Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় ফসলি জমিতে পুকুর খনন, রক্ষা পাচ্ছেনা পরিবেশ রক্ষাকারী বাগান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁর মহাদেবপুরে ধানী, ভিটা ও বাগানের জমিতে পুকুর খনন অব্যাহত থাকলেও রহস্যজনক কারনে প্রশাসন রয়েছে নিরব। উপজেলায় গত দু'দশকে পুকুর খননে ফসলি জমি কমছে প্রায় দের হাজার হেক্টর। এক শ্রেণীর পরিবেশ বিবর্জিত ও সমাজ বিরোধী মাটি ব্যাবসায়ী এলাকার সহজ সরল মানুষকে নানা প্রলোভনে পুকুর খননে উৎসাহিত করছে। অভিযোগ রয়েছে, গত ২৮ অক্টোবর সকালে মহাদেবপুর উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের দঃ লক্ষীপুর গ্রামের অতুল কবিরাজ ও প্রতুল কবিরাজ সহ তাদের ভাইদের পূর্বের একটি পুকুর এর পার্শ্বে ভিটা-মাটিতে থাকা বিশাল একটি আম বাগান কাটার পাশাপাশি ভিকু মেশিনের মাধ্যমে পুকুর খনন শুরু করেন। ঘটনাটি স্থানিয়রা সংবাদকর্মীদের জানালে সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আম বাগান কেটে পুকুর খননের দৃশ্য দেখতে পেয়ে মুঠোফোনে ঘটনাটি উপজেলা প্রশাসন ও স্থানিয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে জানান।  

সুত্র জানায়, নওগাঁ সদর উপজেলার বলিহার এলাকার জৈনক শাহিন আলম ও তার কিছু সহযোগী সহ মহাদেবপুর উপজেলার আরো উপজেলার ১৪/১৫ জন ব্যক্তি পুকুর খনন ও মাটি ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। এসব মাটি ব্যবসায়ীরা আমন মৌসুমে কৃষকের ধান ঘরে তোলার আগেই মহাদেবপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে ঘুরে সহজ সরল মানুষদের নানা ভাবে উৎসাহিত করছে যে, তাদের জমিতে ধান চাষ না করে পুকুর খনন করলে "ধান চাষের চেয়ে" বেশি লাভবান হওয়া যাবে। এমন নানা প্রলোভনে পড়ে গ্রামের সাধারন মানুষ বা কৃষকরা তাদের প্রলোভনে পড়ে তিন ফসলি জমি সহ এমনকি ভিটামাটি বা বাগানেও পুকুর খননে উৎসাহীত হচ্ছে। আর মাটি ব্যবসায়ীদের ভিকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে সেই মাটি ইট ভাটা সহ বিভিন্ন স্থানে চড়ামূল্যে বিক্রি করছেন। যার ফলে এ উপজেলায় কমে যাচ্ছে দিন দিন ফসলি মাটি, বাড়ছে পুকুর।বিগত কয়েক বছর ধরে আবাদী বা ভিটা মাটি সহ বাগান থেকে পুকুর খনন অব্যহত থাকলেও অজ্ঞাত কারণে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী কর্তা ব্যাক্তিগন নিরব দর্শকের ভুমিকা থাকছে।

