Logo
শিরোনাম

নওগাঁয় র‍্যাব সেজে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে প্রতারক চক্রের ৩ জন আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর বদলগাছীতে র‍্যাব সেজে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ ৩ চাঁদাবাজকে আটক করেছে র‍্যাব। আটককৃতরা হলেন, নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর দক্ষিণ পাড়া গ্রামের সালেহ মাহামুদের ছেলে সুলতান মাহামুদ (৩১), মহাদেবপুর উপজেলার কালুশহর গ্রামের সামসুল আলমের ছেলে এলিট কবির (২৩) ও ময়েজ উদ্দিন দেওয়ানের ছেলে সানোয়ার হোসেন (৩৪)।

র‌্যাব-৫, সিপিসি-৩ জানান, জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলামেরর নেতৃত্বে বুধবার ভোর পৌনে ৪ টার দিকে থানার কেশাইল এলাকা থেকে নগদ ২৭ হাজার ৫৫০ টাকা ও কালো রংয়ের মোটর সাইকেলসহ র‌্যাব পরিচয়ে গভীর রাতে চাদাবাজী করতে গেলে এলাকার সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজী চক্রের মূলহোতাসহ ওই ৩ জনকে আটক করা হয়।

র‍্যাব আরও জানান যে, মূলহোতা এলিট কবির অবৈধ আর্থিক সুযোগ সুবিধা গ্রহনের জন্য ভুয়া র‌্যাব পরিচয় ব্যবহার করত এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় লোকজনের কাছে নিজেকে র‌্যাব সদস্য হিসেবে হাতকড়া প্রদর্শন করে মামলার ভয় দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নগদ অর্থ আদায় করত। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনগণ ও র‌্যাবের অপারেশনাল দলের সামনে তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদেরকে ভূয়া র‌্যাব সদস্য পরিচয়ে মানুষের নিকট হতে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার করে।

পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে বদলগাছী থানায় মামলা দায়ের করে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



শেখ হাসিনার সঙ্গে গান্ধী পরিবারের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের পার্লামেন্টের রাজ্যসভা সদস্য ও কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী।

 ভারতে সফররত অবস্থায় সোমবার (১০ জুন) বিকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইটিসি মৌর্য হোটেলে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এ সময় সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও মেয়ে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য শনিবার (৮ জুন) দিল্লি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গান্ধী পরিবার ছাড়াও নয়াদিল্লি সফরে শেখ হাসিনা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহে, ভারতের ইউনিয়ন মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

এছাড়া মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা লাল কৃষ্ণ আদভানির সাথে তার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার আবাসস্থলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা ভারতের মধ্য দিয়ে ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ও এ জন্য প্রয়োজনীয় ত্রিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যেই ভারতের সাথে আলোচনার কথা জানান।


আরও খবর



রাজপরিবারের দায়িত্ব ছাড়ছেন কেট মিডলটন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বিডি ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন ব্রিটিশ রাজকুমারী কেট মিডলটন। সেই খবর প্রকাশ্যে আসে কিছুদিন আগেই। 

কেট স্থির করেছেন, ক্যানসারের কারণে সকলে তাকে আগে যে যে ভূমিকা পালন করতে দেখেছিলেন, সেই সব ভূমিকায় আর কখনও দেখা যাবে না তাকে। খবর ডেইলি বিস্টের।

প্রিন্সেস অফ ওয়েলস এক সময় তার স্বামী প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে থাকতেন আলোচনার কেন্দ্রে, কাড়তেন সকলের নজর। 

জানা গেছে, কেট ফিরে আসার পরে কী কী করতে সক্ষম হবেন, তা নিয়ে বর্তমানে ভাবছেন রাজকুমারী নিজেই। অর্থাৎ তার কেমোথেরাপি শেষ হওয়ার পরবর্তী সময়ে তিনি কী কী করবেন, আপাতত সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতেই তিনি ব্যস্ত।

এমনকি রাজপরিবারের চিকিৎসক রিচার্ড ফিটজ উইলিয়ামস বলেছে, কেট যখন আবার তার কাঁধে রাজকীয় দায়িত্ব তুলে নেবেন, তখন তা অবশ্যই হবে চিকিৎসদের পরামর্শের ভিত্তিতে। কাজের সঙ্গে শারীরিক সুস্থতার দিকটাও মাথায় রাখতে হবে।

দ্য ডেইলি বিস্ট-কে ওই সূত্র জানিয়েছে, অনেকেরই অনেক পরিকল্পনার সঙ্গে কেটের নাম জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু তাদের জেনে রাখা দরকার যে, এসব বিষয় অনেক আগে ঠিক হয়েছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। তাই এ বছরের জন্য কেটের ডায়েরি বন্ধ। সেখানে পূর্বপরিকল্পিত কিছুই নেই।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, কেটের উপর কেউ কোনোভাবে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে না। কারণ, এখন একমাত্র লক্ষ্য হলো সুস্থতা। তিনি এই বছর একটি ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। তাই সকলেই তাকে নিয়ে চিন্তিত।


আরও খবর



বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পৌনে ৮ লাখ শিশু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সৃষ্ট বন্যায় ইতোমধ্যে ২০ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৭ লাখ ৭২ হাজারের বেশি শিশু।শুক্রবার (২১ জুন) এসব তথ্য জানায় জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জরুরি শিশু তহবিল-ইউনিসেফ।

বাংলাদেশে সংস্থাটির প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেছেন, বন্যাদুর্গত এসব শিশুদের জন্য জরুরি সহায়তার প্রয়োজন। বন্যার পানি বাড়ার সময় শিশুরাই সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। ডুবে মারা যাওয়া, অপুষ্টি ও মারাত্মক পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া, বাস্তুচ্যুতির আতঙ্ক এবং জনাকীর্ণ আশ্রয়কেন্দ্রে নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে শিশুরা।

ইউনিসেফ বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে শেলডন ইয়েট বলেন, বাংলাদেশ সরকার ও মাঠপর্যায়ের অংশীদের সঙ্গে সমন্বয় ও অংশীদারিত্বে আমরা গত পাঁচ দিনের মধ্যে প্রায় এক লাখ বন্যাকবলিত মানুষের কাছে নিরাপদ পানি বিতরণ করেছি। ১০ লিটার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন ৩ হাজারের বেশি পানির পাত্র বিতরণ করেছি। পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গেলে তা মোকাবিলায় আমরা বিভিন্ন গুদাম থেকে জরুরিভিত্তিতে অতিরিক্ত জরুরি সরঞ্জাম আনছি।

ভারি বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদনদীর পানি বেড়ে সৃষ্ট বন্যায় নাজেহাল সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোণার মানুষ। তবে নতুন করে বৃষ্টি না হওয়ায় কমতে শুরু করেছে এসব নদ-নদীর পানি। সিলেটের ১৩টি উপজেলায় ৬৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬১ আশ্রয়কেন্দ্রে ২১ হাজার ৭৮৬ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

ইউনিসেফের বিবৃতিতে বলা হয়, সিলেট বিভাগে ৮১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে ডুবেছে। ৫০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। এ ছাড়া প্রায় ১৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিক বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কঠিন এই সময়ে সম্ভাব্য সহিংসতা নিরসনে এবং আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে শিশুদের সহযোগিতা করতে শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মীরা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।


আরও খবর



ভারতে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক:


গত এপ্রিল মাসে বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে ভারতে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছেন বাংলাদেশিরা।


 বরাবরের মতোই দেশে হোক, বিদেশে হোক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে ক্রেডিড কার্ডের ব্যবহার হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশিরা বিদেশে ব্যয় করেছেন ৫০৭ কোটি টাকা। মার্চে এর পরিমাণ ছিল ৫০৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে প্রায় চার কোটি টাকা।



দেশের মতো বিদেশেও বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ড বেশি ব্যবহার করেছেন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। এপ্রিলে মোট ৫০৭ কোটি টাকা খরচের মধ্যে ১৪৯ কোটি টাকা খরচ করা হয় বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে।


বিদেশে গিয়ে গত এপ্রিলে বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করেছেন ভারতে, যার পরিমাণ ৯৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভারতে ব্যয় হয়েছে।



এ ক্ষেত্রে শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে আরও আছে—যুক্তরাষ্ট্র (১২ দশমিক ১২ শতাংশ), থাইল্যান্ড (৯ দশমিক ১৯ শতাংশ), সংযুক্ত আরব আমিরাত (৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ) ও সৌদি আরব (৭ দশমিক ২৯ শতাংশ)।


