Logo
শিরোনাম

অবৈধ বিশ হাজার সিএনজি ঢাকায়

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | ২৬২জন দেখেছেন

Image

নুর মোহাম্মদ মিঠু :

মিটার নেই, নেই রুট পারমিট, এমনকি বাণিজ্যিকভাবে চলাচলের অনুমতিও নেই Ñএরকম ২০ হাজার অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ঢাকার সড়ক। ঢাকা মহানগরীর বৈধ সিএনজিগুলো মিটারে না চললে শাস্তির মুখোমুখি হলেও অবৈধ এসব সিএনজি বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে চলছে বহাল তবিয়তে। দীর্ঘদিন ধরেই এর নেপথ্যে রয়েছে শক্তিশালী একটি দালালচক্র। যে চক্রের মাধ্যমে অবৈধ সেসব সিএনজি অটোরিকশায় নগরীতে বাড়ছে বিশৃঙ্খলা, যানজট, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি। জানা গেছে, মেট্রোর কালার পরিবর্তন করেই ঢাকা মহানগরীতে চলছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলার ২০ হাজার অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা। এদের দাপটে অনেকটাই কোনঠাঁসা ঢাকায় বাণিজ্যিকভাবে চলাচলের জন্য অনুমোদিত পনের হাজার সিএনজি অটোরিকশার মালিক-চালকরাও। যদিও রহস্যজনক কারণে সেই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে না কোনো ব্যবস্থা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বৈধ চালক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এ নিয়ে বৈধ চালকদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও বিআরটিএ বলছে,......।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের দপ্তরে পৃথক দুটি অভিযোগ করে নিবন্ধিত শ্রমিক সংগঠন ঢাকা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের বেশকটি জেলার সিএনজি অটোরিকশা ঢাকা মহানগরীতে চলাচলের জন্য অনুমোদিত নয়। অননুমোদিত হলেও এমন ২০ হাজার সিএনজি অটোরিকশা ঢাকায় চলাচল করছে শুধুমাত্র দালাল চক্রের নেতৃত্বে। যে চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যাত্রাবাড়ী এলাকার বিদ্যুৎ গলির তাছলি। চক্রের সক্রিয় সদস্য রয়েছেন বাড্ডার ৩৯৫ স্বাধীনতা স্বরনীর জাহাঙ্গীর আলম, জয়নাল আবেদীন বাবু ও বাড্ডার বাগানবাড়ী এলাকার তোফাজ্জাল। এছাড়াও ওই চক্রে রয়েছেন আনোয়ার ভান্ডারী, আকাশ, শাহিন, বাড্ডার স্বপন চৌধুরী, রনি, রুবেল, বাড্ডার গোলাম মোয়াজ্জেম ও একই এলাকার বিল্লাল হোসেন। চক্রটির যোগসাজসেই ঢাকার বাইরের সিএনজি অটোরিকশায় ঢাকা মেট্রোর রং করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মহানগরীর সড়ক। জানা গেছে, অবৈধভাবে চলাচল করা ২০ হাজার সিএনজি অটোরিকশার কারণে ঢাকা মহানগরীতে প্রাণহানিসহ অসংখ্য ঘটনাও ঘটেছে। তবুও ঢাকার সড়ক থেকে অবৈধ সেসব সিএনজি অটোরিকশা উৎখাতে নেই কোনো উদ্যোগ। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ এসব সিএনজি অটোরিকশা থেকে মাসিক হারে চাঁদা আদায় করছে দালালচক্রটি। সিএনজি প্রতি পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা চাঁদা আদায় করছে চক্রটি। বিনিময়ে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার মামলা, জরিমানার বিষয়গুলো সমাধান করছে তারা। চক্রটির আঁতাত রয়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের সাথেও। এসব গাড়ি আটক করা মাত্রই তাদের তদবির বাণিজ্য শুরু হয়ে যায়। কখনো কখনো নিজেদের পেশাদার চালক হিসেবেও পরিচয় দেন তারা। বিভিন্ন  কৌশলে আইনি জটিলতা মোকাবিলা করার পরও ওই চক্রের সদস্যরা সিএনজি চুরির নাটক সাজিয়ে সহজ সরল চালকদের কাছ থেকেও হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ। সূত্র বলছে, ওই চক্রের সদস্যদের গোপন আঁতাত রয়েছে সিএনজি অটোরিকশা চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গেও। কোন এলাকা থেকে কারা সিএনজি চুরি করে সেই তথ্যও তাদের কাছে থাকে। গত ৫ জানুয়ারি এমনই একটি ঘটনা ঘটে। সেদিন ঢাকায় (ঢাকা মেট্রো থ ১৩-৭৫৯২) নম্বরের একটি সিএনজি চুরির ঘটনা ঘটে। কিন্তু সিএনজির চালক হান্নান গ্যারেজ পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই দালাল চক্রের সদস্য এবং ওই সিএনজির মালিক জাহাঙ্গীর চোরের সাথে যোগাযোগ করে সিএনজি ফেরত নিয়ে আসে। যদিও চালক হান্নানের কাছ থেকে এই ঘটনায় জরিমানা হিসেবে ১১ হাজার টাকা আদায় করে জাহাঙ্গীর। শুধু তাই নয়- এ চক্রের সদস্যরা সরাসরি সিএনজি চুরির সঙ্গেও জড়িত। ঢাকায় দাপিয়ে বেড়ানো ওই দালাল চক্রের একজন তফাজ্জল। যার নামে টাঙ্গাইলসহ দেশের একাধিক থানায় সিএনজি চুরির মামলা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ চক্রের বিরুদ্ধে এখনি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ঢাকায় চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বন্ধ হবে না।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, মিটারে চালিত সিএনজি অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে মাসিক এক হাজার টাকা করেও চাঁদা আদায় করছে চক্রটি। চালকদের বলা হচ্ছে, ঢাকায় মিটার ছাড়া গাড়ি চালানো, নো পার্কিংসহ অন্য কোনো মামলার সম্মুখীন হতে হবে না তাদের। এক হাজার টাকা মাসোহারায় এসব জক্কিঝামেলা মেটানোর দায়িত্বও নিচ্ছে তারাই। এছাড়াও নগরীতে সিএনজির দরজা লাগানোর বিধান না থাকলেও ওই দালালচক্রের দাপটেই দরজা লাগিয়ে ভাড়ায় চলাচল করছে অবৈধ সেসব সিএনজি। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন আমার সংবাদকে বলেন, সিএনজি অটোরিকশা সেক্টরে যদি শৃঙ্খলা ফেরাতে হয় তাহলে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। বিগত ২০০২ সালে ঢাকার সড়ক থেকে ৩৭ হাজার বেবিট্যাক্সি উচ্ছেদ করা হয়। এরস্থলে নিবন্ধন দেয়া হয় ভাড়ায় চালিত ১৫ হাজার সিএনজি অটোরিকশা। অথচ এতোদিনে ঢাকার পরিধি বেড়েছে চারগুণ, জনসংখ্যাও বেড়েছে কয়েকগুণ। এ বিবেচনায় ২০০৭ সালে সরকার ঢাকায় চলাচলের জন্য বৈধ পাঁচ হাজার থ্রি-হুইলার বরাদ্ধ দেয়। এ সংক্রান্তে একটি মামলাও করে ঢাকা অটোরিকশা মালিক সমিতি। মালিক সমিতির পক্ষে রায়ও হয়। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় চলাচলরত অবৈধ গাড়িগুলো উচ্ছেদ করলে বৈধ গাড়িগুলোও মিটারে চালাতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। যদিও ইতোমধ্যে গ্যাস, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির উচ্চমূল্যের প্রভাবে বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এক্ষেত্রে মিটারের ভাড়াও না বাড়ায় দিনশেষে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে চালকদের। কারন ভাড়ায় চালিত গাড়ির মালিকরা দু-শিপটে দৈনিক জমা নিচ্ছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। দিনশেষে চালকদের কিছুই থাকছে না। তিনি আরও বলেন, এসব অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে গ্যারেজে গ্যারেজে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। অন্যথায় এদের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় এবং ঢাকায়ও শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয়।


