Logo
শিরোনাম

নোরাকে অশালীনভাবে স্পর্শ !

প্রকাশিত:Thursday ০১ December ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

বর্ণিল আলোয় সেজে উঠেছে মঞ্চ। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে নোরা ফাতেহির ‘সাকি সাকি’ গান। এ গানে পারফর্ম করছেন এই অভিনেত্রী। ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সারদের নিয়ে ডুবে আছেন এ গানের নাচে। আচমকাই তার পেছনে চলে আসে এক ব্যাকগ্রাউন্ড ড্যান্সার। তারপর নোরা ফাতেহিকে স্পর্শ করেন। যাকে ‘অশ্লীল স্পর্শ’ বলে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। এ ভিডিওটি এখন অন্তর্জালে ভাইরাল।

ভিডিওটি নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন নোরা ভক্তরা। এমন ঘটনায় অনেকে ক্ষুব্ধ। কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন—ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য কী ? যদিও প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি। কারণ এখন পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি নোরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাতারে বসেছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের এবারের আসর। এই আসরে নোরা ফাতেহি পারফর্ম করবেন তা আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।  ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় দোহার আল বিদা পার্কে অনুষ্ঠিত হয় ফিফা ফ্যান ফেস্টিভ্যাল। এতে পারফর্ম করেন নোরা ফাতেহি। নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এ ভিডিওটি মূলত ওই মঞ্চের। এ অনুষ্ঠানে নোরার আবেদনময়ী উপস্থিতি ও ঝড় তোলা নাচ মুগ্ধ করেছে ভক্তদের।


আরও খবর



ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি শুরু

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। এই মাসের সঙ্গে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের গভীর যোগ রয়েছে। ৪৭-এ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার মাত্র সাড়ে চার বছর পরই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান নিয়ে মোহ ভেঙে যায়। তারই প্রকাশ ঘটে অমর একুশে ফেব্রুয়ারিতে। তারই ধারাবাহিকতায় গড়ে ওঠে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন। ধাপে ধাপে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান এবং শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে বাংলার মুক্তিপাগল দামাল ছেলেরা ছিনিয়ে আনে রক্তে কেনা স্বাধীনতা। বাঙালির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাঙালি পায় একটি স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখণ্ড।

বলা যায় বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রথম সোপান ফেব্রুয়ারি। রফিক, শফিক, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা ভাষাশহীদদের আত্মদানে মহিমান্বিত মাস ফেব্রুয়ারি। তাই ফেব্রুয়ারির সঙ্গে বাঙালির প্রাণের যোগ। এই ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ এতটাই মহিমান্বিত যে, সেটা বাংলাদেশের ছাড়িয়ে বিশ্ব পরিমণ্ডলে দ্যুতি ছড়িয়েছে। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বিশ্বজুড়ে পালিত হয় দিবসটি।

ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বাংলা একাডেমির আয়োজনে চলে প্রাণের মেলা, অমর একুশে বইমেলা। এবারও যথাযথ মর্যাদায় চলবে বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে অমর একুশে বইমেলা। অন্যবারের মতো এবারও আজ ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে প্রাণের মেলা। ১৮ মাঘ ১৪২৯/১ ফেব্রুয়ারি বুধবার শুরু হবে বাংলা একাডেমি আয়োজিত মাসব্যাপী ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৩।

বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৩’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. আরিফ হোসেন ছোটন। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সভাপতিত্ব করবেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ দেওয়া হবে।


আরও খবর

সুখবর নেই বাজারে

Saturday ০৪ February ২০২৩




ধামরাইয়ে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মান

প্রকাশিত:Wednesday ০১ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

মাহবুবুল আলম রিপন(স্টাফ রিপোর্টার):

