Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় চলছে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশিত:Thursday ০১ December ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ভটভটিসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করাসহ বিভিন্ন দাবিতে নওগাঁয় শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

বৃহষ্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে এই অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি শহিদুল ইসলাম।

তবে বিএনপির নেতারা বলছেন, আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে তাদের বিভাগীয় গণসমাবেশকে বাধা দিতেই এ ধর্মঘট দেওয়া হয়েছে। আর বাস মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, গণসমাবেশের সঙ্গে তাদের ডাকা ধর্মঘটের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

নওগাঁ শহরের বালুডাঙ্গা ব্যাসস্টান্ডে দাড়িয়ে থাকা যাত্রী খোকন হোসেন বলেন, জরুরি একটি কাজে সাড়ে ১০টার মধ্যে রাজশাহী যেতে হবে। প্রায় ৪০ মিনিট থেকে অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন পাচ্ছি না। কয়েক দিন পর পর পরিবহন শ্রমিক ও মালিকেরা ধর্মঘটের ডাক দেন। এতে অন্য কারও কিছু না হলেও যাত্রীদের হয়রানি এবং ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

বাসস্ট্যান্ডে আসা আরও দুই যাত্রী রাসেল ও আলামিন বলেন, বাসস্ট্যান্ডে আসার আগে শুনেছি ধর্মঘট, কিন্তু চিন্তা করছিলাম বিকল্প কোনো বাহনে করে যাব। কিন্তু স্ট্যান্ডে এসে কোনো কিছুই পাচ্ছি না। এমন কী সিএনজি চালিত অটোরিকশাও দেখা যাচ্ছে না। আবার যেগুলো আছে বেশি ভাড়া চাচ্ছে।

বাস চলাচল বন্ধের ব্যাপারে নওগাঁ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজিদ হোসেন পলাশ বলেন, এটা সারা দেশেই হচ্ছে। বিএনপির গণসমাবেশ দুই-একদিন আগে থেকেই এই ধর্মঘটের ডাক দিচ্ছেন।আমাদের এখানেও হবে জেনেই আমরা সেইভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমাদেরকে কেউ কোনভাবেই আটকে রাখতে পারবে না। ইতিমধ্যেই আমাদের নেতাকর্মীরা রাজশাহী যেতে শুরু করেছে। সমাবেশ সফল করতে যেকোনভাবে আমরা নেতাকর্মীরা রাজশাহী যাব।

নওগাঁ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধান, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে নছিমন, করিমন, ভটভটিসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ ও জ্বালানি তেলসহ যন্ত্রাংশের মূল্য হ্রাস করাসহ বেশকিছু আমাদের দাবি সরকারের কাছে ছিল। এই দাবির কারণেই রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। গত ২৬ তারিখে মটর মালিক শ্রমিক সবাই মিলে নাটোরে একটি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত বা আশ্বাস না পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলবে।

তবে বিএনপির সম্মেলনের সাথে তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই দাবি করে তিনি বলেন, আমরা গত দুই মাস আগে থেকে এসব বিষয় নিয়ে মিটিং করা হচ্ছিল। গত ২৬ তারিখে নাটোরে একটি মিটিং এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখানে নওগাঁর একক কোন বিষয় না। পুরো রাজশাহী বিভাগের বিষয়।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও

আব্দুল জলিলের কবরে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলী

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

ঐতিহ্যবাহী নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের নব গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও উত্তরবঙ্গের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক জননেতা মরহুম আব্দুল জলিল এর কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়েছে। 