আরও খবর

বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ মডেল

শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩




ইফতারে সাংবাদিকদের মারধর বিএনপি কর্মীদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর মিরপুরে পল্লবী কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত

ইফতার মাহফিলে সাংবাদিকদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার এ ঘটনায় বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি ইমরুল আহসান জনিসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এসময় কয়েকটি ক্যামেরাও ভাঙচুর করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সবাইকে শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে হবে। আওয়ামী লীগের দালালরা অনুষ্ঠানে ঢুকে বিশৃঙ্খলা করেছে। সরকারের দালালরা গণমাধ্যমের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে, বিশৃঙ্খলা করছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিতি সাংবাদিকরা বলছেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় কয়েকজন ক্যামেরাপারসন আহত হয়েছেন। দুটি টেলিভিশনের ক্যামেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইফতার আয়োজকদের একজন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেন, একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর সমাধান করা হয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে।


আরও খবর



নওগাঁর দুটি সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক চিকিৎসা সেবা চালু

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | ২৮জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে জনগণের দ্বোরগড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে সারা দেশের ১২ জেলা ও ৩৯টি উপজেলায় বৈকালিক প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সাথে নওগাঁয় দুটি সরকারি হাসপাতালে এ সেবা চালু হয়েছে। এদুটি হলো, নওগাঁ শহরের ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল ও সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক হাবিবুল আহসান তালুকদার। এ সময় নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক জাহিদ নজরুল চৌধুরী সহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে একই সময় সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈকালিক চিকিৎসা সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন নওগাঁর সিভিল সার্জন আবু হেনা মোঃ রায়হানুজ্জামান সরকার।

প্রথম দিন বৈকালিক সেবা দেওয়ার জন্য তিনজন চিকিৎসক চেম্বারে বসেন। কিন্তু সরেজমিনে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ওই তিন চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে কোনো রোগীকে সেবা নিতে আসতে দেখা যায়নি। 

এ বিষয়ে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে টাকার বিনিময়ে বৈকালিক সেবা দিতে তারা আগ্রহী। কিন্তু প্রচারণার অভাবে রোগীরা এখনও এই কার্যক্রম সম্পর্কে জানেন না। এজন্য প্রথম দিন কোনো রোগী আসেননি।


আরও খবর



ডেটিং অ্যাপের ফাঁদে ফেলে ইমতিয়াজ হত্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | ৬১জন দেখেছেন

Image

ঢাকার তেজগাঁওয়ের স্থপতি ইমতিয়াজ মোহাম্মদ ভূঁইয়াকে (৪৭) হত্যার ঘটনায় তৃতীয় লিঙ্গের নারীসহ পাঁচজন জড়িত ছিলেন। এরই মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জানা যায়, সমকামী ডেটিং অ্যাপের ফাঁদে ফেলে ইমতিয়াজকে হত্যা করেছে তারা।

এর আগে ৭ মার্চ সন্তানদের স্কুল থেকে বাসায় দিয়ে কাজে বেরিয়ে নিখোঁজ হন স্থপতি ইমতিয়াজ। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও স্বামীকে না পেয়ে কলাবাগান থানায় জিডি করেন ইমতিয়াজের অসহায় স্ত্রী স্থপতি ফাহমিদা।

গণমাধ্যমে কান্নারত কণ্ঠে তাকে বলতে শোনা যায়, আমাদের তো কোনো শত্রু নেই! তাহলে শত্রুহীন লোকটাকে এভাবে খুন করল কারা?

