Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় মহিলা দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

বর্ণাঢ্য বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে নওগাঁর মহাদেবপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। 

শনিবার বিকেলে এ উপলক্ষে মহাদেবপুর উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ড এশিয়া ব্যাংক প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ব্যান্ড পার্টির মিউজিকের তালে তালে চালুন সাজিয়ে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন থেকে কয়েকশ’ নারী বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়। 

বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন, মহাদেবপুর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী কাজী রওশন জাহান, সহ-সভানেত্রী রেহেনা পারভীন, সাধারণ সম্পাদিকা নার্গিস পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদক ঝর্ণা খাতুন, সহ-দপ্তর সম্পাদক রোজিনা পারভীন প্রমুখ।

পরে এশিয়া ব্যাংকের নিচে আয়োজিত সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মন্ডল প্রধান অতিথি এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন, এস, এম, হান্নান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ও জেলা মহিল দলের সহ-সভানেত্রী কাজী রওশন জাহান এতে সভাপতিত্ব করেন।

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির ১নং সদস্য কাজী সামছুজ্জোহা মিলনের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আব্দুস সোবহান, শাহাদৎ হোসেন শান্ত, সদস্য চঞ্চল রহমান, খাইরুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাস্টার হাফিজুর রহমান জিল্লুর, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ, ১নং সদস্য আতিকুর রহমান আতিক প্রমুখ। 

এসময় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সফাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম বাচ্চু, প্রচার সম্পাদক আমিন ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ফেরদৌস আলম, হাতুড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর মাস্টার, সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান তাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান হাবীব বাচ্চু, রাইগাঁ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর রহমান মঞ্জু, এনায়েতপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মমতাজ হোসেন, চাঁন্দাশ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজাউদৌলা বাচ্চু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম ইয়াজদানী শাম্মি, সাজেদুল ইসলাম সাজ্জু, ইখতিয়ার উদ্দিন দুরন্ত, এরশাদ আলী, সোহাগ হোসেন বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ইউপি সদস্য শিহাব রায়হান, জাহাঙ্গীর আলম স্বপন, হাতেম আলী, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাপি কুমার মন্ডল রনি, গোলাম কিবরিয়া, হিরণ আহমেদ, মেহেরাব হোসেন জিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ঢাকায় আসছেন নচিকেতা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


শ্রোতাদের গান শোনাতে আবারও ঢাকায় আসছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী।


 আগামী ২৬ জুলাই ‘আজব কারখানা’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা উইথ জয় শাহরিয়ার ভলিউম ২’।



তাদের এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার আয়োজনে আগামী ২৬ জুলাই, শুক্রবার ঢাকার কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে গান শোনাবেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তি।



নেচে গেয়ে মঞ্চ মাতালো তুফান টিম

আজব রেকর্ডস ও আজব কারখানার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ার বলেন, গতবার জায়গা স্বল্পতার কারণে দাদার কনসার্টে অনেকে যেতে পারেনি। তাই আবারও আয়োজন করছি। আমাদের সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে।


তিনি আরও বলেন, সামনে আরও কয়েকটা কনসার্ট আয়োজন করার ইচ্ছে আছে। সম্প্রতি পেশাদার সংগীত জীবনের ৩০ বছর পার করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার। তার ক্যারিয়ারের এ মাইলফলক উদযাপন আয়োজন করেছিল কনসার্ট ‘দ্য বাপ্পা মজুমদার শো উইথ জয় শাহরিয়ার’।


জীবনমুখী গানের শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। ১৯৯৩ সালে তার প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ পায়। জীবনধারার অসংখ্য জনপ্রিয় গান এসেছে এই শিল্পীর কণ্ঠে। দুই বাংলাতেই আছে তার অসংখ্য ভক্ত।



আরও খবর



এনটিআরসিএ'র ১৮তম নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা ১২ ও ১৩ জুলাই

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ১৮তম নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ করেছে। 


আগামী ১২ ও ১৩ জুলাই দেশের ৮ বিভাগীয় শহরে এ পরীক্ষা হবে।


রোববার (২৬ মে) স্ব স্ব জেলা প্রশাসককে এনটিআরসিএ থেকে পাঠানো চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।


চিঠির তথ্যানুযায়ী, ১২ জুলাই শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা হবে। আর ১৩ জুলাই শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।


জানা গেছে, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর ও সিলেটে শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা হবে। পরীক্ষাকেন্দ্রের তালিকা এরইমধ্যে আট জেলার প্রশাসককে পাঠানো হয়েছে। 