ঢাকার ধামরাইয়ে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।


সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের আমছিমুর গ্রামে দুই একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- দীর্ঘদিন ধরে আমছিমুর এলাকার প্রভাবশালী দুটি পরিবার প্রায় দুই একর খাস জমি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। পরে খাস জমি উদ্ধারের জন্য আমছিমুর বনলতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মাহফুযুল হক শাহীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেন। পরে ইউএনও এই অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মাণের জন্য উদ্যোগ নেন। বনলতা স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ মাহফুযুল হক শাহীন বলেন- আমাদের স্কুলের পিছনে প্রায় দুই একর সরকারি খাস জমি রয়েছে। তা অবৈধ ভোগ দখল করে আসছে এলাকার কিছু লোকজন। আমাদের এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুবকরা বিষয়টি আমাকে জানায়। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন আমাদের এখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রথম ফায়ারিং হয়। আমরা চাই এই জায়গাটাতে যেন মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠ নির্মাণ হয়। পরে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি অনুযায়ী আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করি এই খাস জমি উদ্ধার করে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠ নির্মাণের জন্য। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে সরজমিনে তদন্ত করে দখলদারদের উক্ত জমির মালিকানার কাগজপত্র দাখিল করতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন কাগজপত্র দাখিল করতে পারেনি দখলদাররা। যার ফলে আজ অবৈধ দখলের কবল থেকে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করে খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেন ইউএনও।


বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ বলেন- আমরা দেশ ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছি। পরাধীনতার চাদর থেকে স্বাধীনতা লাভ করার জন্য প্রাণপণ যুদ্ধ করেছি। আমরা নিজেদের স্বার্থ কখনো দেখিনি। তাই আমরা আমাদের গ্রামে একটা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ, মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও মুক্তিযোদ্ধা পার্ক চাই। এজন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি আবেদন করেছি। তাছাড়া আমাদের অভিভাবক ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহমদকে বিষয়টি জানালে সম্মতি দেন। আজ অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাস জমি উদ্ধার করে মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় ইউএনও সাহেবকে অনেক ধন্যবাদ।


ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন- অবৈধভাবে কেউ খাস জমি ভোগ দখল করতে পারবে না। আজ যে জমিটি উদ্ধার করা হয়েছে এটি খাস জমি। দীর্ঘদিন অবৈধ ভোগ দখল করে আসছিলো। এখানে প্রায় দুই একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। জমিটিতে আমরা একটি খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী এক মাসের মধ্যে এটিকে খেলার উপযোগী মাঠে রুপান্তর করা হবে।


আরও খবর



নওগাঁয় সরকারী স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেনীতে নিয়মবর্হিভূত ভর্তির অভিযোগ

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :


নওগাঁর বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেনীতে নিয়মবর্হিভূত ভাবে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ এর বিরুদ্ধে। তিনি নীতিমালাকে উপেক্ষা করে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ভর্তি করিয়েছেন। একই শ্রেনীতে অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানোর ফলে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটবে। ফলে যে আশা নিয়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন তা পূরণ করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন অভিভাবকরা।

জানা গেছে, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেনীতে ১২০ আসনে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির জন্য গত বছরের ১৬ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়। আবেদনের শেষ সময় ছিল ৬ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ২৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী আবেদন করে। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ১০ ডিসেম্বর লটারির ১৫১ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এরপর গত ৮ জানুয়ারি মেধা অনুযায়ী রোল নম্বর নির্ধারণের জন্য পঞ্চম শ্রেণির সিলেবাস অনুযায়ী একটি পরীক্ষা হয়। এরপর ১২০ জনকে মেধা তালিকা অনুসারে প্রথমে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তীতে লটারিতে উঠা অপেক্ষামান তালিকা থেকে আরো ৩১ জনসহ মোট ১৫১জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। এছাড়া লটারির বাহিরে থাকা আরো ১৫-২০ জন ছাত্র-ছাত্রীর কাছ থেকে ভর্তি করানো হবে মর্মে টাকা নিয়ে রাখা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে দুইটি সেকশন (বিভাগ/ শাখা)। বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক মাত্র একজন। ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করানোর সময় দুই বিভাগের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের এক কক্ষে স্থান দেওয়া সম্ভব না। এক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা থেকে পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

আরো জানা যায়- ২০১৬ সালে সারাদেশে ৩২৮টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম ধাপে নওগাঁর দুইটি বিদ্যালয় তালিকা ভুক্ত হয়। যার একটি বদলগাছী মডেল পাইলট হাইস্কুল এবং অপরটি আত্রাই উপজেলার আহসানগঞ্জ মেমোরিয়াল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়। এরপর ২০১৮ সালে ২১ মে সরকারি ঘোষণা করা হয়। এরপর বিদ্যালয়ের সঙ্গে সরকারি শব্দটি যোগ হয়ে বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল। তবে বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হলেও এখন পর্যন্ত সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না।

