Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নওগাঁয় পুলিশের পদক্ষেপে রক্ষা পেলো একটি সংসার, অভিযুক্ত শ্রীঘড়ে..!

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁয় পুলিশের পদক্ষেপে রক্ষা পেলো একটি সংসার, অভিযুক্ত কথিত প্রেমিক শ্রীঘড়ে..!

প্রথমে সোস্যাল মিডিয়া 'ফেসবুকে' পরিচয়। সেই পরিচয় থেকে দু' জনের মাঝে চলছিলো হাই-হ্যালো। এভাবে চলার মাত্র ৩ মাসের মধ্যেই ঘড়ে অন্তসত্বা স্ত্রী থাকার পরও হাবিবুর রহমান (২৪) নামের এক যুবক অসৎ উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে গৃহবধূ (১৯) কে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদ পাতেন। ফোনেই চলে প্রেমালাপ। এক পর্যায়ে বিয়ে করার কথা বলে ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধূকে নিয়ে পাড়ি জমাবেন অজানা কোন স্থানে বলেও সিদ্ধান্ত নেয়। আর সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফোনে যোগাযোগ করে ঘটনার দিন অন্তসত্বা স্ত্রী সহ পরিবারের কাউকে না জানিয়ে প্রেমিক হাবিবুর রহমান (২৪) 

নিজ বাড়ি মান্দা থেকে বের হয়ে আনুমানিক ১৯ কিঃ মিঃ দূরে মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটামোড় চৌমাশিয়া বাজারে এসে অবস্থান করেন এবং ফোনে গৃহবধূ (১৯) ডেকে নিয়ে বাজারে প্রথম বারের মতো দু'জন একে অপর কে সরাসরি দাখেন এবং পূর্বের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একটি অটো-বাইক যোগে পালাতে গিয়ে নওগাঁ-রাজশাহী সড়কের খোর্দ্দনারায়নপুর নামক স্থানে পৌছালো গৃহবধূ'র স্বামী নিজেই স্ত্রী ও তার কথিত প্রেমিক কে আটক করে নিজ গ্রামে নিয়ে যান। এরপর কয়েক ঘন্টাধরে (ত্রিমুখি) প্রেমিকের স্বজন, গৃহবধূর পিতার পরিবার ও স্বামীর পরিবার ঘটনাটি সমাধান এর চেষ্টা চালিয়ে বার্থ হোন। ঐ সময় গৃহবধূকে তার স্বামীও বাড়িতে তুলতে রাজি হয়নি। অপরদিকে কথিত প্রেমিকও তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি। যার ফলে খবর দেওয়া হয় নিকটস্থ্য নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ কে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে কথিত প্রেমিক হাবিবুর রহমান ও গৃহবধূ দু'জন কেই ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে থানার মানবিক অফিসার ইনচার্জ ও তদন্ত (ওসি) পৃথক ভাবে দু'জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন, প্রেমিক বিবাহীত এবং তার ঘরে অন্তসত্বা স্ত্রী থাকার পরও সে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের গৃহবধূ (ভিকটিম) কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে পালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো, তবে তাকে সে বিয়ে করবে না, তার উদ্দশ্যে ছিলো অসৎ। অপরদিকে (ভিকটিম) গৃহবধূ কে তার স্বামী খু্ব ভালো বাসেন এবং তিনি কোন কিছু না বুঝেই স্বামীর বাড়ি থেকে বের হোন, তবে তার স্বামী খুবই ভালো মানুষ জানিয়ে গৃহবধূ আরো বলেন, হাবিবুর রহমান আমার সরলতার সুযোগ নিয়েছে, আমি তার শাস্তি চাই, আমি আমার স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চাই বলেও পুলিশকে জানান এবং এঘটনায় (ভিকটিম) গৃহবধূ নিজেই বাদি হয়ে থানায় কথিত প্রেমিক হাবিবুর রহমান কে আসামী করে মামলা দাযের করেন। সম্পতি এঘটনাটি ঘটে নওগাঁর মহাদেবপুরে।

স্থানিয় সুত্র জানায়, গত বুধবার ১৫ মার্চ সকাল ১০ টারদিকে নওগাঁর মান্দা উপজেলার নুরুল্যাবাদ গ্রামের ছবের আলীর ছেলে কথিত প্রেমিক   