সুত্র মতে, উপজেলার ১০ ইউনিয়নে আমন ধান কেটে নেয়ার পরে ফাঁকা জমিতে শুরু হয় পুকুর খননের মহা-উৎসব। এবারও উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠে পুকুর খননে বিগত বছর গুলোর ধারা বাহিকতা অব্যাহত রেখেছে মাটি ব্যবসায়ীরা। মাটি ব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ে একদিকে তিন ফসলের জমি কমছে। অপর দিকে বৃক্ষ নিধনের মাধ্যমে পরিবেশ ধংশের পাশাপাশি মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাক্টর (কাঁকড়া) এবং ১০ চাকার ডাম্পার ট্রাক অবৈধ ভাবে জেলার আঞ্চলিক মহা সড়ক সহ গ্রামীন সড়কগুলো ব্যাবহার করায় একটিকে হচ্ছে সড়ক নষ্ট অপরদিকে বাড়ছে দূর্ঘটনা, সাধারন মানুষেরও বাড়ছে দূর্ভোগ। ট্রাক্টর বা ড্রাম ট্রাক যোগে "মাটি না ঢেকে" বহনের কারনে সড়ক দূর্ঘটনায় মাত্র কিছু দিনের ব্যবধানে ৪ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা, স্বামী-স্ত্রী ও বাবা-ছেলে সহ আরো কয়েক জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় এবং মাটিবাহী অবৈধ্য ট্রাক্টর বন্ধ সহ বৈধ্য বাহন যোগে মাটি ঢেকে বহনের দাবিতে এলাকার সচেতন সমাজ ও প্রথম সংবাদ বন্ধু ফোরাম এর উদ্যোগে মহাদেবপুর উপজেলার চৌমাশিয়া "নওহাটামোড়" বাজারে কিছুদিন পূর্বে পরপর দু'  বার মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।


অপর দিকে অতিরিক্ত মাটি ভর্তি যানবাহন চলাচলে লোকাল রাস্তা গুলোর পিচ-পাথর উঠে যাওয়ায় দিন দিন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বাড়ছে। দেশের খাদ্য চাহিদা পুরনে সহায়ক হিসেবে ধান চাষের পাশাপাশি রবিশষ্য উৎপাদনে তিন ফসলি জমিতে পুকুর খননে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিষেধাজ্ঞা অমান্য হচ্ছে এ উপজেলায়। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, ৩৯৭ দশমিক ৬৭ বর্গ কিঃমিঃ আয়োতনের এ উপজেলায় ৩০৭টি মৌজা এবং ২৯৮ টি গ্রামে ৩০ হাজার ৩৫০ হেক্টর তিন ফসলি কৃষি আবাদী জমি রয়েছে। সূত্র মতে উপজেলার ১০ ইউনিয়নে গত দু'দশকে পুকুর খননের ফলে তিন ফসলি জমি কমছে প্রায় দের হাজার হেক্টর। পুকুর খননের ফলে প্রায় দের হাজার হেক্টর তিন ফসলের জমি কমছে এর সত্যতা অস্বীকার করে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোমরেজ আলী বলেন এ পরিসংখ্যানে ত্রুটিপূর্ণ। মহাদেবপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) নুসরাত জাহান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি নীতিমালা লংঘন করে পুকুর খননের বিষয়টি তিনি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে তিন ফসলের জমিতে যে ভাবে পুকুর খনন শুরু হয়েছে তাতে করে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম খাদ্য ভান্ডার খ্যাত নওগাঁ জেলা দ্রুত খাদ্য ঘাটতিতে পরার আশংকা রয়েছে। এই জেলা খাদ্য ঘাটতিতে যাতে না পরে এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা প্রশাসক, মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভুমি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।