ঐ স্কুলের সাবেক ছাত্র ও বদলগাছী উপজেলার গাবনা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা জমসত আলী বলেন, যদি এক শ্রেণীতে ১৫০ জনের অধিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয় তাহলে কিভাবে ভাল পড়াশুনা হবে। বর্তমানে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রী বেশি প্রাইভেট পড়ছে। তাহলে কেন প্রাইভেট পড়ছে? আর এতোগুলো ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো আসলে ঠিক হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক জানান, নতুন ক্যারিকুলামে বিষয়ভিত্তিক একজন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন এই বিদ্যালয়ে। এত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়ার ফলে দুটি শাখা এক ক্লাসে করেও ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না। ফলে যে আশা নিয়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়েছেন তা পূরণ করা সম্ভব হবে না। এবং মান সম্মত শিক্ষা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটবে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সুরেশ সিংহ বলেন, বিদ্যালয়টি এখনো শিক্ষক আত্তীকরণ হয়নি। একারণে অতিরিক্ত ভর্তি করানো হয়েছে। শিক্ষক আত্তীকরণ হয়ে গেলে তখন আর ১২০ আসনের বেশি ভর্তি করানো যাবে না। উপজেলায় ভাল আর কোন স্কুল নাই। একারণেও কিছু বেশি ভর্তি করাতে হয়েছে। তবে অর্থের বিনিময়ে ভর্তি করানোর অভিযোগটি সঠিক নয়।

এ বিষয়ে বদলগাছী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সরকারি নীতিমালার বাহিরে যাওয়া সম্ভব নয়। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি সরকারি হয়েছে তাই সরকারি বিধি-নিষেধ মেনে চলতে হবে। আমি আগামীকাল প্রতিষ্ঠানে গিয়ে এবিষয়ে খোঁজখবর নেবো।

বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলপনা ইয়াসমিন বলেন, ১২০ আসনের বিপরীতে অতিরিক্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানোর নির্দেশনা নাই। তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি সন্তানরা যদি দু-এক জন আসেন তাদের ভর্তি করানো যাবে। অতিরিক্ত ভর্তি করানো সম্ভব না।


আরও খবর



বিক্রি না করা সত্বেও কেরানীগঞ্জের ডগ ইয়ার্ড থেকে দুইটি জাহাজ কেটে নিচ্ছেন দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত:Friday ২৭ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার আওতাধীন চর মিরেরবাগ এলাকার সরফরাজ আলী হাওলাদারের নিজস্ব সম্পত্তি এমবি সৈকত-১৪ এমবি সৈকত-১৬ এই দুইটি জাহাজ চলাচলের অযোগ্য হয়ে দীর্ঘদিন যাবত সাগর ডগ ইয়ার্ডে  (জাহাজ তুলে রাখার স্থান) রাখা ছিল।

সরফরাজ আলী হাওলাদার জানান, ডগ ইয়ার্ডে পড়ে থাকা তার এই দুইটি জাহাজ জোরপূর্বক কেটে নিচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা বাবুল ও তার সহযোগীরা।

এ বিষয়ে সরফরাজ আলী তার সকল বৈধ কাগজপত্র নিয়ে স্থানীয় থানা ও  প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে করা নাড়া সত্যেও  কোন প্রকারের আইনি সহযোগিতা না পেয়ে, ঢাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-৩৪৩/২০২২ইং।

পরবর্তীতে আদালত ২৬/০২/২০২৩ ইং তারিখ পর্যন্ত ডগ ইয়ার্ডে থাকা জাহাজ দুটির সকল কার্যক্রম স্থিতিশীল রাখার নির্দেশ দেন । তবে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে জাহাজ দুটির প্রায় এক তৃতীয়াংশ কেটে নিয়েছেন দুর্বৃত্তরা।

সরফরাজ আলীর তথ্যমতে জাহাজ কর্তনের সাথে জরিত রয়েছে এমন কয়েকজন ব্যক্তিগণ যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মো: আবুল বাশার বাবুল (৪৮), মো: শাহিন, মো: রাব্বি,  মো: খোকন,  মো: ফরিদ, রাসেল ও অপু নামের  ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের দিয়ে কর্তন করছেন।