সোমবার প্রথমেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত অনুপ্রেরণার বাতিঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এরপর উত্তরবঙ্গের কৃতিসন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের বাতিঘর নওগাঁর মরহুম জননেতা আব্দুল জলিলের কবরে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এসময় সেখানে মরহুমের কবর জিয়ারতের পর দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব এর নতুন কমিটির সভাপতি কায়েস উদ্দিন, সহ-সভাপতি আবু বক্কর ছিদ্দিক, মীর মোশারফ হোসেন জুয়েল, সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক খন্দকার আব্দুর রউফ পাভেল, একে সাজু, অর্থ সম্পাদক হারুনুর রশিদ চৌধুরী রানা, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ রিপন, প্রচার সম্পাদক লোকমান আলীসহ ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সকল সদস্য সহ অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮জানুয়ারী নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের আগামী এক বছরের জন্য একটি নতুন কমিটি ঘোষনা করা হয়।


আরও খবর



৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

একযোগে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শত সেতু- শত সড়ক উদ্বোধনের পর এবার অর্ধশত মসজিদের উদ্বোধন হলো।এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ইসলামের সঠিক আদর্শে জীবন যাপনের আহবান জানান।

গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি, যুক্ত হয়ে রংপুর সিলেট ও খুলনায় এসব মসজিদের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।নান্দনিক স্থাপত্যে ও ইসলাম চর্চার সুযোগ সুবিধা নিয়ে তৈরি হওয়া মসজিদগুলো একেকটি সংস্কৃতিকেন্দ্র হিসাবেও কাজে লাগবে। যেখানে হজযাত্রীরা প্রশিক্ষণ ও নিবন্ধনসহ প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো করতে পারবেন। থাকছে ইমাম প্রশিক্ষণ, নারী- পুরুষের নামাজের ব্যবস্থা, লাইব্রেরি , অটিজম কর্ণার, শিশু ও গণশিক্ষা কেন্দ্রসহ- পূর্ণাঙ্গ ইসলাম চর্চার সবকিছু। 


আরও খবর



কমছে আয়, বাড়ছে ব্যয়

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

রোকসানা মনোয়ার :করোনায় কমছে মানুষের আয়-রোজগার। আর এর বিপরীতে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। অবশ্য এই চিত্র আমাদের জন্য অতি পুরনো। তবে চলমান করোনার কারণে এই হ্রাস বৃদ্ধির মাত্রা বেড়েছে অনেকটাই। জানা গেছে, সম্প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যয় বেড়েছে সাত ভাগ। বিশেষ করে মোটা ও মাঝারি চালের দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশের বেশী।

দেশের আশিভাগ মানুষ নিত্যদিন যে ৩৭ টি পণ্য ব্যবহার করে, এগুলোর মূল্য বৃদ্ধির ফলে দুর্ভোগের মাত্রা বেড়েছে। কঠিন হয়ে ওঠেছে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন। দেশের জনসংখ্যা প্রধানত দরিদ্র, মধ্যবিত্ত আর ধনী এই তিন ভাগে বিভক্ত। সবার আয় সমান নয়, ব্যয় করার ইচ্ছা ও সামর্থ্যও সবার সমান নয়। সাধারণ মানুষ তার ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করে অর্থনৈতিক সামর্থ্য দ্বারা; আর ধনীরা তাদের সামর্থ্য দ্বারা ইচ্ছা তৈরি করে।

বাংলাদেশে মূলত কৃষক-শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যাই বেশী। জরিপের তথ্য হচ্ছে, দেশে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি ৮২ লাখ। আর মোট শ্রমশক্তির ৮৮ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ছয় কোটি শ্রমজীবীই আবার অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। যাদের চাকরি আয় কোন কিছুতেই স্থায়িত্ব নেই। এর মধ্যে কৃষিকাজে যুক্ত দুই কোটি ৮০ লাখের মতো।

