Logo
শিরোনাম

ওয়াকার-উজ-জামান নতুন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ |

Image

সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার (১১ জুন) আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে জানা যায়, আগামী ২৩ জুন থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে (ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফ-সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দিয়ে ওই দিন থেকে আগামী তিন বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলোর প্রধানদের (নিয়োগ, বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা) আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তিনি বেতনভাতা পাবেন।

১৮তম সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।


আরও খবর



একমঞ্চে হাস্যোজ্জ্বল তাহসান-মিথিলা

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image



সদরুল আইন:


গান ও অভিনয় জগতের জনপ্রিয় তারকা তাহসান খান ও রাফিয়াত রশীদ মিথিলা এক সময়ের দম্পতি ছিলেন। 


একসঙ্গে বহু কাজও করেছেন এই জুটি। কিন্তু ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হওয়ায় ভক্তরা বেশ দুঃখ পেয়েছিল। 



তবে বিচ্ছেদের এত বছরের তাহসান-মিথিলার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় ছিলো সব সময়। সেটাই আরও একবার প্রমাণ করলেন তারা।


সম্প্রতি ওটিটি প্লাটফর্ম চরকির জন্য একটি ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন তাহসান-মিথিলা। আরিফুর রহমান পরিচালিত ‘বাজি’, শিরোনামের সিরিজটি ঈদে স্ট্রিমিং হবে। 



সে উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (১১ জুন) রাজধানী গুলশানের একটি ক্লাবে ডাকা হয় সংবাদ সম্মেলন। অতিথি মঞ্চে দেখা গেছে তাহসান ও মিথিলাকে।



এই দুই তারকাকে একমঞ্চে হাস্যোজ্জ্বল ভাবেই দেখা গেছে। তাদের মাঝখানে বসে ছিলেন চরকির সিইও রেদওয়ান রনি।


বাজির মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ওটিটি প্লাটফর্মে অভিষেক ঘটছে তাহসানের। এই সিরিজে তাকে একজন ক্রিকেটারের চরিত্রে দেখা যাবে। তবে তিনি বাস্তব কোনো ক্রিকেটারের চরিত্রে অভিনয় করছেন কি না, তা নিশ্চিত করেনি চরকি। 



কিন্তু জানা গেছে, ক্রিকেটে বাজি ও বাজির প্রভাব ঘিরেই গড়ে উঠেছে ‘বাজি’র গল্প।



এর আগে তাহসান বলেছিলেন, ‘ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার আগ্রহ আছে। সেখানে টেলিভিশন নাটকের চেয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকে। ভালো পরিচালক, অনেক বেশি প্রস্তুতি মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে।


তার আগে কাজ করা উচিত মনে হয় না আমার কাছে। সময় নিয়েই ফিরতে চাই।’ শেষ পর্যন্ত ‘বাজি’ দিয়ে ওটিটিতে অভিষেক হচ্ছে তার। 


এবার তাহসান বললেন, ‘বাজির গল্প দারুণ। ওটিটিতে এমন একটি কাজের মাধ্যমেই যাত্রা হোক– এটাই চেয়েছিলাম। অবশেষে সেটা হচ্ছে। আশা করি কাজটি দর্শকদের আশাহত করবে না।’


সাসপেন্স ড্রামা ঘরানার এই সিরিজে তাহসান খান ও মিথিলা ছাড়াও অভিনয় করেছেন মিম মানতাসা, মনোজ প্রামাণিক, নাজিয়া হক অর্ষা, শাহাদাৎ হোসেন, পার্থ শেখ, তাসনুভা তিশা, আবরার আতহারসহ আরও অনেকে।


আরও খবর

এইডসের গুজবে যা বললেন মমতাজ

মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪




শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিয়ে তর্কযুদ্ধের শেষ কোথায়?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image


বিনোদন রিপোর্টঃ

মাসখানেক আগেই অনুষ্ঠিত হয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। যেখানে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর এবং আগের মেয়াদের বিতর্কিত সাধারণ সম্পাদক নিপুণকে হারিয়ে নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডিপজল।

নির্বাচনে হারার পর মিশা-ডিপজলকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন নিপুণ। তবে মাস না পেরুতে পুরোনো রূপে ফিরেছেন তিনি। শুরু হয়েছে কাদা ছোড়াছুড়ি। যা রীতিমতো হাস্যরসের উপাদান হিসেবে ধরা দিয়েছে।

