Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় পৃথক দুটি স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় পৃথক স্থানে ভুটভুটির ধাক্কায় দু'জনের মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা ১০ টার দিকে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার বালুঘা মোড় এলাকায় হাবিবর রহমান (৫০) নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। অপরদিকে বদলগাছী উপজেলার কেসাইল চাওলাকালি বাজারে শনিবার দুপুরে আব্দুর রশিদ (৫৫) নামের অপর এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে। দু'টি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পত্নীতলা ও বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ।

নিহত দু জন হচ্ছেন, বদলগাছী উপজেলার পারোরা গ্রামের মৃত ফারেজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রশিদ ও পত্নীতলার মহিমাপুর গ্রামের মৃত কেয়াম উদ্দিনের ছেলে হাবিবর রহমান। 

জানা যায়, নিহত আব্দুর রশিদ গরু বিক্রয়ের জন্য আক্কেলপুর বাজারে যাওয়ার পথে কেসাইল চাওলাকালি বাজারে পৌছালে তুস বোঝায় একটি ভটভটির চাকায় পিষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বদলগাছী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, নিহত হবিবর রহমান বাই সাইকেল নিয়ে নজিপুর থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। একই দিক থেকে আসা মুরগী বাহী একটি ভুটভুটি পিছন থেকে তাকে ধাক্কা দিলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে মাথায় আঘাত পায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পত্নীতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোন অভিযোগ না থাকায় মৃতদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। 


আরও খবর



সিলেট-সুনামগঞ্জে ফের বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

বৃষ্টিপাত কমায় গত কিছুদিন ধরে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি ক্রমাগতভাবে কমে বন্যা পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল। কিন্তু আগামী ৭২ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ জায়গায় ভারী বর্ষণে সিলেট-সুনামগঞ্জে ফের বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানির সমতল বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী ২৪ ঘণ্টায় মাঝারি থেকে ভারী এবং আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে এ সময় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী সমূহের পানিসমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।

এ ছাড়া আগামী ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা, কুশিয়ারা, পুরাতন-সুরমা, সারিগোয়াইন নদীর পানিসমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কতিপয় নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

এদিকে, শনিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ বিরাজ করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিহার, কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পাউবোর এক বার্তায় বলা হয়েছে- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি সামগ্রিকভাবে কমছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে আগামী সাতদিন মাঝারি থেকে ভারী এবং কখনো কখনো ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে, এসময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বাড়তে পারে। চলতি মাসের শেষভাগ থেকে আগামী মাসের প্রথমভাগ নাগাদ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীগুলোর (সুরমা, কুশিয়ারা, পুরাতন-সুরমা, সারিগোয়াইন ইত্যাদি) পানি দ্রুত বেড়ে নিম্নাঞ্চলে বিপৎসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।

দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর পানি কমছে ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল আছে। আগামী তিনদিন পর্যন্ত পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরবর্তীতে আগামী জুলাই মাসের শুরু থেকে পানি বাড়তে পারে এবং জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষ ভাগ নাগাদ সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এ সময় দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। তবে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে এ অঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার নদীর পানি সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীলভাবে বাড়ছে। আগামী সাতদিন, গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকা অঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান আছে। আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, আগামী সাতদিন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে এসময়ে এ অঞ্চলের নদীগুলোর পানি সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে।

 


আরও খবর



ফাঁকা বাজারেও সবজির দাম চড়া

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

অবশেষে কমেছে মুরগীর দাম। দুশ টাকার নিচে নেমেছে ব্রয়লার মুরগির কেজি। কমছে সোনালীসহ অন্যান্য জাতের দামও। তবে ঈদকে ঘিরে অস্থির সালাদ পণ্য শশা টমেটোর বাজার। সবজিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অস্বস্তি রয়েছে আলু পেঁয়াজের দামে। শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহেও ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও সোনালী পাকিস্তান জাতের মুরগি ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। লেয়ার মুরগি লাল ৩০০-৩২০ টাকা, সাদা ২৬০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকার উপরে।

ঈদকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা দেখা গেছে শশা টমেটোর বাজারে। প্রায় ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে এক কেজি শশা। টমেটোর কেজি ১৬০-১৮০। ২০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।

এদিকে সবজির বাজারে লম্বা বেগুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৫০ টাকা মান ও সাইজভেদে লাউ ৬০-৮০ টাকা, ছোট সাইজের মিষ্টি কুমড়া ১০০-১২০ টাকা, জালি ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, কাঁচা কলা ডজন ৯০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। যা গেল সপ্তাহজুড়ে প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়াও শাকের মধ্যে পাট শাক ১৫-২০ টাকা, কলমি শাক ১০-১৫ টাকা, পালং ১০-১৫ টাকা, লাউ শাক ৩০-৪০ টাকা, লাল শাক ১৫ টাকা, পুঁই শাক ৩০-৪০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দোকানের তুলনায় ভ্যানে কিংবা ফুটপাতের দোকানগুলোতে প্রত্যেক সবজির দাম ৫-১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে ঘুরে দেখা যায়, ২০০ টাকার নিচে তেমন কোনো মাছ নেই। সাইজ ভেদে তেলাপিয়া ২০০-২৩০ ও পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা। যা গেল সপ্তাহেও প্রায় একই দামে বিক্রি হয়েছে। অন্য মাছের মধ্যে মাঝারি ও বড় আকারের চাষের রুই, কাতলা ও মৃগেল মাছের দাম প্রতি কেজি ২৮০ থেকে শুরু করে সাইজ ভেদে ৪০০-৪৫০ টাকা। ৬০০ টাকার নিচে নেই পাবদা, টেংরা, কই, বোয়াল, চিতল, আইড় ও ইলিশ মাছ। চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকায়।

