Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় ২২শ' লিটার মদ সহ দু'জনকে আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁয় ২২শ' লিটার মদ সহ দু'জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৫, জয়পুরহাট ক্যাম্প কর্তৃক পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে নওগাঁর ধামইরহাট এলাকা হতে নিজ বসতবাড়ীতে প্রস্তুুতের সময় ২ হাজার ২শ' ২০ লিটার চোলাই মদ সহ দু' জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদক কে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান এবং সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা'র নেতৃত্বে মঙ্গলবার ৩ জানুয়ারি দিনগত রাত পনে ১২ টারদিকে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানাধীন মুকুন্দপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ১শ' ৭০ লিটার চোলাই মদ সহ মাদক ব্যবসায়ী শ্রী সুদেব (২৫), পিতা-মৃত প্রদিপ, সাং-মুকুন্দপুর কামারপাড়া, থানা-ধামইরহাট, জেলা-নওগাঁকে নিজ বসতবাড়ীতে প্রস্তুুতের সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া রাত পনে ১ টারদিকে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানাধীন কামারপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ১ হাজার ৫০ লিটার চোলাই মদ- সহ মাদক ব্যবসায়ী আসামী শ্রী শ্যামল(৫০),পিতা-মৃত রমেশ, সাং-বেলাম্বা এক মন্দির, থানা ও জেলা- জয়পুরহাটকে নিজ বসতবাড়ীতে প্রস্তুুতের সময় হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত ধৃত আসামীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ নেশা জাতীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে উৎপাদন করে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল। 

এব্যাপারে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুসারে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শুল্ক কমে, দাম কমে না, লাভ ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

এক সপ্তাহ আগে চার ধরনের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো হলেও তার প্রভাব নেই বাজারে। আর সহসা প্রভাব পড়বে বলেও মনে হয় না। রোজার মাসকে সামনে রেখে শুল্ক কমানো হয়েছে।

অবশ্য আগামী সপ্তাহে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। আর বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন ১ মার্চ থেকে ওই চারটি পণ্য কম দামে বিক্রি না করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আমদানিকারকেরা বলছেন, ডলার সংকট এবং এলসি খোলা থেকে আমাদানি পর্যন্ত সময় বিবেচনায় নিতে হবে। তারা যা আগেই আমদানি করেছেন তার শুল্ক তো দিয়ে দিয়েছেন। ওই চার ধরনের পণ্য আমদানিতে ১৫ দিন থেকে দেড় মাস সময় লাগে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর খেজুর আমদানিকারকেরা অভিযোগ করেছেন শুল্কায়নের সময় দাম বাড়িয়ে দেখানোয় বাস্তবে খেজুরের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আমদানিকারকেরা এই শুল্ক কমানোর সুবিধা সর্বোচ্চ ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পাবেন। চাল আমদানিতে ১৫ মে পর্যন্ত সুবিধা দেয়া হলেও চলতি অর্থ বছওে চাল আমদানি হচ্ছে না।

শুল্ক কমায় দাম কত কমার কথা :


৮ ফেব্রুয়ারি চার ধরনের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমানোর প্রজ্ঞাপণ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। পণ্যগুলো হলো : চাল, ভোজ্য তেল, চিনি ও খেজুর।

সিদ্ধ ও আতপ চালের আমদানি শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসাথে সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বা রেগুলেটরি ডিউটি ২৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ সুবিধা চাল আমদানিকারকেরা পাবেন আগামী ১৫ মে পর্যন্ত। দেশে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন ও ব্যবসা পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর বা মূসক বা ভ্যাট পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। এ সুবিধা তারা পাবেন আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। বিদেশ থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং পাম তেল আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। আমদানিকারকেরা এ সুবিধা পাবেন ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

খেজুরের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। আগে আমদানি শুল্ক ছিলো ২৫ শতাংশ। আমদানিকারকেরা এ সুবিধা পাবেন আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