হাবিবুর রহমান (২৪) মহাদেবপুর উপজেলার হাট-চকগৌরী এলাকার এক গৃহবধূকে মোবাইল ফোনে চৌমাশিয়া নওহাটামোড়ে ডেকে নেওয়ার পর বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অটো-বাইক যোগে অজানার উদ্দশ্যে নিয়ে যাওয়াকালে (ভিকটিম) গৃহবধূর স্বামী তাদেরকে আটক করেন। এঘটনায় কয়েক ঘন্টাধরে দফায় দফায় পারিবারিক ভাবে আপোস-মিমাংসার চেষ্টা চালিয়ে বার্থ হোন, ঐ সময় গৃহবধূকে ভুল বুঝে তার স্বামী ঘড়ে তুলতেও রাজি হয়নি অপরদিকে  কথিত প্রেমিক ও তাকে বিয়ে করবেনা বলে জানিয়ে দেন। 

এব্যাপারে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের দু'জনকে উদ্ধার পূর্বক থানা হেফাজতে নেওয়ার পর মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফ্ফর ও (তদন্ত) ওসি আবুল কালাম আজাদ পূথক ভাবে দু'জনকে জিজ্ঞাসাবাদে 'মোবাইল ফোনে সম্পর্ক, সেই সম্পর্ক থেকে ঘটনার দিনই তাদের প্রথম দেখা ও অভিযুক্ত যুবক (বিয়ে করবেনা) সে অসৎ উদ্দশ্যে মোবাইল ফোনে সম্পর্ক গড়ে গৃহবধূকে পালিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে শিকার করেন। এসময় ভিকটিম জানান, তার স্বামী তাকে খুবই ভালো বাসেন এবং সে তার ভুল বুজতে পেরে স্বামীর ঘড়ে ফেরার আকুতি জানিয়ে (ভিকটিম) নিজেই বাদি হয়ে অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান কে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। ঐ মামলায় আসামীকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরদিকে ভিকটিম গৃহবধূর স্বামী ও তার শ্বশুড় সহ স্বজনরা থানায় এসে মূল ঘটনা জানা ও শুনার পরই স্বামী ও শ্বশুড় নিজেই গৃহবধূকে নিজ বাড়িতে নিতে চাইলে, স্বামির হেফাজতে গৃহবধূকে দেয়া হয়।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মানবিক ভূমিয়ার কারনে এভাবেই টিকে যায় একটি পরিবার। এলাকার সচেতন অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন থানা পুলিশের এমন উদ্যোগকে। গৃহবধূর স্বামী শুক্রবার রাতে মুঠোফোনে প্রতিবেদক কে জানান, আমার স্ত্রী সামান্য একটি ভুল করেছিলো, যা পুলিশের মাধ্যমে আমি বুজতে পেরেছি। আমার স্ত্রী আমার কাছেই (বাড়িতে) সংসার করছেন।


আরও খবর



জাবিতে গৃহবধূ ধর্ষণ: মূলহোতার দায় স্বীকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

সম্রাট মনির : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মো. মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৪৪) ও তার অন্যতম সহায়তাকারী মো. মুরাদ হোসেন দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তারা ধর্ষণের ঘটনায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। ফলে জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক মিজানুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুজাহিদুল ইসলাম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) তিনদিনের রিমান্ড শেষে ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুরসহ চারজনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ইয়াসমিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন সাব্বির হাসান, সাগর সিদ্দিক ও হাসানুজ্জামান।

এর আগে ৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাবেয়া বেগমের আদালত।

৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাবির মীর মশাররফ হোসেন হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে হলের পাশে জঙ্গলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী রাতেই বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কোটি টাকা নিয়ে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা, ৬ জন আটক

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় গ্রাহকদের সঞ্চয়কৃত ২০ কোটি টাকা নিয়ে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার সময় ডলফিন নামে এক এনজিওর মালিক আব্দুর রাজ্জাক সহ নারী-পুরুষ মোট ৬ জন কে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় জব্দ করা হয় বিভিন্ন মালামাল। রবিবার দুপুরে নওগাঁ সার্কিট হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিব ফেরদৌস। আটককৃত ৬ জন হলেন, নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের নাছির উদ্দিন মন্ডল এর ছেলে ডলফিন এনজিও (সংস্থার) পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক (৪৪), তার বোন শিল্পী বেগম (৩৫), স্ত্রী সুমি বেগম (৩০), সংস্থার সভাপতি পিয়ার আলী (৪২), ম্যানেজার আতোয়ার রহমান  (৫৫) এবং ক্যাশিয়ার রিপন (২০)।

