Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় এক ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Tuesday ২৪ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় খুশি আক্তার (১৭) নামের একাদশ শ্রেনীতে পড়ুয়া এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। এআত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে। খুশি আক্তার ঐ গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।

থানা ও স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রী খুশি আক্তার মঙ্গলবার সকালে তার মা’র সাথে কথা কাটাকাটি'র এক পর্যায়ে মায়ের উপর অভিমান করে নিজ শয়ন ঘরে যান। এসময় তার মা বাসার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। দুপুরে খুশি আক্তারের মা ও বাবা খুশি'র ঘরে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ রাখার বিষয় জানতে পেরে তাদের সন্দেহ হলে তারা ডাক চিৎকার দেন। এসময় লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভেতর ফ্যানের সাথে মেয়েকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানালে, সাপাহার থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে ময়না তদন্তের জন্য সন্ধার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। এব্যাপারে সাপাহার থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান মৃতদেহ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহত ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া ঘটনার ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করার পক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



কুমিল্লায় মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

স্মার্ট শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে

প্রকাশিত:Friday ০৩ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কু‌মিল্লা ব্যুরো :

স্মার্ট শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম। 

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, 'দেশজুড়ে শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন হয়েছে। গ্রামের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা এখন দেশ-বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন। স্মার্ট শিক্ষার্থীরাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।'

 শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) সকালে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।  

মেয়র আরও বলেন, 'গ্রামের একটি স্কুলের সফলতার জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকতে হবে। লালপুর গ্রামের এই স্কুলটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় এগিয়ে চলেছে। জেলা পর্যায়ে ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুলের শিক্ষার্থীর ভালো করছে। মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আজ নিজে এসে স্কুলের চার তলা ভবন উদ্বোধন করেছেন। আশা করছি স্কুলটির সুনাম ও সফলতা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা ভবনের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করে কুমিল্লা জেলার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

এসময় ডিএনসিসি মেয়র বিদ্যালয়টিতে আসা যাওয়ার সুবিধার জন্য বিদ্যালয় থেকে আশেপাশের গ্রামগুলোতে যাওয়ার রাস্তা নির্মাণের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নিকট আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্হানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০৪১ সালের স্মার্ট ও উন্নত  বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সক্ষমতা ও দক্ষতা লাভের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন স্হানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। 


প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষার উন্নয়নে প্রাইমারি স্কুলের জাতীয়করণ করেছিলেন যাতে শিক্ষকরা নিয়মিত বেতন পান। তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্কুলে শতভাগ এনরোলমেন্ট নিশ্চিত করেছেন। জনগণের দ্বারগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছেন। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আইটি শিক্ষায় গুরুত্ব দেবার আহবান জানান। 

মন্ত্রী আরও বলেন, 'কৃষকের সন্তানও সক্ষমতা ও দক্ষতা অর্জন করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। যে বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে এক সময় উন্নত বিশ্ব সন্দেহ পোষণ করত, তারাই আজ বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণেই আজ তা সম্ভব হয়েছে।'

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ,কুমিল্লা  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম।


আরও খবর



রাঙ্গামাটি জেলার শীতার্থ মানুষেমানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে রাঙ্গামাটি রিজিয়ন

প্রকাশিত:Thursday ০৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Friday ০৩ February ২০২৩ |
Image

উচিংছা রাখাইন,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি 


রাঙ্গামাটি জেলার শীতার্থ ও সাধারণ অসহায় পাহাড়ী বাঙ্গালী জনগনের পাশে

দাঁড়িয়েছে রাঙ্গামাটি রিজিয়ন। বৃহস্পতিবার ৫ জানুয়ারী রাঙ্গামাটি রিজিয়ন

প্রাঙ্গনে অসহায় ও শীতার্থ মানুষের হাতে শীত বস্ত্র ও নগদ অর্থ তুলে দেন

রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমতাজ উদ্দিন এনডিসি

পিএসসি।

এ সময় রাঙ্গামাটি রিজিয়নের ব্রিগেড মেজর মোঃ খায়রুল হাসান, রাঙ্গামাটি

রিজিয়নের জিটুআই মেজর পারভেজ রহমান সহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত

ছিলেন।

রাঙ্গামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমতাজ উদ্দিন এনডিসি

পিএসসি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতী, বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে জাতী,

উপজাতী ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য

কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজকের আমাদের এই ক্ষুদ্র চেষ্টা। এধরনের সেবামূলক

কার্যক্রমে রাঙ্গামাটি রিজিয়ন তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে শান্তি,

সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কাজ করতে এবং দুর্গম এই পাহাড়ী

এলাকার জনসাধারণের কল্যানার্থে সকল কার্যক্রমে সকলের পাশে থাকতে সর্বদা

বদ্ধপরিকর। এধরণের সেবামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আজ অনুষ্ঠানে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সেলাই মেশিন, ঘর মেরামতের

জন্য ঢেউ টিন, ৩ শতাধিক শীতার্থদের জন্য শীতবস্ত্র, মসজিদের উন্নয়ন কল্পে

সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসার জন্য মানবিক সহায়তার নিমিত্তে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।