ওদিকে সপ্তাহ পেরিয়ে যায়। স্বামী ঘরে ফেরে না। যতক্ষণে নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান মিলল, ততক্ষণে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হয়ে গেছেন ইমতিয়াজ। কিন্তু থানায় জিডি থাকার পরও বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হলো কী করে? ইমতিয়াজ ঢাকার তেজগাঁও থানা এলাকার মোহাম্মদ হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির নকশার কাজ করতেন। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ৭ মার্চ বাড়ি থেকে বের হয়ে তিনি নিখোঁজ হন। এ নিয়ে ৮ মার্চ তার স্ত্রী ফাহামিদা আক্তার কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের একটি ঝোপের ভেতর থেকে ইমতিয়াজের লাশ উদ্ধার হয়। তবে পরিবার তা জানতে পারেনি। বেসরকারি একটি টেলিভিশনে ইমতিয়াজ নিখোঁজের বিষয়ে প্রতিবেদন সম্প্রচারিত হলে ১০ দিন পর পরিবার জানতে পারে, ইমতিয়াজ মোহাম্মদ খুন হয়েছেন। সিরাজদিখানে যে ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার হয়েছে, তা ইমতিয়াজের। পরে আদালতের অনুমতিতে ওই লাশ উদ্ধার করে শনাক্ত করেছেন ইমতিয়াজের স্বজনরা।

ডিবি পুলিশ জানায়, সমকামী ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তিন সন্তানের জনক ইমতিয়াজের পরিচয় হয় আলিফ নামের এক তরুণের সঙ্গে। তার ডাকে ৭ মার্চ দুপুরে ক্রিসেন্ট রোডের একটি বাসায় যান তিনি। বাসাটি ছিল আরাফাত ও তার তৃতীয় লিঙ্গের সঙ্গী মেঘের। সেখানে পূর্ব-পরিকল্পনা মতো ইমতিয়াজের ওপর হামলে পড়ে আরাফত, মেঘ এবং মুন্না। আটকে রেখে অর্থ দাবি করলে ইমতিয়াজ দিতে অস্বীকৃতি জানান। এতে বেদম মারধর এবং অত্যাচারের শিকার হয়ে একপর্যায়ে মারা যান ইমতিয়াজ।

আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামিরা সমকামী এবং হিজড়া সদস্য। তারা একটি গে চ্যাটিং অ্যাপসের মাধ্যমে পূর্ব থেকে সমকামী বিভিন্ন লোকজনকে রুম ডেটের কথা বলে টার্গেট করে বাসায় ডেকে নিয়ে বিভিন্ন কায়দায় তাদের ব্লাকমেইল করে টাকাপয়সাসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ছিনিয়ে নিয়ে আসছে।

ইমতিয়াজ মোহাম্মদ ভূঁইয়ার আলিফের সঙ্গে গে-চ্যাটিং অ্যাপসের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি হয়। তারই সূত্র ধরে গত ৭ মার্চ দুপুরে আলিফকে ইমতিয়াজ ফোন করলে তাকে কলাবাগান থানার ক্রিসেন্ট রোডের আরাফাতের বাসায় যেতে বলা হয়।

ইমতিয়াজ সেখানে গেলে আলিফ তাকে নিয়ে রুমের ভেতর আপত্তিকর অবস্থায় থাকাকালীন পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আরাফাত, মেঘ, মুন্না ও আনোয়ার রুমে প্রবেশ করে ওই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভিকটিমকে মারধর শুরু করে এবং বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করে। ইমতিয়াজ টাকা দিতে অস্বীকার করলে আসামিরা তার বুকে, পিঠে, আঘাতসহ প্রচণ্ড মারধর করে। যার কারণে ইমতিয়াজের মৃত্যু হয়।

ঘটনা ধামাচাপা দিতে মগবাজার থেকে একটি প্রাইভেট কার নিয়ে আসে মেঘ। আরাফাত ডেকে আনে আনোয়ারকে। ইমতিয়াজের লাশ পেছনে ঢুকিয়ে সুবিধাজনক একটি স্থান খুঁজতে থাকে তারা। একসময় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থানা এলাকার কামারকান্দা গ্রামের নবাবগঞ্জ হাইওয়ে রোডের পাশে ঝোপে লাশটি ফেলে যে যার মতো গা ঢাকা দেয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

ডিবির তেজগাঁও বিভাগের নেতৃত্বে টানা অপারেশনে গ্রেপ্তার হয় মেঘ, আনোয়ার ও মুন্না। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার একটি গ্যারেজ থেকে হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। তবে আরাফাত আর আলিফ পালিয়ে গেছে ভারতে। চক্রটি এভাবে ডেটিং অ্যাপের ফাঁদে ফেলে বহু মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।

 


