Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় পটাশ সারের দাম বেশি নেওয়ায় জরিমানা

প্রকাশিত:Monday ২১ November ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ


নওগাঁয় পটাশ সারের দাম বেশি নেওয়ায় এক সার ব্যবসায়ীর ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেছে

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় আরো ৪ টি প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন।

সত্যতা নিশ্চিত করে অভিযানিক কর্মকর্তা "জাতীয় ভোক্তা অধিকার" নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ শামীম হোসেন জানান,

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়ের অর্পিত ক্ষমতাবলে, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতায় নওগাঁ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ শামীম হোসেন এবং নওগাঁ জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা জনাব চিন্ময় প্রামানিক নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার টি এন্ড টি রোড এলাকায়  যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। যৌথ অভিযানকালে পটাশ সারের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করায় সততা স্টোরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, সংরক্ষণ , নোংরা কাগজে খাবার পরিবেশন এবং খাবারে আয়োডিন বিহীন লবণ  ব্যবহারের অপরাধে ভাই বোন হোটেল কে ৫শ' টাকা এবং মুন্নী চাঁদনী হোটেল কে ১ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। এসময় অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ বিক্রয়ের অপরাধে হান্নান স্টোর কে ৫ হাজার টাকা এবং মন্ডল স্টোর কে ১০ হাজার টাকা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। 

অভিযানে দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক জনাব আনিছুর রহমান  এবং ধামইরহাট থানা পুলিশের একটি চৌকষ টিম  সহযোগীতা করেন। 

জনস্বার্থে আগামীতেও এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান অভিযানিক কর্মকর্তা মোঃ শামীম হোসেন।


আরও খবর



ধামরাইয়ের কাকরান দাখিল মাদরাসার শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:Wednesday ১১ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন :


ঢাকার ধামরাই উপজেলা ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন এর কাকরানে দাখিল মাদরাসার চতুর্থ তলা ভীত বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে বুধবার সকাল ১১ টায়। 

এসময় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।

প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ঢাকা ২০ ও সভাপতি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব বেনজির আহমদ। 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান ধামরাই উপজেলা পরিষদ মোহাদ্দেস হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ বীরমুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক আইয়ুব, ভাইস চেয়ারম্যান ধামরাই উপজেলা পরিষদ সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, চেয়ারম্যান ভাড়ারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মোসলেম উদ্দিন মাসুম,যুবলীগ নেতা জাহিদ হোসেন সহ উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা কর্মীরা। উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন কাকরান দাখিল মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ও কাকরান এলাকা বাসী।


আরও খবর



আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

মইনুল ইসলাম মিতুল :সরকারের নির্বাহী আদেশে বাড়ল খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম। একই সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পাইকারি বিদ্যুতেরও দাম। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, নতুন করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। গত ১২ জানুয়ারিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের যে দাম বাড়ানো হয়েছিল, সেই জারিকৃত প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে। 

এর আগে ১২ জানুয়ারি গড়ে ৫ শতাংশ দাম বাড়ানো হয় বিদ্যুতের। ওই দাম জানুয়ারি মাসেই কার্যকর করা হয়। জানুয়ারি মাসের বিল গ্রাহককে ফেব্রুয়ারি মাসে দিতে হবে। এবার ফেব্রুয়ারি মাসের বাড়তি দামের বিদ্যুতের বিল গ্রাহককে দিতে হবে মার্চ মাসে।

বিদ্যুতের ব্যবহার ভেদে ছয় ধরনের গ্রাহক রয়েছে, যে গ্রাহক যত বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন, তাকে বিদ্যুতের দাম তত বেশি দিতে হবে। এর মধ্যে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট বিদ্যুৎ যারা ব্যবহার করে, তাদের অতি দরিদ্র মনে করা হয়; তাদের বিদ্যুতের ধাপকে লাইফলাইন বলা হয়। এ বাদেই ছয়টি ধাপ রয়েছে। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ৩ টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৪ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৩১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে সঙ্গে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৬ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ৬ টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ৬ টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা ৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।

দেশের পাইকারি বিদ্যুৎ কিনতে গিয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ৪০ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে। এর মধ্যে সরকার দেবে ১৭ হাজার কোটি টাকা। বাকি ২৩ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

