Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

নৌকার পালে নির্বাচনের হাওয়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মাজহারুল ইসলাম মাসুম :

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহল। তবে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থে বিএনপির প্রতি বেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা। বিএনপিকে নির্বাচনে আসার বার বার আহ্বান জানাচ্ছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। তবে তাদের একটাই কথা, আগামী সংসদ নির্বাচন হবে সংবিধানের আলোকে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সাফ কথা বর্তমান সরকারের অধীনেই বিএনপিকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। এই লক্ষ্যে সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে বলে দেশবাসীকে জানান দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী এবং ছোট-বড় নেতারা।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা সরকার, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করছেন। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাদের উপস্থিতিতে এসব বৈঠকে বিদেশি কূটনীতিকরা বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণে নির্ভেজাল নির্বাচনের কথা প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা রাজনৈতিক অনুষ্ঠান, কূটনীতিক কিংবা রাজনীতিকদের সঙ্গে যেকোনো আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় সুষ্ঠু ভোটের আশ্বাস দিচ্ছেন। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করার বিএনপির দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন সরকারি দলের নেতারা।

তারা বলছেন, বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে আসুক তা আওয়ামী লীগের কাছে কাম্য। তবে তাদের কোনো দাবি থাকলে তা সংবিধানের উল্লেখিত বিধি-বিধান অনুসারে ছাড় দেওয়া যেতে পারে। এর বাহিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকারি দল হিসেবে বিএনপিকে নির্বাচনে চাইলেও তাদের তোষামোদ করে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগের নয়। বিএনপির নেতারা যে দাবি করছেন তা দেশের সংবিধানবিরোধী। বিএনপির জন্য নির্বাচন বসে থাকবে না। নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী ভোটের জন্য প্রস্তুতি নিতেও শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছে দিয়েছেন, সংবিধানের বাইরে অন্য কোনো পদ্ধতিতে নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই। নির্বাচনের সময় সরকার শুধু রুটিন কাজগুলো করবে বাকি সব করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না, হবে না, হবে না। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। আর এই নির্বাচন কারা যেন হতে দেবে না, এমন খবর আছে আমাদের কাছে। নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

সরকারপ্রধান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা একাধিক দলীয় সভায় বারবার বলছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই কাজ করছে আওয়ামী লীগ। দলের তিনজন সিনিয়র নেতা বলেছেন, পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, সংবিধান মেনে বাংলাদেশেও সেভাবেই নির্বাচন হবে। বিএনপিও নির্বাচনে আসবে। সম্প্রতি বিএনপির দফাওয়ারি আন্দোলন বিএনপিকে ভোটের মাঠে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির বড় একটি অংশ ভেতরে ভেতরে আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতারা সব সময়ই মত প্রকাশ করে আসছে আগামীতে বিএনপি অস্তিত্ব রক্ষার জন্য হলেও ভোটে অংশ নেবে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতায় আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অবাধ-সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। সে নির্বাচনে জনরায় প্রতিফলিত হবে। সরকার পরিবর্তন করতে হলেও বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে। জনগণের কাছে যদি বিএনপির কোনো কমিটমেন্ট ও দায়িত্ববোধ থাকে তাহলে দলটি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। এর বাহিরে তাদের কোনো পথ খোলা নেই।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, লেখক, গবেষক 


আরও খবর

থেমে যাওয়া মানে জীবন নয়

রবিবার ২৩ এপ্রিল 20২৩




একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার প্রথম প্রহরে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি…’ বাজানো হয়।

এর আগে রাত ১১টা ৫১ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে এসে পৌঁছলে তাকে অভ্যর্থনা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন মিনার অঙ্গনে উপস্থিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাবি ভিসি তাকে অভ্যর্থনা জানান।


আরও খবর



আতঙ্কে তুমব্রু সীমান্তবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

অস্ত্রসহ পালিয়ে আসা তিন শ বিজিপি ও জান্তা সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের মধ্যে সন্ত্রাসী দলের সদস্য হলে তা রোহিঙ্গাদের মতো বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এদের মধ্যে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর গুপ্তচর থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। এই জান্তা বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।

সীমান্ত এলাকা পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে যারা অংশ নিয়েছিল পালিয়ে আসাদের মধ্যে তারাও থাকতে পারে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্থিরতা সৃষ্টি কিংবা বাংলাদেশে গুপ্তচরবৃত্তি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার বলেও তিনি মনে করছেন।

তিনি আরো বলেন, তাদের এখন ফেরত না পাঠিয়ে এখানে ডিটেনশনে রাখা উচিত। কারণ এই বাহিনীটা মিয়ানমারে গণহত্যার জন্য দায়ী। রোহিঙ্গা গণহত্যা এবং জাতিগত নিধনে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিচারে প্রয়োজনে আর্ন্তজাতিক আদালতের সহায়তাও চাইতে পারে বাংলাদেশ।

মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে গোলাগুলি থেকে রক্ষা পেতে, এবার বাড়িঘরেই বাঙ্কার তৈরি করে থাকছেন তুমব্রুবাসী।

রোববারও মিয়ানমারের এক সৈনিকের লাশ ভেসে এসেছে পালংখালীতে। তবে ২৪ ঘণ্টায় তেমন কোনো গোলাগুলির শব্দ না আসায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।

ঘটনাস্থল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু থেকেও আরো পাঁচ কিলোমিটার ভেতরে কাঁটাতারের বেড়া সংলগ্ন মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীদের একটি নজরদারি চৌকি। সেখানে একটি টং ঘরের মধ্যে পাঁচজন বসে আছেন। যাদের মধ্যে আরাকান আর্মির ইউনিফর্ম পড়া একজন আর বাকিরা সাধারণ পোশাকে। তাদের সবাই অস্ত্রধারী। মাঝেমধ্যে নিজেরা কথা বলছেন।

এলাকাবাসী বলছেন, এরা সবাই আরাকান আর্মির সদস্য। সাত দিনেরও বেশি সময় সঙ্ঘাতের পর, এখন রাখাইন রাজ্যটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আরাকান আর্মি। তারাই পাহারা দিচ্ছে সীমান্তে। এপার থেকে তাদের স্পষ্ট দেখা যায়।

ঘুমধুম-তুমব্রু সীমান্তের বিভিন্ন সীমান্ত প্রাচীরে আরাকান আর্মির সদস্যদের সশস্ত্র অবস্থায় পাহারা দিতে দেখা গেছে। সেখানে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সেনাবাহিনীর কোনো উপস্থিতি চোখে পড়েনি। ২৪ ঘণ্টাতে তেমন কোনো গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক এখনো কাটেনি।

তুমব্রুর হেডম্যান পাড়ার সামনে মনিরুল ইসলাম নামে একজনের দোকান আছে। মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষীদের যে ক্যাম্প রয়েছে, ঠিক সেই পাহাড়ের নিচেই তার দোকান। তিনি জানান, গুলি থেকে বাঁচতে রাস্তার নিচের পানি চলাচলের বাঁধকে তিনি এখন বাঙ্কার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

এলাকার অনেক বাড়িতেই এখন এ রকম বাঙ্কারের মতো গর্ত খুড়ে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করেছেন এলাকাবাসী। খুব প্রয়োজন ছাড়া মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সীমান্তের কাছাকাছি নিজের জমিতেও যাওয়া নিষেধ করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদগুলো।

ঘুমধুমের ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি উন্নতির পর এখন স্বাভাবিকভাবে মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। কিন্তু সীমান্তে বসবাসকারীদের মাঝে পুরোপুরি আতঙ্ক কাটেনি। গতকাল রোববার রাতে দুটি গুলির শব্দ শোনা গেলেও আজ সোমবার বেলা ১২টা পর্যন্ত কোনো প্রকার গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়নি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, তুমব্রু সীমান্তে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে পড়ে থাকা দুটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেডযুক্ত রকেটের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করেছে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। রোববার বিকেল ৪টার দিকে তমব্রু সড়কের দুই শ গজ দূরে ব্রিজ ও সড়কের পাশে দুটি মর্টার শেল নিষ্ক্রিয় করা হয়।

শনিবার সকালে তুমব্রু সীমান্তের পশ্চিমকুলে ফসলের ক্ষেতে কাজ করার সময় অবিস্ফোরিত রকেট লঞ্চার দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে বিজিবিকে জানানো হলে বেলা ১১টায় দুটি রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করা হয়। পরে একটি স্থানে নিরাপদে রেখে দেয়া হয়, চারপাশে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয় লাল পতাকা।

অন্যদিকে রোববার দুপুরে সীমান্তের বেশ কয়েক কিলোমিটার ভেতরে খালের মধ্যে ভেসে আসে একটি লাশ। নিহতের মাথায় হেলমেট, গায়ে ইউনিফর্ম ও লাইফ জ্যাকেট পরা। তাকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সৈনিক বলেই মনে করা হচ্ছে।

উখিয়া থানার ওসি শামীম হোসেন জানান, উপজেলার বালুখালী কাস্টমস এলাকায় লাশটি দেখা যায়। মাথায় জলপাই রঙয়ের হেলমেট আর খাকি পোশাক পরা লাশটি মিয়ানমার থেকে ভেসে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্থানীয়রাও মনে করছেন, লাশটি মিয়ানমার থেকে ভেসে আসার সম্ভাবনা বেশি। গোলাগুলি কমেছে, মিয়ানমারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি ও আরকান সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের হাত থেকে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩৩০ জন সৈন্য বিজিবির কাছে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করে। দুদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনার পর তাদের ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়। এরই মধ্যে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।