আরও খবর

জেলেই থাকতে হচ্ছে সাহেদের

মঙ্গলবার ২৮ মার্চ ২০২৩




নওগাঁয় ইরো-বোরো ধান চাষে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ,ধানের মূল্য বাড়ানোর দাবি

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | হালনাগাদ:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | ৬৬জন দেখেছেন

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :

শস্য-ভান্ডার নামে সারা দেশে পরিচিত উত্তরাঞ্চল এর নওগাঁ জেলার ১১ টি উপজেলায় এবার ইরি-বোরো ধান উৎপাদন (চাষে) খরচ বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে বলেই জানিয়েছেন কৃষকরা। ধান চাষি কৃষকরা বলছেন, বিগত ধান চাষের মৌসম থেকে এবার চলতি ইরি-বোরো ধান চাষে দ্বিগুণ খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে দিন মজুর ও ধানের চারা রোপন কাজের শ্রমিকের মূল্য যেমন বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ তেমনি বাজারে ডিজেল এর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় জমি চাষের খরচও বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ, এছাড়া সার এর মূল্য কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও বেড়েছে পানি সেচ মূল্য, বীজ, কীটনাশক সহ কৃষি শ্রমিকের মজুরি। যার ফলে বিগত বছরের থেকে এবার প্রতি বিঘা ইরি-বোরো ধান চাষে ৪-৫ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন কৃষকরা। একই সাথে কৃষকরা জানিয়েছেন, ধান - কাটা মাড়াই এর শুরু থেকেই বাজারে প্রতি মণ ধান সর্বনিন্ম ১৫-১৬ শ’ টাকা দরে যদি বিক্রি করতে পারেন, সেক্ষেত্রে তারা কিছুটা লাভমান হতে পারেন। এরনিচে কম মূল্যে বিক্রি করলে কৃষকরা লোকসানের মুখে পড়বেন।

তবে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বর্গাচাষিরা। ইউরিয়া সার, শ্রমিক, চাষের খরচ সহ পানি সেচ বাবদ খরচ বেড়ে যাওয়ায় জেলায় এবার গত বছরের চেয়ে ৮৬ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে করতে হচ্ছে কৃষকদের। 

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে নওগাঁ জেলার সদর, মহাদেবপুর, পত্নীতলা, ধামইরহাট, সাপাহার, নিয়ামতপুর, মান্দা, বদলগাছী, রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলায় মোট ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭শ' ৫৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ পরিমাণ জমিতে ধান চাষে পানি সেচ ও সার বাবদ খরচ হবে ২৯৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। গত বছর এক লাখ ৮৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদে সার ও সেচে খরচ হয়েছিল ২১৩ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। চলতি বছর এ বাড়তি খরচ প্রান্তিক চাষি (কৃষকদের) জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কৃষকরা সার, ডিজেল ও বিদ্যুতের দাম সহনীয় পর্যায়ে এনে ধানের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণের দাবিও জানিয়েছেন কৃষকরা।

নওগাঁ জেলার পল্লী গ্রামের মাঠ গুলোতে এবার চিকন ধান জিরাশাইল, কাটারিভোগ, সম্পা কাটারি, ব্রি-২৮, ২৯, ৮১, ৮৬, ৮৮, ৮৯, ৯০, ৯২ ও বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলার মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ যেন সবুজ চাদরে ঢাকা। ইরি-বোরো ধানের ক্ষেতে সবুজের সমারোহ নজর কাড়ব যে কারো মনে। ইরি-বোরো ধান ক্ষেত পরিচর্যায় কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটামোড় চৌমাশিয়া গ্রামের কৃষক সাজ্জাদ হোসেন মন্ডল, খোর্দ্দনারায়নপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বাবু সহ বেশ কয়েক জন কৃষক জানান, বিগত বছরের চেয়ে এবার ইরি-বোরো ধান চাষে খরচ অনেক বেড়েছে। তারা বলেন, শ্রমিকের খরচ, পানি সেচ খরচ ও ডিজেল এর মূল্য রাড়ানোর ফলে জমি চাষ খরচ সহ কিটনাশকের মূল্যও ব্যাপক বৃদ্ধি হওয়ায় চলতি ইরিবোরো ধান চাষে বিঘা প্রতি ৪-৫ হাজার টাকা খরচ বৃদ্ধি হয়েছে, এজন্য বাজারে ধানের মূল্য ও বাড়ানোর দাবি করেন কৃষকরা। অপরদিকে আত্রাই উপজেলার দমদমা গ্রামের পোস্ট মাস্টার আব্দুল লতিফ চাকরির পাশাপাশি কৃষি কাজও করেন। এবার তিনি সারে ৪ বিঘা জমিতে ইরো বোরো ধান লাগিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। সেই সাথে বেড়েছে কীটনাশকের দাম, জমি চাষ, ধানের চারা লাগানো, নিড়ানিসহ বিভিন্ন খরচ গত বছরের চেয়ে এবার বিঘাপ্রতি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা বেড়েছে। প্রতি মণ ধান ১৫শ' টাকা থেকে ১৬' টাকায় বিক্রি করা না গেলে ধানে লোকসান গুণতে হবে।