ওইদিন অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার সূচি না রাখার অনুরোধও করা হয়েছে চিঠিতে।



এর আগে ১৮তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। 


এতে অংশ নিতে আবেদন করেন ১৮ লাখ ৬৫ হাজার ৭১৯ জন। তবে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৮৩৩ জন।


প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮১ জন। এরমধ্যে স্কুল-২ পর্যায়ে ২৯ হাজার ৫১৯ জন, স্কুল পর্যায়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৬৫২ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮১৩ জন। 


এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৩৫ দশমিক ৮০ শতাংশ।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




বছরে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়: সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক:


সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেছেন, বছরে ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার বা ৮১ থেকে ৯২ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। টাকা পাচার থেকেই ডলার সংকটের শুরু। তাই জরুরি ভিত্তিতে এটি রোধ করার পদক্ষেপ দরকার।



বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি। 



সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঋণের ২২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর রাশ টানতে হবেই। ব্যাংক কমিশন করলে ভালো, না হলে অন্তত শক্তিশালী একটা কমিটি করা উচিত বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে।


এডিপি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ৩ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা হওয়ার কথা এডিপি। হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে ধনীদের করহার বাড়ানো, সংসদ সদস্যদের গাড়ি আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের মতো প্রস্তাব সাহসী পদক্ষেপ।’


ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ পর্যায়ে উৎসে কর ১ শতাংশ কমানো মূল্যস্ফীতি কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু পণ্যের দাম কমছে। বাজেটের পর দাম বাড়েনি। মে পর্যন্ত ১১ মাসে প্রবাসী আয় ২ বিলিয়ন বেড়েছে।


এবারের বাজেটে সরকার বেশ কিছু সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে শামসুল আলম বলেন, মূল্যস্ফীতি কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার এবার বাজেটের আকার কমিয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে এবারের বাজেট হওয়ার কথা ছিল ৯ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা।


 সেখানে এবার বাজেট সংকুচিত করে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকার বাজেট সংকুচিত করা হয়েছে। টাকার সরবরাহ কমলে মূল্যস্ফীতি কমবে। এবারের বাজেটে কৃপণতা দেখানো হয়েছে। 



এ ছাড়া ঘাটতিও কমানো হয়েছে, যা খরচ কমানোর স্বার্থে করা হয়েছে। সে জন্য বলছি, এটি একটি সাহসী বাজেট। বাজেটে করপোরেট কর হার কমানো হয়েছে। উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে বাজেটের ইতিবাচক দিক হলো রাজস্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের আসল জায়গা। কৃষি না হলে বাংলাদেশ চলবে না। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষিকে সামনে রেখেই কাজ করতে হবে। কেন না কৃষিই আমাদের দেশের প্রাণ।


বাজেট নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট খুব কঠিন জিনিস। এবার অনেক চিন্তা-ভাবনা করে বাজেটটি দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার যে বাজেটটি দিয়েছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। এটি জনবান্ধব বাজেট। বাজেট এখনো পাশ হয়নি। তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে এবং করা হবে।


বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি সাজ্জাদুল হাসান বলেন, বিগত ১৫ বছরের বাজেট পর্যালোচনায় দেশজ উৎপাদন ৬ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে দারিদ্র্যের হার ১৮ শতাংশ কমে এসেছে। আগে আয়ু ছিল ৪২ বছর, বর্তমানে তা বেড়ে ৭২ বছর হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষির উৎপাদন বেড়েছে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসারকালে ৩০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যঘাটতি ছিল, বর্তমানে তা উদ্বৃত্ত রয়েছে। 


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন শি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব মিজানুর রহমান কাজলসহ অনেকে।




আরও খবর



স্বাস্থ্যখাতে রন্ধে রন্ধে দুর্নীতি, কেরানিও শতকোটি টাকার মালিক

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



আবুল খায়ের:


রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্নীতি। এখন চারদিকে শুধুই দুর্নীতির খবর। কোটি টাকা না, শত কোটি, হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিভাবে এত টাকার মালিক হলেন তারা তা নিয়ে খুব বেশি অনুসন্ধানের কথা শোনা যায় না।


 আগে যেখানে এক কোটি টাকার কথা শুনলেও অনেকে চমকে উঠছেন, এখন সেখানে হাজার কোটি টাকার খবরেও কেউ অনুসন্ধান করছে না। সর্বশেষ নজরে এলো হোমিও প্যাথি ডাক্তার ডা. দিলিপ রায়ের দুর্নীতির খবর। কিভাবে তিনি এত টাকার মালিক হলেন সেটার অনুসন্ধান জরুরী। 