আরও খবর



যেসব অভ্যাসে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে

প্রকাশিত:Sunday ১৫ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এমন সমস্যা হলে মাথায় যন্ত্রণার পাশাপাশি নানাবিধ শারীরিক সমস্যা হয়। প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে। তাই এই ব্যথা কমাতেই এসব অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।

ঘুমে অনিয়ম

প্রতিদিন অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তবে ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়বেই। রাত জেগে ওয়েব সিরিজ দেখা কিংবা মোবাইল দেখার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে আনুন। সমাধান মিলবে।

চিনি

এমন খাবার এড়িয়ে চলুন যেগুলোতে অতিরিক্ত চিনি আছে। রক্তে সুগার বাড়লে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে। তাই পরিমিত বোধ রেখে মিষ্টি খান।

খালি পেট রাখা

দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের প্রকোপ বাড়বে। মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়াতে গ্যাস্ট্রিকের জুড়ি মেলা ভার। তাই কখনও খালি পেটে থাকবেন না এবং প্রচণ্ড ব্যস্ততায় তো নয়ই।

কফি খাওয়ার অভ্যাস

যাদের ক্যাফেইন আসক্তি রয়েছে তাদের এই অভ্যাস কমাতে হবে। মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে কফি একটি কারণ। কফির অভ্যাস সহসাই ছাড়ানো কঠিন। এক্ষেত্রে একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গে আলাপ করে নিন। 


আরও খবর



উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়কগুলোর দৃশ্যপট

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে পাল্টে গেছে নওগাঁর সড়ক মহাসড়ক গুলোর চিত্র। ২০০৯ ইং সাল থেকে ২০২২ ইং সাল পর্যন্ত নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিনে ১৭টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য প্রকল্পগুলো হলো নওগাঁর নজিপুর-ধামইরহাট-জয়পুরহাট সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, নওগাঁ-বদলগাছী-পত্নীতলা সড়ক উন্নয়ন এবং মহাদেবপুর ও বদলগাছী ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মহাদেবপুর এবং বদলগাছী সেতু নির্মাণ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় আত্রাই সিংড়া সড়ক, মান্দা-বাঘমারা-আত্রাই সড়কে আহসানগঞ্জ সেতু নির্মাণ প্রমুখ। যার মোট বরাদ্দ ছিলো ৯৩১০৫.২৪ লাখ টাকা। 

আর ১৭২১৫৫.৭৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো হচ্ছে নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ১টি আঞ্চলিক ও ২টি মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরন প্রকল্পের আওতায় বদলগাছী-পাহাড়পুর-জহয়পুরহাট সড়ক উন্নয়নের কাজ, নওগাঁ-আত্রাই-নাটোর মহাসড়কের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ, পিএমপি প্রোগ্রামের আওতায় এনায়েতপুর-মহাদেবপুর-পাটাকাটাহাট-মান্দা সড়কের উন্নয়ন কাজ, নওহাটামোড় চৌমাসিয়া, আব্দুল জলিল পার্ক এবং বশিপুর মোড়ে ইন্টারসেকশন নির্মাণ কাজ, পত্নীতলা-সাপাহার-পোরশা-রহনপুর সড়কের ওভারলেকরণ উন্নয়নের কাজ ও নওগাঁ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক ও ৩টি জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ কাজ। 

নওগাঁ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান জানান, বর্তমান সরকারের অধীনে পুরো দেশের সঙ্গে নওগাঁর সড়ক ব্যবস্থায় আধুনিকতা ও উন্নয়নের যে ছোঁয়া স্পর্শ করেছে তা বিগত সময়ের কোন সরকারের আমলেই করা হয়নি। বিশেষ করে আত্রাই উপজেলার আত্রাই নদীর উপর নির্মিত সেতু, নওগাঁ থেকে রাজশাহী যাওয়ার মহাসড়ক নতুন করে করে নির্মাণ, ঐতিহাসিক পাহাড়পুর মহাসড়কটি নতুন করে নির্মাণ ও বছরের পর বছর বন্ধ হয়ে থাকা নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহাসড়কের নির্মাণ কাজ নতুন করে শুরু করাসহ সবগুলো প্রকল্পই নওগাঁকে দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে নতুন করে আধুনিকমানের উন্নয়নের মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করেছে। যার ফলে পুরো নওগাঁর লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। এই সব নতুন করে নির্মাণ হওয়া সড়কের আশেপাশের অঞ্চলের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বদলে গেছে। এই সড়কগুলোকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের যার কারণে এই সব অঞ্চলের মানুষের জীবন-যাপনেও এসেছে পরিবর্তনের ছোঁয়া। 

তিনি আরো জানান, আমরা চেস্টা করেছি সরকারের গৃহিত মিশন ও ভিশনকে শতভাগ সফল করতে এই প্রকল্পগুলোকে যথাযথ মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার। তবে বিশেষ কিছু কারণে অনেক প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা না গেলেও সেগুলোও আমরা যথাযথ পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে শেষ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশের লক্ষ্যে নওগাঁ সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে সব সময় সকল প্রকল্পগুলোকে সঠিক সময়ে ও সঠিক তদারকির মাধ্যমে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে চেস্টা অব্যাহত রেখেছি। আগামীতেও নওগাঁর সড়ক বিভাগের এমন কর্মতৎপড়তা অব্যাহত থাকবে বলে আমি শতভাগ আশাবাদি। 