এমনকি বিষয়টি নিয়ে নানা মাধ্যমে বিরক্তি প্রকাশ করছেন শোবিজ অঙ্গনের অনেকে। অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো এবার চেয়ার দখল নিয়ে লড়াই বন্ধ হবে। কিন্তু তা ভুল প্রমাণ করে সংগঠনটি আবারও নাট্যমঞ্চে পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি কারচুপির অভিযোগ এনে শিল্পী সমিতির ফলাফল স্থগিত এবং নতুন নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা চেয়ে আদালতে রিট করেছেন নিপুণ। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বাতিল ভোটের সংখ্যা সঠিক দেননি। আমার জানামতে, ৮১টি ভোট বাতিল হয়েছে।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন ৪০টি ভোট বাতিল দেখিয়েছে। এ নিয়ে স্পষ্ট করে কোনো কিছুই আমাদের প্যানেলকে জানায়নি তারা।’


নিপুণ জানালেন, আরও আগেই রিট করার কথা ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতা এবং জরুরি কাজে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করে রাখায় সেটা সম্ভব হয়নি। এদিকে বিষয়টি শুধু রিটেই আটকে নেই। এরই মধ্যে বাকযুদ্ধে পরিণত হয়েছে। ডিপজলকে ‘অশিক্ষিত’ বলে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন নিপুণ। ডিপজলও যথা সময়ে উত্তর দিয়েছেন।

নিপুণ ডিপজলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘স্যরি টু সে, আমাকে বলতে হচ্ছে—শিল্পী সমিতিতে এমন একজন সেক্রেটারি পদে এসেছেন যার কোনো শিক্ষা নেই। এটা অশিক্ষিত লোকদের জায়গা না, এটা আনকালচারদের জায়গা না। এটা কাজ করে দেখিয়ে দেওয়া লোকদের জায়গা।

শুধু কাজ করলেই হবে না, জ্ঞান থাকতে হবে, শিক্ষিত হতে হবে। আমি একজন গ্রাজুয়েট। আমার তিন প্রজন্ম গ্রাজুয়েট। আমরা তাদের সম্মান দিয়েছিলাম। কিন্তু দেখলাম তারা সেই সম্মান রাখেনি। সম্মান রাখার যোগ্য তারা নয়। তাদের এখন আইনগতভাবেই মোকাবিলা করা হবে।’


নিপুণের কটাক্ষের জবাব দিয়ে শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল বলেন, ‘সে তো বাপকেই অস্বীকার করে। রক্তের সমস্যা না হলে এমন বলতে পারে না। কারণ ও (নিপুণ) যাকে দিয়ে চলচ্চিত্র চিনেছে তাকেই ভুলে গেছে, অস্বীকার করছে। কেস খেলবা আসো। যেটা খেলার মন চায় সেটাই খেলো। আমরা চাই ভদ্রতা ও নম্রতা। আমরা চাই চলচ্চিত্র কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় সেদিকেই কাজ করব।

আমরা ঝামেলা চাই না।’ দু’জনের এমন মন্তব্য নতুন বিনোদনের রসদ জুগিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে।


আরও খবর



ভাওয়াল রিসোর্টের বিরুদ্ধে মামলা, বনভূমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

 ডিজিটাল ডেস্ক:

গাজীপুরে আলোচিত ভাওয়াল রিসোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।


রোববার (২ জুন) গাজীপুরের বিজ্ঞ ১ম যুগ্ম জেলা জজ নাজমুন নাহারের আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। 


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সরকার। তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।

আগামী ৬ নভেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।


অন্যদিকে, ভাওয়াল রিসোর্টের দখলে থাকা ৩.৬৮ একর বনভূমি উদ্ধারে অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে গাজীপুর জেলা প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক। 


ভাওয়াল রিসোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে মামলার বাদীরা হলেন- ঢাকার কলাবাগান থানার সার্কুলার রোডের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বজলুল হক, তার ভাই ডা. মো. সিরাজুল হক, বোন সামসুন্নাহার এবং ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মো. জাহিদুল হক, পাপিয়া পারভিন ও তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে। 


অন্যদিকে মামলার মূল অভিযুক্তরা হলেন- আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শওকত আজিজ রাসেল। অন্যরা হলেন- রফিকুল ইসলাম মাস্টার, ভাওয়াল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা- এর ম্যনেজার সুমন ও মো. কামরুল ইসলাম।  


মামলায় মোকাবেলা বিবাদী করা হয়েছে, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), গাজীপুর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি), গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা। 


মামলার বিবরণে জানা যায়, গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়ইপাড়া মৌজা নলজানী গ্রামে বাদীপক্ষের ১০২ শতাংশ সম্পত্তি ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি বিবাদীরা জোরপূর্বক জবরদখল করে। জীবনের ভয়ে তারা এতদিন মামলা করতে সাহস পায়নি। মামলায় জমি থেকে আসামিদের উচ্ছেদ করে বাদীপক্ষের নালিশি জমি উদ্ধারের আবেদন করা হয়েছে। 


বাদীপক্ষের আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সরকার বলেন, আদালত শুনানীতে সন্তুষ্ট হয়ে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৬ নভেম্বর আসামিদের আদালতে হাজির হয়ে জবাব দিতে বলেছেন। 


তিনি আরও বলেন, আমরা শুনেছি, পুলিশের সোবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ ভাগ শেয়ারের মালিক। আমরা তার ঠিকানা জানি না, তাই তাকে এ মামলায় বিবাদী করা হয়নি। ঠিকানা পাওয়া গেলে তাকেও এ মামলায় পক্ষভূক্ত করা হবে।


স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, ২০১৩ সালে গাজীপুর সদরের বারইপাড়া মৌজায় ভাওয়াল রিসোর্ট প্রতিষ্ঠা করে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্প গ্রুপ পারটেক্স। গ্রুপটির মালিক ও বিএনপি নেতা এম এ হাশেম। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে শওকত আজীজ রাসেল বর্তমানে এটির মালিকানায় রয়েছেন।  


অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় অনেক অসহায় মানুষের জমি জোরপূর্বক দখল করে বানানো হয়েছে এই রিসোর্ট। 


স্থানীয় লোকেরা আরও জানান, বেনজীর আহমেদ কোনো প্রকার বিনিয়োগ ছাড়াই ভাওয়াল রিসোর্টের ২৫ শতাংশের মালিক হয়েছেন। এ কারণে বেনজীরের ভয়ে স্থানীয় লোকজন ভাওয়াল রিসোর্টের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেতেন না।


এদিকে, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন বিভাগের ৩.৬৮ একর জমি উদ্ধারের বিষয়ে ভাওয়াল রিসোর্টের করা মামলায় উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল। এ কারণে জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। 


গত বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে মামলায় রায় হয়েছে। আদালত স্থগিতাদেশটি প্রত্যাহার ও ভাওয়াল রিসোর্টের মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এখন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনায় কোনো বাধা নেই। 


তিনি আরো বলেন, এখন আইনীভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা আইন অনুযায়ী ৭ দিনের সময় দিয়ে নোটিশ দেব। তারপর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে। আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কয়েক দিন লাগতে পারে।


আরও খবর



সরকার দেশকে ধ্বংস করে ফেলেছে : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব সংবাদদাতা:


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন সেনাবাহিনীর অবস্থা কি? বাহিনী হিসেবে তার সম্মান কোথায় থাকে যখন সাবেক সেনাপ্রধানকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়? 


পুলিশ বাহিনীর মান-ইজ্জত কোথায় থাকে যখন সাবেক আইজিপিকে পালিয়ে যেতে হয় দেশ থেকে। এ থেকে বোঝা যায় সরকার দেশটাকে ধ্বংস করে ফেলেছে।



আজ সোমবার (৩ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।



মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে আপনারা পত্র-পত্রিকা খুললেই দেখতে পারবেন বেনজীরের নজিরবিহীন দুর্নীতি। একই সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ তাকেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একজন এমপিকে পার্শ্ববর্তী দেশে টুকরো টুকরো করা হয়েছে, এই হলো সরকারের চেহারা।’ 


আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি এবং এই অবস্থা তৈরি করেছে বর্তমান সরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


সরকারের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বারবার বলি সাহস থাকলে আসেন, একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন করেন। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনেই প্রকাশ হবে কার কত জনপ্রিয়তা। এই সরকারের শাসনকালে দলীয় সরকারের অধীনে তিনটা নির্বাচনই প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। এরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। গত ১৫ বছরে একটা দানব সরকার সবকিছু ধ্বংস করেছে।’



নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নিজেদেরকে সংগঠিত করার আমরা চেষ্টা করছি। জেল খাটছি । আমরা বারবার জেলে যাচ্ছি কিন্তু আমরা এখনো চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারিনি। এই চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের জন্য আমাদের সংগঠনকে আরও দৃঢ় করতে হবে, নিজেদের মধ্যে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে দূর করে ফেলতে হবে। 


সবাই মিলে এক সঙ্গে এক জোটে নামতে হবে। কারণ এটা বিএনপির সমস্যা না, এটা বাংলাদেশের সমস্যা, জাতির সমস্যা। এই জাতি ভবিষ্যতে টিকবে কি টিকবে না, আপনার ছেলেরা ভবিষ্যতে চাকরি পাবে কি পাবে না, তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারবে কি পারবে না, এর পুরোটাই নির্ভর করছে এই সরকারের পতনের ওপর।’



বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘জিয়া ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন। জিয়ার আহ্বানেই দ্বিধা বিভক্ত জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এটা সরকার মুছে ফেলতে চায়। আমরা শেখ মুজিবের অবদানকে কখনও অস্বীকার করি না। ৪৩ বছর পরেও জিয়াকে এদেশের মানুষ ভোলেনি।


 যারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানকে অস্বীকার করে তারা তো দেশের স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করে। কারন তিনিই স্বাধীনতার ঘোষক।’



জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক সাহিদা রফিক, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ।


আরও খবর



জাতীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে করার পক্ষে সিইসি

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নির্বাচন আরও গ্রহণযোগ্য করতে উপজেলা নির্বাচনের মতো জাতীয় নির্বাচনও ধাপে ধাপে করার পক্ষে মত দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন যদি ধাপে ধাপে আয়োজন করা যায় তাহলে নির্বাচন আরও গ্রহণযোগ্য হবে। এতে নির্বাচনের আয়োজন করতেও সহজ হবে।

রোববার (২ জুন) আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। এসময় সিইসি এসব কথা বলেন।


বৈঠকে সংসদ নির্বাচন পাঁচ দফায় করার পরামর্শ দেয় টিআইবি। তাদের এই পরামর্শের সঙ্গে ইসি একমত জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমাদের আইনে সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা সেটিও স্বীকার করেছি।



সিইসি বলেন, আমরা টিআইবিকে বলেছি- জাতীয় নির্বাচন ধাপে ধাপে করা যায় কি না, সে ব্যাপারে জনমত গড়ে তুলতে। কারণ ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করতে পারলে নির্বাচনকে আরও বেশি সুষ্ঠু করা যাবে।


 কারণ, তখন আরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা যাবে। আরও বেশি পোলিং এজেন্ট মোতায়েন করা সম্ভব হবে।


রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৈরিতা কমাতে এক টেবিলে বসার প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেন হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এটি করতে হলে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা প্রয়োজন।



তিনি বলেন, টিআইবির সঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে কথা হয়েছে। তারা বলছে নির্বাচনটা অংশগ্রহণমূলক হয়নি। তবে ফেয়ার হয়েছে। একটা দক্ষতার অভাব রয়েছে। সেটা ওনারা জোর দিয়ে বলেছেন।


 আমরা তাদের বলেছি, আমাদের কাজ হচ্ছে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ করা। আমরা বলেছি, সমস্যা অনেকটাই রাজনৈতিক। রাজনৈতিক সমস্যা নিরসন না হলে, নির্বাচন ব্যবস্থাটা আরও স্থিতিশীল হবে না। রাজনৈতিক সমাঝোতা হয়ে গেলে নির্বাচনটা আরও সুন্দর হতে পারে।


কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা সব অ্যাকশন নেই না। কিছু অ্যাকশন রিটার্নিং কর্মকর্তা নেন। হলফনামা বাছাই করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা, সে-ই নির্বাচন কমিশন। শত শত আপিল হয়, এখানে বাতিল হলে কোর্টে যায়, সেখানে ফিরে পায়। 



আবার আপিলে যায়। সেখানকার সিদ্ধান্তগুলো চ্যালেঞ্জ করি। আমাদের সীমিত সামর্থ্যে আমরা চেষ্টা করি। আমাদের যে অনন্ত সক্ষমতা আছে, সেটা মোটেই না। নির্বাচন কমিশন কখনো একা অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না, যদি না রাষ্ট্র এবং সরকারের পলিটিক্যাল উইল সপক্ষে থাকে।


 রাষ্ট্রের যদি পলিটিক্যাল উইল সপক্ষে থাকে তাহলে প্রশাসন, পুলিশ, আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে বাধ্য।


সিইসি জানান, ভবিষ্যতে নির্বাচনী আইনের সংস্কার করতে পরামর্শ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে পরবর্তী কমিশনকে পরামর্শও দেয়া হবে।


আরও খবর