পরিশোধিত ও অপরিশোধিত উভয় ধরনের চিনির আমদানি আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে প্রতি টনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। আগে যা ছিল দেড় হাজার টাকা। আর পরিশোধিত চিনি আমদানিতে টনপ্রতি আমদানি শুল্ক কমিয়ে করা হয়েছে দুই হাজার টাকা, আগে যা ছিল তিন হাজার টাকা। এ শুল্ক ছাড় পাওয়া যাবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

শুল্ক কমানোর এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার বাজারে দেখা গেছে ওই চার ধরনের ভোগ্য পণ্যের দাম এক পয়সাও কমেনি।
প্রতি কেজি সাধারণ মানের খেজুর ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। এক মাস ধরে এ দরেই এসব খেজুর বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গত বছরের চেয়ে অবশ্য কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি।

আগের মতোই প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০ থেকে ১৭৩ এবং খোলা তেল ১৫৮ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পাম তেলের লিটার ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা । এক মাসের বেশি সময় ধরে এ দরেই বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল।
দুই মাস ধরে খোলা চিনির কেজি ১৪০ থেকে ১৪৫ এবং প্যাকেটজাত চিনি ১৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখনও সেই দরে কিনতে হচ্ছে চিনি।

বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৭৫, মাঝারি চাল ৫৫ থেকে ৬৫ ও মোটা চালের কেজি ৫০ থেকে ৫৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুল্ক কমানোর পর চালের দাম কমেনি। তবে চলতি অর্থবছরে কোনো ধরনের চাল আমদানি হয়নি। গত বছর ১৭ থেকে ১৮ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে চার লাখ ২১ হাজার টন।


কলাবাগানের মুদি দোকানদার আব্দুর রহিম জানান, 'আমদানি শুল্ক কমানোর পর ওইসব পণ্যের দাম এখনো কমেনি। আমরা আগের দামেই বিক্রি করছি। কমবে কিনা জানি না। তবে চালের দাম অভিযানের ফলে কয়েকদিন আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। আর চিনি, সয়াবিন ও পাম তেল এবং খেজুরের দাম গত ১৫ দিন থেকে এক মাস আমরা একই দামে বিক্রি করছি। চিনির দাম কিছুটা কমেছে তবে তা এখন নয়, আগেই কমেছে।

তার কথা, 'কবে কমবে আমরা জানি না। পাইকারি যাদের কাছ থেকে আনি তারা কমালে আমরাও কমাবো। তার আগে তো পারব না।

আমদানিকারকেরা যা বলছেন :


বাংলাদেশের ভোজ্য তেল এবং চিনি আমদানির যে পাঁচটি বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আছে তার মধ্যে মেঘনা গ্রুপ একটি। ওই গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মজিবুর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশে চিনি আসে প্রধানত ব্রাজিল থেকে। আর সয়াবিন ও পাম তেল আনা হয় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে। ব্রাজিল থেকে চিনি আনতে সব মিলিয়ে কমপক্ষে এক মাস লাগে। আর ভোজ্য তেল আনতে ১৫ দিন থেকে এক মাস লাগে। ফলে আমরা নতুন আমদানি করলে শুল্ক কমানোর সুবিধা পাবো। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি আগেই আমদানি করা তেল ও চিনির দাম কমাতে। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা তেলের দাম কিছুটা কমাবো। চার-পাঁচ টাকা ডিসকাউন্ট দেব লিটারে।

তার কথা, 'অনেকেই রোজার মাসের চাহিদা হিসাব করে তেল-চিনি নিয়ে এসেছেন। হয়তো ওই মাসের জন্য নতুন অল্প কিছু আমদানি হবে। পাইপলাইনে যা আছে তা শুল্ক সুবিধা পাবে। যার এলসি আগেই খোলা হয়েছে, পাইন লাইনে আছে সেগুলো নির্ধারিত সময়ের আগে খালাস হলে শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে।
তার বিবেচনায় সরকার যে নির্ধারিত সময়ের জন্য শুল্ক সুবিধা দিয়েছে তাতে অল্প অল্প পরিমাণ তেল চিনি এই সুবিধায় আনা যাবে।

তবে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, 'তাতে খুচরা দামের ওপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ডলারের দাম বেশি হওয়ায় তা সমন্বয় করতে গিয়ে দাম তেমন কমানো যাবে না।