এর আগে চলতি মাসেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার দেওয়া মূল্যবৃদ্ধি প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি করে। বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি প্রায় ২০ শতাংশ খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে। এর মধ্যেই ১২ জানুয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগ ৫ শতাংশ খুচরা পর্য়ায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করে বিইআরসির আদেশকে পাশ কাটিয়ে। মঙ্গলবার ফের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করল বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকার একবারে ২০ শতাংশ দাম বাড়াতে চায়নি। সে কারণে মাসে মাসে সমন্বয়ের নামে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে। কম কম করে দাম বাড়ালে গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া কম হবে বলে মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম একবারে ১৫ থেকে ২০ ভাগ বাড়লে বাজারে পণ্যের দাম অনেকটা বেড়ে যায়। এজন্য সরকারের যদি কিছুটা লোকসানও হয় তাহলেও ধাপে ধাপে দাম বাড়ালে মানুষের ওপর পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব খুব একটা পড়ে না।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, সরকার সম্প্রতি বিদ্যুৎ, শিল্প ও বাণিজ্যে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। এর ফলে গ্যাস বিক্রি থেকে অতিরিক্ত যে অর্থ পাওয়া যাবে তা দিয়ে বিশ্ববাজার থেকে এলএনজি কেনা হবে। এই এলএনজি দিয়ে যদি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাহলে গড়ে এলএনজি চালিত বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ পড়বে সাড়ে আট টাকা। কিন্তু দেশের তেলচালিত (ফার্নেস) অয়েলে উৎপাদন খরচ ২৯ টাকার কাছাকাছি। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০ টাকার মতো কম প্রয়োজন হবে। যাতে সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভর্তুকি কম প্রয়োজন হবে। যাতে বিদ্যুৎ জ্বালানিতে সামগ্রিক ভর্তুকির হার কমবে।


আরও খবর



তরুণ তরুণীকে দেখে ফেলায় স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image

কুমিল্লা ব্যুরো :

কুমিল্লায় তরুণ তরুণীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলায় রায়হান খান নামে এক স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১১ টায় জেলার বুড়িচং উপজেলার শংকুচাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার বেলা ১১ টার দিকে  বিষয়টি নিশ্চিত করেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান।

রায়হান খান (১৫) শংকুচাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে শংকুচাইল গ্রামের হাফিজ মেম্বারের বাড়ির সৌদি প্রবাসী গিয়াস খানের ছেলে।

 ওসি মারুফ বলেন, রোববার দুপুরে রায়হান খান সহপাঠীদের সাথে পূর্ণমতি সড়ক এলাকায় সেচ পাম্পে গোসল করছিলো। এ সময় দুইটি মোটরসাইকেলে করে অজ্ঞাত ছেলেরা দুই মেয়েকে নিয়ে ওই সড়কে ঘুরতে আসে। এ সময় সড়কের পাশে বাইক আরোহী ছেলেগুলো তাদের সাথে থাকা মেয়েদের সাথে অন্তরঙ্গ হয়। এ দৃশ্য দেখে রায়হান ও তার সহপাঠীরা  হাসাহাসি করে। বাইকে থাকা ছেলেরা এসে হাসাহাসি কেন করলো তা জিজ্ঞেস করলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। পরে বাইক আরোহীরা মোবাইল ফোনে খবর দিয়ে অন্যদের ঘটনাস্থলে আসতে বলে। খবর পেয়ে বাইক আরোহীরা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রায়হানকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। অতর্কিত হামলায় রায়হানের মাথায় প্রচন্ড আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে পাশের ঘুংগুর নদীতে ফেলে দেয়।

 স্থানীয়রা আহত রায়হানকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ঢাকা যাওয়ার পথে যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছলে রায়হান মারা যায়।

নিহত রায়হানের  মা রোজিনা আক্তার বলেন, তুচ্ছ ঘটনায় আমার ছেলেকে খুন করেছে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান ।

ওসি মারুফ রহমান জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন মামলা দায়ের প্রক্রিয়ার্ধীন রয়েছে।। অভিযুক্তদের আটকে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।


আরও খবর



পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান : নাসা

প্রকাশিত:Tuesday ১৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ February ২০২৩ |
Image