 দেশের অর্থনৈতিক বিবেচনায় দশ শতাংশের মতো মানুষ আছে, যারা ধনী বা উচ্চবিত্ত। যাদের হাতে আছে দেশের মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ। আর উচ্চ মধ্যবিত্ত ১৩ শতাংশের হাতে আয়ের সাড়ে ২১ শতাংশ, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ৩৭ শতাংশের হাতে ২৬ শতাংশ আয় এবং ৪০ শতাংশ দরিদ্রের হাতে আছে আয়ের মাত্র সাত দশমিক ৬৩ শতাংশ। বিশেষ করে এই ৪০ শতাংশ দরিদ্রের অবস্থা এখন খুবই করুণ। অন্য সবার মতো এই শ্রেণীর মানুষের আয় কমে গেছে। বেড়েছে ব্যয়। আর এই অবস্থায় প্রথম সংকোচন আসে খাদ্যে। সুষম খাদ্য তো দূরের কথা, অনেক সময় কোন খাদ্যই জোগাড় করতে পারছেনা তারা। যে কারণে তাদের মধ্যে বাড়ে অপুষ্টি। যার বিরূপ প্রভাব পড়ে নারী ও শিশুর জীবনে। অথচ পুষ্টির অভাব থাকলে শিশুদের মেধার বিকাশ হয় না। আর চলতি করোনাকালে মানুষের শরীরে যথাযথ পুষ্টির যোগান দেয়া জরুরি।

পুষ্টিহীন শরীরে করোনা সহজে আক্রমণ করতে পারে। কিন্তু এই পুষ্টির যোগান দেয়ার পেছনে দুটি প্রতিবন্ধকতা। একটা হলো পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং অপরটি আয় কমে যাওয়া। নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে পারিবারিক ব্যয় ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধিপায়। বিশেষত চাল, ডাল, চিনি, শিশু খাদ্য, ওষুধ, পরিবহণ ভাড়া ইত্যাদি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করা হয় সিন্ডিকেট করে। যার মারাত্মক প্রভাব পড়ে দরিদ্র মানুষের ওপর।

নতুন বছরের শুরু হয়েছিল বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বাড়তি দাম কার্যকরের মধ্য দিয়ে। দিন যত যাচ্ছে মুরগি,ডিম,ডাল,কাঁচা মরিচের দাম ততই বাড়ছে,যা সংসারের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, মাঠে শ্রমজীবি খেটে খাওয়া মানুষের।

সব মিলিয়ে সাধারণ জনগনের নাভিশ্বাস বেড়েই চলছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ানোর কারনে। সরকার গ্যাস-বিদ্যুতের মতো সেবামূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। দুইদিকের চাপে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত।


চিনি,তৈল ও ইত্যাদি দাম বেড়েছিল তা কমানোর কোsনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এবং সরকার অনেক পণ্যের দাম নির্ধারণ করেছে তা-ও অনেক সময় মানা হচ্ছে না। মুল বাজারের থেকে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে গেলে দাম আরও বেশি দিতে হয়।

 

 


আরও খবর



হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হতদরিদ্র, নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীনদের পাশে দাঁড়তে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার সরকার প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)’র একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে একজন মানুষও ভূমিহীন বা ঠিকানা-বিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য।’বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জন্য বাড়ি নির্মাণে ৩৬টি ব্যাংক মোট ১১৩ দশমিক ২৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে।

দেশের গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেয়ায় এগিয়ে আসার জন্য সমাজের ধনীক শ্রেণীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘শুধু সরকারই নয়, বরং আমরা সবাই মিলে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

তিনি আরো বলেন, জমি ও ঘর পাওয়ার পর অনেক গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন হয়েছে। এদের অধিকাংশকেই ইতোমধ্যে জমি ও ঘর দেয়া হয়েছে। এখন অল্প কয়েকজন বাকী আছে। তাদের জন্যও বাসস্থান নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই আশ্রায়ন প্রকল্প থেকে যারা ঘর পেয়েছেন-তাদের মুখের হাসি ও মনের সন্তুষ্টি থেকে বড় আর কোন প্রাপ্তি হতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, অনেকেই যারা আশ্রায়ন প্রকল্পে দুই ডেসিমেল জমি পেয়েছেন- তারা সেখানে শাকসজবি চাষ, হাঁস--মুরগি পালন, কুটির শিল্প ও দোকান গড়ে তুলেছেন। তারা এভাবে ভালোভাবে বেঁচে থাকার পথ খুঁজে পেয়েছেন। এই জমি ও ঘর পাওয়ার ফলে তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন (উন্নতি) হচ্ছে।’