স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘যে অভিযোগগুলো আসছে সেগুলো অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা তালিকা করে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।’


সাবেক এক মন্ত্রীর প্রশ্রয়ে স্বাস্থ্যখাতে ঠিকাদার মিঠুর উত্থান হয়েছে। দেশের বাইরে তার হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ। নিম্নমানের যন্ত্রপাতি এবং অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি করে তিনি হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়েছেন।


 তার বিরুদ্ধে নিউজ করতে গিয়ে হুমকিতে পড়তে হয়েছে সাংবাদিকদেরও। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরও অনেক কর্মকর্তা তাকে প্রটেকশন দিয়েছেন। এরপর এলো ড্রাইভার মালেকের শত শত কোটি টাকার সম্পদের কথা। সাবেক একজন মহাপরিচালকের ড্রাইভার হিসেবে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেনাকাটাসহ সব সেক্টরেই তার হাত ছিল। 


একজন ড্রাইভার কিভাবে এত টাকার মালিক হলেন। এর পর এলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (পরিচালক) এডুকেশনে বিভাগে কেরানি আফজালের কাহিনী। কানাডায় তার বাড়ি আছে। কেরানি কিভাবে এত বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হলেন সেটাও এখনো অজানা। 


দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, ‘এসব দুর্নীতিবাজদের মূল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান হল সচিবালয়। সচিবালয় থেকে এগুলো বন্ধ করা না গেলে এদের কখনই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’ ঠিক তাই হচ্ছে। স্বাস্থ্যের মতো সব জায়গায় দুর্নীতির বিশাল নেটওয়ার্ক। সবাই মিলেই গড়ে তুলেছে সিন্ডিকেট। 


যে দুর্নীতির ভাগ পায় সবাই। ফলে এখন মন্ত্রণালয়ও কারো বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে পারছে না। গত নির্বাচনের আগে আমলা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দুই শতাধিক ব্যক্তির দুর্নীতির তালিকা ছাপা হয়েছিল। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা এখন আরও বেশি বেপরোয়া। 


দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার জহিরুল হক বলেন, ‘আমরা নিজেরাও অনুসন্ধান করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। পাশাপাশি কারোর বিরুদ্ধে মিডিয়ায় খবর এলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আমরা তদন্ত করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। কাউকে ছাড় দেবো না।’


অথচ স্বাস্থ্য খাতে যাদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া কথা সেই চিকিৎসকরাই বঞ্চিত হচ্ছেন। এখন হাসপাতালে অনেক শিক্ষকের পদ শূন্য। ছাত্ররা সুশিক্ষা থেকে বঞ্জিত হচ্ছে। শিক্ষকদের পদোন্নতি হচ্ছে না। মেধাবীরাও আসতে আগ্রহী হচ্ছেন না। 


একজন চিকিৎসকের চাকরি নেওয়ার পর অধ্যাপক হতে আর চাকরির বয়স থাকে না। দলবাজ না হলে পদোন্নতিও হয় না। পুরো স্বাস্থ্য খাতে যেন অশনি সংকেত। চিকিৎসকরাও কাজে উৎসাহ হারাচ্ছেন। জুনিয়রদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন অনেকে। ফলে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছে না। 


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে দুর্নীতি দেখার কেউ নেই। সুযোগ সুবিধা না পেলে কেন তারা এই পেশায় থাকবেন? ফলে সামনের দিনে চিকিৎসা সেক্টরে ব্যাপক শূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে।


বিএমএ মহাসচিব ডা. এহতেশামুল হক দুলাল বলেন, ‘আসলে দুর্নীতি এমন ভয়াবহ পর্যায়ে গেছে। যারা দুর্নীতি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে দুর্নীতি বেড়ে গেছে। অনেক বড় কর্মকর্তাও এর সঙ্গেও জড়িত। সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে না আনা গেলে বা পেছনে যারা আছে তাদের খুঁজে বের করে জবাবদিহিতায় আনতে না পারলে দুর্নীতি বন্ধ করা যাবে না।’  


সর্বশেষ দুর্নীতির তথ্য সামনে এসে ডা. দিলীপ কুমার রায়ের। পনের বছরের ব্যবধানে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়। রাজনীতির জাদুর ছোঁয়ায় তিনি হোমিও মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক থেকে হয়েছেন বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথী বোর্ডের চেয়ারম্যানও।


 রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারে সিদ্ধহস্ত দিলীপ কুমার রায় টানা পাঁচ মেয়াদে ১৫ বছর ধরে হোমিও বোর্ডের চেয়ারম্যান পদ দখলে রেখেও গড়েছেন রেকর্ড।


বোর্ডে দুর্নীতি হালাল করতে নীতিকে পাল্টে অনিয়মকেও তার ব্যক্তিগত নিয়মে পরিণত করেছেন। চা-পোষা হোমিও চিকিৎসক সেই দিলীপ কুমার এখন রাজনীতিতে বড় নেতা, স্বর্ণ, ডায়মন্ড, ইটভাটা, খাদ্য ও ওষুধের এক্সেসরিজের ব্যবসায়ীও। 


ফরিদপুরের বোয়ালমারী এলাকার ধোপা পরিবারের সন্তান দিলীপ কুমার এখন প্রতিষ্ঠিত এক স্বর্ণ ও হিরা ব্যবসায়ীর নাম। কারখানা গড়ে ব্যবসার প্রসার ঘটিয়েছেন খাদ্য, ওষুধ ও ওষুধের এক্সেসরিজ খাতেও। অথচ ৮০-এর দশকে হোমিওপ্যাথী মেডিকেল কলেজে ছিলেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। 


পাশাপাশি হাঁটতেন রাজনৈতিক এক নেতার অনুসারী হয়ে। এরপর দিলীপ কুমারের উত্থান যত না আকাশচুম্বী ততই রহস্যে ঘেরা।


অথচ ২০১৫ সালের ৩০ জুন ডা. দিলীপ কুমার রায়কে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ অনুসন্ধান করেন দুদকের উপ-পরিচালক এসএম মফিদুল ইসলাম। তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দিলীপ কুমার রায়কে অব্যাহতি দেয় কমিশন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. দিলীপ কুমার রায় বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমি কোন কলেজে কাউকে চাকরি দিতে পারি না। এই চাকরি দেন ডিসিরা। সামনে আওয়ামী লীগের সম্মেলন আসছে। সে কারণে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।'


আরও খবর



মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ নিখোঁজ বিমানের সবাই মারা গেছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image

বিডি টু ডে আন্তর্জাতিক ডেস্ক:


মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমা

বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পূর্ব আফ্রিকার দেশ মালাউইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমা মারা গেছেন। এছাড়াও প্রাণ হারিয়েছে বিমানটিতে থাকা আরও ৯ জন।



মঙ্গলবার (১১ জুন) দেশটির সরকার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ। এর আগে চিলিমাকে বহনকারী বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়।



ব্যাংককে আগুনে পুড়ে মরল প্রায় ১০০০ পশু-পাখি

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও মন্ত্রিসভা থেকে সাধারণ জনগণকে জানাতে চাই, সোমবার (১০ জুন) নিখোঁজ হওয়া মালাউই ডিফেন্স ফোর্সের বিমানটির উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে।


 বিমানটিতে থাকা ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস ক্লাউস চিলিমাসহ ১০ জনকে আজ মঙ্গলবার (১১) জুন সকালে চিকানগাওয়ায় পাওয়া গেছে।’


এতে আরও বলা হয়, ‘দুর্ভাগ্যবশত বিমানটিতে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাডারের বাইরে চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মালাউইয়ের প্রতিরক্ষা বাহিনী, পুলিশ সার্ভিস, বেসামরিক বিমান চলাচল বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।’


প্রতিবেদন মতে, বিমান দুর্ঘটনার খবর দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. লাজারাস ম্যাককার্থি চাকভেরাকে জানানো হয়েছে। তিনি দুর্ঘটনায় নিহত ভাইস প্রেসিডেন্টের পরিবারসহ অন্যান্যদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।


এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তার সহযোগীদের মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোক ঘোষণা করা হয়েছে।



আজ (মঙ্গলবার) থেকে শেষকৃত্যের দিন পর্যন্ত পতাকা অর্ধনিমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাককার্থি।


উল্লেখ্য, সোমবার (১০ জুন) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাওলোস চিলিমাকে বহনকারী বিমানটি রাজধানী লিলংওয়ে থেকে মুজুজু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল।বিমানটিতে করে সদ্যই প্রয়াত হওয়া ক্যাবিনেট মন্ত্রী রালফ কাসাম্বারার শেষকৃত্যে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন মালাউইয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্টসহ নিহতরা। 


কিন্তু গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিমানটি হঠাৎ রাডারের বাইরে চলে গেলে, বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ সময় বিমানটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছাড়া আরও ৯ জন আরোহী ছিলেন।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24