Logo
শিরোনাম

নতুন শিক্ষাক্রম সম্ভাবনাময় !

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বিলাল হোসেন মাহিনী : নতুন শিক্ষাক্রমের অনেক শক্তিশালী ও ইতিবাচক দিক রয়েছে, কিন্তু সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে কি না- সেটি বড় প্রশ্ন। সম্ভাবনাময় এই শিক্ষাক্রমটি বাস্তবায়নে যেসব চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, সেগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হলে নানান ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গা হলো এর বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া। গত দুই দশকে একাধিক শিক্ষাক্রম তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই বাস্তবায়ন-প্রক্রিয়া হোঁচট খেয়েছে। একটি শিক্ষাক্রমের নানা উপাদান থাকে। বছরের প্রথম দিন পাঠ্যপুস্তক বিতরণে বাংলাদেশ বড় আকারে সাফল্য দেখিয়েছে, কিন্তু ব্যর্থতা রয়েছে শিক্ষক নির্দেশিকা যথাসময়ে তৈরি ও বিতরণে। শিক্ষকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ, তাদের জীবনমান উন্নয়ন তথা আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সময়ের দাবি। আমাদের শিক্ষকসমাজ আজও পূর্ণাঙ্গ (শতভাগ) উৎসব-ভাতা থেকে বঞ্চিত, পান নামমাত্র চিকিৎসা-ভাতা ও বাড়িভাড়া। তবে এই শিক্ষকদের বঞ্চিত করে কীভাবে নতুন শিক্ষাক্রম সহজে বাস্তবায়ন হবে তা ভাবনার বিষয়! সাম্প্রতিক সময়ের পাঠ্যপুস্তকগুলোতে বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনায় উন্নতি ঘটলেও নানা সমালোচনা রয়েছে।

নতুন শিক্ষাক্রমে যা থাকছে : ক. ২০২৩ সাল থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে (শুক্র ও শনিবার) দুদিন ছুটি থাকবে। খ. পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, দশম শ্রেণির আগে কোনো কেন্দ্রীয় বা পাবলিক পরীক্ষা নেই। গ. তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্তও কোনো পরীক্ষা থাকবে না। ঘ. চতুর্থ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ৪০ আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৩০ শতাংশ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। ঙ. বিজ্ঞান, মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বলতে মাধ্যমিকে কোনো বিভাগ থাকবে না। এটি চালু হবে এইচএসসিতে। চ. দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ওপরই বোর্ড পরীক্ষায় এসএসসির ফল হবে। ছ. প্রাক্-প্রাথমিকের শিশুদের জন্য আলাদা বই থাকবে না, শিক্ষকরাই শেখাবেন। জ. প্রাথমিকে পড়তে হবে আটটি বই। ঝ. নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ১০ ধরনের শেখার ক্ষেত্র ঠিক করা হয়েছে। এগুলো হলো : ১. ভাষা ও যোগাযোগ, ২. গণিত ও যুক্তি, ৩. জীবন ও জীবিকা, ৪. সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব, ৫. পরিবেশ ও জলবায়ু, ৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ৭. তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, ৮. শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, ৯. মূল্যবোধ ও নৈতিকতা ১০. শিল্প ও সংস্কৃতি।

এখন দেখা যাচ্ছে, আমাদের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব সাবজেক্ট পড়ানো হয় ওপরের নতুন বিষয়ের সঙ্গে সেসব সাবজেক্টের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে, প্রশ্ন হলো কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা গ্র্যাজুয়েটরা কি স্কুলে চাকরি করবেন না? করলে কোন বিষয়ের শিক্ষক হবেন? একমাত্র গণিত ছাড়া আর সব বিষয়ই স্নাতকদের বেসিক ডিগ্রির আওতার বাইরে! এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোই বা কোন বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেবে?