আরও খবর



শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে।

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাইজভাণ্ডার শরীফের সাজ্জাদানশীন, হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেছেন, "পবিত্র শবে বরাত বা শাবান মাসের ১৫ তারিখ রজনীতে মহান আল্লাহ্ তার বান্দাদের জন্য বিশেষ দয়া ও ক্ষমা করে থাকেন। প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ রজনীকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। শবে বরাত মুসলিম সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ রজনীতে ঘরে ঘরে রুটি হালুয়া তৈরির একটি প্রথা রয়েছে। মুসলিমরা তাদের প্রতিবেশী ও দরিদ্রদের মাঝে এ খাবার বিতরণ করেন। এতে মানুষের মাঝে ভাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির মনোভাব বৃদ্ধি পায়। মুসলিম উম্মাহর মাঝে একতা ও জাতীয় চেতনার জাগরণ ঘটে এ ধরনের উপলক্ষ্যগুলো পালনের মাধ্যমে। রুটি-হালুয়া এক ধরনের হালাল খাবার। মানুষকে খাওয়ানে সবচেয়ে উত্তম কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিশেষত দরিদ্রদের খাওয়ানো মহৎ একটি গুণ। এ রজনীতে বেশি বেশি তাওবা ইস্তেগফার করা, নফল নামায আদায়, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদ আদায়, প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর প্রতি শ্রদ্ধার সাথে সালাতু সালাম পেশ ও দরুদ শরীফ পাঠ, দান সদকাহ্ করা,নবী রসুল, সাহাবী অলি আল্লাহ মাজার ও মুরববীগনের জেয়ারত করা এবং পরদিন রোজা পালন অত্যন্ত বরকতময় আমল। মহান আল্লাহ্ যেন, এ মহিমান্বিত রজনীর মাধ্যমে আমাদের সকলের প্রতি তার সদয় দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন।"

সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারিতে হযরত নেয়ামত শাহ্ (রহঃ) মাজার প্রাঙ্গণে, শেরে খোদা মওলা আলি (আঃ), গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ও হুযুর গাউসুল ওয়ারা হযরত আল্লামা শাহ্সুফি সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী (কঃ) স্মরণে আয়োজিত গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ওলামা মাশায়েখ, খলিফাবৃন্দ, আঞ্জুমান-এ-রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের নেতৃবৃন্দ। 

দো-জাহানের বাদশাহ্, রহমাতুল্লিল আলামীন, হযরত আহমদ মুজতবা, মুহাম্মদ মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তার পবিত্র আহলে বাইতগণের প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম পেশ শেষে দেশ ও মানবতার কল্যাণ কামনায় মুনাজাত করেন, সাইয়্যিদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী।


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪

৪৪ হাজার কোটা খালি রেখেই হজ নিবন্ধন শেষ

বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে প্রাণ গেলো ৩ বন্ধুর

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

মোটরসাইকেল যোগে নেহরি খেতে যাচ্ছিলেন ৩ জন বন্ধু। যাওয়ার পথে ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় ৩ জন বন্ধুর-ই মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে।

সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ বন্ধুর মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিনগত রাত সারে ৮টারদিকে বগুড়া টু নওগাঁ মহা-সড়কের কাহালু উপজেলার দরগাহাট নামক স্থানে।

নিহত ৩ বন্ধু হলেন, বগুড়া জেলার কাহালু  উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের তরিকুল ইসলাম (২১), রাকিব হোসেন প্রামাণিক (১৮) এবং মিজানুর রহমান মিজান (১৯)। নিহত ৩ বন্ধু কাঠ মিস্ত্রি ছিলেন।

সড়ক দূর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে

কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম রেজা জানান, তারা ৩ জন বন্ধু একটি মোটরসাইকেল যোগে কাজিপাড়া নামক স্থানে হোটেলে নেহরি খাবারের জন্য যাচ্ছিলেন। পথে দরগাহাট এলাকায় পৌছালে এসময় নওগাঁ অভিমুখি একটি ট্রাক পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেল কে ধাক্কা দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত ট্রাকটি নিয়ে তার চালক পালিয়ে যায়। অপরদিকে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পরে দূর্ঘটনাস্থলেই ৩ বন্ধুর মধ্যে তরিকুল ও রাকিব এর মৃত্যু হয় এবং অপর বন্ধু মিজান কে উদ্ধার পূর্বক বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ৯ টারদিকে মিজান এর মৃত্যু হয়। সংবাদ সংগ্রহকালে আইনানুগ পক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম রেজা l


আরও খবর



ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নিরব আহমেদ (১৭) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নিরব শ্রীনগর উপজেলার মধ্য কামারগাঁও এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। সে লৌহজং পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীনগর উপজেলার কাজী ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালীন ওই বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রীকে উত্যক্ত করে কয়েকজন যুবক। এ সময় নিহত নিরব ও তার সহপাঠীরা ঘটনার প্রতিবাদ করে।

এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকালে শ্রীনগর উপজেলার কামারগাঁও এলাকায় আড্ডা দেওয়ার সময় নিরব ও তার সহপাঠীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায় ইভটিজিংকারীরা।

এ সময় নিরবকে ধারালো ছুড়ি দিয়ে মাথা ও পিঠে আঘাত করে ইভটিজিংকারী প্রতিপক্ষরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা নিরবকে গুরুতর আহত অবস্থায় শ্রীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক নিরবকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, ইভটিজিংয়ের ঘটনার প্রতিবাদ করায় নিরবকে ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষরা পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে মাঠে কাজ করছে পুলিশ।

 


আরও খবর



কেমন আছেন ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image
  1. মাহবুবুল আলম রিপন (স্টাফ রিপোর্টার):

হাতে গোণা যে ক'জন মানুষকে এখনো গুরুজন বলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে ইচ্ছে করে তাদের মধ্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ভাষা সৈনিক অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক (ডলার মল্লিক) চাচা অন্যতম। প্রিয়ভূমি ধামরাইয়ের এই কৃতি সন্তান পঞ্চাশের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী কলেজের একজন তুখোড়  ছাত্রনেতা হিসাবে প্রগতিশীল ও বামধারার রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রভাষার দাবি রাজশাহীর ছাত্র জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং সংস্কৃতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনন্য অবদান রেখেছেন। যা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়েছে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভুবন মোহন পার্কে নির্মিত ভাষা সৈনিক স্মারক স্মৃতিস্তম্ভে তাঁর নাম সগৌরবে স্থান পেয়েছে। পেশাগত জীবনে অধ্যাপনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে কাজ করেছেন। ব্যাংকিং সেক্টরে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের অর্থনীতিবিদদের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এখন অবসর জীবন যাপন করছেন। এই মানুষটির কাছে গেলে মনে হয় খর রৌদ্রে বটের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছি। তিনি শুধু আমাদের গুরুজন নন, অকৃত্রিম শুভাকাঙ্ক্ষীও বটে। দেখা হলেই বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন, কপালে একটা চুমু দেন। ত্রিকালদর্শী এই গুণী মানুষটির স্নেহ সান্নিধ্যে সময় কাটাতে পারাটাও সৌভাগ্যের। তাঁর  পাশে বসলে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় ইতিহাসের নানা বাঁকে। আলাপচারিতায় তাঁর জ্ঞানগর্ভ কথাবার্তা সেদিন শুনছিলাম আর অনুপ্রাণিত হচ্ছিলাম। প্রখর জীবন বোধের মানুষ অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান মল্লিক। এমন জ্ঞানী প্রাজ্ঞজনের মুখোমুখি মাঝে মধ্যে বসলে নিজেকে বিশুদ্ধ করার তালিম পাওয়া যায়। আমাদের জাতীয় চেতনার স্মারক অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমাদের ধামরাইবাসীর অহংকার ও গর্বের প্রতিক ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তি অধ্যাপক এল. আর. মল্লিকের প্রতি অতল শ্রদ্ধা জানাই আর প্রার্থনা করি তিনি শতায়ু হোন..