অনুদানের অর্থ প্রদান করায় বিএবি ও ব্যাংকারদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, ‘আপনাদেরকে আমার (অনুদান প্রদানের কথা) বলার প্রয়োজন হয় না। আপনারা যে কোন দুর্যোগ ও সংকটকালে স্বতস্ফূর্তভাবেই এগিয়ে আসেন।’

বেসরকারি খাতে ব্যাংক খুলতে তার সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে বর্তমানে ৩ লাখ কাজ করছে, এটা একটি অনেক বড় ব্যাপার।’

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঞ্চলনায় সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার।


আরও খবর



নওগাঁয় তীব্র শীত অপেক্ষা করে বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁ জেলা মূলত উত্তর জনপদের খাদ্যশস্য ভান্ডার খ্যাত হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। 

ইতি মধ্যেই নওগাঁ জেলায় হিমেল হাওয়া ও হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

জেলার আত্রাই উপজেলার প্রতিটি মাঠে মাঠে চলছে এখন বোরো ধান রোপনের কাজ। শুধু আত্রাই উপজেলা নয় নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলার ৯৯টি ইউনিয়নের প্রতিটি মাঠে মাঠে (বিশেষ করে নিচু জমিতে) চলছে আগাম বোরো ধানের চারা রোপনের কাজ। সঠিক সময়ে বোরো ধান রোপন করতে পেরে খুশি কৃষকরা।

প্রচন্ড শীত আর সেই সাথে ঘণ কুয়াশায় বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে চারা রোপন করা পর্যন্ত ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটছে ধান চাষি কৃষকদের। ইতোমধ্যে নানা সমস্যার মধ্যেও বোরো চারা রোপনের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। এখন গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপনের কাজ চলছে। কোনো জমিতে চলছে চাষ, বীজতলা থেকে তোলা হচ্ছে বীজ, চলছে রোপন সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে চলছে বোরো ধান রোপনের কাজ।

কৃষকরা বলছেন, এক ফসল বিক্রি করে অন্য ফসল আবাদ করা হয়। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। তবে এখন কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধান চাষের কৃষি জমিগুলো লিজ দিয়ে তৈরি  করছেন মাছ চাষের পুকুর। এতে করে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ৩ ফসলী শত শত বিঘা কৃষি জমি।

নওগাঁর আত্রাইয়ের সাহাগোলা গ্রামের ধান চাষি কৃষক আজাদ সরদার বলেন, গত বছর তিনি ৮বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এবার করছেন ৫বিঘা জমিতে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে প্রায় জমি তৈরির কাজ শেষের দিকে। আর ক’দিনের মধ্যে চারাগাছ রোপন করা শুরু করব।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, পৌষ মাসের শুরুতেই বোরো ধান রোপন করা শেষ হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকরা মাঠে নামতে পারেননি। তাই চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপনে কিছুটা বিলম্ব হয়ে গেলো। এতে করে ফলনও একটু ব্যাহত হতে পারে বলে ধারনা পোষন করেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার তেমন একটা ক্ষতি না হওয়ায় আত্রাই উপজেলার কৃষকরা অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছে। তিনি আরোও জানান, উপজেলায় চলতি বোরো ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এ পর্যন্ত উপজেলায় প্রায় শতকরা ৩০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হয়েছে। অতিদ্রুত পুরো উপজেলার সকল মাঠের জমিতে বোরো ধান রোপন করা সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদি।

এছাড়াও উপজেলার কৃষকদের বোরো বীজতলা তৈরি করা থেকে শুরু করে জমিতে চারা রোপন করা পর্যন্ত সকল পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে। কৃষি অফিস যে কোন প্রয়োজনে যে কোন সময় কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদানের জন্য পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। 


আরও খবর