এদিকে ঈদুল ফিতরের মধ্যে এপ্রিল মাসে দেশের ভেতরে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমেছে। এর বিপরীতে বিদেশে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার সামান্য বেড়েছে।

  

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে দেশের ভেতরে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা, যার পরিমাণ মার্চে ছিল ২ হাজার ৯৮৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ দেশের ভেতরে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার করে ব্যয় এক মাসের ব্যবধানে ২০৪ কোটি টাকা বা প্রায় ৭ শতাংশ কমেছে।


দেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহারও কমেছে। এপ্রিলে বিদেশি নাগরিকেরা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ব্যয় করেছেন ১৯৯ কোটি টাকা, আগের মাসের চেয়ে ২৮ কোটি টাকা বা প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশ কম।


এপ্রিলের প্রথমার্ধে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়। ঈদুল ফিতরের আগে–পরে মিলিয়ে সপ্তাহের চেয়ে বেশি ছুটি ছিল। ছুটিতে বিপণিবিতান ও দোকানপাটও বন্ধ ছিল এক সপ্তাহের বেশি। সব মিলিয়ে তাই দেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কম ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


ক্রেডিট কার্ডধারী নাগরিকেরা এপ্রিল মাসে মোট খরচের প্রায় অর্ধেকই খরচ করেছেন বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে, যার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্থ ব্যয়ের খাত বিভিন্ন রিটেইল শপে, যার পরিমাণ ৩৭০ কোটি টাকা।


আরও খবর



ট্রেজারি বিল ও বন্ডে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:



ব্যাংকগুলো ক্রমবর্ধমান সুদের হার থেকে বেশি মুনাফা পেতে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই ও ২৯ মে সময়ে সরকার বিল ও বন্ড ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে ৭৮ হাজার ১১৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ১৭ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকার চেয়ে ৩৩৭ শতাংশ বেশি।



মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে ঋণ দেওয়া কমালে বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারের ঋণ নেওয়া বাড়তে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।


এদিকে ক্রমবর্ধমান সুদহারের কারণে ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার চেয়ে বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ নিরাপদ, কিন্তু ঋণ মন্দ হওয়ার আশংকা থাকে।



কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ও বন্ডের ব্যাপারে আগ্রহী। তারা তাদের উদ্বৃত্ত তারল্যের একটি বড় অংশ এসব উপকরণে বিনিয়োগ করেছে। ট্রেজারি বিলের সুদের হার বর্তমানে ১১.৬০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে আছে। 


অথচ গত বছরের জুনে তা ছিল ৬.৭৫ শতাংশ থেকে ৭.৭৫ শতাংশ। এছাড়া সম্প্রতি বন্ডের সুদের হার ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২.৭৫ শতাংশে পৌঁছেছে। টেজারি বিলগুলোর স্বল্পমেয়াদী ম্যাচিউরিটি ও বন্ডগুলোর দীর্ঘমেয়াদি ম্যাচিউরিটি সময়কাল রয়েছে।


 এদিকে সরকারি সিকিউরিটিজে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বেশি হওয়ায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়েছে, যার মধ্যে ট্রেজারি বিল ও বন্ডসহ নগদ ও নগদ অর্থের সমতুল্য সম্পদ রয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল শেষে উদ্বৃত্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২০৫ কোটি টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা।


ব্যাংকাররা জানান, বিল ও বন্ডকে লিকুইড অ্যাসেট হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সেকেন্ডারি মার্কেট এখনো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেনি। তাই তাত্ক্ষণিকভাবে এগুলো নগদে পরিণত করা যাবে না। সুতরাং, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখানো উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ প্রকৃত তারল্য পরিস্থিতি নয়। তার প্রমাণ বর্তমানে বেশ কয়েকটি ব্যাংক তারল্যসংকটে ভুগছে।



 অন্যদিকে গত ছয় মাসে ব্যাংকগুলো রেপো ও তারল্য সহায়তার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রতি কর্মদিবসে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে।


ব্যাংককাররা জানান, ব্যাংকিং খাতে তারল্যসংকট রয়েছে। কোনো কোনো ইসলামি ব্যাংক এক বছরের বেশি সময় ধরে তারল্যসংকটে ভুগছে। 


এর প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে। এছাড়া ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বর্তমানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