এদিকে আবারও উত্তাপ ডিমের বাজারে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। হালি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫৫-৬০ টাকা।


আরও খবর

বন্যার অজুহাতে সবজির দাম চড়া

শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪




নওগাঁয় বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে এক জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে (বিদ্যুৎ পিষ্ট হয়ে) এক জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার টিটিহারি গ্রামে এমৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। নিহত আব্দুল গফুর (৪৫) টিটিহারি গ্রামের মৃত নছের উদ্দিনের ছেলে।

নিহতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, নিহত আব্দুল গফুর তার নিজ বাড়ীতে বৈদ্যুতিক কাজ করতে গিয়ে অ-সাবধানতা বশত বৈদ্যুতিক সক লেগে মাটিতে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, নিহত আব্দুল গফুর তার নিজ বাড়িতে বৈদ্যুতিক লাইনের কাজ করার এক পর্যায়ে অ-সাবধান বশত বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিটে তার মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন। এমৃত্যুর ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেন নি। 


আরও খবর



স্পেনের বার্সেলোনায় শাকিবের 'তুফান' দেখল একজন দর্শক

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিনোদন ডেস্ক:


দেশে দারুণ সাফল্যের পরে বিশ্বের ১৫টি দেশে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খানের নতুন ছবি ‘তুফান’। তবে রায়হান রাফী পরিচালিত এই সিনেমাটি বিভিন্ন দেশে সিনেমাটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেললেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেল স্পেন-এর বার্সেলোনার একটি থিয়েটারে। 



বার্সেলোনার একটি থিয়েটারে শতাধিক আসনের থিয়েটারে মাত্র একজন দর্শক এই সিনেমা দেখেছেন। শনিবার বিকেলে ফারিয়া আক্তার আনিতা নামের এক তরুণীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন একটি চিত্রের দেখা মিলেছে।



ভিডিওতে ওই তরুণীকে বলতে শোনা যায়, আমি শাকিব খানের বড় একজন ভক্ত। এই মুহূর্তে তার ‘তুফান’ দেখছি বার্সেলোনা। আই লাভ মুভি। আমি ‘তুফান-২’-এর অপেক্ষায় আছি। পুরো থিয়েটারে আমি একাই কিন্তু, আমি কিছু মনে করছি না (হাহাহা)।


ভিডিওতে, আনিতা বাদে কাউকে থিয়েটারে দেখা যায়নি। তবে তিনি বেশ উপভোগ করেছেন সিনেমাটি সেটাও জানিয়েছেন।



আনিতা আরও লেখেন, ‘এটা সত্যিই ভালো মুভি, মানুষের দেখা উচিত। এই মুহূর্তে শাকিবের অভিনয় দক্ষতা এখন বলিউড অভিনেতাদের চেয়েও ভালো।’




আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সুইডেন, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন, পর্তুগাল, আবুধাবি, বাহরাইন, কাতার, ওমানের শতাধিক থিয়েটারে মুক্তি পেয়েছে ‘তুফান’।


আরও খবর



নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মবিরতি চলমান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ |

Image

সিনিয়র রিপোর্টার :

'বৈষম্য নিপাত যাক-পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি মুক্তি পাক' এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য দূরীকরণ সহ অভিন্ন চাকুরী-বিধি বাতিলের দাবীতে টানা ৬ষ্ঠ দিনের মতো সারা দেশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। কর্মবিরতি পালনের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মবিরতি চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মধ্যকার বিভিন্ন বৈষম্যের প্রতিবাদে রবিবার সকাল ৯টা থেকে নওগাঁ শহরের চকবিরাম নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কার্যালয় প্রাঙ্গনে অবস্থান নিয়ে এই কর্মবিরতি পালন করা হয়। এসময় নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা ডিজিএম আকিয়াব হোসেনের নেতৃত্বে এজিএম রাজু হাসান ও জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এসময় নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার নওগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদমর্যাদা, ৬ মাস পিছিয়ে পে-স্কেল ও ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা প্রদান, এপিএ বোনাস সমহারে না দেওয়া, লাইনম্যানদের নির্দিষ্ট কর্মঘন্টা ও কাজের জন্য প্রয়োজনীয় লাইনম্যান ও বিলিং সহকারী পদায়ন না করা, যথাসময়ে পদন্নোতি না করা, মাঠ পর্যায়ে কর্মচারীদের চুক্তি ভিত্তিক চাকুরি নিয়মিত না করা সহ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের বিভিন্ন অনিয়মের শিকার হচ্ছে সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব শোষন, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ করে স্মার্ট ও টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গঠনের লক্ষ্যে অভিন্ন চাকুরী বিধি ও সকল চুক্তিভিত্তিক, অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরি নিয়মিতকরনের দাবি জানান মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলমান রাখার ঘোষনাও দেওয়া হয়।


আরও খবর