নতুন শিক্ষাক্রমের বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদানের জন্য কি পদার্থ বিজ্ঞান না ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন না ফলিত রসায়ন, জীববিদ্যা না প্রাণিবিদ্যার প্রার্থীকে নিয়োগ দেবে? আর কোন বিষয়ের প্রার্থীই-বা এ পদের জন্য দরখাস্ত করবেন? একইভাবে সব বিষয়ের ক্ষেত্রেই নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান ও গ্র্যাজুয়েটরা দারুণ বিপত্তির মুখোমুখি হবেন। বিষয়ভিত্তিক গ্র্যাজুয়েটদের চাকরির সুযোগ পাঁচ-ছয় গুণ কমে যাবে। অতএব, সময় থাকতেই বিষয়টি নিয়ে সব মহলের চিন্তাভাবনা করা দরকার।

আরো একটি প্রশ্ন হলো, বর্তমান শিক্ষাক্রমের মাধ্যমিকের দশটি বিষয়ে কী নতুন বই দেওয়া হবে? নাকি আগের বই ব্যবহার করা হবে? কেননা, এখানে এক নম্বরে ভাষা ও যোগাযোগ নামে একটি বিষয় রয়েছে। তাহলে কোন ভাষা বা কী কী ভাষা? কতটি ভাষা শেখানো হবে? ইত্যাদি প্রশ্ন থেকেই যায়। জীবন ও জীবিকা বিষয়ে পাঠদান করবেন কারা? কোন সাবজেক্টের শিক্ষক? পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে পড়ানোর জন্য শিক্ষক পাওয়া যাবে তো? কী হবে ধর্মশিক্ষার? শিক্ষাক্রমের ৯ নম্বরে মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিষয় রাখা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে- আগের ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার স্থলে এটা বসবে। কিন্তু ধর্ম (ইসলাম, হিন্দু, খ্রিস্ট বা বৌদ্ধ) শব্দ বাদ দেওয়ার যৌক্তিকতা কী? তবে কী ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থার দিকে যাচ্ছি আমরা।

নতুন শিক্ষাক্রমের আরো একটি অসংগতি হলো, প্রাক-প্রাথমিকে কোনো বই থাকবে না। আবার প্রথম শ্রেণিতে আটটি বই। সবকিছু কি অসংলগ্ন মনে হচ্ছে না? প্রথম শ্রেণিতে সর্বোচ্চ চারটি বই থাকা দরকার। তাহলে বাংলা, ইংরেজি ও ধর্মীয় বইয়ের বর্ণমালা শিক্ষা এবং গণিতের সংখ্যার ধারণা দেওয়া যাবে। প্রথম শ্রেণিতে আটটি বই দিয়ে যে বোঝা বাড়ানোর আয়োজন করা হয়েছে তা শিশুদের মেধা বিকাশের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। শিশুদের মেধা বিকাশের স্বার্থে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি বইয়ের অতিরিক্ত পড়ানো উচিত নয়।

এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে মূল ও বড় ভূমিকা পালন করবেন শিক্ষকরা। কিন্তু তাদের যথাযথভাবে তৈরি না করে শিক্ষাক্রম চালু করা হলে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন অনুসারে দ্রুত যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। জাতীয় শিক্ষানীতিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর যে অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে, সেই অনুসারে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ্য শিক্ষক রয়েছে কি না, তা দ্রুত যাচাই করা এবং সে অনুসারে শিক্ষক নিয়োগ করা প্রয়োজন। নিয়োগের পাশাপাশি তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণও দিতে হবে। না হলে নতুন শিক্ষাক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে না।

নতুন শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণি পর্যন্ত একই বা অভিন্ন বিষয় পড়ার সিদ্ধাটি একদিকে প্রশংসিত হচ্ছে, অন্যদিকে সমালোচিত হচ্ছে। বর্তমানে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সবাইকে একই বা অভিন্ন বিষয় পড়তে হয়। এনসিটিবি জানাচ্ছে, এই সিদ্ধান্তে একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত সবাইকে সমভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলার সুযোগ থাকবে। সবাইকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত অভিন্ন বিষয় পড়াতে গিয়ে বিজ্ঞানের অবশ্যকীয় অনেক বিষয়বস্তু ছেঁটে ফেলতে হয়েছে, যেটি দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতির কারণ হতে পারে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ এমনিতেই কম। প্রতি বছর বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী কমছে। যেখানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব সামনে রেখে, বিশেষত চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিজ্ঞানের প্রতি অধিক গুরুত্ব প্রদান করা প্রয়োজন, সেখানে কেন বিজ্ঞানের প্রতি গুরুত্ব কমানো হলো, তা বোধগম্য নয়। তবে, তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো বার্ষিক পরীক্ষা না থাকার সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয়। এই পরিসর পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। ২০২৩ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষাও থাকছে না। সে হিসেবে শিক্ষার্থীরা প্রথম বড় আঙ্গিকে পরীক্ষা দেবে এসএসসিতে। সেখানে শুধু দশম শ্রেণির বিষয়বস্তুর ওপর পরীক্ষা হবে। নবম শ্রেণির পাঠ্যবিষয় বাদ রেখে শুধু দশম শ্রেণির ওপর পরীক্ষা যৌক্তিক হচ্ছে কি নাÑ সেটি নিয়ে ভাবনার অবকাশ রয়েছে। তা ছাড়া, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটো পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত সচেতন অভিভাবক মহলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের দশম, একাদশ ও দ্বাদশ পরপর তিন বছর তিনটি পাবলিক পরীক্ষা দিতে হবে। পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা কমানোর কথা প্রায়ই বলা হচ্ছে নানা মহল থেকে। সরকারও প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করার কথা বলছে। সেখানে এইচএসসিতে পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর কোনো যুক্তিসংগত উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। এতে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ পড়বে, শিক্ষার্থীরা আরো বেশি করে পরীক্ষামুখী হবে। লেখাপড়ার আয়োজন হবে গৌণ, বাড়বে প্রাইভেট বা কোচিংয়ে পড়ার হার। সব মিলিয়ে এ সিদ্ধান্তটি মাধ্যমিক শিক্ষায় খারাপ ফল বয়ে আনতে পারে।

কারিকুলাম প্রণয়নের চেয়ে বাস্তবায়ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ : শিক্ষাক্রম পরিমার্জন ও বাস্তবায়ন সাধারণত ১০-১২ বছরের ব্যবধানে করা হয়। বাংলাদেশে কুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন (১৯৭২-৭৪) রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রথমবার শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়নের (১৯৭৬-৮০) পর তা দুবার (১৯৯১-৯৫ ও ২০১২) পরিমার্জন করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় অবর্তনের শিক্ষাক্রম পরিমার্জন ও বাস্তবায়নের মধ্যে ১৫-১৬ বছরের ব্যবধান ছিল। কিন্তু তৃতীয় আবর্তনের (২০১১-১৩) মাত্র আট বছর পর চতুর্থবারের মতো শিক্ষাক্রম পরিমর্জনের কাজ শুরু হয়েছে। এর দুটি প্রধান উদ্দেশ্য : ১. জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (২০১৬-২০৩০) বিধৃত শিক্ষার লক্ষ্যগুলো (এসডিজি-৪) অর্জনের চেষ্টা এবং ২. বিশ্বব্যাপী স্কুলশিক্ষাকে যোগ্যতাভিত্তিক করার ঢেউকে ধারণ করা। নতুন কারিকুলাম প্রণয়নে ২০১৭ সালে কাজ শুরু করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। এবং ২০২২-এ পাইলটিং ও ২০২৩ সালে বাস্তবায়ন শুরু হয়ে ২০২৫ সালে শেষ হবে। শিক্ষাক্রমের খসড়া রূপরেখাকে খুবই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা হবে আনন্দময়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকবে না পরীক্ষাভীতি। যেখানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে ধাপে ধাপে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পৌঁছানোর একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোচিং ও গাইড-বাণিজ্য বন্ধ হবে, মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে প্রায়োগিক শিক্ষা গুরুত্ব পাবে। শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার্থী হয়ে গড়ে উঠবে। এ উদ্যোগকে বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। এজন্য সবার শুরুতে মানবসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। বাড়াতে হবে শিক্ষকদের বেতন। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, ক্ষমতায়ন ও অর্থায়নে মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষকের ক্ষমতায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে সরকারি এবং দুদিন করে সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১৩৭ দিন বাদ দিলে ১৮৫ কর্মদিবস পাওয়া যাবে। এ সময়ের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক স্কুলে প্রতিদিন আড়াই ঘণ্টা, প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে সাড়ে তিন ঘণ্টা, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে চার ঘণ্টা, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পাঁচ ঘণ্টা, নবম ও দশম শ্রেণিতে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা শিখনঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষায়ও নতুন শিক্ষাক্রম চালু হবে। মূল বিষয়গুলো সবারই এক থাকবে, শিখনকালীন মূল্যায়ন ও সামষ্টিক মূল্যায়নও এক থাকবে। একই প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে মাদরাসা ও কারিগরির ক্ষেত্রে নতুন কিছু বিষয় যুক্ত হতে পারে। ১২০টি দেশের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা করে দেশে নতুন এই শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট সবাই এটিকে মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

লেখক : প্রভাষক, গাজীপুর রউফিয়া কামিল মাদরাসা

[email protected]


আরও খবর

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন-বিধান

শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

শিরক থেকে দূরে থাকতে হবে

বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিঃ এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

রেজাউল করিম ঃ

মাধবদীতে সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিমিটেড মাধবদী’র ৩৯ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল এগারোটার সময় মাধবদী সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিমিটেড ‘র প্রধান কার্যালয়ের সামনের মাঠে সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিমিটেড ‘র শেয়ার হোল্ডারদের সরব উপস্থিতিতে এ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস  লিঃ এর সভাপতি ও মাধবদী পৌর মেয়র হাজী মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও নরসিংদী সদর-১  আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম হীরু(বীর প্রতীক)এমপি, নারায়ণগঞ্জ -২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোঃ মশিউর রহমান এনডিসি ও সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক ডক্টর তরুণ কান্তি শিকদার।এসময় বক্তারা বলেন,৫১৯ শতাংশ জমি নিয়ে ১৯৫১ সালে ব্যাক্তি শেয়ার হোল্ডারদের নিয়ে আজগর আলী ভূঁইয়ার নেতৃত্বে সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিঃ এর যাত্রা শুরু হয়।এরপর থেকে বিভিন্ন চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজকের এ অবস্থানে এসে উপনীত হয়েছে।বিগত সময়ে এখানে যারা দায়িত্বে ছিলেন তাদের অনেকেই এখানে বেড়ে ওঠা শতবর্ষী বহু পুরনো মূল্যবান গাছ ও কটন মিলের মূল্যবান মেশিনারিজ বিক্রি করাসহ অর্জনের সিংহভাগ অর্থ লুটেপুটে খেয়ে সাবাড় করেছে। উন্নয়নের নামে শুধু কমিটি বাণিজ্য ছাড়া দৃশ্যমান আর কোন উন্নয়ন তাদের দ্বারা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানের নির্বাচিত কমিটি বিগত কমিটির চেয়ে অনেক শক্তিশালী। মাধবদী বাসীর টাকার কোন অভাব নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পেলে বর্তমান সভাপতি হাজী মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক’র দক্ষ নেতৃত্বে সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিমিটেডের সম্পত্তিতে নজরকাড়া আধুনিক বিল্ডিং নির্মাণ করতে বেশি সময় লাগবে না। এই সমিতি একদিন বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সমিতি নির্বাচিত হবে তাই এব্যাপারে বর্তমান কমিটিকে সহায়তা করার জন্য পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সকলের সহযোগিতা কামনাসহ প্রকৃত শেয়ার হোল্ডাররা যেন অবশ্যই এখানে পজিশন ও প্লটের মালিকানা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে বর্তমান সভাপতি মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক’র প্রতি আহ্বান জানান তারা। এসময় অন্যান্যের মধ্যে এডিসি সার্বিক মোস্তফা মনোয়ার, নরসিংদী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া, সদস্য ওবায়দুর রহমান,আনোয়ার হোসেন, নুরুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি এনায়েতুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।পরে বার্ষিক আয়-ব্যায় বিবরনী পাঠ করেন সোনার বাংলা সমবায় কটন মিলস লিমিটেড এর সভাপতি ও মাধবদী পৌর মেয়র হাজী মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিক।


আরও খবর

স্বর্ণের দাম কমেছে

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

তেল-চিনির দাম কিছুটা কমেছে

শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২




নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্ল্যাট বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল ঃ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্ল্যাট বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায়  সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা কালাইতার পাড় মসজিদ সংলগ্ন মো: শাহাদাতের মালিকানাধীন পাঁচ তলা ভবনের টপ ফ্লোর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

বাড়িওয়ালা শাহাদাৎ জানান, গত আগস্ট মাসে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেয়। মৃত রবিউল রাজ মিস্ত্রীর কাজ করতো বলে জানেন তারা। শনিবার বাড়ির অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা রবিউলের ঘর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে তাকে জানালে সে ‘৯৯৯’-এ ফোন দেন। পরে পুলিশ এসে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ ঘর খুলে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করে।

ভক্সপপ: শাহাদাৎ হোসেন, বাড়ির মালিক ও এলাকাবাসী। 

পুলিশ জানিয়েছে,লাশের পাশে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে। এছাড়া পাওয়া গেছে একটি এফিডেভিট কপি যাতে লেখা রয়েছে গত জুনে লাকি দাস হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে আয়েশা সিদ্দিক নামে রবিউলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মশিউর রহমান জানান, লাশ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যু সম্পর্কে আরো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।  


আরও খবর

ঢাকায় বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন বাজেট ঘোষণা

মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22




নতুন রাজনৈতিক জোট গড়ছে জাতীয় পার্টি

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে গিয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই নতুন নির্বাচনী জোট গঠনের চেষ্টা করছে সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি । এ প্রসঙ্গে জাপা নেতাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে সমদূরত্ব বজায় রাখা দলগুলো নিয়েই তাদের এই জোট হবে। 

জাতীয় পার্টির একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, জাতীয় পার্টি ক্ষমতার কাছে থাকতে চায়। এজন্য তারা নির্বাচনের আগে একটি বড় বিরোধী রাজনৈতিক জোট করতে চায়। এ জোট ভারী করে আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই আত্মপ্রকাশ করবে এই জোট। বড় দুই দলের বাইরে নতুন জোটের মাধ্যমে ভোটের আগে দর কষাকষিতে গুরুত্ব বাড়াতে চায় জাপা। এছাড়া জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যোগাযোগ করছে দলটি। পাশাপাশি বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দুটি দলের সঙ্গে তাদের কথাবার্তা চলছে।

দেশের মানুষের কাছে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির মার্কাকে (লাঙ্গল) আবারও সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা থেকেই সব আসনে প্রার্থী নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি। দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ। ব্যক্তি হিসেবে ক্লিন ইমেজ রয়েছে তার। সব মহলে জনপ্রিয়তাও রয়েছে। দলকে চাঙ্গা করতে তিনি এরই মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীরাও তার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন আসনে ক্লিন ইমেজের আর্থিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। আর সামনের নির্বাচনে কেমন কীভাবে হবে কার সঙ্গে রাজনৈতিক জোট হবে এগুলো পরে ঠিক হবে, তবে এ নিয়ে নীতিনির্ধারণী কাজ করছেন জি এম কাদের।

জাপা সূত্র জানিয়েছে, চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বিএনপি জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়া মাওলানা মুহম্মদ ইসহাকের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসসহ কয়েকটি ইসলাম ধর্মভিত্তিক দলের জোট হতে পারে।

২০০১ সালে নির্বাচনে জাপার সঙ্গে জোট করে ভোট করে ইসলামী আন্দোলন (তখন নাম ছিল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন)। আবারও জোট হবে কিনা এমন প্রশ্নে জাপা মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, জাতীয় পার্টি ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল। ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় পার্টির নৈকট্য রয়েছে। তবে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে এখনো আলোচনা হয়নি। জাপার সঙ্গে আলোচনা হবে তা স্বীকার করেছেন ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনূস আহমদ। তিনি বলেন, বিভিন্ন ইসলামী দলের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় চলছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক হয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করে। ভোটের পর বিএনপির সমালোচনা করে জোট ছাড়েন কাদের সিদ্দিকী। সরকারের সমালোচনা করলেও বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব মেটেনি তার দলের। 

জাপা চেয়ারম্যানের বনানীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বাইরে গিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে একটি জোট করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। 

কাদের সিদ্দিকী বলেন, মানুষের মর্যাদা ও অধিকার আদায়ের জন্যই এখন বিএনপি ও আওয়ামী লীগ থেকে সমদূরত্ব বজায় রেখে সব রাজনৈতিক শক্তিকে এক মোহনায় পৌঁছতে হবে। 

বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে। যারা সরকারের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে তারাই শুধু সরকারি জোটে ভোট দেবে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে নির্যাতিত-নিপীড়িত বিশাল জনগোষ্ঠী বিরোধী জোটে ভোট দেবে। তাই জাতীয় পার্টির অবস্থান পরিষ্কার। জাতীয় পার্টি সাধারণ মানুষের কাতারে নেতৃত্ব দেবে।


আরও খবর



ভারতের ঝাড়খণ্ডে রাজনৈতিক সংকট

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ভারতে ঝাড়খণ্ডের সরকার বাঁচাতে বিধায়কদের এবার ভিন্ন রাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে ক্ষমতাসীন জেএমএম-কংগ্রেস-আরজেডি জোট। মঙ্গলবার বিকেলে আগে থেকে ঠিক করা বিমানে চড়ে পাশের রাজ্য ছত্তীসগঢ়ে পাড়ি দিয়েছেন তাঁরা।

এখনও রাজভবনে খামবন্দি হয়ে রয়েছে জেএমএম প্রধান হেমন্ত সোরেনের মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদ। বিজেপির দাবি, খনি লিজ মামলায় সোরেনকে দোষী সাব্যস্ত করে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের সিদ্ধান্ত ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল রমেশ ব্যাসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। পদের অপব্যবহার করার অভিযোগেও তুলেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে শাসক জোটে ভাঙনের সম্ভাবনা ক্রমশ প্রবল হচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন। সাময়িক ভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতেই বিধায়কদের কংগ্রেস-শাসিত ছত্তীসগঢ়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হেমন্ত শিবির।


আরও খবর

জাতিসংঘে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




চার দিনেই ধূলিসাৎ রাশিয়ার চার মাসের অর্জন

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ |
Image

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর চার মাসে দখল করা এলাকা মাত্র চারদিনে মুক্ত করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। এতে রাশিয়ার অর্জন ধূলিসাৎ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষক নিকোলেই মিত্রখিন। তবে তিনি বিপদের শঙ্কা উড়িয়েও দিচ্ছেন না।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের খারকিভ অঞ্চলে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর পাল্টা আক্রমণের গতি বিপদ কমানোর জন্য যথেষ্ট নয়।

যুদ্ধের পরিস্থিতি সম্পর্কে এ বিশ্লেষক বলছেন, ৩৬টি শহর ও গ্রাম রুশ সেনাদের হাত থেকে মুক্ত করেছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। রাশিয়ার সৈন্যরা পূর্বদিকে পালিয়ে যাচ্ছেন এবং কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও নিচ্ছেন না।

জার্মানির ব্রিমেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাশিয়ান এ বিশেষজ্ঞ বলেন, মাত্র চারদিনের মধ্যে রাশিয়ার চার মাসের সাফল্য ধূলিসাৎ হয়েছে। এতে অনেক মূল্য দিতে হয়েছিল রুশ সেনাদের। কিন্তু ইউক্রেনের এ গতিতে রাশিয়ার সীমান্তঘেঁষা এবং লুহানস্কো পিপলস রিপাবলিকানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশের এলাকাগুলো সহজ অর্জন প্রশ্ন জাগিয়ে তুলছে।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর তথ্যানুযায়ী এবং ঐ এলাকার ভিডিও ফুটেজ অনুসারে, রুশ সেনারা কোনো গোলাবারুধ বা অস্ত্রে সজ্জিত কোনো গাড়ি রেখে পালায়নি। অতি শক্তিশালী এলাকা ছেড়ে যাওয়াকে ভীতিকর গমন মনে হচ্ছে না।

রাশিয়ার সীমান্তের সঙ্গে দখলমুক্ত ইজিয়াম ও কুপিয়ানস্ক শহরের সঙ্গে একটি সরু পথ রয়েছে। মিত্রখিন বলেন, সেই সরু পথটি কিন্তু রুশ সেনাদের যেতে কোনো বাধা সৃষ্টি করেনি। তাদের কিন্তু দখলমুক্ত এলাকা ছাড়তে ঘণ্টা নয়, কয়েকদিন লেগেছে।

মিত্রখিন বলছেন, রাশিয়ার শীর্ষ পদের নির্দেশে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় খারকিভ থেকে পুরোপুরিভাবে সৈন্যদের প্রত্যাহার করেছে। সেই সৈন্য ও অস্ত্র দোনেস্ক ও লুহানস্কের সীমান্তে রাখা হবে।



আরও খবর

জাতিসংঘে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

জাতিসংঘের ভূমিকায় হতাশ মালয়েশিয়া

রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২