বদলগাছী উপজেলার চাংলা গ্রামের কৃসক ওয়াহেদ আলী এবার সারে ৬ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ইরি বোরো ধান রোপণ করেছেন। তিনি বলেন, গতবছর ধানের চারা রোপণ ৭০০-৮০০ টাকা বিঘা হিসেবে শ্রমিকের মজুরি ছিল। এবার তা বেড়ে ১৫০০ টাকা দ্বিগুণ হয়েছে। এছাড়া একজন শ্রমিক এক বেলা খাওয়া দিয়ে ৫০০ টাকা দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে এবার প্রতি বিঘা জমিতে ধান রোপণ থেকে শুরু করে ঘরে তোলা পর্যন্ত ১৬-১৭ হাজার টাকা খরচ হবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ধান পাবো ২০ মণ। এর মধ্যে জমির মালিককে প্রতি বিঘাতে ৭ মণ করে ধান দিতে হবে। ৭ মন ধান দেওয়ার পর বিঘাতে ১৩ বা ১৪ মন ধান পাবো, তাহলে ধান চাষ করে কী লাভ হবে। এবার ধানের মন বিগত বছরের থেকে ৩০০-৪০০ টাকা বেশি না করা হলে আমরা ক্ষতির মুখে পড়বো।

রানীনগর উপজেলার মিরাট গ্রামের ধান চাষি কৃষক শুকবর আলী বলেন, এবছর ধার-দেনা করে ৭ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। গত বছরের তুলনায় এবার প্রতি বিঘা বোরো আবাদের শুরুতেই খরচ বেড়েছে ২হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত। শ্রমিকের মজুরি গত বছর ছিল ৩শ' টাকা। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫শ' থেকে সারে ৫শ' টাকায়। ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে সেচ ও জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করায় খরচ বেড়েছে। এই ধার-দেনার টাকায় ধান কাটার পরেই তা বিক্রি করতে হয়। তখন (ধান-কাটা মাড়াই এর) সময় আবার ধানের দামও পাওয়া যায় না। ধান ঘরে তোলার সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। শ্রমিকদেরকে বেশি টাকা দিয়ে ধান কাটাতে হয়। তাই এবার ধানের দাম না বাড়লে ধান চাষি কৃষকরা মাঠে মারা যাবে বলেও মনে করেন তিনি।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদফতরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা একে এম মঞ্জুরে মাওলা জানান, ইতিমধ্যেই জেলায় মতভাগ আবাদি ধান চাষের জমিতে ধান রোপন সম্পূর্ণ করেছেন কৃষকরা। এখন ধান নিরানি, কিটনাশক, সেচ সহ ধান ক্ষেতের পরিচর্যা নিয়ে ব্যাস্ত কৃষকরা। তবে এখন পর্যন্ত জমিতে ইরি বোরো পরিবেশ ভালো রয়েছে। আশা করা হচ্ছে এবার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। তিনি আরো বলেন, এবছর বিদ্যুৎ খরচ ও সেচ খরচ বেড়েছে, বেড়েছে শ্রমিকের মূল্যও। আর যেকোনো বিষয়ে উৎপাদন খরচ বাড়লে সেটি শেষ পর্যন্ত কৃষক পর্যায়ে বেড়ে যায়। সরকার ধানের দাম নির্ধারণ করার সময় বর্তমান বাজার দরের সমন্বয় করবেন। তবে বাজারে ধানের দামও ভালো পাবেন কৃষকরা এবং কৃষকরা ধান বিক্রি করে লাভবান হবেন বলে আশা এই কৃষি কর্মকর্তার।


আরও খবর



ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত বুঝবেন কিভাবে ?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ এপ্রিল ২০২৩ | ১০৭জন দেখেছেন

Image

লিভার শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে, চর্বি, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট বিপাক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনকি গ্লাইকোজেন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সংরক্ষণেও কাজ করে।

শরীরের ভেতরে ও বাইরে পিত্ত উৎপন্ন ও নির্গত করার পাশাপাশি লিভার অ্যালবুমিন ও জমাট বাঁধার কারণগুলোর মতো প্লাজমা প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। তাই লিভারে বিভিন্ন রোগ দেখা দিলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে পুরো শরীরে এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

লিভারের বিভিন্ন রোগের মধ্যে ফ্যাটি লিভার অন্যতম। ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হয়, যখন বিভিন্ন কারণে লিভারে খুব বেশি চর্বি জমা হয়। দুটি প্রধান ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হলো- ননঅ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (এনএএফএলডি)।

এটি হলো এক ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যা ভারী অ্যালকোহল ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অন্যদিকে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যাকে অ্যালকোহলিক স্টেটোহেপাটাইটিসও বলা হয়। এটি প্রচুর অ্যালকোহল সেবরেনর সঙ্গে যুক্ত।

ফ্যাটি লিভারের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো-

>> পেটে ব্যথা বা পূর্ণতার অনুভূতি

>> বমি বমি ভাব

>> ক্ষুধা ও ওজন কমে যাওয়া

>> হলুদ ত্বক

>> চোখ হলুদ হওয়া

>> পেট ও পা ফোলা

>> ক্লান্তি ও মানসিক বিভ্রান্তি

>> দুর্বলতা

ফ্যাটি লিভার কীভাবে হাঁটাকে প্রভাবিত করে?

দুই ধরনের ফ্যাটি লিভার ডিজিজের মধ্যে, নন-অ্যালকোহলযুক্ত ফ্যাটি লিভার ডিজিজকে বলা হয় স্নায়বিক রোগের জন্য সবচেয়ে নতুন ভাস্কুলার রিস্ক ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে একটি।

এক্সপ্রেস.ইউকের রিপোর্ট অনুযায়ী, অস্বাস্থ্যকর লিভার যা কাজ করার জন্য লড়াই করছে তা বিভিন্ন ফাংশনকে প্রভাবিত করতে পারে।

আচরণ, মেজাজ, বক্তৃতা, ঘুম’সহ একজন ব্যক্তির চলাফেরায় পরিবর্তন আনে লিভারের এই ব্যাধি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, হাঁটার ভঙ্গি পরিবর্তন ফ্যাটি লিভার রোগের সংকেত দিতে পারে।

লিভার ট্রাস্টের তথ্য অনুসারে, ফ্যাটি লিভার রোগের রোগীর হাঁটার মধ্যে দুটি সবচেয়ে সাধারণ পরিবর্তন হলো একটি স্তম্ভিত গতি ও পড়ে যাওয়ার প্রবণতা।

একটি স্তম্ভিত গতিপথকে সাধারণত একটি অ্যাট্যাক্সিক গাইট হিসাবে বর্ণনা করা হয়, যার অর্থ অসংলগ্ন হাঁটা। রিপোর্টে শেষ পর্যায়ের ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও পারকিনসন্সের মধ্যে মিল পাওয়া গেছে।

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন?

মায়ো ক্লিনিক পরামর্শ দিচ্ছে, ফ্যাটি লিভার রোগের ঝুঁকি কমাতে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য ও স্বাস্থ্যকর চর্বি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে ডায়েটে।

এর পাশাপাশি শারীরিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মাধ্যমে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

আর অবশ্যই অ্যালকোহল পান ও ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো পরিহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।


আরও খবর