এদিকে ফ্রুটস ইমপোর্টারর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, 'আমদানি শুল্ক কমানো হলেও খেজুরের দাম কমবে না। কারণ শুল্কায়নের সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা খেজুরের দাম অনেক বেশি ধরে তার ওপর ডিউটি নির্ধারণ করছে। এটা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমদানি শুল্ক কমাতে তারা কমিয়েছেন। কিন্তু দাম বেশি দেখিয়ে দুইগুণ-তিনগুণ শুল্ক নিচ্ছেন।

তিনি দাবি করেন, 'আমরা ইরাক থেকে সাধারণ মানের খেজুর কার্টনে করে আমদানি করেছি ৯০০-১০০০ ডলারে। এখন শুল্কায়নের সময় দাম ধরা হচ্ছে দুই হাজার ৫০০ ডলার। আর বস্তায় ভরে প্রতি টন আনি ৫০০-৬০০ ডলারে, কিন্তু শুল্কায়নের সময় দাম ধরা হয় এক হাজার ডলার। তাহলে একদিকে শুল্ক কমানোর কথা বলছে অন্যদিকে দুই-তিনগুণ শুল্ক বেশি আদায় করছে।' তার কথা, এই পরিস্থিতিতে নতুন করে কেউ খেজুর আমদানি করবে না।

অজুহাত থাকবেই :


কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের(ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, 'শুল্ক কমানোর ঘোষণা আরেকটু আগে দিলে ভালো হতো। তবে এখনো এর সুবিধা ভোক্তাদের পাওয়া উচিত। আসলে ব্যবসায়ীরা এই সুযোগে কম শুল্কে পণ্য আমদানি করে পরে বেশি দামে বিক্রি করবে। এটা তাদের একটা পলিসি। এজন্যই তারা নানা অজুহাত দেখাচ্ছে। এরইমধ্যে বাজারে ওই চারটি পণ্যের দাম কিছুটা হলেও কমা উচিত ছিল। কিন্তু একটুও কমেনি।

তার কথা, 'এর আগে আমরা দেখেছি আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে তারা আগে আমদানি করা পণ্যের দামও সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু শুল্ক কমালে তারা আমদানির সময় ও ডলারের অজুহাত দেয়।

তিনি জানান, 'বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ও ভোক্তা অধিদপ্তরের ডিজি বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে আমিও ছিলাম। ব্যবসায়ীরা সেখানে দাম কমানোর কোনো প্রতিশ্রতি দেয়নি। উল্টো তাদের কেউ কেউ বলেছেন. চার পণ্যে শুল্ক কমানোর কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সামনের সপ্তাহে চিনি ও তেলের দাম কমবে :


ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, 'আমদানি শুল্ক কমানোর পর বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে একটু সময় লাগবে। আরো আগে শুল্ক কমালে আরো আগে প্রভাব পড়ত। আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যারিফ নির্ধারণ করে দেব। কাগজপত্র দেখে এটা করব। তাতে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম কমবে। তবে চিনির দাম সামান্য কমবে। কারণ চিনির আমদানি শুল্ক সবচেয়ে কম কমানো হয়েছে।

আর বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, 'আমরা সামনের সপ্তাহের মধ্যে দাম ফিক্সড করে দেয়ার চেষ্টা করছি। ১ মার্চ থেকে এই চারটি পণ্য কম দামে বিক্রি করতে হবে। আমরা এরমধ্যে আমদানিকারকদের আগে আনা পণ্য ক্লিয়ার করতে বলেছি। এক তারিখ থেকে আমরা আমদানিকারকদের গুদামে ইন্টরভেন করব।

তিনি বলেন, 'আসলে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। তারা ইচ্ছা করে সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এবার যাতে সেটা করতে না পারে সেজন্য আমরা নানা ব্যবস্থার কথা ভাবছি।

আর খেজুর আমদানিকারকদের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'সব মানের খেজুর একইসঙ্গে আমদানি করে একই দাম ধরা হত। তারপর ইচ্ছে মতো বাজারে দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করা হতো। এই কারণে এনবিআর একটি অ্যাসেসমেন্ট দাম নির্ধারণ করে দেয়। তারপরও তাদের অভিযোগ আমরা দেখব।