পৃথিবীর মতো নতুন গ্রহের সন্ধান পেল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই গ্রহ আকৃতিতে পৃথিবীর ৯৫ শতাংশ। নিজের সূর্যকে ২৮ দিনেই প্রদক্ষিণ করে এই গ্রহ। তবে নিজের অক্ষের উপর ঘোরে না একেবারেই। এ ব্যাপারে তার মিল বরং চাঁদের সঙ্গে।

নতুন আবিষ্কৃতি গ্রহ বাসযোগ্য কি না, তা এখনই বলা না গেলেও সেখানে পানি থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ নব আবিষ্কৃত গ্রহটির অবস্থান তার সূর্যেহ্যাবিটেবল জোন অর্থাৎ বাসযোগ্য এলাকার মধ্যেই।

গ্রহের নাম টিওআই ৭০০ই। পৃথিবী থেকে প্রায় ১০০ আলোকবর্ষ দূরে ডোরাডো নক্ষত্রপুঞ্জের ঠিকানা। মহাবিশ্বের হিসাবে এই দূরত্ব খুব বেশি নয়। টিওআই ৭০০ নামের নক্ষত্রকে মাঝখানে রেখে সঙ্গী আরো কয়েকটি গ্রহের সঙ্গে ঘুরে চলেছে টিওআই ৭০০ই

নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইটের (টেস) চোখেই ধরা পড়েছে এই গ্রহ। টেসের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করেই এই গ্রহের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতে পারে নাসার জেট প্রপালসান গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা। সেই বিজ্ঞানী দলেরই প্রতিনিধি এমিলি গিলবার্ট সম্প্রতি আমেরিকার সিয়াটেল শহরে আয়োজিত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বার্ষিক বৈঠকে এই নতুন গ্রহ সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। যা গ্রহণও করেছে দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিকাল জার্নাল লেটারস নামের বিজ্ঞানবিষয়ক গবেষণা পত্রিকা।

গিলবার্ট জানিয়েছেন, টিওআই ৭০০ একটি বামন নক্ষত্র। তাকে প্রদক্ষিণকারী আরো তিনটি গ্রহ টিওআই ৭০০ বি, সি এবং ডি-এর খোঁজ আগেই পেয়েছিল নাসা। এবার একটি চতুর্থ গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। নাসার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী টিওআই ৭০০ ই-এর জমি পাথুরে। তবে তাতে পানিও থাকতে পারে। তার কারণ, বিজ্ঞানীদের কথায় নক্ষত্রের সঙ্গে এই গ্রহের যে দূরত্ব, সেই দূরত্বে গ্রহের পৃষ্ঠে পানি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

নাসার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নব্য আবিষ্কৃত গ্রহটি পৃথিবীর আয়তনের ৯৫ শতাংশ। নিজের সূর্যকে ২৮ দিনেই প্রদক্ষিণ করে এই গ্রহ। তবে নিজের অক্ষের উপর ঘোরে না টিওআই ৭০০ই। ফলে চাঁদের মতো তার একটি দিক সব সময়েই নক্ষত্রের আলোর দিকে মুখ করে থাকে। অন্য দিকটি অন্ধকার। এর ফলে এই গ্রহ যদি বাসযোগ্য হয়ও তবে এর একদিকে সর্বক্ষণ দিনের আলো থাকবে, অন্য দিকে অন্তহীন রাত।

নাসা জানাচ্ছে টিওআই ৭০০-এর পরিবারের বাকি গ্রহগুলোও নিজের অক্ষে স্থির। কোনোটির আকৃতি পৃথিবীর ৯০ শতাংশ কোনোটি আড়াই গুণ। কোনোটি ১৬ দিনে তাদের নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। আবার কোনোটি ৩৭ দিনে। তবে আপাতত সেই সব গ্রহে মন না দিয়ে টিওআই ৭০০ই সম্পর্কেই আরো জানার তোড়জোড় শুরু করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

 


আরও খবর



পৌষ মেলা বা সাকরাইন মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:Monday ১৬ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Monday ০৬ February ২০২৩ |
Image
ধামরাইয়ে পৌষ সংক্রান্তিতে

