাদ হয়েছে। 

সরিষা চাষি কালাম মিয়া বলেন এবার আমি ৫ বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভালো ফলন হবে বলে আশা করি, তিনি জানান যে অনন্য ফসলের তুলনায় সরিষা আবাদে খরচ কম সার বিষ লাগে না বললেই চলে, যখন সরিষা রোপণ করি তখন ২ টা চাষ করি এবং সাথে হালকা কিছু সার দিয়ে সারিষা রোপন করি


যখন সরিষার গাছ গুলো একটু বড় হয় তখন একবার ৫ বিঘা জমিতে একমণ সার দিয়েছি তারপর আর কোন সার বিষ দিয়ে দিতে হয়নি, আল্লাহ তালা যদি আবহাওয়ার ঠিক রাখে বৃষ্টি পাত না হয় তাহলে এবার অনেক ভালো সরিষা হবে বলে মনে করি, তিনি জানায় প্রতি বিঘা জমিতে প্রিয় ৪ মণ সরিষা হয়ে থাকে, আশা করি এবার ভালো দামে সরিষা বিক্রি করতে পারবো। 

এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফ হাসান বলেন এবার ৬২০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অবশ্যই সরিষার ফলন ভালো হবে বলে মনে করি। এখন বর্তমানে সরিষার যে দাম আছে এই দাম থাকলে কৃষক লাভবান হবে। কৃষকের যে পরামর্শের জন্য আমার কাছে আসলে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি আমি।


আরও খবর



হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হতদরিদ্র, নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীনদের পাশে দাঁড়তে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার সরকার প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)’র একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে একজন মানুষও ভূমিহীন বা ঠিকানা-বিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জন্য বাড়ি নির্মাণে ৩৬টি ব্যাংক মোট ১১৩ দশমিক ২৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে।

দেশের গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেয়ায় এগিয়ে আসার জন্য সমাজের ধনীক শ্রেণীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু সরকারই নয়, বরং আমরা সবাই মিলে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

তিনি আরো বলেন, জমি ও ঘর পাওয়ার পর অনেক গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হয়েছে। এদের অধিকাংশকেই ইতোমধ্যে জমি ও ঘর দেয়া হয়েছে। এখন অল্প কয়েকজন বাকী আছে। তাদের জন্যও বাসস্থান নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই আশ্রায়ন প্রকল্প থেকে যারা ঘর পেয়েছেন-তাদের মুখের হাসি ও মনের সন্তুষ্টি থেকে বড় আর কোন প্রাপ্তি হতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, অনেকেই যারা আশ্রায়ন প্রকল্পে দুই ডেসিমেল জমি পেয়েছেন- তারা সেখানে শাকসজবি চাষ, হাঁস--মুরগি পালন, কুটির শিল্প ও দোকান গড়ে তুলেছেন। তারা এভাবে ভালোভাবে বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছেন। এই জমি ও ঘর পাওয়ার ফলে তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন (উন্নতি) হচ্ছে।’

অনুদানের অর্থ প্রদান করায় বিএবি ও ব্যাংকারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, ‘আপনাদেরকে আমার (অনুদান প্রদানের কথা) বলার প্রয়োজন হয় না। আপনারা যে কোন দুর্যোগ ও সংকটকালে স্বতস্ফূর্তভাবেই এগিয়ে আসেন।’

বেসরকারি খাতে ব্যাংক খুলতে তার সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে বর্তমানে ৩ লাখ কাজ করছে, এটা একটি অনেক বড় ব্যাপার।’

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঞ্চলনায় সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিনিধি কে অপহরণের চেষ্টা

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

একাত্তর টেলিভিশনের সাভার প্রতিনিধি আশরাফ সিজেলকে অপহরণ চেষ্টার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। সকালে আশরাফ সিজেল বাদি হয়ে সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন ।

এর আগে সাভারের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ইউনিয়ন পরিষদের অফিস ও খাস জমি দখল করে দোকানপাট নির্মাণের সংবাদ প্রচার করায় রবিবার বিকালে সিজেলকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়। সিজেল জানান, কয়েকদিন আগে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে আমিনবাজার ইউনিয়ন পরিষদের দাপ্তরিক কাজ করার খবর সংগ্রহ করেন। কিন্তু খবরটি প্রচার না করার জন্য সিজেলকে নির্দেশ দেন ইউপি চেয়ারম্যান। পরে রবিবার বিকালে উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারী মোহসীন বাবুর নেতৃত্বে ১০/১২ জনের সন্ত্রাসী দল সাভারে সিজেলের রেডিও কলোনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে অপহরণের চেষ্টা চালায়। এসময় ট্রিপল নাইনে ফোন পেয়ে সিজেলকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় সিজেলকে আট ঘন্টার মধ্যে সাভার ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে যান। এ ব্যাপারে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজিবের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।এদিকে মধ্যরাতে সন্ত্রাসীরা আবারও দুটি গাড়ি নিয়ে আশরাফ সিজেলের বাসার নিচে টহল দেয়। পাশাপাশি হুমকি দিয়ে পাশের বাসা থেকে সিসিটিভির ফুটেজ নিয়ে যায় ।  


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




মালয়েশিয়া যেতে বিমান ভাড়ায় অরাজকতা

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বাংলাদেশ মালয়েশিয়া রুটে বিমান ভাড়া নিয়ে শুরু হয়েছে অরাজকতা চাহিদা বেশি থাকায় সিন্ডিকেট করে ভাড়া কয়েক গুণ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে প্রয়োজনে সরকারে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন যাত্রীসহ বাজার সংশ্লিষ্টরা এয়ারলাইন্স কতৃপক্ষ অবশ্য বলছেন, ভাড়া ভাড়ানোর বিষয়টি নতুন নয় তবে এবার তা লাগাম ছাড়া

ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএসবাংলা ছাড়াও মোট পাঁচটি কোম্পানি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে সপ্তাহে অর্ধশতাধিক ফ্লাইট দুই শহরের মধ্যে যাত্রী পরিবহন করে এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স ঢাকায় ট্রানজিট দিয়ে রুটে যাত্রী পরিবহন করে


গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে ইকোনমি ক্লাসে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের গড় ভাড়া ছিল ৯০ হাজার টাকার বেশি অথচ এই ভাড়াই দুই মাস আগে ছিল ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা ট্রাভেল এজেন্টরা বলছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীর কাজের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ পাড়ি জমাচ্ছেন সেই সুযোগে এয়ারলাইন্সগুলো টিকিটের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে

শুধু কর্মী যাবার চাপ নয় ডলার এবং তেলের দাম বৃদ্ধিও টিকেটের দাম বাড়ার কারণ তবে এমন লাগামহীন বৃদ্ধির ফলে কর্মী যাবার গতি কমেছে বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন মন্ত্রণালয়ওবর্তমানে দৈনিক পাঁচ হাজার কর্মীর মালয়েশিয়া যাবার ভিসা হয় কিন্তু ভাড়া বৃদ্ধির কারণে অনেকেই দেশটিতে যেতে পারছেন না


আরও খবর