এ বিষয়ে আরও তথ্য অনুসন্ধানে সাংবাদিকরা  ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে দেখতে পায় ভিন্ন চিত্র। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কর্মরত শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে সাংবাদিকদের সামনে আসেন জাহাজ দুটির ক্রেতা দাবি করে কয়েকজন ব্যক্তি।

তবে তাদের কাছে সাংবাদিকরা কাগজপত্র দেখতে চাইলে কোন প্রকার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তারা।  বরং সরকারদলীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের নাম ব্যবহার করে সাংবাদিকদের বিভ্রান্তিতে ফেলানোর চেষ্টা করে। এবং তারা দাবি করেন জাহাজ দুটি ক্রয় করেছেন খুলনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েলের স্ত্রী শম্পা ম্যাডামের এর নিকট হতে।


তবে এ বিষয়ে শম্পা  ম্যাডামের পি, এস, ফরিদ উদ্দিনের সাথে সাংবাদিকরা মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কোন প্রশ্নের জবাব দেননি।

অন্যদিকে সরফরাজ আলী হাওলাদার প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন যাতে তার সকল কাগজপত্র যাচাই করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে উক্ত বিষয়টি সমাধান হয়।


আরও খবর



নওগাঁর রাণীনগরে রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:Saturday ০৪ February ২০২৩ | হালনাগাদ:Saturday ০৪ February ২০২৩ |
Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

নওগাঁর রাণীনগরে পাকা রাস্তা সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়ম করার অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েক দিন থেকেই অনিয়ম করেই রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নওগাঁর রানীনগর উপজেলা এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজসে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কারপেটিংয়ের কাজ করছেন।

জানা যায়, রানীনগর উপজেলার বড়গাছা বাজার থেকে দেউলা পর্যন্ত পাকা রাস্তার মাঝে মাঝে কারপেটিং উঠে গিয়ে রাস্তারটির বেহলা দশায় পরিণত হয়। এতে দুর্ভোগে পরেন স্থানীয় লোকজনসহ রাস্তায় চলাচলকারী মানুষ। জনগণকে দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে বড়গাছা গ্রামের জিরো পয়েন্ট থেকে দেউলা অভিমুখি দুই কিলো ২০০ মিটার পাকা রাস্তা সংস্কার করার জন্য এলজিইডি থেকে টেন্ডার দেওয়া হয়। এতে কাজের ব্যয় ধরা হয় ৭০ লাখ টাকার বেশি। টেন্ডারে মেসার্স দিপু এন্ড ব্রাদার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পান। এরপর রাস্তার পুরাতন কারপেটিং তুলে বেশ কিছুদিন থেকে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করেন আব্দুর রহমান খান রেন্টু নামে ঠিকাদার।

জানা যায়, শুক্রবার রাস্তার কারপেটিং করার কাজ চলছে। উপজেলা এলজিইডি অফিসের একজন এসও কাজটি তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন। আর তার সামনেই ঠিকাদার রেন্টু তার কাজের শ্রমিক দিয়ে নিম্মমানের নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কারপেটিং কাজ করছে।

স্থানীয় ইকবাল হোসেন, এমদাদুল সহ আরো কয়েক জন জানান, কাজের শুরু থেকেই কাজে ব্যাপক অনিয়ম করা হচ্ছে। রাস্তার পুরাতন কারপেটিং তুলে ওর উপরেই রাস্তায় রোলার করেছে। আবার নিম্নমানের পাথর, ডাষ্ট এবং কম পরিমান বিটুমিন দিয়ে কারপেটিংয়ের কাজ চালানো হচ্ছে। এভাবে অনিয়ম করে কাজ চলতে থাকলে রাস্তা বেশি দিন টিকসই হবে না। সঠিকভাবে রাস্তার কাজ করার দাবি জানান স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কাজের ঠিকাদার আব্দুর রহমান খান রেন্টু বলেন, রাস্তা সংস্কার কাজে কোন অনিয়ম হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

রাণীনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ইসমালই হোসেন বলেন, কাজ দেখভালের জন্য অফিসের লোক সব সময় আছে। আমি নিজেও রাস্তায় গিয়েছি। নিময় অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে নওগাঁ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী তোফায়েল আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে রাস্তার কাজে অনিয়মের সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর