Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় বিজিবি'র উপর হামলা, মূলহোতা বাবা ও ছেলেকে আটক

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ


নওগাঁর সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাকারবারি কর্তৃক বিজিবি'র টহল দলের উপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে আটক করেছে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, কাম্পের চৌকস অভিযানিক দল। আটককৃতরা নওগাঁর পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালানোর সময় র‌্যাব তাদের আটক করেন।

সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট কাম্প থেকে প্রতিবেদককে জানানো হয়, র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট ক্যাম্পের বিশেষ অভিযানে বিজিবি সদস্যদেরকে কুপিয়ে গুরুতর জখমকারী দু' জন প্রধান আসামি বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার পূর্বক থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব আরো জানায়,


গত শুক্রবার ৪ নভেম্বর বিজিবি জেসিও নায়েব সুবেদার মোঃ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৩ জন অন্যান্য পদবীর সদস্য সহ ১৪ বিজিবি (পত্নীতলা) ব্যাটালিয়ন এর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার সীমান্তবর্তী বস্তাবর সীমান্ত এলাকায় টহলে বের হয়। এবং রাত আনুমানিক সারে ৩ টারদিকে বস্তাবর সীমান্ত এলাকায় ৮/১০ জন অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য বহন করে নিয়ে আসতেছিল। এই দৃশ্য টহল টিমের নজরে আসলে দায়িত্বরত টহল টিম তাদেরকে আটক ও অবৈধ মাদক দ্রব্য উদ্ধারের চেষ্টা করলে এসময় আসামীগণ চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, হাসুয়াসহ বিভিন্ন ধরণের ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বিজিবি'র টহল কমান্ডার সহ ৩ জন বিজিবি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করের। এর মধ্যে টহল কমান্ডার জেসিও নায়েব সুবেদার মোঃ মুজিবুর রহমানের অবস্থা আশংকাজনক। তার মাথা ও পিঠের গভীরে হাসুয়া ঢুকে যায়। অন্যান্য সদস্যদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করে মাদক ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আক্রমনকারী মাদক চোরাকারবারীদের সনাক্ত করে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানায় ১৪ বিজিবি (পত্নীতলা) ব্যাটালিয়ন ৭ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এরপর র‌্যাব এজাহারপ্রাপ্ত হয়ে র‌্যাব এর গোয়েন্দা শাখার সহায়তায় ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার ৭ নভেম্বর পূর্বরাতে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মোঃ মোস্তফা জামান, আর্টিলারি এর নেতৃত্বে একটি চৌকস আভিযানিক দল জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানাধীন ধুরইল সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবি সদস্যদের উপর আক্রমনকারী ও ১নং এজাহার নামীয় প্রধান আসামি মোঃ রেজাউল করিম ওরফে গুপ্তা (৫৫), পিতা- মৃত তসির উদ্দিন এবং ২নং এজাহার নামীয় আসামী মোঃ মেহেদী হাসান ওরফে রাজু (২৫), পিতা- মোঃ রেজাউল করিম ওরফে গুপ্তা উভয় সাং- রসুলবিল (ধন্দুপাড়া), থানা-ধামুইরহাট, জেলা-নওগাঁদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য ও দেখানো মতে একটি হাসুয়া উদ্ধার করেন র‌্যাব।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামী বাবা ও ছেলেকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নওগাঁ জেলার ধামুইরহাট থানায় জিডি মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে র‌্যাব।


আরও খবর



রাণীনগরে জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কালীগ্রাম সরদার ও দপ্তরীপাড়া জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন বিদু’,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নওগাঁ-৬,(আত্রাই-রাণীনগর)আসনের এমপি এ্যাড: ওমর ফারুক সুমন।

নওগাঁ জেলা জজ আদালতের পেশকার ও অত্র জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তরের উদ্বোধন করেন এ্যাড: ওমর ফারুক সুমন এমপি। এসময় কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডল,গত ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনিত প্রার্থী ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে রাণীনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন বিএ,সমাজ সেবক জায়তুল ইসলাম জনিসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় সালমান নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় এ হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। 

নিহত সালমান (১৭) খুলনা জেলার শাহারাবাদ থানার জিনারতলা গ্রামের ভ্যান চালক মোফাজ্জল মিয়া ও খুকু বেগমের ছেলে। তারা স্বপরিবারে ফতুল্লার কুতুবপুর চিতাশাল কুসুমবাগ এলাকার ২নং গলির শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নিহতের মা খুকু বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ক্যানেলপাড় এলাকায় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে সালমান দাড়িয়ে ছিলো। তখন জাহিদ নামে এক ছেলে সিগারেট ধরায়। সালমান তাকে দূরে গিয়ে সিগারেট খেতে বললে দলবল নিয়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে সালমানকে এলোপাথারি মারধর করে জাহিদ। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় বাসায় ফিরলেও  শুক্রবার ভোর রাত ৪টায় তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে সালমান মারা যায়। এর পর স্থানীয় ইউপি মেম্বার জামান জানান,এ বিষয় নিয়ে থানা পুলিশ করলে লাশটা পুলিশ নিয়ে যাবে এবং ময়না তদন্তের জন্য কাটা ছেড়া করবে। তিন স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা জানান। এক প্রকার মামলা না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এসব কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা ছিল। পর খবর পেয়ে গলায় দানের আগে মুহর্তে লাশ নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য।

এবিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য জামান বলেন, এক ছেলে ফোন করে জানিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে ক্যানেলপাড় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে পোলাপান ঝগড়া করেছে। এতে মারধরে একজন মারাগেছে। এরপর বিষয়টি নিয়ে নিহত ছেলের বাবার সাথে ফোনে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তখন নিহতের বাবাকে বলেছি আপনে ইচ্ছে করলে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করতে পারেন আমি সহযোগীতা করবো। আর যদি তা না চান তাহলে মামলা করতে পারেন। 