র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিব ফেরদৌস আরো জানায়, নওগাঁ সদর উপজেলার ফতেপুর বাজারে ২০১৩ সালে সমবায় থেকে নিবন্ধন নিয়ে ডলফিন সেভিং এন্ড ক্রেডিট কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড নামে একটি বে-সরকারি সংস্থা গড়ে তোলেন নাসির উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক। যেখানে বিভিন্ন গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে স্থায়ী আমানত ও ক্ষুদ্র সঞ্চয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। গ্রাহকদের প্রতি লাখে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মুনাফা দিতেন। গত কয়েক মাস থেকে গ্রাহকদের মুনাফা না দিয়ে আজ দিবো কাল বলে বলে তালবাহানা করতে থাকেন। হঠাৎ করেই গত ২০ জানুয়ারি সংস্থার সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় প্রায় ৩শ' এর বেশি গ্রাহকের ২০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় আব্দুর রাজ্জাক। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ এর গোয়েন্দা দল তাদের কে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় নেওয়ার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেন। তিনি আরো বলেন, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি আব্দুর রাজ্জাক এর দুবাই পালিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। এরিমাঝে রবিবার ভোরে নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ থানার তারাবো বাসস্ট্যান্ড থেকে র‌্যাব-১১ এর সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। এরপর নওগাঁ জেলা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাকের বোন, স্ত্রী, এনজিওর সভাপতি, ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার কে আটক করা হয়। আটককৃতদের নওগাঁ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



দশমিনা মানবসেবা সংগঠনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মোঃ নাঈম হোসাইন, দশমিনা(পটুয়াখালী):

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলা মানবসেবা সংগঠনের উদ্যোগে মঙ্গবার সকাল ১১ টায় অস্থায়ী কার্যালয়ে মেয়ের চিকিৎসার জন্য অসহায় পিতাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

 পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দশমিনা ০৪নং ইউনিয়নের ০৯ নাম্বার কাটাখালী গ্রামের মাওলানা আঃ করিমের মেয়ে মোসাঃ কারিমা দীর্ঘদিন বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বিনা চিকিৎসায় নিজ বসত ঘরেই মৃত্যুর প্রহর গুনছে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে প্রাথমিক চিকিৎসায় সুস্থ হলেও পরে আবার অসুস্থ হয়ে পরে। হাসপাতাল কতৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য বললেও পারিবারিক ভাবে চিকিৎসার খরচ ব্যাবহুল হওয়ায় কারিমাকে পারিবারিক ভাবে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহযোগিতার চাওয়া হলে দশমিনা মানবসেবা সংগঠন সহায়তায় এগিয়ে আসে। মঙ্গবার মানবসেবা সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে কারিমার বাবার হাতে দশহাজার টাকার সহায়তার তুলেদেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানসেবা সংঘঠনের সভাপতি এ্যাড. ইকবাল হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি মো. বেল্লাল হোসেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জায়েদ মোল্লা, হাজির হাট জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ ক্কারী মোঃ ওবায়দুল্লাহ হামজা  প্রমূখ।

কারিমার বাবা মাও.আঃ করিম বলেন, আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আজ মানবসেবা সংগঠনের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি আমি তাদের দোয়া করি। এ ভাবে সামজের লোক এগিয়ে আসলে আমার মেয়েকে চিকিৎসা করিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আসবে।

মানবসেবা সংগঠনের সভাপতি এ্যাড. ইকবাল হোসেন বলেন, এ সংগঠনটি মহামারি করোনার সময় শুরু করি।  এ সংগঠনের সকল সদস্যদের সহযোগিতায় সামাজের অসহায় পরিবারের পাশে যে কোন সমস্যায় নিজেদের সাধ্য অনুসারে সহযোগিতা করে থাকি। এ সহযোগিতা সবসময় চলোমান থাকবে।


আরও খবর



নওগাঁয় সরকারি গাছ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় সড়কের পাশে রোপন করা সরকারি গাছ যাচ্ছে প্রভাবশালীদের পেটে। নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়ন এর বড়বড়িয়া বাজার হতে রেললাইন সংযোগ সড়ক এর দুই ধারে সরকারি ভাবে রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির গাছগুলো রাতের আধাঁরে কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে সড়কের পাশ দিয়ে এই গাছগুলো রোপন করা হয়েছিলো বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ রাতের আধাঁরে কে বা কারা চুরি করে কেটে নিয়ে গেছে। অনুমতি ছাড়াই এসব গাছগুলো কর্তন করায় একদিকে সরকারের লাখ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। বড়বড়িয়া হতে রেললাইন সড়কের দু' পাশে পড়ে আছে শুধু মাটির ভিতরে থাকা গাছের গোড়ার মুল অংশ টি। প্রশাসন কে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা লাখ লাখ টাকার সরকারি সম্পদ গাছগুলো লুট করছে বলেই জানান স্থানীয়রা। সরকার দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যেখানে নানা জাতের পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন গাছ রোপনে নানা প্রকল্প গ্রহণ করছে, আর ঠিক সেই সময়-ই সরকারী রাস্তার গাছ রাতের আঁধারে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কেটে নিয়ে গেলেও তেমন কোন পদক্ষেপ নেই প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের।

বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাণীনগর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইমানুর রশীদ জানান, আমি গাছ কাটার ঘটনা জানতে পেরে সেখানে লোক পাঠিয়েছি এবং অনুসন্ধান চলছে। যেই গাছ কাটুক না কেন, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।


আরও খবর



পরকিয়া সম্পর্ক থেকে বিয়ে' দন্দ মেটাতে জীবন দিলো স্বামী-স্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় ঘরে স্ত্রী ও দু' সন্তান থাকার পরও সুমন হোসেন (৩০) নামের এক যুবক দু' সন্তানের জননী গোলাপী আক্তার (৩০) এর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে সেই সম্পর্ক স্থায়ী করতে গোপনে তারা দু'জন বিয়ে করেন। বিয়ের পর বউ কে ঘরে নিয়ে তোলার পরই সুমন হোসেন এর পরিবারে শুরু হয় দন্দ-বিবাদ। আর সেই দন্দ বিবাদ মেটাতে সুমন হোসেন ও গোলাপি আক্তার   

(স্বামী-স্ত্রী) দু'জন গ্যাস বড়ি সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়ন এর বড়াইল গ্রামে।

নিহত স্বামী স্ত্রী হলেন, বড়াইল গ্রামের

আঃ রাজ্জাক এর ছেলে সুমন হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী গোলাপী আক্তার (৩০)। স্থানিয় ইউপি সদস্য তাছির প্রতিবেদক কে বলেন, সুমন হোসেন এর ঘড়ে স্ত্রী সহ ১০ বছর বয়সী ছেলে এবং ৬ বছর বয়সী এক মেয়ে দু'জন সন্তান থাকার পরও সে পরক্রিয়ায় জড়িয়ে ফের বিয়ে করার পর পরিবারে বিবাদ-দন্দ শুরু হলে স্বামী-স্ত্রী গ্যাস বড়ি পান করে আত্নহত্যা করেন।

অপরদিকে নিহত দু' জনের পরিবার, স্বজন ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমন হোসেন তার প্রথম স্ত্রী খাতিজা বেগম কে না জানিয়ে সরস্বতীপুর গ্রামের মৃত মতিন মিস্ত্রির স্বামী পরিতাক্তা মেয়ে ও দু' সন্তানের জননী গোলাপী আক্তার কে গোপনে এক সপ্তাহ পূর্বে বিয়ে করার পর  নওহাটামোড় বাজারে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও গত মঙ্গলবার সুমন এর প্রথম স্ত্রী খাদিজা দু' সন্তান সহ তার বাবার বাড়ি বেড়াতে গেলে এ সুযোগে সুমন তার ছোট বউ গোলাপি কে বাড়িতে (ঘরে) এনে তোলেন। বুধবার বিকেলে খাদিজা বাড়িতে ফিরে আসার পর থেকেই স্বামীর গোপন সম্পর্ক, বিয়ে ও নতুন বউকে এনে ঘরে তোলা নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ চলছিলো তাদের মাঝে। তারা রাতের খাবার এক সাথে খাই। পারিবাকি দ্বন্দ্বে রাত ৯টার দিকে সুমন হোসেন ও গোলাপী আক্তার গ্যাস বড়ি সেবন করলে প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার পূর্বক রাত ১১টার দিকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বৃহস্পতিবার পূর্বরাত সারে ১২টার দিকে গোলাপী আক্তার ও রাত ২ টার দিকে সুমন হোসেন স্বামী-স্ত্রী দু' জনের মৃত্যু হয়। এব্যাপারে

নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এর

ডাঃ আবু আনসারি জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দু' জনের অবস্থা খুবই ঝুকি ছিলো। তাদের অবস্থা আশংকা জনক অবস্থায় হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করার প্রক্রিয়া করা হলেও রোগীর স্বজনরা অন্যত্র নিতে অপরগতা জানালে এক পর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দু' জনের মৃত্যু হয় বলেও জানান তিনি।

দু' জনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে

নওগাঁর মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বে গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে। তারপরও ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি। ময়না তদন্তের পর দুটি মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর