Logo
শিরোনাম
শবে বরাত পালন মুসলিম জাতিকে একতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে। ৫৭ তম খোশরোজ শরীফ ও মইনীয়া যুব ফোরামের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বাঙালি সাংস্কৃতিতে মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকার সাথে সম্পর্ক রয়েছে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবীতে প্রতীকী লাশ নিয়ে হানিফ বাংলাদেশীর মিছিল লক্ষ্মীপুরে কৃষক কাশেম হত্যা: স্ত্রী, শ্বশুরসহ গ্রেপ্তার ৫ কুমিল্লা সিটি’র উপনির্বাচন: মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ অবৈধ মজুদকারীরা দেশের শত্রু : খাদ্যমন্ত্রী ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা বকশীগঞ্জে মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নোবিপ্রবিতে সিএসটিই এলামনাই এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

অবৈধ বিশ হাজার সিএনজি ঢাকায়

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নুর মোহাম্মদ মিঠু :

মিটার নেই, নেই রুট পারমিট, এমনকি বাণিজ্যিকভাবে চলাচলের অনুমতিও নেই Ñএরকম ২০ হাজার অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকার সড়ক। ঢাকা মহানগরীর বৈধ সিএনজিগুলো মিটারে না চললে শাস্তির মুখোমুখি হলেও অবৈধ এসব সিএনজি বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে চলছে বহাল তবিয়তে। দীর্ঘদিন ধরেই এর নেপথ্যে রয়েছে শক্তিশালী একটি দালালচক্র। যে চক্রের মাধ্যমে অবৈধ সেসব সিএনজি অটোরিকশায় নগরীতে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, যানজট, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি। জানা গেছে, মেট্রোর কালার পরিবর্তন করেই ঢাকা মহানগরীতে চলছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলার ২০ হাজার অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা। এদের দাপটে অনেকটাই কোনঠাঁসা ঢাকায় বাণিজ্যিকভাবে চলাচলের জন্য অনুমোদিত পনের হাজার সিএনজি অটোরিকশার মালিক-চালকরাও। যদিও রহস্যজনক কারণে সেই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বৈধ চালক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এ নিয়ে বৈধ চালকদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও বিআরটিএ বলছে,......।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের দপ্তরে পৃথক দুটি অভিযোগ করে নিবন্ধিত শ্রমিক সংগঠন ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের বেশকটি জেলার সিএনজি অটোরিকশা ঢাকা মহানগরীতে চলাচলের জন্য অনুমোদিত নয়। অননুমোদিত হলেও এমন ২০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা ঢাকায় চলাচল করছে শুধুমাত্র দালাল চক্রের নেতৃত্বে। যে চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যাত্রাবাড়ী এলাকার বিদ্যুৎ গলির তাছলি। চক্রের সক্রিয় সদস্য রয়েছেন বাড্ডার ৩৯৫ স্বাধীনতা স্বরনীর জাহাঙ্গীর আলম, জয়নাল আবেদীন বাবু ও বাড্ডার বাগানবাড়ী এলাকার তোফাজ্জাল। এছাড়াও ওই চক্রে রয়েছেন আনোয়ার ভান্ডারী, আকাশ, শাহিন, বাড্ডার স্বপন চৌধুরী, রনি, রুবেল, বাড্ডার গোলাম মোয়াজ্জেম ও একই এলাকার বিল্লাল হোসেন। চক্রটির যোগসাজসেই ঢাকার বাইরের সিএনজি অটোরিকশায় ঢাকা মেট্রোর রং করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মহানগরীর সড়ক। জানা গেছে, অবৈধভাবে চলাচল করা ২০ হাজার সিএনজি অটোরিকশার কারণে ঢাকা মহানগরীতে প্রাণহানিসহ অসংখ্য ঘটনাও ঘটেছে। তবুও ঢাকার সড়ক থেকে অবৈধ সেসব সিএনজি অটোরিকশা উৎখাতে নেই কোনো উদ্যোগ। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ এসব সিএনজি অটোরিকশা থেকে মাসিক হারে চাঁদা আদায় করছে দালালচক্রটি। সিএনজি প্রতি পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা চাঁদা আদায় করছে চক্রটি। বিনিময়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার মামলা, জরিমানার বিষয়গুলো সমাধান করছে তারা। চক্রটির আঁতাত রয়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের সাথেও। এসব গাড়ি আটক করা মাত্রই তাদের তদবির বাণিজ্য শুরু হয়ে যায়। কখনো কখনো নিজেদের পেশাদার চালক হিসেবেও পরিচয় দেন তারা। বিভিন্ন  কৌশলে আইনি জটিলতা মোকাবিলা করার পরও ওই চক্রের সদস্যরা সিএনজি চুরির নাটক সাজিয়ে সহজ সরল চালকদের কাছ থেকেও হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ। সূত্র বলছে, ওই চক্রের সদস্যদের গোপন আঁতাত রয়েছে সিএনজি অটোরিকশা চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গেও। কোন এলাকা থেকে কারা সিএনজি চুরি করে সেই তথ্যও তাদের কাছে থাকে। গত ৫ জানুয়ারি এমনই একটি ঘটনা ঘটে। সেদিন ঢাকায় (ঢাকা মেট্রো থ ১৩-৭৫৯২) নম্বরের একটি সিএনজি চুরির ঘটনা ঘটে। কিন্তু সিএনজির চালক হান্নান গ্যারেজ পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই দালাল চক্রের সদস্য এবং ওই সিএনজির মালিক জাহাঙ্গীর চোরের সাথে যোগাযোগ করে সিএনজি ফেরত নিয়ে আসে। যদিও চালক হান্নানের কাছ থেকে এই ঘটনায় জরিমানা হিসেবে ১১ হাজার টাকা আদায় করে জাহাঙ্গীর। শুধু তাই নয়- এ চক্রের সদস্যরা সরাসরি সিএনজি চুরির সঙ্গেও জড়িত। ঢাকায় দাপিয়ে বেড়ানো ওই দালাল চক্রের একজন তফাজ্জল। যার নামে টাঙ্গাইলসহ দেশের একাধিক থানায় সিএনজি চুরির মামলা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ চক্রের বিরুদ্ধে এখনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ঢাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বন্ধ হবে না।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, মিটারে চালিত সিএনজি অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে মাসিক এক হাজার টাকা করেও চাঁদা আদায় করছে চক্রটি। চালকদের বলা হচ্ছে, ঢাকায় মিটার ছাড়া গাড়ি চালানো, নো পার্কিংসহ অন্য কোনো মামলার সম্মুখীন হতে হবে না তাদের। এক হাজার টাকা মাসোহারায় এসব জক্কিঝামেলা মেটানোর দায়িত্বও নিচ্ছে তারাই। এছাড়াও নগরীতে সিএনজির দরজা লাগানোর বিধান না থাকলেও ওই দালালচক্রের দাপটেই দরজা লাগিয়ে ভাড়ায় চলাচল করছে অবৈধ সেসব সিএনজি। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন আমার সংবাদকে বলেন, সিএনজি অটোরিকশা সেক্টরে যদি শৃঙ্খলা ফেরাতে হয় তাহলে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। বিগত ২০০২ সালে ঢাকার সড়ক থেকে ৩৭ হাজার বেবিট্যাক্সি উচ্ছেদ করা হয়। এরস্থলে নিবন্ধন দেয়া হয় ভাড়ায় চালিত ১৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা। অথচ এতোদিনে ঢাকার পরিধি বেড়েছে চারগুণ, জনসংখ্যাও বেড়েছে কয়েকগুণ। এ বিবেচনায় ২০০৭ সালে সরকার ঢাকায় চলাচলের জন্য বৈধ পাঁচ হাজার থ্রি-হুইলার বরাদ্ধ দেয়। এ সংক্রান্তে একটি মামলাও করে ঢাকা অটোরিকশা মালিক সমিতি। মালিক সমিতির পক্ষে রায়ও হয়। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় চলাচলরত অবৈধ গাড়িগুলো উচ্ছেদ করলে বৈধ গাড়িগুলোও মিটারে চালাতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। যদিও ইতোমধ্যে গ্যাস, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির উচ্চমূল্যের প্রভাবে বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এক্ষেত্রে মিটারের ভাড়াও না বাড়ায় দিনশেষে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে চালকদের। কারন ভাড়ায় চালিত গাড়ির মালিকরা দু-শিপটে দৈনিক জমা নিচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। দিনশেষে চালকদের কিছুই থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এসব অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে গ্যারেজে গ্যারেজে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। অন্যথায় এদের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় এবং ঢাকায়ও শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়।


আরও খবর



নওগাঁয় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

নওগাঁয় ঝুলন্ত (গলায় ফাঁস দেওয়া) অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন থানা পুলিশ।

রবিবার সকালে নওগাঁর রাণীনগর 

উপজেলার চরকানাই গ্রামে নিজ বাড়ির শয়ন ঘরে আব্দুস সাত্তার (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পেয়ে রাণীনগর থানায় খবর দেন স্থানিয়রা। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট অন্তে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেন।

আব্দুস সাত্তার চরকানাই গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। 

তার মৃত্যুর সঠিক কারন না জানাতে পারলেও সে আত্নহত্যা করেছে বলেই প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছেন নিহতের স্বজন সহ প্রতিবেশীরা।


আরও খবর



দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ের দাবি ইমরান খানের

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

দুদিন পেরিয়ে গেলেও ভোট গণনা শেষ হয়নি। এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে ফল ঘোষণা করেনি পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনে জয়ের দাবি, পাল্টা দাবি শুরু হয়ে গেছে দেশটিতে।

শুক্রবার নওয়াজ শরিফ বলেছেন, ৮ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে তার দল বিজয়ী হয়েছে এবং তিনি একটি ঐক্য সরকার গঠন করতে চান। বিপরীতে আজ ইমরান খান দাবি করছেন নির্বাচনে পিটিআই দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়েছে।

এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে বানানো এক ভিডিও বার্তায় ইমরান বলেছেন, জাতির অভূতপূর্ব লড়াইয়ের মাধ্যমে পিটিআইয় ভূমিধস বিজয় পেয়েছে। বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে পিটিআই সমর্থকদের ব্যাপক জনসমর্থন দেখে সবাই হতবাক হয়েছে। এখন, কেউ আমাদের আটকাতে পারবে না। উদ্‌যাপন করুন এবং আল্লাহর শুকরিয়া করুন। দুই বছরের নিপীড়ন ও অবিচারের পরও আমরা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নির্বাচনে জিতেছি। আপনাদের ভোটের শক্তি সবাই দেখেছে, এখন আপনার ভোট রক্ষা করতে প্রস্তুত থাকুন।

কারাগারে থাকা ইমরানের বক্তব্য তার সমর্থকদের কাছে পৌঁছে দিতে এর আগেও এআই দিয়ে বানানো ভিডিও বার্তার সহায়তা নিয়েছে পিটিআই। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইমারান খানের ভেরিফাইড পেইজে পোস্ট করা হয়। এই ভিডিও বার্তায় নওয়াজ শরিফকে ছোটলোক বলে সমালোচনা করেন তিনি।

পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে মহিলা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন বাদ দিলে এখন মোট আসন ২৬৬। কিন্তু এবার এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ২৬৫টি আসনে ভোট হয়েছে।

পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের বরাতে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন এবং জিও টিভি লাইভে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায় সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছে যাদের অধিকাংশই ইমরানের দল পিটিআই সমর্থিত বিপরীতে নওয়াজ শরিফ দল পিএমএল-এন পেয়েছে ৭১টি আসন আর পিপিপ পেয়েছে ৫৩ আসন i 


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং চোরাচালান মুক্ত সীমান্ত নির্মানের অঙ্গীকারে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল সারে ১১ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত নওগাঁ জেলাধীন পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ (ভারত) ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ, পতিরাম এর মধ্যে সীমান্ত পিলার ২৬৮/৯-এস এর নিকট বর্তী আলতাদিঘি ( জিআর-৮৫৯৮৬১ মানচিত্র ৭৮সি/১৬) নামক স্থানে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফ এর আহবানে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর পক্ষে ৭ জন সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লেঃ কর্নেল মোঃ হামিদ উদ্দিন, বিজিবি, এমএস, পিএসসি, অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)। অপরদিকে ভারতের ৭ সদস্য বিশিষ্ট বিএসএফ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন শুকভীর ধাংঘার কমান্ড্যান্ট ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ, আরাদপুর, ভারত। পতাকা বৈঠকে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হামিদ উদ্দিন, বিজিবিএমএস, পিএসসি প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্ট কে ঐতিহ্যবাহী  আলতাদিঘী পূনঃখননে অবশিষ্ট অংশের কার্যক্রমের সহযোগিতা কামনা করলে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়াও অধিনায়ক, পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) জয়পুরহাট জেলার (কড়িয়া কোম্পানীর দায়িত্বপূর্ন এলাকায়) সৌলাগাড়ি বিলের জলবদ্ধতা নিরসনে বিএসএফ কর্তৃক সার্বিক সহযোগিতার জন্য প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ কমান্ড্যান্টকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) এবং প্রতিপক্ষ ১৩৭ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ এর মধ্যে সু-সমন্বয় ও দ্বি-প্রাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এর ফলে বিগত দু বছরে সীমান্তে কোন ধরনের অনাকাংক্ষিত ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং উভয় দেশের অধিনায়ক এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত রাখার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ-সীমান্ত লঙ্ঘন, চোরা চালান প্রতিরোধ সহ সীমান্ত বর্তী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় সীমান্ত বর্তী জন সাধারণের নিরাপত্তা এবং সীমান্তে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে উভয় অধিনায়ক এক সাথে কাজ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরিশেষে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পতাকা বৈঠক শেষ হয়।  


আরও খবর



মর্টার ও গোলার শব্দ, সীমান্তে আতঙ্ক

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

কক্সবাজারের টেকনাফ হোয়ইক্ষ্যং উনছিপ্রাং সীমান্তে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরের গোলাগুলি আর মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ থেমে থেমে শোনা যাচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে বিরাজ করছে।

উনছিপ্রাং সীমান্তের স্থানীয়দের দাবি, ওপারে ঢেঁকিবুনিয়া এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঘাঁটিগুলো দখল করার পর আরাকান আর্মি ও অন্যান্য বিদ্রোহীরা টেকনাফ অংশে মিয়ানমারের শহর শীলখালী, বলিবাজার ও কুইরখালী দখল নিতে এই হামলা করছে।

উনছিপ্রাং এলাকায় বাসিন্দা দিলদার বলেন, আমার চিংড়ি ঘের সাতদিন্না থেকে মিয়ানমারের শহর কুমিরখালীর দূরত্ব ৪শ মিটার। ওই শহরে কি হয় সেটি খালি চোখে অনেকটা দেখা যায়। আজ সকাল থেকে কুমিরখালীর ঘাঁটি দখল নিতে বিদ্রোহীরা হামলা করছে। মর্টার শেলের বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ও আগুনের ফুলকিও দেখা যায়। বোমা যখন বিস্ফোরণ হয় তখন ভূমিকম্পের মতো অনুভূত হয়। এখানো চলমান আছে।

উনছিপ্রাং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলি আর মর্টার শেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ এখনো ভেসে আসছে। সীমান্তের কাছাকাছি যারা চিংড়ি চাষিদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হোয়াইক্ষং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, সকাল থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলা গৃহযুদ্ধের গোলাগুলির বিকট শব্দ শুনা যাচ্ছে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। হয়তো উনছিপ্রাং সীমান্তের কাছাকাছি মিয়ানমারের শহর কুমিরখালী দখল নিতে এই হামলা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত গুলাগুলি হয়েছিল। দিনে কিছুটা শান্ত ছিল। আজ শনিবার সকাল থেকে নতুন করে আবারো গুলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে এখন পর্যন্ত দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, পুলিশ, ইমিগ্রেশন সদস্য ও অন্যান্য সংস্থার ৩ শতাধিক সদস্য বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।


আরও খবর



গাজায় গণহত্যা বন্ধে বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ |

Image

গাজায় চলমান ইসরাইলি গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সংহতি দিবসে লন্ডন থেকে আহ্বানের পর ১২০টিরও বেশি শহরে লাখ লাখ বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছে।

প্যালেস্টাইন ফোরাম ইন ব্রিটেন (পিএফবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিক্ষোভের লক্ষ্য হচ্ছে ইসরাইলের গণহত্যা এবং জাতিগত নির্মূল প্রচেষ্টা বন্ধ করা।

শনিবার ইস্তাম্বুল, ওয়াশিংটন, সিডনি, ডাবলিন, বার্লিন, প্যারিস, ভিয়েনা, ব্রাসিলিয়া, কেপটাউন, রাবাত এবং বাগদাদে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

পিএফবি-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং এই আয়োজনের প্রতিনিধি আদনান হামিদান বলেন, বিপুল ভোটদান গাজার জন্য টেকসই বৈশ্বিক সমর্থনের একটি প্রমাণ, যা অতিরিক্ত আগ্রহ হ্রাসে পাশ্চাত্যের প্রত্যাশা মোকাবেলা করে।

তিনি বলেন, লন্ডন, গ্লাসগো, ম্যানচেস্টার, কার্ডিফ এবং বিশ্বব্যাপী প্রধান শহরগুলোতে আমরা দখলদারিত্বের সঙ্ঘটিত গণহত্যামূলক অপরাধগুলো বন্ধ করার লক্ষ্যে একটি শক্তিশালী আন্দোলন লক্ষ্য করি। একটি ইউগভ জরিপ প্রকাশের মাত্র কয়েক দিন পর স্পষ্ট যে ব্রিটেনের ৬৬ শতাংশ গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে। ব্রিটেনে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ইসরাইলের জন্য ১৬ শতাংশের তুলনায় ২২ শতাংশে বেড়েছে।

লন্ডনের বিক্ষোভে বক্তব্য দেয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন, যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হোসাম জোমলট এবং ফিলিস্তিন সলিডারিটি ক্যাম্পেইনের কামেল হাওয়াশ এবং বেন জামালসহ বিভিন্ন সংহতি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা, ফিলিস্তিন ফোরামের ফারাহ সাবের। ব্রিটেন, স্টপ দ্য ওয়ার কোয়ালিশন থেকে লিন্ডসে জার্মান, ব্রিটেনের মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন থেকে মুস্তাফা আল-দাবাঘ, ফ্রেন্ডস অফ আল-আকসা অর্গানাইজেশন থেকে ইসমাইল প্যাটেল এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ অভিযানের কেট হাডসন।

উল্লেখযোগ্য ছিল ইলফোর্ড নর্থের একজন তরুণ ফিলিস্তিনি-ব্রিটিশ নারী লিয়ান মোহাম্মদের অংশগ্রহণ। তিনি ২০২৪ সালের শেষের দিকে হওয়া আইনসভা নির্বাচনে হিজাব পরিধানকারী প্রথম ফিলিস্তিনি নারী প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আসন্ন ব্রিটিশ নির্বাচনে তার প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিলেন।

ফিলিস্তিন সলিডারিটির পরিচালক বেন জামাল বলেন, ইসরাইলি আগ্রাসন এবং গাজার জনগণের বিরুদ্ধে তার গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিটি পর্যায়ে আমরা এমন নৃশংসতা দেখেছি যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। বোমাবর্ষণে রাফাহ এবং আহত শিশুদের ছবি বিশ্বের বিবেককে স্তম্ভিত করেছে।

বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে ইসরাইলি হামলা বন্ধ, যুদ্ধাপরাধের জন্য জবাবদিহিতা এবং নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার দাবিতে স্লোগান দেয়।

তারা গণহত্যা বন্ধ, রাফাহর সাথে সংহতি এবং সাহায্যের সুবিধার্থে সীমান্ত খুলে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র : মিডেল ইস্ট আই


আরও খবর

অনুমতি ছাড়া হজ করলে শাস্তি ঘোষণা

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