আরও খবর



স্থায়ী জামিন পেয়েছেন ড. ইউনূস

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার আইনজীবী আবদুল্লাহ আল-মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 ২৮ জানুয়ারি পৌনে ১১টার দিকে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আপিল করেন ড. ইউনূসসহ চার আসামি। আপিলে জামিন আবেদনের পাশাপাশি শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার রায়ে ৬ মাসের সাজার বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চাওয়া হয় তাদের পক্ষে। এর প্রেক্ষিতে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের জামিন দিয়েছেন শ্রম আপিলেট ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের করা মামলায় গত ১ জানুয়ারি ড. ইউনূসসহ চারজনকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত অপর তিনজন হলেন গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও মো. শাহজাহান।

রায় ঘোষণার পর উচ্চ আদালতে আপিল করার শর্তে ড. ইউনূসসহ চারজনকে এক মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালত।

২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে শ্রম ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করা হয়। গত বছরের ৬ জুন মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। গত বছরের ২২ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়, যা শেষ হয় ৯ নভেম্বর। গত ২৪ ডিসেম্বর যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়।

মামলায় অভিযোগ আনা হয়, শ্রম আইন ২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা ২০১৫ অনুযায়ী, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক বা কর্মচারীদের শিক্ষানবিশকাল পার হলেও তাঁদের নিয়োগ স্থায়ী করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিক বা কর্মচারীদের মজুরিসহ বার্ষিক ছুটি, ছুটি নগদায়ন ও ছুটির বিপরীতে নগদ অর্থ দেওয়া হয়নি। গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। লভ্যাংশের ৫ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন অনুযায়ী গঠিত তহবিলে জমা দেওয়া হয়নি।

 


আরও খবর

তিন মাস পর কারামুক্ত মির্জা আব্বাস

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নতুন বছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ে চমক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

ডলার সংকটের মাঝেই সুখবর বয়ে আনলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। নতুন বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই ছিল চমক। সংশ্লিষ্টদের ধারণা ছিল, রেমিট্যান্স প্রবাহের গতি অব্যাহত থাকলে মাসটিতে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। অবশেষে সেই ধারণাই সত্য হলো।

জানুয়ারি মাসের পুরো সময়ে ২০১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র বলছে, নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ২০১ কোটি ডলার বা ২ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২২ হাজার ১১০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার সমান ১১০ টাকা) ।

বৈধপথে রেমিট্যান্স আনার উদ্যোগের ফলে এমনটি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর সঙ্গে বাড়তি প্রণোদনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও উৎসাহিত করছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এর আগে ২০২৩ সালের জুন মাসে সবশেষ ২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল রেমিট্যান্স। মাঝে প্রায় ৬ মাসের বেশি সময় অতিক্রম করলেও ২ বিলিয়ন ডলার বা এর বেশি আসেনি। তবে চলতি বছরের প্রথম মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসার ধারা ভালো ছিল। ধারণা করা হয়েছিল মাসটিতে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় আসবে। এখন নিরাপদ ও বাড়তি প্রণোদনা পাওয়ায় প্রবাসীরা উৎসাহিত হচ্ছেন। আগামীতে আরও রেমিট্যান্স আসবে বৈধপথে।

সদ্য বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি আসে। আর দিনে এসেছে ৬ কোটি ৪১ লাখ ডলার বা ৭০৪ কোটির টাকার বেশি।

এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৭২ কোটি ৪৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালে হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক রেমিট্যান্স এসেছিল। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি এ যাবতকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে করোনাকালীন ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

 


আরও খবর

চড়া দাম অধিকাংশ পণ্যের

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ জানালেও, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর এবং দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও বাইডেন প্রশাসনের আগ্রহের কথা জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

গত ৭ জানুয়ারি শান্তিপূর্ণভাবে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন সাধারণ মানুষ। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসে ১১ দেশের ১২৭ জন পর্যবেক্ষক। দফায় দফায় সংবাদ সম্মেলনের পর তারা মতামত দেন, নির্বাচন হয়েছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য।

সরাসরি উপস্থিত থেকে বিভিন্ন দেশের পর্যবেক্ষকরা যখন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে জানান, তখন পর্যবেক্ষক না পাঠিয়েই ভিন্ন সুর ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। ভোট নিয়ে নিজেদের অসন্তুষ্টির কথা জানায় তারা।

তবে এবার বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়টি নিশ্চিত করলো ওয়াশিংটন। বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এবং নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে ভবিষ্যতে কাজ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

এসময় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার জানান, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত তারা।

তিনি বলেন, এ ধরনের সম্পর্ক বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গেই আছে আমাদের। আমরা বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। বাংলাদেশের ক্র্যাকডাউন নিয়েও আমরা উদ্বেগ জানিয়েছি। তবে এর মানে এই নয় যে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার দায়িত্ব নেই আমাদের।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন নাশকতাসহ দেশে-বিদেশে নানা অপপ্রচার চালানো হয়। তবে এসবকে পাত্তা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। এর আগেও নির্বাচিত নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছে দেশটি।

 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