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আজম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



স্বাধীন বিচার বিভাগ একটি দেশের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ, শক্তিশালী সংসদ ও প্রশাসন একটি দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বাসকে বাস্তবায়নে বিচার বিভাগকে প্রশাসন থেকে পৃথক করে সম্পূর্ণ স্বাধীন করেছি।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশীয় সাংবিধানিক আদালত : বাংলাদেশ ও ভারতের শিক্ষা শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার বিচার বিভাগকে প্রশাসন থেকে আলাদা এর জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দ করে করেছে।  বিচার বিভাগ আগে আর্থিক বিষয়ে সরকারের ওপর নির্ভরশীল ছিল।

এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন প্রণয়ন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা এটাকে নির্বাচন কমিশিন (ইসি) হিসেবে সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন করেছি এবং এর জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি। এর মানে হলো- আমরা নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি এবং আওয়ামী লীগ সরকার তা করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী সংবিধানে একটি অনুচ্ছেদ সংযোজন করেছে, যাতে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে আমি বলতে পারি, জনগণের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সাল থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, ইনশাল্লাহ, ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশে পরিণত করতে সক্ষম হব।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এবং আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।


সূত্র : ইউএনবি
 


আরও খবর



বায়ুদূষণে নীরবে ধুঁকছে ঢাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

দিনের পর দিন অস্বাস্থ্যকর থাকছে রাজধানীর বাতাস। মাঝেমধ্যে সারা বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে উঠে আসছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বায়ুমান সূচক ছিল ২৬৬, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

সূচক ২০০ থেকে ৩০০-এর মধ্যে হলে তা খুব অস্বাস্থ্যকর। অনেক জেলা শহরেও দূষণ ঝুঁকির পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমনকি কখনও কখনও ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেছে রংপুর-সিলেটের মতো কিছু শহর। তবু সরকার এ বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করছে না; বরং দূষণের মাত্রা কমিয়ে দেখাচ্ছে। বায়ুদূষণে অ্যাজমা, নিউমোনিয়ার মতো রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার টানা দুইদিন ঢাকার বাতাসের মান আজ খুব অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আর আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ২৪ মিনিটে ২৩৯ এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিয় রাজধানী ঢাকা।

গত ৬ দিন সকালে ঢাকার বাতাসের মান খুব অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল যথাক্রমে ২৬৩, ২৫৭, ২৮৬, ২৩২, ২৮৮ ও ২৬৬।

পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের দিল্লি ও কলকাতা এবং ইরাকের বাগদাদ যথাক্রমে ২২৩, ২১৯, ১৯৯ ও ১৮৭ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান দখল করেছে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর, ১৫০ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩) ।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো- ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।


আরও খবর

ফুটপাতের চাঁদার টাকা খায় কারা ?

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু প্যারিস খালের

শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4




ক্ষুধার নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজারো ফিলিস্তিনি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জার পাশাপাশি হামলা হচ্ছে হাসপাতালেও। এতে করে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই ভেঙে পড়েছে।

এরসঙ্গে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডটিতে দেখা দিয়েছে তীব্র মানবিক সংকট। এমন অবস্থায় গাজায় হাজার হাজার মানুষ ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে গাজায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির দাবিও জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থা গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য বিতরণ বন্ধ করার পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, গাজার হাজার হাজার মানুষ ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছেন এবং যখন তাদের সহায়তা বাড়ানো দরকার তখন সাহায্য বিতরণ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ডেনিস ফ্রান্সিস লিখেছেন, আমি আমার নিজের এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির জন্য আবারও দাবি করছি। যুদ্ধবিরতি হওয়াটা এখন নিষ্পাপ শিশুদেরসহ সাধারণ মানুষের জীবন ও মৃত্যুর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার গাজার উত্তরাঞ্চলে খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। আর এরপরই গাজার মানুষের দুরাবস্থা নিয়ে সরব হলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি।

গাজার উত্তরাঞ্চলে লাইভ-সেভিং খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে ডব্লিউএফপি বলেছে, ব্যাপক বিশৃঙ্খলার কারণে তাদের সহায়তা কনভয়গুলো সম্পূর্ণরূপে বিপর্যয় এবং সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, এই সিদ্ধান্তটি সহজভাবে নেওয়া হয়নি। তাদের সদস্যরা ব্যাপক ভিড়, বন্দুকযুদ্ধ এবং লুটপাটের সম্মুখীনও হয়েছেন।

এছাড়া জাতিসংঘ গত বছরের ডিসেম্বর থেকে গাজার উত্তরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কার কথা বলে আসছে। ডব্লিউএফপি বলেছে, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে এই ভূখণ্ডে ক্ষুধা ও রোগের দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রমাণ রয়েছে।

গত মাসে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, অন্তত ৩ লাখ মানুষ এখনও উত্তর গাজায় রয়েছেন যারা বেঁচে থাকার জন্য তাদের সহায়তার ওপর নির্ভর করছেন।

মূলত তীব্র সংঘাতের কারণে গাজার উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ বিতরণ হয়ে থাকে খুবই কম। এছাড়াও অল্প পরিমাণে যে সহায়তা বিতরণ হয় সেটিও আবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা ছাড়পত্রের ওপর নির্ভরশীল।

এছাড়া গত সোমবার ডব্লিউএফপি এবং জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের একটি যৌথ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গাজার উত্তরে পরিস্থিতি বিশেষ করে খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। ডব্লিউএফপি বলছে, উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, দুই বছরের কম বয়সী ১৫ শতাংশেরও বেশি শিশু তীব্রভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