'আমরা আজকে(বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামে আমদানিকারকদের মূল হাব খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এরপর ঢাকায় মৌলভীবাজারের ব্যবসায়িদের সঙ্গে বৈঠক করব,' জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশে পবিত্র রোজার মাস শুরু হবে।


সূত্র : ডয়চে ভেলে

 


আরও খবর



স্কুল থেকে বিদায় নিতে এসে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে এসে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন এসএসসি পরীক্ষার্থী।

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠান এর আয়োজন করতে গিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে মাদক সেবনের পর অসুস্থ হয়ে সিহাব হাসান সৈকত (১৭) নামের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সিহাব হাসান সৈকত শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়ন এর দক্ষিণ কৃষ্ণপুর গ্রামের সেলিম হোসেন এর ছেলে।

নিহতের চাচা মিলু হোসেন জানান, সিহাব হাসান সৈকত শিবগঞ্জ উপজেলার

মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয় এর এসএসসি পরীক্ষার্থী। গত শনিবার স্কুলে তাদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। সিহাব হাসান সৈকত ঐ অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পূর্ণ করার কথা বলে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়। ঐদিন সে বন্ধুদের সঙ্গে স্কুল এলাকায় মাদক সেবন করে অসুস্থ হয়ে পড়ে ও মহাস্থান এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে থাকেন।

বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে তাকে বাড়িতে আনা হয়। এরপর রবিবার সকালে সে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে সিহাব হাসান সৈকত এর মৃত্যু হয়।

এব্যাপারে মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম সংবাদকর্মীদের বলেন, ‌একজন পরীক্ষার্থী'র মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। তবে কী কারনে মৃত্যু হয়েছে তা আমার জানা নেই।

বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নুরে শেফা শাহিনা জানান, বিষক্রিয়ায় সিহাবের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে, তবে ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।

ঘটনার বিষয়ে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ বলেন, এক স্কুল ছাত্র বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে মারা গেছে বলে জেনেছি, এব্যাপারে আইনানুগ পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।


আরও খবর



রবিবার আপিল করবেন ড. ইউনূস

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ৬ মাসের সাজা বাতিল চেয়ে রবিবার আপিল আবেদন করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজন। একইসঙ্গে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে জামিন চাইবেন তারা।

ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আপিল আবেদনে ২৫টি যুক্তি তুলে ধরে খালাস চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গত ১ জানুয়ারি ৬ মাসের সাজা হয় ড. ইউনূসের। তবে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের শর্তে জামিন পান ইউনূসসহ চারজন। এই সময়সীমার মেয়াদ শেষ হবে ৩১ জানুয়ারি। তাই রায় হাতে পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আপিল আবেদনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ড. ইউনূসের আইনজীবী বলেন, আমরা রবিবার আপিল করবো। আপিলের সব প্রস্তুতি চলছে। এসময় ড. ইউনূসসহ অন্যান্যরাও উপস্থিত থাকবেন। বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম বাতিল করে এরই মধ্যে দেশে ফিরেছেন তিনি। আপিলে শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরে সাজা মওকূফ করে চার আসামির খালাস চাওয়া হবে।

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিকদের স্থায়ী না করা, ছুটি নগদায়ন না করা, ৫ শতাংশ লভ্যাংশ না দেওয়ার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গত ১ জানুয়ারি শ্রম আইনের দুই ধারায় সর্বোচ্চ সাজা ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং আরেকটি ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ড. ইউনূসসহ ৪ জনকে।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁয় এক নারীর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন,সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ির বাথরুমের ভেতর থেকে নার্গিস বেগম নিপুন (৪৩) নামের এক নারীর গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে মহাদেবপুর থানা পুলিশ। নিহত নার্গিস বেগম মহাদেবপুর উপজেলার চক দৌলত গ্রামের মৃত নাসির উদ্দীন এর মেয়ে ও মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মৃত আনোয়ার হোসেন সোনারের স্ত্রী ছিলেন। সে দীর্ঘদিন থেকে সদরের মডেল স্কুল মোড়ে মায়ের বাসায় মায়ের সাথে থাকতেন।