আরও খবর



হারভেস্টার মেশিন নিয়ে অনিয়ম,কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সরকারের বরাদ্দকৃত হারভেস্টার মেশিন নিয়ে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়ার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার সকালে শহরের দৈনিক সুনামকণ্ঠের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগি কৃষক বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের রফিক মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কৃষক রফিক মিয়ার ভাতিজা শরিফ আহমদ বলেন, আমাদের পরিবার আর্থিকভাবে তেমন স্বাবলম্বী না হওয়ায় ২০২১-২২ অর্থবছরে আমি সরকারের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিযান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ৭০% ভতুর্কী মূল্যে বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসে একটি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনের জন্য আবেদন করি। আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণে রফিক মিয়ার নামে একটি হারভেস্টার মেশিন অনুমোদন হয়, এরই প্রেক্ষিতে কৃষি অফিস কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হলেও পরবর্তীতে জানতে পারি বরাদ্দকৃত কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনটি বাতিল করা হয়েছে। পরবর্র্তীতে এ বিষয়টি নিয়ে আমি বা আমার পরিবার কোন কথা না বললেও গেল বছরের ২৬ ও ২৮ নভেম্বর রফিক ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ০১৭১২-৭৪০৫৮৮ এই থেকে একটি ফোন আসে, যেটি রিসিভ করেন রফিক মিয়ার স্ত্রী, এসময় ফোনের ওপাশে থাকা ব্যক্তি আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনটি বর্তমানে কি অবস্থায় আছে এবং কোথায় আছে সেটি জানতে চান।

তিনি আরও জনান, এসময় রফিক মিয়ার স্ত্রী ফোনের ওপাশে থাকা ব্যক্তিটিকে আমাদের নামে কোন হারভেস্টার মেশিন পাইনি জানালে তিনি আমাদের জানান ২০২১-২২ অর্থ বছরে আমার নামে কৃষিযান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ৭০% ভতুর্কী মূল্যে একটি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন প্রদান করা হয়েছে এবং এটি নাকি আমরা গ্রহণ করেছি বলেও জানানো হয়। এই খবর শোনার পর বিষয়টি নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়ার কাছে গেলে তিনি এটির কোন উত্তরই দিতে পারেননি এবং ফতেপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান কৃষি অফিস থেকেই আমার নামে একটি মেশিন বিক্রি দেখানো হয়েছে বলে জানান।  পরবর্তীতে বিষয়টি তদন্তের জন্য ইউএনও বরাবর আমরা অভিযোগ করি এবং ইউএনও এটি তদন্তের জন্য জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পাাঠালে এটির কি তদন্ত হয় আমরা জানতে পারেনি। এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেয়া অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য লোভ দেখান কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া। এতে সফল না হয়ে তিনি প্রতারণার মাধ্যমে একটি লেখাযুক্ত কাগজে স্বাক্ষর নেয়ার চেষ্টা করেন এবং কৃষক রফিক মিয়াকে প্রাণ নাশেরও হুমকি দেন। তাছাড়া রফিক মিয়ার শ্যালক শফিউল আলম আমার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তদবির করলে তাকেও বিভিন্ন ধরনের হয়রানি করে যাচ্ছেন উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া ও প্রভাবশালী একটি মহল। এছাড়া গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলা কৃষি অফিসে নিয়ে গিয়ে আমাদের একটি পুরোনো হারভেস্টার মেশিন দেখিয়ে বলেন এটি নাকি আমাদের কিন্তু ওই ভাঙা পুরোনো মেশনটি আমরা গ্রহন করিনি।  

এ ব্যাপারে রফিক মিয়ার শ্যালক শফিউল আলম বলেন, আমি আমার দুলাভাইয়ের মেশিনটির বিষয় জানতে উপজেলা কৃষি অফিসারের কাছে গেলে তিনি প্রথমে জানান এটি বাতিল হয়ে গেছে পরে জানতে পারি এটি নাকি আমার দুলাভাইয়ের নামেই এসেছিলো তবে কৃষি অফিসার এটি আমাদের হস্তান্তর করেননি। আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নয়ন মিয়া বলেন, আমার উপর আনা অভিযোগগুলো মিথ্যে, রফিক মিয়ার নামে বরাদ্দকৃত হারভেস্টার মেশিনটি উপজেলায় অফিসেই আছে তারা এটি নিচ্ছেন না এছাড়া এর বেশি কিছু আমি আপনাদের বলতে পারব না।  

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম বলেন, আমি ছুটিতে আছি, ছুটি থেকে এসে সবকিছুর সমাধাণ করে দিব।


আরও খবর