মাহবুবুল আলম রিপন,স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকার ধামরাইয়ে চিরায়ত বাঙালির সংস্কৃতির অংশ হিসেবে  বারে মাসে তের পার্বণের একটি পৌষ সংক্রান্তি।সংক্রান্তি বলতে মাসের শেষ দিনকে বুঝায়।এ'দিন পৌষ মাসের শেষের দিন পঞ্জিকা মতে সনাতনধর্মাবলম্বীরা পৌষ সংক্রান্তিতে বিভিন্ন ধর্মীয় রীতিনীতি অনুযায়ী পূজা-অর্চনা করে থাকে।পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে ধামরাই উপজেলায় নানা স্হানে বুড়া-বুড়ি পূজা ও পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ধামরাই উপজেলায় ১১টি স্হানে  ঐতিহ্যময় পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয় তার মধ্যে ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের ঐতিহাসিক মাঠ,ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠ,ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন মহল্লায় বুড়া-বুড়ির মন্দির সংলগ্ন স্হানে,এছাড়াও ধামরাই উপজেলার কালামপুর, শ্রীরামপুর, সোমভাগ,সানোড়া, গোপালপুর, বাড়িগাঁও, সীতি পাল্লী সহ বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। 

 রবিবার (১৫ই জানুয়ারি)  ভোর থেকে শুরু হয়েছে পৌষ সংক্রান্তির পৌষ মেলা বা সাকরাইনের মেলা। ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ীস্হ শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের মন্দিরের মাঠে ভোর থেকে শুরু হয়েছে এ'মেলা। 

মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন প্রকার জিনিসপত্র, লোহার তৈরি দা,বটি সহ অন্যান্য উপকরন,শিশুরকিশোরদের বিভিন্ন ধরনের খেলনার দোকান,বাঁশ-বেতের তৈজসপত্র, গৃহস্হালীর বিভিন্ন জিনিসপত্র, 

 বিভিন্ন প্রকার খাবার সামগ্রী - খই,বিন্নি,মুড়ি,বাতাসা,কদমা,চিনির তৈরি বিভিন্ন প্রকার খেলনা,চটপটির দোকান সহ বিভিন্ন প্রকার স্টল।

এসব দোকানে বিভিন্ন বয়সী লোকদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে মাটির তৈরি সরঞ্জাম ও গৃহস্হালির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানে সবধর্মের মানুষের ভীড় লক্ষ্যণীয়।

উৎসব বা মেলাটা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘিরে হলেও ধর্মীয় গন্ডীর সীমারেখা অতিক্রম করে সার্বজনীনতা ফুটে উঠেছে। পৌষ মেলা শিশু কিশোরদের জন্য খুবই আনন্দের।তারা বিভিন্ন খেলনা সহ বাহারি রকমের খাবার কিনে দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের নিকট বায়না ধরে সেইসাথে তাদের বায়না অনুযায়ী মেলা থেকে বায়নাকৃত খেলনা ও খাবার সামগ্রী কিনে দিতে বাধ্য হয়।

সকাল থেকেই ধামরাইয়ের বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও মাঠ থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসে গান।গানে ছন্দে উচ্ছাসে ঘুড়ি-উৎসবে যোগ দেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।ঘুড়ি উৎসবে শুধু ঘুড়ি থাকে না,থাকে হরেক রকম পিঠা-পুলি।এটাকে পিঠা উৎসবও বলা যায়। বড় বাজার মহল্লার বাসিন্দ শিশির পাল বাড়ির ছাদে ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন শিশু কিশোরদের সঙ্গে। শিশির পাল বলেন সাকরাইন মানেই ঘুড়ি উৎসব।ছোট ভাইয়ের সাথে ঘুড়ি উড়াতে এসেছি,প্রতিবছর ঘুড়ি উৎসবে ঘুড়ি উড়াই আনন্দের সহিত।

আজ রবিবার বিকেলে ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের বুড়া-বুড়ি মন্দিরের মাঠে পৌষ মেলা বসবে চলবে রাত্রি পর্যন্ত। আগামীকাল সোমবার ধামরাই পৌরসভার আইঙ্গন এলাকায় বুড়া-বুড়ি মন্দির সংলাপ স্হানে পৌষ মেলা বসবে।হাজার-হাজার মানুষ সমবেত হবে ঐতিহাসিক পৌষ মেলায়।


আরও খবর