নিহতের মা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৭ টার দিকে বাসার ভিতরেই বাথরুমে যায় নিপুন। ফিরতে অনেক দেরী হওয়ায় তার মা মেরিনা বেওয়া বাথরুমে গিয়ে মেয়ের গলাকাটা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় তিনি কোরআন শরীফ পড়ছিলেন বলে ও জানান তিনি। 

তিনি আরো জানান, তার মেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। তার মেয়েকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোস্তফা আলীমের কাছে চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। এর আগেও সে দু' বার আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। মঙ্গলবার সকালে রান্নাঘর থেকে বটি নিয়ে এসে সে নিজেই নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেছে এমনটি তার ধারণা করছেন তিনি। মাস তিনেক আগে স্বামীর সাথে ডির্ভোস হয় নার্গিসের। ডির্ভোসের মাস দেড়েক পর ওই স্বামীর মৃত্যু হলে সে আরো বেশি মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। 

মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।


আরও খবর



নওগাঁয় তারে বাঁধা সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নওগাঁর জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক হচ্ছে সমবায় সড়ক। সমবায় চত্বরের পাশ দিয়ে চলে গেছে এই সড়কটি। এই সড়কের সঙ্গে অবস্থিত নওগাঁ চক্ষু হাসপাতাল ও ড্যাফোডিল জুনিয়র স্কুল। সমবায় এই সড়কটি মুক্তির মোড়ের জেলা পরিষদের পার্কের প্রধান গেইট এর বিপরীত দিক দিয়ে চলে গেছে এটিম মাঠ ও উকিলপাড়ার মধ্যে। 

তাই প্রতিনিয়তই শত শত শিক্ষার্থীরা জিলা স্কুল, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কেডি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে চলাচল করে থাকেন। এছাড়াও এ অঞ্চলের বাসিন্দারাও দীর্ঘদিন যাবত সটকাট রাস্তা হিসেবে এই সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, এই সড়কের সঙ্গে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে নওগাঁ গাঁজা উৎপাদনকারী (অংশীদার) পূর্ণবাসন সমবায় সমিতি লিঃ কর্তৃক পরিচালিত গাঁজা সমবায় হিমাগার। বর্তমানে পরিত্যক্ত এই হিমাগারের ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি ডাব গাছের সঙ্গে তার দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় প্রাচীর টি পথচারীদের উপর ভেঙ্গে পড়তে পারে। তাই বর্তমানে এই সড়ক দিয়ে চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন মরণফাঁদ নামক সড়কের এই সীমানা প্রাচীর টির দ্রুত সংস্কার চান স্থানীয়রা।  

পথচারী মাকসুদুর রহমান বলেন, প্রতিনিয়তই সন্তানদের নিয়ে একাধিকবার এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। অনেক সময় কোমল-মতি শিক্ষার্থীরা একা চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে। প্রধান সড়কে অধিকাংশ সময় যানজট লেগে থাকার কারণে আবাসিক এলাকার বাসিন্দাসহ অধিকাংশ পথচারীরা এই নিরিবিলি সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত সমবায় হিমাগারের সীমানা প্রাচীরটির কোন সংস্কার না করায় এই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ সীমানা প্রাচীরটি অপসারণ করে দ্রুতই নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে সড়কটি কে নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

সদর উপজেলা প্রকৌশলী সানোয়ার হোসেন বলেন, যেহেতু ঐ সড়কটি পৌর সভার মধ্যে অবস্থিত তাই এই বিষয়ে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে পৌর কর্তৃপক্ষ। 

নওগাঁ পৌর সভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ নজমুল হক সনি বলেন, আমাকে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আমি তদন্ত সাপেক্ষে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম. রবিন শীষ বলেন, আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনিরাপদ সড়কটিকে নিরাপদ করতে দ্রুতই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবো। 


আরও খবর