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের এমপি আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। এমন কোন খাত নেই যেখানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া স্পর্শ করেনি। বিগত জোট সরকারের আমলে এই অঞ্চলে সর্বহারা নামক সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে মানুষকে গলা কেটে হত্যা করতো। যার কারণে পুরো দেশসহ বিশ্বের কাছে নওগাঁর রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে পরিচিতি পায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯সালে সরকার গঠনের পরই এই রক্তাক্ত জনপদে বইতে শুরু করে শান্তি সুবাতাস। প্রধানমন্ত্রী কঠোর হাতে সর্বহারা ও জেএমবিকে দমন করেন। 

তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের কথা বলে শেষ করা যাবে না। তবে বিশেষ করে আমার নির্বাচনী এলাকা নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ২২কিমি কালীগঞ্জ সড়কের নতুন পাকাকরণের কাজ ও আত্রাই নদীর উপর নির্মাণ করা আত্রাই সেতু আধুনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই দুই উপজেলার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট পাল্টে দিয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন একাডেমিক ভবনগুলো এলাকার মানুষদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অগ্রনি ভূমিকা রাখছে। তাই দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ, গৃহিত মেগা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, শান্তি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আগামীতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই। 


আরও খবর



রৌমারীতে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক বিদ্যালয়ের সভাপতিকে পেটানোর অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ৩১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : 

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুল ইসলামকে (৩৬) পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বারবান্ধা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে নির্যাতনের শিকার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনার আগের দিন রোববার (২৯ জানুয়ারি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন ওই সভাপতি।  

অভিযুক্ত আবুল কাশেম (৪৮) উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারবান্ধা গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।  তিনি উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়া একই ইউনিয়নের বারবান্ধা গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে রঞ্জু মিয়াকে (৪০) আসামী করা হয়েছে। রঞ্জু মিয়া ওই প্রধান শিক্ষকের সম্পর্কে ভাতিজা। ভুক্তভোগি সভাপতি মনিরুল ইসলাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর বারবান্ধা গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।

নির্যাতনের শিকার বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ২০২১-২২ইং অর্থ বছরে উপজেলার উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে বিদ্যালয় উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত মোট ২লাখ ৭৫হাজার ৫০২টাকা যৌথ হিসাব নাম্বারে জমা হয়। তৎকালীন সভাপতি আইয়ুব আলীর মেয়াদ শেষ হলে গত বছর  মনিরুল ইসলাম ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে প্রধান শিক্ষকসহ ব্যাংকে যৌথ হিসাব খুলতে যান সভাপতি মনিরুল ইসলাম। এ সময় তিনি দেখেন ব্যাংকে জমানো কোনো টাকা নেই। সন্দেহ হলে খেঁাজ নিয়ে জানতে পান তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলীর স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে সমস্ত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম।

এর প্রতিকার চেয়ে রোববার (২৯জানুয়ারি) সভাপতি বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। পরদিন (সোমবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ওই সভাপতি বারবান্ধা বাজার এলাকায় গেলে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ ভাতিজা রঞ্জু মিয়া তঁাকে এলোপাথারী মারধর করেন। এসময় স্থানীয়রা সভাপতিকে উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ওইদিন (সোমবার) রাতে মারধরের শিকার সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ দু’জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

বিদ্যালয়ের তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলী বলেন, আমি এক বছর ধরে অসুস্থ্য। সরকারি বরাদ্দের টাকা উত্তোলনের বিষয়ে কিছুই জানিনা এবং আমাকে জানানোও হয়নি। আমার স্বাক্ষর জাল করে সমস্ত টাকা আত্মসাত করেন প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার অসুস্থ্যতার খবর শুনেও একবারের জন্য দেখতে আসেননি ওই প্রধান শিক্ষক।

রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি ফিরোজ মিয়া বলেন, তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলীর স্বাক্ষর জাল করে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাত করেন ওই প্রধান শিক্ষক। এনিয়ে সভাপতি মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন তিনি। এর জের প্রধান শিক্ষক ও তঁার ভাতিজা রঞ্জু মিয়া মিলে সভাপতির উপর হামলা চালান।

সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন উত্তর বারবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম। তিনি বলেন, তৎকালীন সভাপতি আইয়ূব আলী অসুস্থ্যতার কারণে সব কিছু ভুলে গেছেন। তঁার স্বাক্ষরেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সভাপতি মনিরুল ইসলামকে পেটানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনাটি আমার ভাতিজা রঞ্জু মিয়ার সাথে ঘটেছে। আমি এর সাথে জড়িত নই।  

রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মারধরের ঘটনায় মনিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি ভর্তি হয়েছেন। তঁার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছেলা, ফোলা ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম সরোয়ার রাব্বী বলেন, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষাকর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রৌমারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে সুপারিশ করা হবে।

অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে রৌমারী থানার ওসি রুপ কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর